রাজধানীতে ডিবি’র অভিযানে গ্রেফতার ৪; ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলের অনুরূপ অভিযোগ প্রমাণের আগেই জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল

দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যরা জননিরাপত্তায় বিঘ্ন সৃষ্টির অভিযোগ বা সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করে থাকে। তারপর আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং আসামীদের জবানবন্দী নিয়ে ব্যক্তি দোষী বা নির্দোষ রায় দেয়। তার আগে রাষ্ট্রীয় আইনে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।
অথচ, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ আমলের মতই পুনরায় সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণের আগেই সংবাদ মাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করে মিডিয়া ট্রায়ালের ব্যবস্থা করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।
২৯ এপ্রিল, বুধবার বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার পরিকল্পনা করছিল বলে দাবি করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এবং অভিযোগ প্রমাণের আগেই ব্যক্তি অধিকার ক্ষুন্ন করে মিডিয়ায় চেহারা অস্বচ্ছ না করে অভিযুক্ত হিসেবে প্রচার করেছে ডিবি।
উল্লেখ্য যে, এভাবে কোন ব্যক্তিকে তার অভিযোগ প্রমাণের আগেই মিডিয়ার সামনে এনে প্রচার করার ফলে ব্যক্তি এবং তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকারে পরিণত করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্ত হলেও সে এবং তার পরিবারকে জীবনভর সামাজিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনা এবং অসম্মানের জীবন অতিবাহিত করতে হয়। যা দীর্ঘমেয়াদে একজন সাধারণ মানুষকেও অপরাধপ্রবণ বানিয়ে দেয়, এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত করে।
তথ্যসূত্র
– https://tinyurl.com/3wm33d3a






Comment