Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১২ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ০১লা মে, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১২ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ০১লা মে, ২০২৬ ঈসায়ী

    ইসরায়েলি কারাগারগুলো “জীবন্ত কবর”—মুক্তির পর ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক




    দখলদার ইসরায়েলের কারাগারগুলোকে “জীবন্ত কবর” হিসেবে বর্ণনা করেছেন মুক্তিপ্রাপ্ত এক ফিলিস্তিনি সাংবাদিক। দীর্ঘ এক বছর আটক থাকার পর মুক্তি পেয়ে তিনি কারাগারের ভেতরের ভয়াবহ পরিস্থিতি ও অমানবিক আচরণের চিত্র তুলে ধরেছেন।

    ৫৯ বছর বয়সী সাংবাদিক আলী সামৌদি জানান, তাকে পুরো এক বছর কোনো ধরনের অভিযোগ ছাড়া আটকে রেখেছিল দখলদার ইসরায়েল। আটক অবস্থায় তিনি এক বছরে নিজের শরীরের অর্ধেক ওজন হারিয়েছেন। আগে যেখানে তার ওজন ছিল প্রায় ১২০ কেজি, বর্তমানে তা নেমে এসেছে প্রায় ৬০ কেজিতে। তিনি বলেন, ইসরায়েলি কারাগারে ইচ্ছাকৃতভাবে অনাহার নীতি এবং অত্যন্ত দুর্বিষহ পরিবেশের কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

    ফিলিস্তিনি বন্দি বিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, দীর্ঘদিন নির্যাতন, বারবার স্থানান্তর এবং মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকার কারণে মুক্তির সময় সামৌদির শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ ছিল। তিনি তার অভিজ্ঞতায় উল্লেখ করেন, বন্দিদের খাদ্য সংকট, নিম্নমানের খাবার এবং ন্যূনতম প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাবের মধ্যে জীবন কাটাতে হচ্ছে।

    তিনি বন্দিদের পরিবারের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তাদের স্বজনদের ভুলে না যায় এবং তাদের মুক্তির জন্য সোচ্চার থাকে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, কারাগারের ভেতরের পরিস্থিতি দিন দিন আরও অবনতি হচ্ছে।

    ফিলিস্তিনি বন্দি সোসাইটির তথ্যানুযায়ী, চার নারীসহ ৪০ সাংবাদিক এখনও ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি রয়েছেন এবং সেখানেও নির্যাতন চলছে। সোসাইটি ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে চলমান লঙ্ঘনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

    বেসামরিক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, নারী ও শিশুসহ ৯ হাজার ৬০০ ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি কারাগারে নির্যাতন, ক্ষুধা ও চিকিৎসা অবহেলার শিকার হচ্ছে। এতে প্রাণহানি ঘটলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

    এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সকল বন্দি সাংবাদিকসহ ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তির দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।


    তথ্যসূত্র
    1. Freed Palestinian journalist describes Israeli prisons as ‘living graves’
    https://tinyurl.com/mrjewf9n
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভারতের বিহারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ‘বন্দে মাতরম’ শিরকি গান বাধ্যতামূলক করে পুনরায় নির্দেশ জারি




    ভারতে বিহার রাজ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম’ শিরকি গান গাওয়ার মাধ্যমে দৈনিক কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন।

    মাদ্রাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে এই গান দিয়ে দিন আরম্ভ করতে হবে। এছাড়া যেকোনও অনুষ্ঠানের সমাপনীতে বিহার রাজ্য সংগীত গাইতে হবে। রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর থেকে গত ২৬ এপ্রিল এই মর্মে একটি প্রশাসনিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠান, বিদ্যালয় এবং প্রধান জনসমাবেশে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম’ গান পরিবেশন করা ইতোমধ্যে বাধ্যতামূলক করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই পথ ধরেই এবার বিহার সরকার তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই নিয়মকে আরও সুসংহত করতে পুনরায় নির্দেশ জারি করেছে।

    হিন্দুত্ববাদী কর্মকর্তাদের দাবি, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা জাগ্রত করা এবং জাতীয় গর্বের অনুভূতি জাগ্রত করা।

    ‘বন্দে মাতরম’ শিরকি গান বাধ্যতামূলক করার নির্দেশনার বিরুদ্ধে আরও আগে থেকেই প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে ভারতের আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন মুসলিম সংগঠন।

    তাদের মতে, গানটিতে কিছু শ্লোক রয়েছে যেখানে স্বদেশকে দেবতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা ইসলামের মূল ঈমান-আকিদার পরিপন্থী। আর ঈমান-আকিদার পরিপন্থী গান গাইতে মুসলিমদের বাধ্য করা সাংবিধানিক মূল্যবোধের লঙ্ঘন।

    মুসলমানরা কোনও ধরনের শরীক ব্যতীত এক আল্লাহর ইবাদত করে। এই ধরনের শিরকি নির্দেশনা মুসলমানদের ঈমান-আকিদাকে চ্যালেঞ্জ করার শামিল।

    এছাড়া এই নির্দেশিকার কঠোর সমালোচনা করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং অন্যান্য সমালোচকবৃন্দ। তাদের মতে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ না করে সরকারের উচিত শিক্ষার মান, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে মনোযোগ দেওয়া।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/4b628cn5
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      বাংলাদেশ সীমান্তে কুমির ও সাপ ছাড়ার পরিকল্পনা ভারতের



      বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর নদী তীরবর্তী অঞ্চলে কুমির ও বিষধর সাপ ছাড়তে চায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)। এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা ইতোমধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার বরাবর পেশও করেছে বিএসএফ কর্মকর্তারা। বার্তা সংস্থা আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, এমকমাত্র ভারত ছাড়া বিশ্বের আর কোথাও সীমান্ত এলকায় এমন বিপজ্জনক সরীসৃপ ছাড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।

      এই পরিকল্পনার পক্ষে যুক্তি দিয়ে ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের যেসব এলাকায় বেড়া দেওয়া কঠিন, সেসব জায়গায় কুমির ও বিষধর সাপ ছেড়ে দিলে সেগুলো অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করবে।

      উল্লেখ্য, ভারতের ৫টি রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত আছে বাংলাদেশের। এই রাজ্যগুলো হলো— পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং মিজোরাম। এই ৫ প্রদেশের সঙ্গে মোট ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। দীর্ঘ এই সীমান্তটি কিছু দুর্গম ভূখণ্ডের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে নদী এবং জলাভূমিও। বিএসএফ জানিয়েছে, এসব জায়গায় বেড়া দেওয়া অসম্ভব।

      গত ২৬ মার্চ বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় এবং উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের কর্মকর্তাদের চিঠি দেওয়া হয়।

      সেই চিঠিতে সীমান্তের ‘ঝুঁকিপূর্ণ নদীপথের ফাঁকগুলোতে সরীসৃপ মোতায়েনের সম্ভাব্যতা’ খতিয়ে দেখার বিএএফ কেন্দ্রীয় কমান্ডের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

      বাংলাদেশ-ভারতের ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার জুড়ে বেড়া দিয়েছে নয়াদিল্লি; কিন্তু বাকি অংশে রয়েছে জলাভূমি ও নদী তীরবর্তী এলাকা, যার উভয় পাশে স্থানীয় জনগোষ্ঠী বসবাস করে।

      সাম্প্রতিক এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসএফ তার ইউনিটগুলোকে সীমান্তবর্তী নদীপথের ফাঁকফোকরগুলো সরীসৃপের ব্যবহারের জন্য কতখানি উপযোগী তা ‘নিবিড়ভাবে’ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে। এই খবরটি প্রথম প্রকাশ করে ভারতের আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যম ‘নর্থইস্ট নিউজ’।

      গত বছর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘প্রতিকূল ভূখণ্ড সত্ত্বেও বিএসএফ বাংলাদেশ থেকে অবৈধ সীমান্ত পারাপার এবং নথিবিহীন অভিবাসন রোধে নিষ্ঠার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।’

      তবে সেই প্রতিবেদনে এ-ও উল্লেখ করা হয়েছিল, ‘নদী তীরবর্তী ও নিচু এলাকা, সীমান্তের নিকটবর্তী বসতি, বিচারাধীন ভূমি অধিগ্রহণ মামলা এবং সীমান্তবাসীর প্রতিবাদের মতো কিছু সমস্যাপূর্ণ এলাকার কারণে এই সীমান্তের নির্দিষ্ট কিছু অংশে বেড়া স্থাপনের কাজ ধীর হয়ে গেছে।’

      ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার গত বেশ কয়েক বছর ধরে ভারতে কথিত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বিজেপির দাবি, সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপকহারে প্রবেশের কারণে এসব রাজ্যের জনবিন্যাস বা ডেমোগ্রাফির পরিবর্তন ঘটছে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। Why is India turning to crocodiles and snakes to ‘fence’ Bangladesh border?
      https://tinyurl.com/yckf37xn
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে বর্বর ইসরায়েলি হামলা, নারী-শিশুসহ ৩২ জন নিহত



        ​যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও লেবাননে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। ৩০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বর্বর ইসরায়েলি বিমান হামলায় নারী-শিশুসহ কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

        লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার লেবাননের টায়ার, বিনত জুবাইল ও নাবাতিহ জেলায় যুদ্ধবিমান ও ড্রোন দিয়ে ৭০টির বেশি হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ৩২ জন নিহত ও আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন।

        লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ২ হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৮ হাজারের বেশি মানুষ।

        উল্লেখ্য, গত ২ মার্চ ইসরায়েল লেবাননে ব্যাপক হামলা শুরু করে। গত ১৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি হলেও ইসরায়েল লঙ্ঘন চালিয়ে যাচ্ছে। গাজায়ও ইসরায়েলি বর্বর হামলায় নারী-শিশুসহ ফিলিস্তিনিরা প্রতিনিয়ত শহীদ ও আহত হচ্ছেন।


        তথ্যসূত্র
        1. Lebanon death toll from Thursday reaches 32, Israeli troops hit
        https://tinyurl.com/mstjktkr
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X