Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০৩রা যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০৩রা যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    গাজা ও পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনাকারীদের হামলায় ১১ ফিলিস্তিনি শহীদ



    যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার ঘোষণা সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলের সহিংসতা থেমে নেই। চলমান এই আগ্রাসনে নিরীহ মানুষের প্রাণহানি অব্যাহত রয়েছে এবং নতুন করে আরও ১১ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।

    স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, ২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার গাজায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৭ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১ জন।

    আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় তিনজন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন, যাদের মধ্যে সম্প্রতি বিবাহিত এক ব্যক্তিও রয়েছেন। একই এলাকায় শেখ নাসের মহল্লার নিকটে ড্রোন হামলায় আরও একজন ফিলিস্তিনি শহীদ হন।

    উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া এলাকার উত্তর-পশ্চিমে বাস্তুচ্যুত পরিবারের তাঁবু লক্ষ্য করে দখলদার ইসরায়েলি নৌবাহিনীর গোলাবর্ষণে এক ফিলিস্তিনি নারী শহীদ হয়েছেন। এছাড়া জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত এক শিশু ১০ দিন পর শহীদ হয়েছে।

    এছাড়া, গাজা সিটির জেইতুন এলাকায় দাওলা চত্বরে একদল মানুষের ওপর হামলায় একজন শহীদ এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। একই সময়ে শুজাইয়া এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের একটি তাঁবুতে ড্রোন থেকে বিস্ফোরক নিক্ষেপ করা হলে সেখানে আগুন ধরে যায়।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৭৯০ ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ২ হাজার ১৭১ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া গাজায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ১ লাখ ৭২ হাজার আহত হয়েছেন।


    তথ্যসূত্র
    1. Israeli soldiers and settlers kill 11 Palestinians across Gaza, West Bank
    https://tinyurl.com/mr3skd59
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় ২৭টি মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের নোটিশ







    ভারতে উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় বেশ কয়েকটি মসজিদ, মাজার ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নোটিশ জারি করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন যোগী ইয়ুথ ব্রিগেড। নোটিশে আগামী ৬০ দিনের ২৭টি মুসলিমদের ধর্মীয় স্থাপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এতে মুসলিমদের স্থাপনা ও জমিসমূহকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

    এই নোটিশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পৌর কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভাগের নিকট পাঠানো হয়েছে। নোটিশে উল্লিখিত অঞ্চলগুলোর তেধি বাগিয়া, সিকান্দ্রা এবং এমজি রোড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২১ এপ্রিল মুসলিম মিররের এক প্রতিবেদনে তথ্যগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

    সংগঠনের একজন নেতৃত্বস্থানীয় কর্মী কুনওয়ার অজয় তোমর এর দাবি, সরকারি জমি দখল করে ধর্মীয় স্থাপনাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। যদি ৬০ দিনের মধ্যে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে তারা আদালতের দ্বারস্থ হবে বলে সতর্ক করেছে। এছাড়া ভবিষ্যতে এরূপ অন্যান্য স্থাপনার তালিকা জমা দেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে এই উগ্রবাদী সংগঠন।

    উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের এমন আচরণে স্থানীয় সাধারণ মুসলিম ও প্রতিনিধিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এক বাসিন্দা বলেন, যে কোনও পদক্ষেপ অবশ্যই যথাযথ যাচাইকরণ ও আইনি পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে হওয়া উচিত, কিন্তু উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা সুনির্দিষ্টভাবে মুসলিমদের স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করছে।

    অপর একজন বাসিন্দা বলেন, জমি সংক্রান্ত আইনি বিষয়াবলী সকল ধর্মীয় স্থাপনাগুলোর ক্ষেত্রে সমানভাবে সমাধান হওয়া উচিত, কিন্তু এখানে কেবল মুসলিমরাই ভুক্তভোগী।

    হিন্দুত্ববাদীদের উক্ত দাবিগুলোর বিপরীতে এখনও সরকারি কোনও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। তবে দাবিগুলো খতিয়ে দেখা এবং আইন ও বিচার প্রক্রিয়া অনুসরণে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/5n834mpc/
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      জামালপুরে কৃষি কার্ড নিয়ে পাম্পে পাম্পে ঘুরছেন কৃষকরা



      জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জ্বালানি তেলের সংকটে ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকেরা। প্রয়োজনীয় ডিজেল না পাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে চাষাবাদ ও সেচকাজ। অন্যদিকে জ্বালানি তেল ঠিকমতো না পাওয়ায় যাত্রা বাতিল হচ্ছে যাত্রীবাহী বাসগুলোর। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে কৃষক ও বাসযাত্রীদের।

      দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, ডিজেল নিতে পাম্পগুলোতে কৃষকদের দীর্ঘ সারি কারো হাতে তেল নেওয়ার ক্যান বা বোতল, আবার কেউ শ্যালো মেশিনের ফুয়েল ট্যাংক নিয়ে অপেক্ষা করছেন। ফজর নামাজের পর থেকেই লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায় কৃষকদের। তারা বলছেন, ডিজেল না থাকায় গত কয়েক দিন থেকে বন্ধ রয়েছে ডিজেল চালিত অধিকাংশ সেচ পাম্প। পানির অভাবে জমির মাটি শুকিয়ে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। অনেক জায়গায় ধানের চারা লালচে হয়ে মরে যাচ্ছে মনে হচ্ছে, মাঠের এই ফাটল কেবল মাটির নয়, বরং কৃষকের বুক চেরা হাহাকার। সোনালি স্বপ্নের বদলে এখন তাদের চোখমুখে কেবলই অন্ধকারের হাতছানি।

      স্থানীয় কার্ডধারী কৃষক আজমত আলী, দিদার আলী, মোফাজ্জল হকসহ একাধিক কৃষক জানায়, কয়েক দিন ধরেই কৃষি কার্ড নিয়ে এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরেও প্রয়োজনীয় ডিজেল পাচ্ছি না। সেই ভোররাত থেকে পাম্পে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেক সময় তেল না পাওয়ায় খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। আবার লাইনে দাঁড়িয়ে যে টুকুও তেল পাওয়া যায় তা একেবারে প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

      তারা জানান, ‘এখন আমাদের মাঠে কৃষিকাজের ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে। জমি চাষ, সেচ এবং কৃষিযন্ত্র চালাতে ডিজেলের প্রয়োজন হয়। কিন্তু তেলের সংকটে শাকসবজি, পেঁয়াজ, রসুন, ভুট্টা ও ধানসহ বিভিন্ন ফসলের আবাদ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র, পাওয়ার টিলার, ধান কাটার মেশিন ও ট্রাক্টর বন্ধ থাকায় অনেক জমির কাজ করতে পাচ্ছি না।’

      এদিকে তেলসংকটের কারণে যাত্রা বাতিল হচ্ছে বিভিন্ন গণপরিবহনের। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে দূরপাল্লার যাত্রীদের একটি বাস কোম্পানির ম্যানেজার রাজু আহাম্মেদ বলেন, ‘তেলসংকটের কারণে আমরা ঠিক সময়মতো বাস সার্ভিস দিতে পারছি না। তেল আসলে একদিন আগে থেকেই পাম্পে বাসগুলো সিরিয়ালে রাখতে হয়। যার কারণে প্রায়ই যাত্রা বাতিল করতে হয়। এতে করে ভোগান্তি ও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে যাত্রীরা।’


      তথ্যসূত্র:
      ১। সরিষাবাড়ীতে কৃষি কার্ড নিয়ে পাম্পে পাম্পে ঘুরছেন কৃষক
      https://tinyurl.com/2nthah7y
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        চট্টগ্রাম সিটি কলেজে জুলাই গ্রাফিতি মুছে দেয়ায় সংঘর্ষ: শিবির নেতার গোড়ালি কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে দিল ছাত্রদল



        চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে জুলাই আন্দোলনের গ্রাফিতি মুছে দেয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ছাত্রশিবির এক নেতাকে কুপিয়ে পায়ের গোড়ালি প্রায় বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আহতের নাম আশরাফুল ইসলাম। তিনি স্থানীয় একটি ওয়ার্ডের ছাত্রশিবিরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বলে জানা গেছে।

        গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল থেকে ক্যাম্পাসে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলতে থাকে, যা বেলা ১২টার দিকে সংঘর্ষে রূপ নেয়। ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ও কলেজ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পর সিটি কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরাও অবস্থান নেয়।

        এ ঘটনার পর দুপুরে হামলার প্রতিবাদে বিকেলে শিবিরের কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে উভয় পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিকেল সাড়ে চারটার দিকের এ সংঘর্ষে ছাত্রশিবিরের ওই কর্মীর পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় একজন ছাত্রশিবির কর্মীকে অন্য নেতাকর্মীরা রিকশায় তুলছে। ভিডিওতে তার পায়ের নিচের অংশ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এবং গোড়ালি থেকে পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় দেখা যায়।

        জানা গেছে, জুলাই আন্দোলনের সময় আঁকা ‘ছাত্র-রাজনীতি ও ছাত্রলীগ মুক্ত ক্যাম্পাস’ শীর্ষক গ্রাফিতিতে ছাত্র মুছে ‘গুপ্ত’ লিখে দেয় চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজ শাখা ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী।

        এ নিয়ে ক্যাম্পাসে শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীর সঙ্গে উত্তেজনা থেকে সংঘর্ষে রূপ দেয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে এই উত্তেজনা শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে উভয়পক্ষ মুখোমুখি হয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকে এবং ঘণ্টাখানেক তাদের মধ্যে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ পৌঁছে। পরবর্তীতে পুলিশ ও কলেজ শিক্ষকদের হস্তক্ষেপে কলেজ ক্যাম্পাস এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

        তথ্যসূত্র:
        ১। সংঘর্ষে পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন ছাত্র শিবির কর্মীর
        https://tinyurl.com/52xkt8xj
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের পোশাক পরে একরাতে তিন বাড়িতে ডাকাতি




          কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে পুলিশের পোশাক পরে একরাতে তিন বাড়িতে ডাকাতি ঘটনা ঘটেছে। সশস্ত্র ডাকাত দল পুলিশের পোশাক পরে পৃথক পৃথক বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা নিশ্চিত করেছেন ভুক্তভোগীরা। গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত সোয়া ৩টা থেকে পৌনে ৪টার মধ্যে উপজেলার চৌকিদারকাটা ও সিকদার পাড়া এলাকায় পৃথক ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

          গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সশস্ত্র ডাকাত দলের সদস্যরা পরিবারের লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ২ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল সেটসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়।

          সিকদার পাড়া এলাকার ভুক্তভোগী জাহানারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে একদল সশস্ত্র ডাকাত পুলিশের পোশাকে তার বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় তারা অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ইয়াবার কথা বলে চাবি নিয়ে আলমিরা খুলতে বলে। ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও আনুমানিক ৫ লাখ টাকা মূল্যমানের ২ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে ।

          তাকে অস্ত্র ঠেকিয়ে জিম্মি করে পাশ্ববর্তী মোজাফফরের বাড়িতে নিয়ে যায়। আমার মাধ্যমে বাড়ির লোকজনকে ডেকে তুলে। দরজা খুলতেই অস্ত্রের মুখে তাদেরকেও জিম্মি করে ফেলে। ওই বাড়ি থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করে ।

          এরআগে বরইতলী ইউনিয়নের চৌকিদার কাটা এলাকায় মোহাম্মদ নুরুল আবছারের বাড়িতে ডাকাতি করে তারা। অস্ত্রের মুখে পরিবারের লোকজনকে জিম্মি করে নগদ টাকা, মোবাইল সেট ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে যায়।


          তথ্যসূত্র:
          ১। পুলিশের পোশাক পরে একরাতে তিন বাড়িতে ডাকাতি
          https://tinyurl.com/4jfx68f4
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X