Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১১ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১১ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ ঈসায়ী

    রাজধানীতে ডিবি’র অভিযানে গ্রেফতার ৪; ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলের অনুরূপ অভিযোগ প্রমাণের আগেই জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে মিডিয়া ট্রায়াল



    দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর সদস্যরা জননিরাপত্তায় বিঘ্ন সৃষ্টির অভিযোগ বা সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করে থাকে। তারপর আদালত সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে এবং আসামীদের জবানবন্দী নিয়ে ব্যক্তি দোষী বা নির্দোষ রায় দেয়। তার আগে রাষ্ট্রীয় আইনে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।

    অথচ, বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ আমলের মতই পুনরায় সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেফতার করে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগ প্রমাণের আগেই সংবাদ মাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করে মিডিয়া ট্রায়ালের ব্যবস্থা করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

    ২৯ এপ্রিল, বুধবার বাংলাদেশের অখণ্ডতা, সংহতি, জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করার পরিকল্পনা করছিল বলে দাবি করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এবং অভিযোগ প্রমাণের আগেই ব্যক্তি অধিকার ক্ষুন্ন করে মিডিয়ায় চেহারা অস্বচ্ছ না করে অভিযুক্ত হিসেবে প্রচার করেছে ডিবি।

    উল্লেখ্য যে, এভাবে কোন ব্যক্তিকে তার অভিযোগ প্রমাণের আগেই মিডিয়ার সামনে এনে প্রচার করার ফলে ব্যক্তি এবং তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেনস্তার শিকারে পরিণত করা হয়। পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তি নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্ত হলেও সে এবং তার পরিবারকে জীবনভর সামাজিক ও অর্থনৈতিক বঞ্চনা এবং অসম্মানের জীবন অতিবাহিত করতে হয়। যা দীর্ঘমেয়াদে একজন সাধারণ মানুষকেও অপরাধপ্রবণ বানিয়ে দেয়, এবং রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীলতার দিকে ধাবিত করে।


    তথ্যসূত্র
    https://tinyurl.com/3wm33d3a
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    রাসূল ﷺ কে নিয়ে কটূক্তিকারী আমিনুর শাহ কারাগারে




    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাসূল ﷺকে নিয়ে কটূক্তি করায় ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা সুলতানা সুইটির আদালত এ আদেশ দেয়।

    এর আগে আমিনুর শাহকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক শাহ আলম। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ এপ্রিল রাতে আমিনুর শাহ রাসূল ﷺ কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ও কটাক্ষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেয়। তার এই অবমাননা ও আপত্তিকর মন্তব্যে এলাকায় মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এতে এলাকায় যেকোনো সময় দাঙ্গাসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিসহ দাঙ্গা বাঁধার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

    এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আমিনুর শাহর বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে এনে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেন আলাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি। পরে নবাবগঞ্জের মহিষদিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।


    তথ্যসূত্র:
    ১। মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটূক্তি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমিনুর শাহ কারাগারে
    https://tinyurl.com/kns8ffv4
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখে মুসলিমদের কোণঠাসা করে রাখতে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ৫টি নতুন জেলা অনুমোদন



      ​অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের লাদাখ অঞ্চলে ৫টি নতুন জেলা গঠনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে দখলদার ভারতীয় প্রশাসন, এরফলে লাদাখে মোট জেলার সংখ্যা ৭টিতে পৌঁছেছে।

      ২৯ এপ্রিল কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সৃষ্ট জেলাসমূহ হলো নুবরা, শাম, চাংথাং, জানস্কার ও দ্রাস। এর আগে লেহ ও কার্গিল নামে কেবল দুটি জেলা নিয়ে লাদাখ অঞ্চল গঠিত ছিল।

      দখলদার প্রশাসনের দাবি, শাসন বিকেন্দ্রীকরণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরকারি পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।

      তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে নতুন জেলাগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, এর আগে লাদাখের ২টি জেলার মধ্যে কার্গিল জেলা ছিল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং লেহ জেলা ছিল বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ। আর বর্তমানে ৭টি জেলার মধ্যে ৫টি জেলা (লেহ, নুবরা, শাম, চাংথাং ও জানস্কার) বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ। কেবল ২টি জেলা কার্গিল এবং দ্রাস মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ।

      অথচ ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, লাদাখের মোট জনসংখ্যার (২৭৪২৮৯ জন) ৪৬.৪ শতাংশ মুসলিম এবং ৩৯.৬৫ শতাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। নতুন জেলা পুনর্গঠন অনুযায়ী, ৩৯.৬৫ শতাংশ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য ৫টি জেলা, অথচ ৪৬.৪ শতাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য মাত্র ২টি জেলা বরাদ্দ থাকছে।

      সমালোচকদের যুক্তি, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ লাদাখ অঞ্চলকে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে। এটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে দখলদার ভারত বিরোধী ঐক্য বিনষ্ট ও দমনের একটি ষড়যন্ত্র, পাশাপাশি উক্ত অঞ্চলে মুসলিমদের সংখ্যালঘু হিসেবে চিত্রিত করার একটি অপপ্রয়াস।


      তথ্যসূত্র:
      1. https://tinyurl.com/2bzhmw7a
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        গাজীপুরে ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে নগদ টাকা ছিনিয়ে নিলো পুলিশ সদস্যরা, মামলা করলো ব্যবসায়ী




        গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকায় এক ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে মারধর ও তার সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে পুলিশের সদস্যরা। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহাররা হলেন কোনাবাড়ি থানার এএসআই আজিজুল হক, কনস্টেবল নাজমুল হোসেন ও মামুন হোসেন। এর মধ্যে আজিজুলকে গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এবং নাজমুল ও মামুনকে বুধবার (২৯ এপ্রিল) প্রত্যাহার করা হয়।

        গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন লিখিত অভিযোগে জানান, গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল সড়কে বাইমাইল এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয়। এ সময় পুলিশ সদস্যরা তাকে বাইমাইল হরিণচালা এলাকার কাশেম কটনের পূর্বপাশে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।

        সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং একটি পলিথিনে থাকা ইয়াবা ট্যাবলেট দেখিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়। পরে তার কাছ থেকে নগদ ২৮ হাজার ৪০০ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।

        ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী আরও জানান, এ সময় সিএনজিতে থাকা সিফাত নামের আরেক যুবককেও আটক রাখা হয়। তার মোবাইলে অনলাইন জুয়ার অ্যাপ থাকার অভিযোগ তুলে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং তার কাছ থেকেও টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে তিনি তার ভাইয়ের মাধ্যমে দেলোয়ারের মোবাইলে দুই হাজার ৪০০ টাকা পাঠায়। পরে দেলোয়ারের বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে আরো প্রায় সাত হাজার টাকা উত্তোলন করে নেয় পুলিশ।

        ভুক্তভোগীর জানান, টাকা নেওয়ার পর অভিযুক্তরা তার ছবি তুলে রাখে এবং বিষয়টি কাউকে জানালে বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেয়। পরে তাকে ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নামিয়ে দেওয়ার সময় মাত্র ৪০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। ঘটনার পর রাত আনুমানিক ২টার দিকে আটজন পুলিশ সদস্য তার বাসায় গিয়ে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করে এবং জোরপূর্বক পাঁচ হাজার টাকা ফেরত দেয়।

        পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে দেলোয়ার হোসেন সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আদায়কৃত অর্থ ফেরতের দাবি জানান।

        অন্যদিকে ঘটনাস্থলে থাকা সিফাত মোবাইল ফোনে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও বিস্তারিত বলতে অনীহা প্রকাশ করেন।

        গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবু নাসের আল-আমিন জানান, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। অপহরণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
        https://tinyurl.com/3xjp2k76
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          রাজশাহীর চারঘাটে রেলওয়ে স্টেশনে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণ



          রাজশাহীর চারঘাটে রেলওয়ে স্টেশনে এক ব্যক্তিকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বামী গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে চারঘাট মডেল থানায় মামলা করেছেন।

          ভুক্তভোগীর বরাতে দৈনিক মানবজমিন জানায়, নাটোর সদর উপজেলার হাশেমপুর গ্রামের ওই দম্পতি ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি করেন, প্রতিদিনের মতোই মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি শেষে রাত প্রায় ১টার দিকে তারা সরদহ স্টেশনে নামেন। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে বিস্কুট খাচ্ছিলেন। এ সময় এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

          হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে তাকে একটি পরিত্যক্ত দোকানের পাশে বেঁধে ফেলে রাখে। এরপর ওই ব্যক্তির পপকর্ন বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিয়ে জোরপূর্বক স্ত্রীকে স্টেশনসংলগ্ন জঙ্গলে টেনে নিয়ে ধর্ষণ করে হামলাকারী। ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, এ সময় তিনি চিৎকার করলেও তাদের বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেনি, প্রায় ৪৫ মিনিট পর আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তিনি জঙ্গল থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন।

          স্থানীয়দের মাধ্যমে অভিযুক্তের নাম আশরাফুল ইসলাম বলে জানতে পারেন, সে চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

          সরদহ স্টেশন মাস্টার ইকবাল কবির জানায়- রাতে যখন স্টেশনের পাশে ঘটনাটি ঘটে তখন স্টেশনে মাত্র তিনজন স্টাফ দায়িত্বে ছিল। তারা বিষয়টি টের পায়নি। ৯৯৯ ফোন করলে পুলিশ এসে ভুক্তভোগীর বিষয়টি তদন্ত করছে। চারঘাট মডেল থানার ওসি আব্দুল মালেক জানায়- এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ
          https://tinyurl.com/mrcf9u2w
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            সিরাজগঞ্জে অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ আ.লীগ নেতার ছেলে গ্রেপ্তার



            সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় যমুনা নদীর চরাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ মাহবুবুর রহমান দিপু (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

            গ্রেপ্তারকৃত মাহবুবুর রহমান দিপু নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তোজাম্মেল হকের ছেলে। তার মা সুলতানা হক কাজীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিল।

            গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে কাজীপুর উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের যমুনা নদীর চরাঞ্চল রেহাইসুরিবেড় গ্রামের মগবাজার এলাকায় একটি ওয়ার্কশপে অভিযান চালানো হয়। সেখানে লেদ মেশিন ব্যবহার করে দেশীয় অস্ত্র, বিশেষ করে পাইপগান তৈরি করা হচ্ছিল বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

            অভিযান পরিচালনা করে নাটুয়ারপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। এ সময় মাহবুবুর রহমান দিপুকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

            কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মোহাম্মদ এনায়েতুর রহমান জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি চাইনিজ কুড়ালসহ পাইপগান তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।


            তথ্যসূত্র:
            ১। আ.লীগ নেতার ছেলে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
            https://tinyurl.com/3f6zyzfh
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ‎রাজধানী ঢাকায় উত্তপ্ত আন্ডারওয়ার্ল্ড, চারদিকে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের ঝনঝনানি




              এক সময় রাজধানী ঢাকায় এলাকাভিত্তিক কিছু ব্যক্তির নাম শুনলেই মানুষ আঁতকে উঠত। দিন-দুপুরে চাঁদা চেয়ে চিরকুট পাঠাত তারা। পুলিশকে জানালে হয়তো তাদের জীবনই চলে যাবে। এ কারণে অনেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানাত না। এভাবেই চলছিল, মাঝে কিছুটা কমলেও সম্প্রতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আন্ডারওয়ার্ল্ড। চাঁদাবাজি, দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীরা আবার খুনোখুনিতে লিপ্ত হচ্ছে। চারদিকে সন্ত্রাসীদের অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি।

              ‎তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালের পর থেকে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসীরা আবার সক্রিয় হয়ে উঠেছে। গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে নিউ মার্কেটে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন অপর গ্রুপের হাতে নিহত হওয়ার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে এই অপরাধ সাম্রাজ্য। তারা প্রকাশ্যে খুনোখুনিতে লিপ্ত হওয়ায় জনমনে ভীতি সঞ্চার হচ্ছে।

              ‎দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে শীর্ষ সন্ত্রাসী তারেক সাঈদ মামুন নামে এক শীর্ষ সন্ত্রাসীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায় একদল সন্ত্রাসী। ওই গুলি লাগে কাছে থাকা মোটরসাইকেল আরোহী আইনজীবী ভুবন চন্দ্রের মাথায়। সে সময় থেকে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে থাকে আন্ডারওয়ার্ল্ড।

              ‎২০২৪ সালের ২৫ মে মধ্য বাড্ডার গুদারাঘাট এলাকায় সাধন নামে এক ডিশ ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও লভ্যাংশ নিয়ে বিরোধের জেরে বিদেশে অবস্থানরত চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের নির্দেশে তাকে হত্যা করা হয় বলে তদন্তে উঠে আসে। ঢাকার বাড্ডা এলাকার ডিশ, ইন্টারনেট ও ঝুট ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং জমি দখলের মতো অপরাধগুলো পুলিশের খাতায় থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী রবিন ও ডালিম মালয়েশিয়ায় বসেই পরিচালনা করছে বলে জানা গেছে।

              ‎সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মগবাজারের বিশাল সেন্টারে দলবল নিয়ে মহড়া দেয় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন। এ নিয়ে সেখানকার ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ২০২৪ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রায়েরবাজারে সাদেক খান আড়তের সামনে জোড়া খুনের ঘটনা ঘটে। ওই খুনের সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সন্ত্রাসী পিচ্চি হেলাল জড়িত। প্রায় দুই যুগ পর জামিনে বের হওয়া পিচ্চি হেলালের বিরুদ্ধে এ ঘটনায় ফের হত্যা মামলা হয়। গত বছরের ১০ নভেম্বর পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে পুলিশের এক সময়ের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

              ‎সূত্র জানায়, রাজধানীতে এক সময় চাঁদাবাজি আর আধিপত্য নিয়ে তৈরি হয়েছিল সেভেন স্টার ও ফাইভ স্টার গ্রুপের। দিন-দুপুরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে চলত এসব সন্ত্রাসীর অস্ত্রের মহড়া। এদের মধ্যে খিলগাঁওয়ের জিসান, মিরপুরের শাহাদাত, লিটু, কারওয়ান বাজারের আশিক, কল্যাণপুরের প্রকাশ, যাত্রাবাড়ীর ইতালি নাসির, মগবাজারের রনি, শাহ আলী এলাকার গাজী সুমন, আদাবরের নবী, মোহাম্মদপুরের কালা মনির উল্লেখ্যযোগ্য।

              ‎সূত্র জানায়, সবশেষ আন্ডারওয়ার্ল্ডের খুনোখুনিতে নিহত হয় আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। ২০০১ সালে পুলিশ যে ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকা প্রকাশ করে, সেখানে টিটনের নামও ছিল। তার ভগ্নিপতি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন। তারা দুজনই মোহাম্মদপুরের সন্ত্রাসীচক্র হারিছ-জোসেফ গ্রুপে যুক্ত ছিল। টিটনের তৎপরতা ছিল ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায়।



              ‎তথ্যসূত্র:
              ‎১। উত্তপ্ত আন্ডারওয়ার্ল্ড, অস্ত্রের ঝনঝনানি
              ‎- https://tinyurl.com/4nxy3fjt
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X