Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৯ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ১৮ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৯ যিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি || ১৮ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

    অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে দখলদার ভারত কর্তৃক আরও ৩ মুসলিমের ৫.৮ কোটি রূপির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত



    অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে আরও ৩ কাশ্মীরি মুসলিমের স্থাবর সম্পত্তি ও একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে দখলদার ভারত প্রশাসন, যার সর্বমোট মূল্য প্রায় ৫.৮ কোটি রূপি।

    ১৭ মে কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কথিত মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক পদার্থ প্রতিরোধের নামে শ্রীনগরের খানিয়ারে এই অভিযান চালায় দখলদার ভারতীয় পুলিশ।

    বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে নাজির আহমেদ মীর ওরফে নাজির লস্করি’র মালিকানাধীন ১টি দোতলা বাড়ি ও ৮টি দোকান, যার মূল্য ৩.২ কোটি রূপি। এছাড়া আরও রয়েছে গুলজার আহমেদ মীরের মালিকানাধীন একটি এসইউভি (SUV) গাড়ি ও একটি অস্থায়ী স্থাপনা, যার মূল্য ১.৮ কোটি রূপি এবং জাহিদ মনজুর রাথারের মালিকানাধীন একটি একতলা বাড়ি, যার মূল্য ৮০ লক্ষ রূপি।

    এই সকল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কারণ হিসেবে বরাবরের মতো গতানুগতিক অজুহাত দাঁড় করিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভিত্তিহীন দাবি, মাদক পাচারের উপার্জন ব্যবহার করে উক্ত সম্পত্তি অর্জন করা হয়েছে।

    অপরদিকে স্থানীয়দের মতে, নিরীহ কাশ্মীরিদের মূল্যবান সম্পদ লুট করতে বারবার একই ধরনের অভিযোগ ব্যবহার করছে দখলদার প্রশাসন।

    উল্লেখ্য যে, গত ১১ এপ্রিল হতে ১০০ দিনব্যাপী কথিত নেশামুক্ত অভিযান আরম্ভ করেছে দখলদার দিল্লি প্রশাসন। এর মাধ্যমে একদিকে মাদক পাচারের নামে মুসলিমদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে, অপরদিকে এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কাশ্মীরের স্বাধীনতা সংগ্রামকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/yza4etk5
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গাজায় বর্বর ইসরায়েলি বিমান হামলায় হামাসের সামরিক শাখার প্রধান শহীদ



    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর বিমান হামলায় স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক শাখার প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ তাঁর স্ত্রী ও কন্যাসহ শহীদ হয়েছেন। এক বিবৃতিতে ইজ্জ আল-দিন শহীদ হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফিলিস্তিনের এই স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি।

    বিবৃতিতে হামাস জানায়, ১৯৭০ সালে জন্মগ্রহণকারী এই শীর্ষ নেতা তাঁর স্ত্রী ও কন্যার সাথে শাহাদাতবরণ করেছেন। হামাস তাঁকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের যুদ্ধ অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে একজন ‘কেন্দ্রীয় ব্যক্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

    শনিবার মধ্য গাজার ঐতিহাসিক আল আকসা মার্টার্স মসজিদে হামাসের সামরিক প্রধান ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদ, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের কন্যার একটি যৌথ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

    চলতি যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকেই সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ১৫ মে, শুক্রবার গাজায় অন্তত দুটি পৃথক হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল, যাতে তিন নারী ও এক শিশুসহ সাত ফিলিস্তিনি শহীদ হন।

    এরপর শনিবারও গাজার দুটি ভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী। স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গাজা সিটির আল শিফা হাসপাতালের কাছে একটি চলন্ত যানবাহনকে লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় দুইজন শহীদ হয়েছেন। অন্যদিকে, গাজার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে চালানো অপর এক হামলায় আরও এক ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। সবমিলিয়ে যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে শহীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।


    তথ্যসূত্র
    1. Israel kills Hamas armed wing leader Haddad in Gaza strike
    https://tinyurl.com/5hbscnra
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলায় কমিউনিটি কিচেনের ৩ কর্মীসহ ৮ জন শহীদ



      ​যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েল। সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সর্বশেষ হামলায় অন্তত আট ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। শহীদদের মধ্যে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে একটি কমিউনিটি কিচেনে কাজ করা তিন কর্মীও রয়েছেন।

      ১৭ মে, রবিবার দেইর আল-বালাহে চালানো হামলায় একটি কমিউনিটি কিচেন লক্ষ্য করে নৃশংস হামলা চালায় সন্ত্রাসী ইসরায়েল। এতে সেখানে কর্মরত তিনজন শহীদ হন। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রস্তুত ও বিতরণের কাজ করতেন তারা।

      এ ছাড়া গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস এবং উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়াতেও পৃথক হামলায় আরো কয়েকজন শহীদ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

      গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খুদারি জানিয়েছেন, চলমান হামলার কারণে বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ও মানবিক সংকট আরো তীব্র হয়ে উঠেছে। নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের সংকটে ভুগছেন লাখো মানুষ।

      তথ্যসূত্র
      1. Three community kitchen workers among eight killed by Israel in Gaza
      https://tinyurl.com/4faev8pf
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        বগুড়ায় ইসলাম গ্রহণের আশ্বাসে প্রেমের ফাঁদ তৈরি, বিয়ের পর তরুণীকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করল হিন্দু যুবক



        বগুড়ার শাজাহানপুরে নিজের ধর্ম গোপন করে মুসলিম তরুণীর সঙ্গে প্রেম ও পরে প্রতারণামূলকভাবে বিয়ে করে মুসলিম তরুণীকে হিন্দু ধর্মে ধর্মান্তর করেছে এক হিন্দু যুবক। অভিযুক্ত যুবকের নাম জয়ন্ত কুমার সাহা (৩২)। তার বাড়ি উপজেলার ডেমাজানি গ্রামে। ভুক্তভোগী রিমা সুলতানা শেরপুর উপজেলার পারভবানীপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের মেয়ে।

        রিমা সুলতানা জানায়, জয়ন্ত প্রথমে নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন রেখে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। পরে পরিচয় প্রকাশ পেলে আপত্তি জানালে জয়ন্ত ভবিষ্যতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের আশ্বাস দেয়। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতে ২০২৩ সালের ৭ মে মোকাম বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাদের কোর্ট ম্যারেজ সম্পন্ন হয়। একই বছরের ২৩ মে ‘উভয়ে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে’ মর্মে একটি এফিডেভিট করা হয়।

        তবে বিয়ের পর জয়ন্ত কুমার সাহা ইসলাম ধর্ম গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায় এবং উল্টো রিমাকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিতে থাকে। এ নিয়ে বিরোধ চরমে পৌঁছালে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

        রিমা সুলতানা আরও জানায়, বিচ্ছেদের প্রায় আট মাস পর জয়ন্ত পুনরায় রিমার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং আবারও ইসলাম ধর্ম গ্রহণের আশ্বাস দেয়। পরে ৩ জুলাই ২০২৪ বগুড়া শহরের বাদুরতলা প্রেসপট্টি এলাকার ‘শ্রী শ্রী নারায়ণ বিগ্রহ মন্দিরে’ হিন্দু রীতিতে তাদের বিয়ে হয়। ওই সময় কৌশলে রিমার কাছ থেকে কয়েকটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়।

        পরদিন ৪ জুলাই বগুড়া জেলা নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে রিমার ধর্মান্তর ও নাম পরিবর্তন করে ‘রিমা রাণী সাহা’ রাখা হয় জানান তিনি। পরে বিষয়টি জানতে পেরে নিজেকে প্রতারণার শিকার বলে অভিযোগ করেন রিমা।


        তথ্যসূত্র:
        ১। প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ম বদল, অভিযোগ হিন্দু যুবকের বিরুদ্ধে
        https://tinyurl.com/bdevvan6
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          চাঁদপুরে গরুর মাংস রান্নার জেরে পাঁচ বছরের মুসলিম শিশুর শরীরে গরম পানি ঢেলে পুড়িয়ে দিলো হিন্দু নারী



          চাঁদপুরে গরুর মাংস রান্না নিয়ে বিরোধের জেরে পাঁচ বছরের এক মুসলিম শিশুর শরীরে পাশবিকভাবে গরম পানি ঢেলে পুড়িয়ে দিয়েছে এক হিন্দু নারী। এ ঘটনায় আহত শিশুর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে আদালত তাকে শাস্তি না দিয়ে জামিনে মুক্তি দিয়েছে।

          ভুক্তভোগী পরিবারের সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর শহরের একটি বাসায় মুসলিম পরিবারটি ভাড়া থাকত। পাশের বাসায় বিথী রাণী নামে এক হিন্দু নারীও বসবাস করত। বাসায় মুসলিম পরিবারটি মাঝে মধ্যে গরুর মাংস রান্না করলে ওই নারী তাদের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ত। এমনকি হিন্দু নারী মুসলিম পরিবারটিকে গরুর মাংস রান্না না করতে নিষেধও করত।

          একপর্যায়ে মুসলিম নারী বিষয়টি বাসার দারোয়ান ও কেয়ারটেকারকে জানালে তারা অভিযুক্ত নারীকে এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকতে বলেন। প্রয়োজনে বাসা ছেড়ে দেওয়ার কথাও জানানো হয়।

          এ ঘটনার এর পর থেকেই ওই হিন্দু নারী মুসলিম পরিবারটির সদস্যদের অনুসরণ করতে থাকেন। একদিন বাসা ফাঁকা পেয়ে সে মুসলিম পরিবারের পাঁচ বছরের শিশু ছেলেকে ডেকে নেয় এবং তার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়। এতে শিশুটির বুক ও পিঠের অংশ গুরুতরভাবে পুড়ে যায়।

          ঘটনার পর মুসলিম শিশুটির মা চাঁদপুরে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। তবে প্রায় পাঁচ মাস পর হাইকোর্ট তাকে শাস্তি না দিয়ে জামিনে মুক্তি দেয়।

          জানা গেছে, অভিযুক্ত নারী বর্তমানে চাঁদপুরে ‘মাতৃছায়া’ নামের একটি ক্লিনিকে চাকরি করে। তার বাড়ি হাইমচর উপজেলায়।

          পাঁচ বছরের শিশুকে নৃশংসভাবে আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার পর তাকে কোন প্রকার শাস্তি না দিয়ে জামিন দেয়ার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুসলিম পরিবারটি।


          তথ্যসূত্র:


          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            সুনামগঞ্জে হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় স্থান পাননি প্রকৃত কৃষক, তালিকায় রয়েছে দলীয় নেতাকর্মী ও স্বজনদের নাম



            ​সুনামগঞ্জে অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ বোরো ফসলের জমি। স্বপ্নের ফসল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। এর পরপরই সারা জেলায় শুরু হয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়নের কার্যক্রম। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৫৯ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে এই তালিকা প্রণয়ন ঘিরে নানা অভিযোগ উঠেছে হাওরপাড়ের কৃষকদের মধ্যে।

            গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অনেকেই জানিয়েছেন, তালিকা তৈরির কাজে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার কারণে প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে পছন্দের ব্যক্তি কিংবা অকৃষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক কৃষকের দাবি, মেম্বার-চেয়ারম্যানরা নিজেদের স্বজনদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন, ফলে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই তালিকার বাইরে থেকে গেছেন।

            কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় ১৪ লাখ টন ধান, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। এ পর্যন্ত জেলার ১৩৭টি ছোট-বড় হাওরে প্রায় ২০ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৮৭ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে।

            জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী কৃষকদের তিন মাসব্যাপী মানবিক সহায়তা দেওয়া হবে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পাবেন ৭ হাজার ৫০০ টাকা, মাঝারি ক্ষতিগ্রস্তরা ৫ হাজার টাকা এবং কম ক্ষতিগ্রস্তরা পাবেন ২ হাজার ৫০০ টাকা। পাশাপাশি ২০ থেকে ৩০ কেজি করে চালও বিতরণ করা হবে। জগন্নাথপুর উপজেলার নলুয়ার হাওরের কৃষক মদরিছ আলী বলেন, ‘আমার ১৭ কেদার জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। এক মুঠো ধানও ঘরে তুলতে পারিনি। কিন্তু কেউ এসে আমার তথ্য নেয়নি। আমার ছেলে ইমন অনেক চেষ্টা করেও তালিকায় নাম তুলতে পারেনি। অথচ অনেক অকৃষকের নাম তালিকায় উঠেছে।’

            শান্তিগঞ্জ উপজেলার শহীদ নুর আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, ‘তালিকা প্রণয়নে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের আত্মীয়স্বজনের নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। যাদের জমি নেই কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হননি, তাদের নামও তালিকায় এসেছে। অথচ অনেক প্রকৃত কৃষক বাদ পড়েছেন। তালিকা পুনঃযাচাই করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা নিশ্চিত করা উচিত।’

            তাহিরপুর উপজেলার কৃষক মশিউর রহমান বলেন, ‘টাঙ্গুয়ার হাওরে আমার ২০ কেদার জমির ধান নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু তালিকায় আমার নাম নেই। অথচ যাদের ক্ষতি হয়নি, তাদের নাম থাকার কথা শুনছি।’


            তথ্যসূত্র:
            ১। হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত তালিকায় স্থান পাননি অনেক প্রকৃত কৃষক
            https://tinyurl.com/yxxcv76z
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X