Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ৬ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৪ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ৬ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ২৪ মে, ২০২৬ ঈসায়ী

    ভারতে বেকারত্ব, বৈষম্য এবং সাধারণ নাগরিকদের প্রতি অবজ্ঞার প্রতিবাদে ‘তেলাপোকা’ পার্টির উত্থান



    সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের অনলাইন অঙ্গনে ‘পলিটিক্যাল স্যাটায়ার মুভমেন্ট’ বা রাজনৈতিক ব্যঙ্গ আন্দোলন ব্যাপক আগ্রহের জন্ম দিয়েছে তরুণ প্রজন্মের ভেতরে। মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে আত্মপ্রকাশ ঘটে ‘ককরোচ (তেলাপোকা) জনতা পার্টি’ (সিজেপি), ‘ন্যাশনাল প্যারাসাইটিক (পরজীবী) ফ্রন্ট’ (এনপিএফ) এবং ‘বি (মৌমাছি) পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (বিপিআই) এর মতো নানান অনলাইনভিত্তিক দলের।

    সোশ্যাল প্লাটফর্মে দলগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। দলগুলো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সংগঠন না হলেও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তরুণরা এখানে নিজেদের হতাশা, আকাঙ্ক্ষা এবং ডিজিটাল যুগের রাজনীতিকে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে তুলে ধরছে।

    গত ১৫ মে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে বলে, ‘তেলাপোকার মতো এমন কিছু তরুণ আছে, যারা কোনো চাকরি পায় না কিংবা কোনো পেশায় তাদের জায়গা হয় না। তাদের কেউ কেউ গণমাধ্যমকর্মী সাজে, কেউ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী হয়, আবার কেউ তথ্য অধিকার (আরটিআই) কর্মী বা অন্য কোনো অ্যাকটিভিস্ট হয়ে সবাইকে আক্রমণ করে।’

    তার এই বক্তব্যের প্রতিবাদে ১৬ মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জনসংযোগ বিষয়ে সদ্য স্নাতক হওয়া ৩০ বছর বয়সী অভিজিত দিপক নামের এক ব্যক্তি তেলাপোকাদের এক হওয়ার ডাক দেয়। এতে সোশাল মিডিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টি নামের ট্রেন্ড তৈরি হয়।

    দলটির আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট চালুর মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ৪০,০০০ জনেরও বেশি মানুষ এতে নিবন্ধিত হয় এবং পরবর্তীতে এই সংখ্যা ৩.৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে দলটির ফলোয়ার সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কয়েক মিলিয়নে পৌঁছায়।

    ভারতের বর্তমান ক্ষমতাকাঠামো মূলত বয়স্ক রাজনৈতিক এলিটশ্রেণী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু জেন-জি সম্পূর্ণ ভিন্ন এক অভিজ্ঞতায় বড় হয়েছে।

    এই প্রজন্ম পুরোনো রাজনৈতিক বয়ানে আস্থা হারাচ্ছে। ধর্মীয় বিভাজন, জাতীয়তাবাদী আবেগ বা ঐতিহ্যবাহী দলীয় আনুগত্য নিয়ে বেশির ভাগ তরুণের আগ্রহ ফিকে। তাদের প্রধান দাবি চাকরি, দক্ষতা ও বাস্তব সুযোগ।

    একই সঙ্গে এখানে কাজ করছে প্রতিষ্ঠিত সিস্টেম বা কাঠামোর বিরুদ্ধে রাগ ও অবিশ্বাস। তরুণদের বড় অংশ এখন আর শুধু সরকারকে সন্দেহ করছে না, তারা সন্দেহ করছে রাষ্ট্র ও সরকারকে প্রায় একাকার করে তোলা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও। বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন, বিশ্ববিদ্যালয়, মিডিয়া এবং করপোরেট কাঠামো—সবই তাদের চোখে এলিট ক্যাপচারের অংশ। ফলে আস্থা নয়, সন্দেহই হয়ে উঠছে নতুন রাজনৈতিক অনুভূতি।

    এই আন্দোলনের গভীরে সবচেয়ে বড় সংকট হলো ভারতীয় মধ্যবিত্ত স্বপ্নের ভাঙন। দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় পরিবার তরুণদের একটি গল্প শোনিয়েছে। পড়াশোনা করো, ডিগ্রি নাও, চাকরি পাবে, জীবন স্থিতিশীল হবে। কিন্তু এই গল্প এখন ভেঙে পড়ছে।

    কারণ, আজকের বাস্তবতা হলো, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, চুক্তিভিত্তিক শ্রমব্যবস্থা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তিনির্ভর কর্মপ্রক্রিয়া, স্বজনপ্রীতি, বিনা বেতনের শিক্ষানবিশি ও যোগ্যতার তুলনায় নিম্নমানের বা অপর্যাপ্ত কর্মসংস্থান। ফলে মেধাভিত্তিক সাফল্য ব্যবস্থার ধারণা ক্রমেই একটি ছলনা হিসেবে স্পষ্ট হচ্ছে।

    এই প্রেক্ষাপটে ডিগ্রি চাকরি দেবে, চাকরি স্থিতি দেবে মডেল আর কার্যকর থাকছে না। এটি ভারতীয় মধ্যবিত্তের জন্য একটি অস্তিত্বগত ধাক্কা। কারণ, তাদের পরিচয় এত দিন দাঁড়িয়েছেই শিক্ষার সাফল্যের ওপর।

    এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে একটি গভীর নিঃসঙ্গতার সমাজ। ডিজিটাল সংযোগ বাড়লেও বাস্তব সামাজিক সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়ছে। ফলে তরুণদের মধ্যে পরীক্ষাজনিত উৎকণ্ঠা, সামাজিক অস্বস্তি, রাজনৈতিক রাগ এবং একধরনের আইরনির আড়ালে লুকানো হতাশা তৈরি হচ্ছে। তেলাপোকা পার্টি এই বিচ্ছিন্নতার একটি সামষ্টিক প্রকাশ বা একটি ডিজিটাল আশ্রয়। যেখানে ব্যক্তিগত হতাশা রাজনৈতিক ভাষা লাভ করেছে।

    ভারতের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সেই বৃদ্ধির সঙ্গে তরুণদের মর্যাদাবোধের কোনো সংগতি তৈরি হচ্ছে না। এটি একধরনের সম্মানবোধ বঞ্চিত উন্নয়নের পরিস্থিতি।

    এখানে অর্থনৈতিক সূচক ভালো হলেও মানসম্পন্ন চাকরির সংখ্যা অনুপাতিকভাবে বাড়ছে না। ফলে তৈরি হচ্ছে চাকরিহীন উন্নয়নের বাস্তবতা। যেখানে উৎপাদন বাড়ে, কিন্তু কর্মসংস্থান বাড়ে না।

    রাষ্ট্র একদিকে স্টার্টআপ জাতীয়তাবাদ, এআই বিপ্লব এবং ডিজিটাল ভারতের স্বপ্ন দেখাচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ তরুণদের বাস্তবতা আটকে আছে খণ্ডকালীন কাজভিত্তিক অর্থনীতিতে, কোচিংনির্ভর শিক্ষাসংস্কৃতিতে, ডেলিভারিভিত্তিক চাকরিতে ও অনিশ্চিত আয়ে। ফলে রাষ্ট্রীয় বয়ান ও দৈনন্দিন বাস্তবতার মধ্যে গভীর ফাটল বড় হচ্ছে।

    তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করছে যে রাষ্ট্র, বড় করপোরেট এবং মিডিয়ার মধ্যে একটি শক্তিশালী পাওয়ার নেক্সাস তৈরি হয়েছে। আদানি-আম্বানিপ্রধান করপোরেট কাঠামোর মিডিয়া ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিতর্ক ভারতের উত্তপ্ত বিষয়, যা তরুণদের এই বার্তা দিচ্ছে যে গণতান্ত্রিক পুঁজিবাদ ধীরে ধীরে অলিগার্কি কাঠামোর দিকে হেলে পড়ছে।

    এই বাস্তবতায় ককরোচ জনতা পার্টির মতো ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক ভাষার জন্ম। এটি কোনো সংগঠিত রাজনৈতিক দল নয়। কিন্তু তা এই সময়ের মনস্তাত্ত্বিক ডকুমেন্ট। এটি দেখায় যে, ভারতের জেন-জি প্রজন্ম এখন আর কেবল নীরব ভোক্তা বা ভোটার হয়ে থাকতে রাজি নয়। তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা, ক্ষোভ ও অপমানকে নতুন ভাষায় রূপ দিতে চাইছে। যেখানে ব্যঙ্গ, মিম ও ডিজিটাল সংগঠনই রাজনৈতিক অস্ত্র।

    এ ঘটনাকে অবহেলা করলে ভুল হবে, আবার অতিরঞ্জিত করে বিপ্লব হিসেবে দেখলেও তাড়াহুড়ো করা হবে। কিন্তু একটি বিষয় আর গোপন নয়। তা হলো, ভারতের তরুণ প্রজন্ম এখন এমন একপর্যায়ে উপনীত হয়েছে, যেখানে তারা কেবল পরিবর্তন চায় না; তারা চায় তাদের অস্তিত্ব ও সম্মানকে স্বীকৃতি দেওয়া হোক।

    যখন কোনো প্রজন্ম তার অপমানকে সংগঠিত ভাষায় রূপ দিতে শেখে, তখন তা হয়ে ওঠে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক ভূগোল পরিবর্তনের সূচনা।


    তথ্যসূত্র
    https://tinyurl.com/yjckwhxv
    https://tinyurl.com/2s3hk4xw
    https://tinyurl.com/ypfmn9kr
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একদিনের ব্যবধানে পাঁচ বছর বয়সী আরও এক শিশু ধর্ষণের শিকার



    নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবারো শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এবার পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৩ মে) বেলা ১১টার দিকে ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা জসীম মিয়ার ভাড়াটিয়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    রোববার (২৪ মে) স্থানীয়রা অভিযুক্ত আনোয়ারকে (৪৮) আটক করে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। আটক আনোয়ার জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার ধনতলা গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও অভিযুক্ত আনোয়ারের পরিবার ফতুল্লা‍র তল্লা এলাকায় একই বাড়িতে পাশাপাশি রুমে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিল। শিশুটির বাবা-মা গার্মেন্টসে কাজ করেন। প্রতিদিনের মতো শনিবার সকাল ৮টার দিকে শিশুটির বাবা ও মা নিজ নিজ কর্মস্থলে চলে যান। পরবর্তীতে সকাল ১১টার দিকে মোবাইলে চার্জ দেওয়ার কথা বলে শিশুটির রুমে প্রবেশ করে একা পেয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত আনোয়ার।

    শিশুটির মা জানান, ঈদের ছুটির কারণে পার্শ্ববর্তী রুমের ভাড়াটিয়াদের বেশিরভাগই গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। ফলে বাড়িটি প্রায় ফাঁকা ছিল। সে সুযোগে আমার মেয়েকে আনোয়ার ধর্ষণ করে। শনিবার রাত ৮টার দিকে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে এলে মেয়ে আমাকে ধর্ষণের বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলে।

    ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুবুর আলম জানান, শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ডাক্তারের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এর আগে, শুক্রবার (২২ মে) রাতে ফতুল্লায় সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়।


    তথ্যসূত্র
    ১। একদিনের ব্যবধানে ফতুল্লায় আবারও শিশু ধর্ষণ
    https://tinyurl.com/2v3f6jz8
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ভিডিও || ভারতে মুম্বইয়ের গরিব নগরে অসংখ্য মুসলিমের বসতি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে



      ‘নির্বাচনের সময় আমরা ছিলাম ভারতীয়, আর এখন আমাদের বাংলাদেশি বলে অভিহিত করা হচ্ছে’: ভারতে মুম্বইয়ের গরিব নগরে অসংখ্য মুসলিমের বসতি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। উক্ত এলাকায় হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন কর্তৃক পরিচালিত কথিত অবৈধ দখল বিরোধী উচ্ছেদ অভিযান এখন শেষ পর্যায়ে। এই উচ্ছেদ অভিযানে বাড়িঘরের পাশাপাশি একটি মসজিদও ধ্বংস করা হয়েছে, যা মুসলিম বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল। মুসলিমদের বিক্ষোভের সূত্র ধরে হিন্দুত্ববাদী পুলিশের অভিযান, গ্রেপ্তার ও লাঠিচার্জ জোরালো করা হয়, এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসলিম আহত হয়।

      ভিডিও দেখুন:




      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভিডিও || মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জেলার অন্তর্গত তেজাজি নগর এলাকায় গরু পরিবহনের অভিযোগে এক মুসলিম ট্রাক চালককে নির্মমভাবে অপমান ও মারধর করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের সদস্যরা


        ​২০ মে ভারতে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জেলার অন্তর্গত তেজাজি নগর এলাকায় গরু পরিবহনের অভিযোগে এক মুসলিম ট্রাক চালককে নির্মমভাবে অপমান ও মারধর করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের সদস্যরা।

        সূত্রমতে, উগ্রবাদীরা ট্রাকটিকে আটক করে এর চালককে লাঞ্ছিত করতে আরম্ভ করে। এই মুসলিম চালককে প্রকাশ্যে নগ্ন করে ও নাচতে বাধ্য করে। এই ঘৃণ্য হামলায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী দলের পক্ষে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিদের নাম আশিস ঠাকুর ও আকাশ ঠাকুর বলে জানা যায়।


        https://x.com/i/status/2058143084815450146
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবাসীর শিশু কন্যাকে ধর্ষণের পর গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যাওয়ার অভিযোগ


          ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে চিপস দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নয় বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সহিদুল মিয়া পলাতক রয়েছেন।
          ভুক্তভোগী শিশুটি বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। ভুক্তভোগী সরাইল উপজেলার তেলিকান্দা উত্তরপাড়া গ্রামের সৌদিপ্রবাসীর মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার মক্তব বিভাগের ছাত্রী ছিল। অভিযুক্ত সহিদুল মিয়া একই গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে।
          পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভূক্তভোগী ওই শিশুর পরিবারিক সূত্র জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ওই শিশু শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী সহিদুল মিয়া চিপস কিনে দেওয়ার কথা নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। পরে সেখানে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
          এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। পরে অভিযুক্ত সহিদুল নিজেই ওই শিশুকে নদীতে গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যায়। এক পর্যায়ে শিশুটি অসুস্থতা বোধ করলে সে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূইয়া জানান, ৯৯৯-এর মাধ্যমে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া যায়।
          অভিযুক্তকে চেষ্টা চলছে। শিশুটির পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

          তথ্যসূত্র
          ১। শিশুকে ধর্ষণের পর গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যায় অভিযুক্ত
          https://tinyurl.com/23fsmebc
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X