Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৮ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি|| ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৮ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি|| ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    এক মামলায় ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন দিল আদালত



    উগ্র হিন্দুত্ববাদী ইসকন নেতা ও সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনের করা একটি নালিশি মামলায় জামিন দিয়েছে আদালত। গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাখাওয়াত হোসেন এ জামিনের আদেশ দেয়।

    এর আগে তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে বাদী পক্ষ। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৭ এপ্রিল শুনানি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাদীর আইনজীবী নাজমুল হক।

    গণমামাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নালিশি মামলাটিতে পিবিআইয়ের প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর কারাগারে আটক চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বৃহস্পতিবার তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হলে শুনানি শেষে আদালত তা মঞ্জুর করে।

    মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালে দায়ের করা এ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস সহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়। মামলাটি দণ্ডবিধির আওতায় করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে পিবিআই প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই মামলায় অভিযোগ ছিল, চিন্ময় মীর নাছিরের মালিকানাধীন হাটহাজারীর মেখল ইউনিয়নের একটি মৌরশী জমিতে দলবলসহ অনধিকার প্রবেশ করে হামলা, ভাঙচুর করে গাছপালা কাটে ও মাছ আত্মসাৎ করে। জমিটি দখল করে সেখানে মুরগির ফার্ম গড়ে তুলে, মাছ চাষ করে ভোগ দখল করে। এতে সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং বাদী বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে।

    উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ ইসকন সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন। তার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর পুলিশ, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে আরও কয়েকটি মামলা হয়। ইতিমধ্যে আলিফ হত্যা মামলায় পুলিশ অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে এবং বর্তমানে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।

    তথ্যসূত্র:
    ১। বিএনপি নেতা মীর নাছিরের মামলায় চিন্ময়ের জামিন মঞ্জুর
    https://tinyurl.com/4v2y82dm
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের নাগরিকত্ব বাতিলে বাড়ছে উদ্বেগ, বাংলাদেশে জোরপূর্বক ‘পুশ-ইন’ এর ইঙ্গিত


    ​ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম নাগরিকদের ভোটাধিকার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা উক্ত অঞ্চলে মুসলিমদের ভবিষ্যত নিয়ে তীব্র শঙ্কা তৈরি করেছে। ভারতের অবৈধ অধিকৃত কাশ্মীরের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বাড়ছে গোয়েন্দা নজরদারি ও হয়রানি। তালিকাচ্যুতদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেওয়ার আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে। ১৭ এপ্রিল ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকায় বাংলাদেশের সীমান্তে “আরেক কাশ্মীর হওয়ার পদধ্বনি” শিরোনামে এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়েছে।

    ‎সম্প্রতি নাগরিকত্ব বাতিলের ফলে পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি মুসলিম পরিবারের করুণ অবস্থা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে।

    ‎রাজ্যের মুর্শিদাবাদের বাহুতলী এলাকার আমিনুল ইসলাম পেশায় একজন সরকারি কর্মকর্তা। অথচ এখন নিজ দেশেই তিনি পরিচয় সংকটে। সম্প্রতি দেশটির নির্বাচন কমিশনের ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ার পর আমিনুলের ১২ সদস্যের যৌথ পরিবারের ৯ জনের নামই ভোটার তালিকা থেকে গায়েব হয়ে গেছে। সব বৈধ নথি পেশ করার পরও ভোটার তালিকায় বাদ পড়ায় আমিনুলের পরিবারে এখন নানা ধরনের শঙ্কা। তার আশি বয়ঃঊর্ধ্ব বৃদ্ধ মা নাগরিকত্ব হারানোর দুশ্চিন্তায় অসুস্থ হয়ে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    ‎অন্যদিকে চিকিৎসক বোন মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির সুযোগ পেলেও ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় পাসপোর্ট করতে পারছেন না। চরম অনিশ্চয়তা আর হতাশায় দিন কাটানো আমিনুল ইসলাম গত মঙ্গলবার আক্ষেপ করে আমার দেশকে বলেন, ‘মনে হচ্ছে আমরা নিজ দেশে পরবাসী’।
    ‎বিজ্ঞাপন

    ‎একই আর্তনাদ দৈলতাবাদ গ্রামের আসিফের (ছদ্ম নাম) কণ্ঠেও। নাওয়া-খাওয়া ভুলে নথিপত্র নিয়ে ছোটাছুটি করা আসিফ আমার দেশকে বলেন, প্রশাসন থেকে কোনো সহযোগিতা তো পাচ্ছিই না, উল্টো বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী আমাদের ভিটেমাটি বিক্রি করে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।

    ‎আমিনুল বা আসিফরা বিচ্ছিন্ন কেউ নন, এ মানবিক বিপর্যয়ের মেঘ এখন পশ্চিমবঙ্গের প্রায় এক কোটি ৩৬ লাখ মানুষের মাথার ওপর ঘনীভূত হচ্ছে, যাদের একটি বিশাল অংশই মুসলিম।

    ‎এ প্রক্রিয়াটি মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নিধনের শুরুর দিকের প্রক্রিয়ার কথা মনে করিয়ে দেয়। অবাক করার বিষয় হলো, এ বর্জনের হাত থেকে রেহাই পায়নি মীর জাফরের ৩৪৬ জন বংশধরের নামও, যারা শতবর্ষ ধরে ভারতের মাটিতে বাস করছে।

    ‎কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শহীদুল্লাহ মুন্সি ও তার পরিবারের নামও এ তালিকায় ফেলে রাখা হয়েছিল, যা পরে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা সংশোধন করা হয়।

    ‎একইভাবে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ২০১৫ সালের ছিটমহল বিনিময় চুক্তির পর ভারতকে বেছে নেওয়া মুসলিম অধিবাসীরা। ভারত সরকার সে সময় উন্নয়নের রঙিন খোয়াব দেখালেও আজ এসআইআরের মারপ্যাঁচে তারা রাষ্ট্রহীন হয়ে পড়েছেন। এখন তারা নিরুপায় হয়ে ফিরতে চাইছেন বাংলাদেশে, যা ভবিষ্যতে একটি পরিকল্পিত শরণার্থী সংকট তৈরি করতে পারে।


    ‎পরিসংখ্যানের আড়ালে সাম্প্রদায়িক বিভাজন

    ‎ভারতের কলকাতাভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ‘শবর ইনস্টিটিউট’ ও ফ্যাক্ট-চেক সংস্থা ‘অল্ট নিউজ’-এর পরিসংখ্যান বলছে, এসআইআরের নামে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ৯২ লাখ মানুষের নাম চূড়ান্তভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে অথবা ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ (বিবেচনাধীন) তালিকায় ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, বাদ পড়া এ বিশাল জনগোষ্ঠীর ৬০ শতাংশই মুসলিম, যা জনসংখ্যার স্বাভাবিক অনুপাতের তুলনায় অস্বাভাবিকভাবে বেশি।

    ‎মালদহ-মুর্শিদাবাদ এক ‘নয়া কাশ্মীর’ তৈরির ছক

    ‎এ পরিসংখ্যানিক বর্জনের সমান্তরালে মালদহ ও মুর্শিদাবাদে শুরু হয়েছে এক অঘোষিত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ, যা কাশ্মীর উপত্যকার দমন-পীড়নের কথা মনে করিয়ে দেয়। কালিয়াচকের শাহবাজের (ছদ্ম নাম) মতো সাধারণ মানুষ ধর্মীয় পোশাকের কারণে হামলার শিকার হচ্ছেন, অথচ আইনি প্রতিকার পাওয়ার বদলে উল্টো বিপদে পড়ার আতঙ্কে থাকছেন। হাবিবপুরের মাওলানা মুহিবুর রহমানের বর্ণনায় ফুটে উঠেছে কীভাবে ঐতিহ্যবাহী মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘জঙ্গি’ তকমা দিয়ে এনআইএ বা সিবিআই-এর মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো নিয়মিত হয়রানি করছে।

    ‎সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র মাহদিপুরের তাহেরের (ছদ্ম নাম) ঘটনায়। সীমান্ত জেলা হওয়ায় স্রেফ বাংলাদেশে আত্মীয়তা থাকার কারণে বিএসএফ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের ফোন তল্লাশি থেকে শুরু করে মা-বোনদের জেরা এবং মামলার ভয় দেখিয়ে পরিবারগুলোকে কোণঠাসা করছে। কাশ্মীরের মতোই এখানকার মুসলিমদের ‘সন্দেহভাজন’ নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার অধিকার কার্যত হরণ করা হয়েছে।


    ‎‘পুশ-ইন’ আতঙ্ক : আঞ্চলিক অস্থিরতার ঝুঁকি

    ‎ভোটাধিকার হরণের এ দীর্ঘসূত্রতা শেষ পর্যন্ত ‘পুশ-ইন’ বা বাংলাদেশে জোরপূর্বক পুশব্যাকের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিএসএফের বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক বছরে প্রায় সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে আটক করে অনানুষ্ঠানিকভাবে সীমান্তে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিজিবি জানিয়েছে, গত ছয় মাসে তারা শত শত মানুষকে পুশ-ইনের একাধিক চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে।

    ‎মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এ অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কৌশল এখন একটি দ্বিপক্ষীয় সংকটে রূপ নিচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্বহীন করে সীমান্তমুখী করা বাংলাদেশের জন্য যেমন নিরাপত্তার হুমকি, তেমনি দক্ষিণ এশিয়ার অস্থিতিশীলতার এক নতুন কারণ।

    ‎মালদহ আর মুর্শিদাবাদ কি সত্যি ভারতের ম্যাপে এক নতুন ‘কাশ্মীর’ হয়ে উঠবে? উত্তরটা হয়তো লুকিয়ে আছে সেই লাখ লাখ মানুষের চোখের জলে, যারা ট্রাইব্যুনালের বারান্দায় এক টুকরো কাগজের জন্য আজ ভিক্ষুকের মতো দাঁড়িয়ে আছে।


    তথ্যসূত্র:
    ‎1. https://tinyurl.com/3jusbj3t

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      কুমিল্লায় অটোরিকশা থামিয়ে স্বামীকে জিম্মি করে স্ত্রীকে ধর্ষণ



      কুমিল্লার হোমনায় অটোরিকশা থামিয়ে এক দম্পতির পথরোধ করে স্বামীকে জিম্মি করে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

      গত ১৫ এপ্রিল রাতে হোমনা পৌর এলাকার কৃষি কলেজের অদূরে একটি নির্জন স্থানে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ওপারচর গ্রামের আশিকুর রহমানকে (২৪) প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত আরও ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

      গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, ওই দম্পতি হোমনা পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। গত ১৫ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা একটি অটোরিকশাযোগে তিতাস উপজেলায় বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পথিমধ্যে কৃষি কলেজ এলাকা পার হওয়ার সময় আশিকুর রহমান ও তার সহযোগীরা দুটি মোটরসাইকেলে এসে তাদের পথরোধ করে।

      অভিযুক্তরা জোরপূর্বক অটোরিকশাটিসহ দম্পতিকে একটি নির্জন ইটের রাস্তায় নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে দূরে জিম্মি রেখে আশিকুর রহমান ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। পরে অভিযুক্তরা তাদের ছেড়ে দিলে তারা রাতেই হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আশ্রয় নেন।

      হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদ উল্লাহ জানায়, রাত ৩টার দিকে ওই দম্পতি হাসপাতালে আসেন। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে ভুক্তভোগীকে উন্নত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

      বর্বরোচিত এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।


      তথ্যসূত্র:
      ১। অটোরিকশা থামিয়ে স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ
      https://tinyurl.com/3hvr34kb
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ‎কুমিল্লায় শিশুকে ধর্ষণ, মামলা করায় ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা



        কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চৌব্বাস গ্রামে চার বছরের শিশুকে চকলেট দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণ ও পরে হত্যার চেষ্ঠা করে স্থানীয় দুই কিশোর। অভিযুক্তরা একই গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. জুনায়েদ এবং একই বাড়ির শাফিয়া খাতুনের ছেলে রিফাত। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে গত ১৫ এপ্রিল অভিযুক্তদের আসামি করে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।

        ‎তবে মামলা করার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর হামলা ও বসতঘর ভাঙচুর করেছে আসামিরা।

        ‎শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা প্রবাসে থাকেন। গত ৮ এপ্রিল বিকালে মেয়ে বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এর মধ্যে হঠাৎ মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে মা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। কিছুক্ষণ পর একটি শিশু এসে জানায় ভুক্তভোগী শিশুকে জুনায়েদ ও রিফাত চকলেট দেওয়ার কথা বলে পাশের জমিতে নিয়ে গেছে।

        ‎ভুক্তভোগীর মা বলেন, আমি ও আমার শাশুড়ি মেয়েকে ডাকাডাকি করতে করতে বাড়ি পাশের ধানক্ষেত এবং ডোবার পাশে গেলে জুনায়েদ এবং রিফাত মেয়েকে পানিতে ফেলে দৌড়ে চলে যায়। এ সময় অজ্ঞাতনামা আরো চার-পাঁচজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। আমরা গিয়ে মেয়ের শরীরে রক্তের দাগ ও বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই।

        ‎এ সময় মেয়েকে উদ্ধার করে শিশুটিকে ব্রাহ্মণপাড়া সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

        ‎শিশুটির মা জানায়, বিষয়টি নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করার কারণে কিছু লোক আমার বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। আমার শিশু বাচ্চার সঙ্গে অমানবিক এ নির্যাতনের দ্রুত বিচার চাই।


        তথ্যসূত্র:
        ‎১। কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণ-হত্যা চেষ্টার অভিযোগ দুই কিশোরের বিরুদ্ধে
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          বান্দরবানের লামায় ২৪ ঘণ্টায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রাবার ব্যবসায়ীর ওপর হামলা



          ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় মাহফুজ আলম প্রকাশ মাসুম নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে রাবার ব্যবসায়ী ওমর ফারুকের উপর দফায় দফায় নৃশংস হামলা করা হয়েছে।

          ‎দৈনিক আমার দেশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে লামা রিপোটার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন হামলার শিকার রাবার ব্যবসায়ী ওমর ফারুকের বাবা আব্দুস সবুর বাবুল।

          ‎তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আজিজনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাড়ার বাসিন্দা মো. খলিল প্রকাশ ফরেস্টার খলিলের ছেলে মাহফুজ আলম প্রকাশ মাসুমরা নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা দাবি করে আসছিল। গত ৫-৬ মাস আগে তাদের চাপে পড়ে ১৫ হাজার টাকা চাঁদাও প্রদান করি। এতে তারা সন্তুষ্ট না হয়ে উল্টো আমি ও আমার ছেলে ওমর ফারুকের কাছে আরো ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে আমার রাবার বাগানের সব গাছ কেটে তছনছ করে দিবে, কোনো অবস্থাতে আমাকে ও আমার ছেলেকে রাবার ব্যবসা করতে দিবেনা, কাঁচা রাবার ও রাবার শিট লুট করে গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিবে বলে হুমকি দেয়।

          ‎চাঁদা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে গত ১৪ এপ্রিল দিনগত রাতে দেড় লাখ টাকার রাবার শিট নিয়ে যায় তারা। পরদিন সন্ধা ৬টার দিকে সোলেমান বাজারে আমার ছেলে ওমর ফারুকের সাথে দেখা হলে মাহফুজ আলম প্রকাশ মাসুম হুমকি দেয় যে, ‘তুই এবং তোর বাপ আমাদেরকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে তোদের কোনো জিনিস রক্ষা করতে পারবিনা, আমরা সবকিছু লুট করে নিয়ে যাবো’।

          ‎শুধু তায় নয়, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তুই এবং তোর বাপ আমাদেরকে চাঁদা না দিলে এখানে ব্যবসা-বানিজ্য করতে পারবিনা। ২৪ ঘন্টার মধ্যে চাঁদা না দেওয়ায় মাহফুজ আলম প্রকাশ মাসুমের নেতৃত্বে কোরবান আলী প্রকাশ রাজা মিয়া, মনির হোসেন মজনু, মো. লিটন ও রফিকুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জন সংঘবদ্ধ হয়ে আজিজনগর বাজারের তিন পথের মাথাস্থ বদনের কম্পিউটার দোকানের সামনে আমার ছেলে ওমর ফারুকের উপর হামলা করে। এতে আমার ছেলে গুরুতর আহত হন। পরে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। যাওয়ার আগে হুমকি দিয়ে বলে যে, ‘ঘটনার বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি কিংবা মামলা মোকদ্দমা করলে তোদেরকে হত্যা করে লাশগুম করে ফেলবো’।

          ‎তিনি বলেন, আমার ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় লোহাগাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। আমি ও আমার ছেলেসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা এসব হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।



          ‎তথ্যসূত্র:
          ‎১। লামায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় রাবার ব্যবসায়ীর ওপর হামলা
          ‎- https://tinyurl.com/zkcyjt7
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X