Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ৩০ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ৩০ শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    সুনামগঞ্জে ৬ কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতি, দিশেহারা ভুক্তভোগীরা






    সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় প্রায় ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আত্মগোপনে চলে গেছে ‘মধ্যনগর রূপসী বাংলা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি সমবায় সমিতির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

    দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে জেলা সমবায় অফিস থেকে নিবন্ধন নিয়ে মধ্যনগর বাজারে কার্যক্রম শুরু করে সমিতিটি। স্থানীয়ভাবে কর্মী নিয়োগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালনা করতো নেত্রকোনা সদর উপজেলার ১০নং রৌহা ইউনিয়নের কুমরী গ্রামের হাফেজ এরশাদুর রহমানের ছেলে রফিকুল ইসলাম ও মধ্যনগরের স্থানীয় বাসিন্দা ডাক্তার স্মৃতিভূষন করের ছেলে অমিয় ভূষণ কর (মন্টু)। শুরু থেকেই তারা গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে অস্বাভাবিক উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডিপিএস ও সঞ্চয় সংগ্রহ করতো।

    অভিযোগ রয়েছে, নানা কৌশলে সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের পর প্রায় দুই মাস আগে হঠাৎ করেই গা ঢাকা দেয় সমিতির দুই মালিক। এরপর থেকে তাদের কোনো খোঁজ মিলছে না। টাকা ফেরতের আশায় রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে প্রতারিত গ্রাহকরা মানববন্ধন করে দ্রুত অর্থ উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    প্রতারিতদের মধ্যে মধ্যনগর বাজারের সেলুনকর্মী শক্তি ঋষি সাংবাদিকদের জানায়, জীবনের সব সঞ্চয় ৯ লাখ টাকা জমা রেখে এখন তিনি নিঃস্ব। টাকা ফেরৎ না পেলে তার বাচার পথও থাকবে না।

    লাকী তালুকদার নামে এক গ্রাহক জানায়, বাবার মৃত্যুর পরে বোনের বিয়ের জন্য জমানো ২ লাখ টাকা এই সমিতিতে জমা রেখেছিল। ৬ মাস আগে টাকা আনতে কয়েকবার গেলেও টাকা ফেরত না পেয়ে উল্টো হুমকির শিকার হয়েছেন তিনি। এখন বোনকে নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছেন।

    ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন জানান, তার মাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা জমা করতে আকৃষ্ট করেন প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মন্টুভূষণ কর। তিনিও এই সমিতিতে প্রতিদিন পাঁচশো করে জমিয়ে ২ লাখ টাকা সঞ্চয় করেছিলেন। তার পরিবারের জমানো মোট ১২ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হয়ে গেছে এনজিওটি। এখন ব্যবসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি।

    এছাড়াও ব্যবসায়ী জুয়েল রায় ২৭ লাখ, কবি আকিকুর রহমান ১০ লাখ, শিক্ষক সমীরণ তালুকদার ৮ লাখ, ব্যবসায়ী চয়ন সরকার ৮ লাখ, প্রবীর তালুকদার ৬ লাখ, সাগর রায় ৮ লাখ, বিধুভূষণ রায় ২ লাখ, বুলুরায় ৬ লাখ, মৃদুল সরকার ৪ লাখ, সুজিত রায় ২ লাখ, অমল সরকার ৫ লাখ, জীবন চক্রবর্তী ৩ লাখ, দুলু দত্ত ১০ লাখসহ পাঁচশতাধিক গ্রাহক তাদের সঞ্চিত অর্থ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

    মধ্যনগর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো.আবুল বাশার বলেন, এলাকার বহু মানুষ এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। আমরা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী মন্টুভূষণ করকে না পেয়ে তার ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম। তিনি আমাদেরকে কোন সদুত্তর দেননি। আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।


    তথ্যসূত্র:
    ১। ৬ কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতি, দিশেহারা ভুক্তভোগীরা
    https://tinyurl.com/muasra4m
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় বিএনপির দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে ১৪৪ ধারা জারি





    ময়মনসিংহের তারাকান্দা সদর এলাকায় বিএনপির দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। বিএনপি নেতা মোতাহার হোসেন তালুকদার ও ময়মনসিংহ মহানগর যুবদল নেতা জুবায়েদ হোসেন শাকিলের বিরোধের জেরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

    দৈনিক আমার দেশ জানায়, রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তানভীর আহমেদ জানায়, গত কয়েকদিন ধরে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদার এবং ময়মনসিংহ মহানগর যুবদল নেতা জুবায়েদ হোসেন শাকিলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    দুই গ্রুপের মারামারি বন্ধ করতে গিয়ে মহানগর যুবদল নেতা জুবায়েদ হোসেন শাকিল গ্রুপের এক কর্মী আহত হয়। এঘটনায় উভয় পক্ষই পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করে আসছে।

    রোববার বেলা ৩টায় বিএনপির দুই পক্ষ (মোতাহার গ্রুপ ও শাকিল গ্রুপ) কর্মসূচি ঘোষণা করায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। এ ঘটনায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে।


    তথ্যসূত্র:
    ১। বিএনপির দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে ১৪৪ ধারা জারি
    https://tinyurl.com/5fm8nszw
    ​​
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আবারও দাম বাড়ল এলপিজির, ১২ কেজির সিলিন্ডার এখন ১,৯৪০ টাকা



      এক মাসেই দ্বিতীয়বারের মতো বাড়ল ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম। এবার প্রতি কেজিতে বেড়েছে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা।

      এতে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। ১২ কেজিতে দাম বাড়ল ২১২ টাকা।

      রোববার (১৯ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে, গত মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়।

      বিইআরসি জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি সংকটের কারণে এলপিজি আমদানির খরচ বেড়েছে। এ অবস্থায় এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬১ টাকা ৬৬ পয়সা সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দাম রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। আবারও দাম বাড়ল এলপিজির, ১২ কেজির সিলিন্ডার ১,৯৪০ টাকা
      https://tinyurl.com/2w8mmr2j
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থলবন্দর দিয়ে পণ্যের আড়ালে ভারতীয় ট্রাকে এলো ২০ বস্তা মাদক



        চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আসা পাথরবোঝাই একটি ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় মাদক সিরাপ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

        রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি। বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে বিজিবির একটি টহলদল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বন্দর এলাকার আলম ট্রেডার্সের স্টোন ইয়ার্ডে পার্কিং করে রাখা ভারতীয় একটি ট্রাকে তল্লাশি চালানো হয়। ট্রাকটি থেকে পাথরের ভেতরে বিশেষভাবে ত্রিপল দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় রাখা ২০টি বস্তা উদ্ধার করা হয়।

        পরে এসব বস্তার ভেতর থেকে ফেন্সিডিলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত মোট ৫ হাজার ৯৩৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় মাদক সিরাপ জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ৩ হাজার ৮৯৭ বোতল স্কাপ ডিক্স এবং ২ হাজার ৩৮ বোতল ফায়ার ডিল সিরাপ রয়েছে।

        তবে অভিযানের সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। মাদক পরিবহনের অভিযোগে পাথরবোঝাই ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। পণ্যের আড়ালে ভারতীয় ট্রাকে এলো ২০ বস্তা মাদক
        https://tinyurl.com/75yu7f46
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ফরিদপুরে মাদক মামলার আসামির স্ত্রীর সঙ্গে গভীর রাতে পরকীয়া, পুলিশকে এলাকাবাসীর গণপিটুনি



          ফরিদপুরের সালথায় গভীর রাতে মাদক মামলার আসামির বসতঘরে ঢুকে তার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া করার সময় জনতার হাতে গণপিটুনি খেয়েছে মো. ইমরান হাসান নামে পুলিশের এক এএসআই। পরে তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

          গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আহত এএসআই ইমরান রামকান্তপুর ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এএসআই ইমরানের আটকের ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

          ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ইমরানের গায়ে পুলিশের পোশাক নেই, প্যান্ট ও টিশার্ট পরা। তার মাথা কাপড় দিয়ে বাধা, মুখে রক্ত মাখা। গভীর রাতে নারীর ঘরে একা ঢুকে পড়ায় এক ব্যক্তি তার গায়ে আঘাত করছে। তখন এএসআই ইমরান বলতে শোনা যায়, তুই আমার ভাই না, মারিস কেন? পরে ইমরানের পকেট থেকে জন্ম নিয়ন্ত্রণ সামগ্রির প্যাকেট পাওয়া যায়।

          এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বলিভদ্রদিয়া এলাকার মো. মেহেদী হাসান (২৮) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সালথা ও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে। মাদক মামলার সুবাদে এএসআই ইমরান হাসান মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বাড়িতে ঘনঘন যাওয়া আসা করত। যার প্রেক্ষিতে মেহেদীর স্ত্রীর সাথে পুলিশের এএসআই ইমরানের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসানের বসতঘরে ঢুকে তার স্ত্রীর সাথে একা দেখা করতে গেলে এলাকার লোকজনের হাতে ধরা পড়ে মারধরের শিকার হয়। পরবর্তীতে সালথা থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ইমরান হাসানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

          এ বিষয় এএসআই ইমরান হাসানের দাবি সে মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিল। তবে সাদা পোশাকে রাত তিনটার সময় আসামিকে একা ধরতে যাওয়ার ব্যাখ্যা জানতে চাইলে সে কোন উত্তর দিতে পারেনি।

          মাদক মামলার আসামি মেহেদী হাসান বলেন, আমি একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। ব্যবসায়িক কাজে আমি মাঝে মাঝে বাইরে থাকি। এই সুযোগে আমাদের ইউনিয়নে পুলিশের বিট অফিসার হিসেবে দায়িত্বে থাকা এএসআই ইমরান মাঝে মাঝে আমার বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে কুপ্রস্তাব দেয়। একপর্যায় আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে এএসআই ইমরানের কুরুচিপূর্ণ কথোপকথনের অডিও রেকর্ড ও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করি। এরই মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে ইমরান আমাদের ঘরে ঢুকলে এলাকাবাসী হাতেনাতে ইমরানকে আটক করে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। মাদক মামলার আসামির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ, এএসআইকে গণপিটুনি
          https://tinyurl.com/mryje5ju
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            জাবির ছাত্রী হলে মাদক সেবনের সময় নারী শিক্ষার্থী আটক



            জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) একটি ছাত্রী হলের কক্ষ থেকে মাদক সেবনের সময় এক নারী শিক্ষার্থীকে আটক করেছে হল প্রশাসন। এ সময় কক্ষ থেকে গাঁজা, মদের বোতলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

            দৈনিক আমার দেশ জানায়, গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক শিক্ষার্থীর নাম ইনিশা। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের ছাত্রী এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

            ঘটনাস্থল থেকে গাঁজা, দেশি ও বিদেশি মদের বোতল, ধূমপানের বিভিন্ন সরঞ্জাম, একাধিক লাইটার, সিগারেটের অবশিষ্টাংশ এবং সন্দেহজনক তরল পদার্থ উদ্ধার করা হয়।

            নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জানান, কক্ষ থেকে তীব্র গন্ধ পেয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিষয়টি প্রশাসনকে জানায়। পরে সেখানে গিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে মাদক সেবনরত অবস্থায় পাওয়া যায়।

            তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে এবং ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


            তথ্যসূত্র:
            ১। জাবির ছাত্রী হলে মাদকসহ শিক্ষার্থী আটক, তদন্ত কমিটি গঠন
            https://tinyurl.com/y2u6wdfr
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              কিশোরগঞ্জে সদ্য ইসলাম গ্রহণকারী যুবককে গ্রেফতার করে হাজতে প্রেরণ করল পুলিশ



              কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে সদ্য ইসলাম গ্রহণ করা এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সালুয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

              গ্রেফতারকৃত নওমুসলিম যুবকের নাম পুকাই চন্দ্র বর্মণ। তিনি কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের দক্ষিন সালুয়া গ্রামের দেবেন্দ্র চন্দ্র বর্মণের ছেলে। প্রায় এক মাস আগে তিনি এফিডেভিটের মাধ্যমে স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নিজের নাম পরিবর্তন করে মো. উসমান মিয়া রাখেন।

              গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর থেকে তিনি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া তিনি ইসলাম গ্রহণ করার পর পারিবারিক ভাবে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার শালিসের আয়োজন করে। শালিসে তিনি জানান কারো প্ররোচনায় নয়, নিজ ইচ্ছায় তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

              সর্বশেষ সালিসে সিদ্ধান্ত হয় প্রতিমাসে তার স্ত্রী ও সন্তানের খরচ বাবদ প্রতি মাসে ৪ হাজার টাকা করে দিতে হবে। তিনি তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এমনকি তিনি তার মায়ের ভরণপোষণ করতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

              তাকে গ্রেফতারের বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন দাবি করে জানায়, ‘আদালতের নির্দেশে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তীতে জানা যায়, তিনি ধর্ম পরিবর্তন করেছেন।’

              উল্লেখ্য, গ্রেফতারের মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি সুন্নাতে খাতনা করেছিলেন, পুলিশ এই অসুস্থ অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে।


              তথ্যসূত্র:
              ১। কুলিয়ারচরে সদ্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী যুবককে গ্রেপ্তার
              https://tinyurl.com/mt482duh
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে পুলিশ সদস্য আটক



                নীলফামারীতে মালয়েশিয়া-প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে আটক হয়েছে আতিকুর রহমান নামে এক পুলিশ সদস্য। সে জেলা পুলিশ লাইন্সে কর্মরত। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ১১টায় মুচলেকা দিয়ে তাকে উদ্ধার করে ডোমার থানার পুলিশ।

                এর আগে, শুক্রবার বিকেলে ডোমার সদর ইউনিয়নের হুজুরপাড়া গ্রামে ওই নারীর সঙ্গে দেখা করতে এসে বিয়ের প্রস্তাব দেয় আতিকুর।

                জানা গেছে, ডোমার থানায় কর্মরত ছিল আতিকুর। এ সময় ওই নারীর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে তার সম্পর্ক হয়। একপর্যায়ে আতিকুর ওই নারীর শ্বশুর-শাশুড়িকে ধর্ম বাবা-মা ডাকে। সেই সুবাধে প্রায় সময় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাড়িতে আসায় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ শুরু হয়। নিজেদের সাংসারিক সমস্যা নিয়েও আলাপ হতো তাদের। চার মাস আগে পারিবারিক সমস্যা নিয়ে কাউকে না জানিয়ে নীলফামারী কোর্টে পরামর্শের জন্য আতিকের সঙ্গে যায় ওই নারী। বিষয়টি জানাজানি হয় তার শ্বশুরবাড়িতে। এরপর থেকে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করে।

                ওই নারীর স্বজনেরা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর সমঝোতার মাধ্যমে তার শ্বশুড়বাড়িতে রেখে আসার জন্য প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় বাড়িতে হাজির হয়ে তাকে শ্বশুরবাড়িতে না পাঠিয়ে নিজের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দেয় আতিকুর। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আতিকুরকে ওই নারীর পরিবারের লোকজন ঘরে আটকে রাখে।

                ওই নারী জানান, ‘আমার শ্বশুরবাড়িতে আতিকুরের যাতায়াত ছিল। সেই সুবাধে আমাদের যোগাযোগ শুরু হয়। আমি আমার সাংসারিক নানা বিষয় আতিকুরকে জানাতাম। সাংসারিক সমস্যা হওয়ায় আইনি পরামর্শ নিতে আতিকুরের সঙ্গে নীলফামারী কোর্টে গেলে ফেরার পর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাদের সন্দেহ করে এবং আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে থাকে। এসব সহ্য করতে না পেরে আমি গত চার-পাঁচ মাস ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছি। যদি আমার সংসার না টিকে, এর দায় আতিকুরকেই নিতে হবে।’

                ওই নারীর শ্বশুর জানান, ‘আতিকুর আমাদের সঙ্গে ধর্ম বাবা-মায়ের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাড়িতে যাতায়াত করত। কাউকে না জানিয়ে চার মাস আগে আতিকের সঙ্গে ছেলের বউ নীলফামারী গিয়েছিল। নীলফামারী থেকে ফেরার সময় সোনারায় বাজারে তাদের আটক করা হয়। কারণ জানতে চাইলে তারা এড়িয়ে যায়। বিষয়টি বিয়াইবাড়িতে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত তারা কোনো যোগাযোগ করেননি। এ ঘটনার পর আতিকুরের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করি না, বরং সে নিজে থেকেই আমাদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বাড়িতে প্রায় সময়ই আসে।’

                এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আতিকুর রহমান বলেন, ‘পরিবারটির সঙ্গে ধর্ম বাবা-মায়ের সম্পর্ক থাকার কারণে আমি তাদের খোঁজ নিতে যেতাম। মেয়েটির স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না, তাই আমি মেয়ের বাড়িতে গিয়ে বলেছিলাম যেন তাকে ওই বাড়িতে না পাঠিয়ে আমার সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় কথাকাটাকাটি হলে তারা আমাকে আটকে রাখে।’

                ডোমার সদর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, আটক পুলিশ সদস্য আতিকুর বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কাছে এসেছিল। পরিবারের লোকজন তাকে রাত পর্যন্ত আটকে রেখে মুচলেকা নিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।


                তথ্যসূত্র:
                ১। প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসে পুলিশ সদস্য আটক
                https://tinyurl.com/bccr9vy5
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  ভোলায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, মারা যাওয়ার ভান করে বাঁচল শিশুসন্তান



                  ভোলা সদরের শিবপুরে নাসিমা বেগম নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে (৪০) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ছেলেকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শরীফ সর্দার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

                  শনিবার (১৮ এপ্রিল) লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় আহত শিশু আবির (৮) সাবেক ইউপি মেম্বার জামালউদ্দিনের ছেলে জিহাদের নাম উল্লেখ করলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করে। নিহত নাসিমা বেগম শিবপুরের প্রবাসী আল আমিনের স্ত্রী।

                  আহত শিশু আবিরের বরাতে দৈনিক আমার দেশ জানায়, প্রতিদিনের ন্যায় নাসিমা বেগম রাতের খাবার খেয়ে ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পরই দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকে মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে নাসিমাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

                  এ সময় শিশুটি জেগে উঠলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে। একপর্যায়ে শিশুটি মৃত্যুর ভান করে ঘরের কোণে পড়ে থাকে। এরপর দুর্বৃত্তরা নাসিমার মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটি বাইরে এসে লোকজনকে ডাকতে থাকে। পরে স্থানীয়রা এসে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে।

                  আহত আবির জানায়, মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে তার মাকে কোপানোর সময় একই এলাকার জামাল মেম্বারের ছেলেকে সে চিনতে পেরেছে। আবির তাকে আগে থেকেই চিনত।

                  প্রতিবেশী নাজিম উদ্দীন জানায়, ছেলেটি গুরুতর আহতাবস্থায় এসে তার মাকে হত্যার বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীর লাশ দেখতে পাই। এরপর আমরা শিশুটিকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই।


                  তথ্যসূত্র:
                  ১। প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা, ‘মারা যাওয়ার ভান করে’ বাঁচল শিশুসন্তান
                  https://tinyurl.com/pzp8d7zd
                  নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                  Comment


                  • #10
                    লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ধানক্ষেতে মুখ বাঁধা অবস্থায় ইটভাটা শ্রমিকের লাশ উদ্ধার



                    লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পানিয়ালা সড়কের আকরতমা এলাকায় ধানক্ষেত থেকে মিন্টু মিয়া (৪৮) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

                    গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে। নিহত মিন্টু মিয়া নোয়াখালী সদর উপজেলার চরমোটুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রামগঞ্জের ফাহাদ ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচার নামের একটি ইটভাটার শ্রমিক।

                    দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, ধানক্ষেতের মালিক জমি দেখতে গিয়ে লাশটি দেখতে পান। লাশের মুখে গামছা বাঁধা ছিল।


                    তথ্যসূত্র:
                    ১। রামগঞ্জে ধানক্ষেতে মুখ বাঁধা ইটভাটা শ্রমিকের লাশ
                    https://tinyurl.com/sery4eex
                    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                    Comment


                    • #11
                      কুড়িগ্রামে ২ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন



                      কুড়িগ্রামে দুই বছরের ছোট্ট এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় শিশুটির শরীরে ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে।

                      এ ঘটনায় গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) মামলা দায়ের হয়েছে। এর আগে গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কুড়িগ্রামের চিলমারীর মাচাবান্ধা সাহাপাড়া এলাকায় ঘটেছে এই হৃদয় বিদারক ঘটনা। নিহত শিশুটি ওই এলাকার রাজমিস্ত্রি আলমগীর হোসেনের একমাত্র কন্যা সন্তান বলে জানা গেছে।

                      দৈনিক ইত্তেফাক সূত্রে জানা গেছে, আয়শা সিদ্দিকা আশুরা নামের ওই শিশু শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মাচাবান্ধা সাহাপাড়া নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের পর পরই এলাকায় ব্যাপক খোঁজাখুঁজির পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও এলাকায় মাইকিং করে খোঁজ করা হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর শুক্রবার রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ফাঁকা জায়গায় পড়ে থাকা বাঁশের কঞ্চির উপরে আয়শার মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা।

                      পরে থানায় খবর দিলে চিলমারী থানা পুলিশ শিশু আয়শার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম মর্গে পাঠান। শিশুটির একটি চোখসহ শরীরে অসংখ্য ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে বলে জানান স্থানীয়রা। নিহতের বাবা আলমগীর হোসেন পারিবারিক কলহের জেরে তার শিশুকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে অপরাধী শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানান।


                      তথ্যসূত্র:
                      ১। শরীরে অসংখ্য ক্ষত নিয়ে মিললো নিখোঁজ শিশুর নিথর দেহ
                      https://tinyurl.com/4huek58u
                      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                      Comment


                      • #12
                        দীর্ঘ ১৮ বছর পর শিশু হত্যার রায় যাবজ্জীবন, ৩ জনের মধ্যে ২ জন এখনো পলাতক



                        রাজধানীর কাফরুলে দীর্ঘ ১৮ বছর আগের শিশু অপহরণের পর হত্যা মামলার রায় দিয়েছে আদালত। রায়ে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন ও একজনকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

                        রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সি মোঃ মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করে।

                        সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হল- আল-আমীন ঘোরামী, মাসুদ রানা ও সাইফুল ইসলাম। এই মামলার একমাত্র আসামি মাসুদ রানা গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছে, অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে।

                        মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০০৮ সালে ভুক্তভোগী ১১ বছরের শিশু শফিকুল ইসলাম মিলন বাসা থেকে খেলার উদ্দেশ্য বের হয়। পরে সেখান থেকে আসামিরা তাকে অপহরণ করে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ভুক্তভোগী পরিবার তার ছেলেকে না পেয়ে থানায় জিডি করেন।

                        গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেয়া তথ্য মতে সাভারের রামচন্দ্রপুর কর্ণপাড়া নামক স্থান থেকে মিলনের হাড়, দাঁত, রক্তমাখা পাথর উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মামলায় হত্যার অভিযোগ সংযুক্ত করা হয়।

                        ২০০৯ সালের ৩ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় তদন্তকারি কর্মকর্তা। আদালতের নির্দেশে মামলাটি সিআইডি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেয়। মামলার আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আজ ট্রাইব্যুনাল থেকে রায় দেওয়া হয়েছে।


                        তথ্যসূত্র:
                        ১। ১৮ বছর পর শিশু মিলন হত্যা মামলার রায়, দুই আসামির যাবজ্জীবন
                        https://tinyurl.com/bdz7pcnu
                        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                        Comment

                        Working...
                        X