Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৫ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ০২ রা জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৫ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ০২ রা জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    সচেতন সমাজের বিপরীতে দাঁড়িয়ে স্কুলে সিনেমা প্রদর্শনীর পক্ষে মানববন্ধন করেছে সাংসদ রুমিনা ফারহানা


    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি হাইস্কুলে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী বন্ধ হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদীচীসহ কয়েকটি উগ্র সেক্যুলার সংগঠন আলেম-উলামার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এ ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তার বক্তব্যে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও আজানের সুরকে গান ও বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে তুলনা করছে।

    জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোনো সিনেমা হল চালু নেই। গত ৩০ মে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটি’ নামে একটি সংগঠন শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের উদ্যোগ নেয়। তবে স্থানীয় আলেম-উলামারা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের বিরোধিতা করলে স্কুল কর্তৃপক্ষ অনুমতি প্রত্যাহার করে নেয় এবং প্রদর্শনী স্থগিত হয়ে যায়।

    পরে বিষয়টি ঘিরে বিভিন্ন সেক্যুলার সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। এর মধ্যে- ব্রহ্মণবাড়িয়া অনুশীলন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, খেলাঘর, উদীচী, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, আবরণী, কবির কলম, চারণ, সোনালি সকাল ও আজকের সংস্কৃতি সিনেমা বন্ধের বিপক্ষে বিবৃতি ও বিক্ষোভ করে।

    গত সোমবার (১ জুন) উদীচীর উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছে, যারা বাংলাদেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে চায় এবং দেশকে মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তারাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী বন্ধ করেছে। সে আরও দাবি করে, গত দুই বছরে দেশে ‘ডানপন্থি উগ্রবাদের’ উত্থান ঘটেছে।

    মানববন্ধনে বক্তব্যে রুমিন ফারহানা আরও বলে, ‘আমার দেশের মাটি তো এমন ছিল না। এই দেশের মাটিতে আমরা যেমন আজানের সুমধুর ধ্বনি শুনেছি, আমরা বাউল গানও শুনেছি। সকালবেলা যেমন কুরআন তেলাওয়াত শুনেছি, আবার বিকেলে হারমোনিয়াম নিয়ে ছোট ছোট শিশুদের গান শেখার বিষয়টাও দেখেছি।’

    তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও আজানের মতো ইসলামের পবিত্র বিষয়গুলোকে হারাম গান ও বাদ্যযন্ত্রনির্ভর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে একই কাতারে উপস্থাপন করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে।

    অন্যদিকে, প্রশ্ন উঠেছে— বর্তমানে দেশজুড়ে ধর্ষণ, হত্যা ও বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয়ের ঘটনায় এসব সেক্যুলার সংগঠন সরব না, অথচ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ইস্যুতে তারা কেন এতটা সক্রিয়? বিষয়টি নিয়েও সমাজে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    তথ্যসূত্র:
    ১। তারা মৌলবাদী রাষ্ট্র বানাতে চায়: সিনেমা বন্ধের প্রতিবাদে রুমিন ফারহানা
    https://tinyurl.com/m3cdry25

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভারতের উত্তরপ্রদেশে দেড় বছরের শিশুকে মাটিতে আছড়ে নির্মমভাবে হত্যা


    ভারতে উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদে আরভ নামে দেড় বছরের এক শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে এক হিন্দু যুবক (২৪)। অভিযুক্ত জিতেন্দ্র পাঠক (ভিরাজ) অন্তত ৮ বার শিশুটিকে মাটিতে আছাড় মারে, ফলে তাৎক্ষণিক শিশুটির মৃত্যু হয়। ৩০ মে শনিবার যাদব কলোনিতে এই ঘটনা ঘটে।

    সূত্রমতে, অভিযুক্ত জিতেন্দ্র পাঠক একজন মুদি দোকানি। শিশুটির মা (রতি দেবী) পাঠকের এক কাজিন (সুমিত) এর স্ত্রী। সুমিত ও রতি দেবীর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের সুযোগ নিতে চাইছিল পাঠক।

    সে শিশুটির মা রতি দেবীকে বিয়ের জন্য বারবার প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিন্তু রতি দেবী তার বিয়ের প্রস্তাবে প্রতিবারই অস্বীকৃতি জানায়, বিয়ের প্রস্তাবে রাজি হতে শিশুটিই প্রধান বাধা ছিল বলে জানা যায়।

    এক পর্যায়ে শিশুটিকে কয়েকবার মাটিতে আছড়ে ফেলে হত্যা করে অভিযুক্ত পাঠক। সিসিটিভি ফুটেজে ভয়াবহ এই নৃশংসতার চিত্র স্পষ্ট ধরা পড়েছে।

    হত্যা মামলার প্রেক্ষিতে ৩১ মে অভিযুক্ত পাঠককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঘটনাটি হিন্দুত্ববাদী ভারতে সামাজিক মূল্যবোধে চরম অবক্ষয়ের একটি উদাহরণ হিসেব মনে করছে বিশ্লেষকগণ।




    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/ytht28sp
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      নেত্রকোণা শহরে লোডশেডিংয়ের সুযোগে বাসায় ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা



      নেত্রকোণা শহরে একটি বাসায় ঢুকে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক প্রতিবেশি। এ সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী ও ছেলে। ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ঘটনাস্থল থেকেই আটক করেছে পুলিশ।


      গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১ জুন) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে শহরের কাটলী এলাকার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।

      নিহত মনোয়ারা বেগমের (৫৫) স্বামী আবু চান (৬০) ও ছেলে মুন্না মিয়া (২৫) আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ (৩০) একই এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় রিকশাচালক।

      নিহতের মেয়ে লিজা মণি সাংবাদিকদের জানান, রাত ৯টার দিকে বাসায় গিয়ে তিনি দেখতে পান তার বাবা ও ভাই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। এ সময় অভিযুক্ত রশিদ মিয়াকে ঘরের ভেতরেই দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে খাটের নিচ থেকে মনোয়ারা বেগমের লাশ পাওয়া যায়।

      মেয়ে আরও জানান, রশিদ তাদের পূর্বপরিচিত ছিল এবং বিভিন্ন সময় তাদের কাছ থেকে টাকা ধার নিত।

      নেত্রকোণা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল কুমার সরকার জানায়, ঘটনার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হামলাকারী প্রথমে মনোয়ারা বেগমকে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে ছেলে মুন্না মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী ও সন্তানকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে আবু চানও হামলার শিকার হন।

      স্থানীয়রা আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে মুন্না মিয়ার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

      খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের আটকে রাখা আব্দুর রশিদকে হেফাজতে নেয়।

      তথ্যসূত্র:
      ১। লোডশেডিংয়ের সুযোগে বাসায় ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা
      https://tinyurl.com/42tpdd3m
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’ অমিত শাহের উদ্দেশ্যে মমতা


        পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা হারানোর মাসখানেক পর কলকাতার ধর্মতলায় অবস্থান কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলো পশ্চিমবঙ্গের সদ্যসাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

        মঙ্গলবার (২ জুন) তিনি সরাসরি ইঙ্গিত দিয়ে জানান, এই খুনের সঙ্গে জড়িত মূল আততায়ীরা মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পর রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাদের গ্রেপ্তার করেছিল।

        কিন্তু সেই খবর যাতে প্রকাশ্যে না আসে, তার জন্য খোদ ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে বিষয়টি চেপে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল। মমতা জানায়, দেশের স্বার্থের দোহাই দিয়ে অমিত শাহ তাকে বলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে নির্দেশ দিতে যাতে এই খবর কোনোভাবেই বাইরে না যায়।

        অবস্থান ধর্মঘটে মমতা জানান, ‘বাংলাদেশের এক বড় খুনিকে এসটিএফ (স্পেশাল টাস্কফোর্স) গ্রেপ্তার করেছিল, যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না, আমার বলার অধিকার নেই। কিন্তু আমি যেটা বলছি, তারপরে তারা (খুনি) মেঘালয় দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। তখন আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এটা এসটিএফের ক্রেডিট। তারপরে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে নিজে ফোন করেন।’

        মমতা বলেন, ‘এতদিন তো আমি বলিনি। আজ অত্যাচারের শেষ সীমায় গেছে বলে বলছি। আমি এখনো নামটা বলছি না ভদ্রতা করে। বাংলাদেশের লোক উত্তাল হয়ে যাবে। আমি সেটা চাই না, আমি দেশকে ভালোবাসি।’

        এ সময় তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা চিৎকার করে বলে ওঠেন ‘নামটা বলে দিন’। তবে মমতা বলেন, ‘না বলব না দেশের স্বার্থে। (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) বললেন, ‘আপ থোড়া আপকো বেঙ্গল পুলিশকে বোল দো, এ বাত বাহার মে নেহি কেহনে কে লিয়ে। (আপনি পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে একটু বলে দেন, এই কথাটা বাইরে যাওয়ার না) এটি দেশের জন্য।’

        এরপরই মমতা বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, কার কার নাম বেরিয়েছিল? আজ সরকার পরিবর্তন হলেও আমি তো সবটাই জানি। আমার হৃদয় তো একটা কথার ভান্ডার, তথ্য ভান্ডার, সত্য ভান্ডার।’

        প্রতিবেশী দেশ তথা বাংলাদেশে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হতে পারে এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হতে পারে— কেবল এই বিবেচনা থেকেই তিনি আপাতত মূল হত্যকারী চক্রের নাম প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকছেন বলে জানিয়েছেন মমতা। তবে তার এই মন্তব্য ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডকে নিছক একটি রাজনৈতিক খুন থেকে বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের পর্যায়ে উন্নীত করেছে।

        তথ্যসূত্র:
        ১। ‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’
        https://tinyurl.com/25rmtwjj
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ছেলেরা যুগ্মসচিব-বুয়েটের শিক্ষক, নিঃসঙ্গ বাসায় মরে পচে গেছে বৃদ্ধ মা, খোঁজ নেয়নি কেউই


          রাজধানীর পল্লবী এলাকার একটি বাসা থেকে এক বৃদ্ধার গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃদ্ধার বয়স আনুমানিক ৭৫ বছর। নূরজাহান বেগম নামে ওই বৃদ্ধা একটি বহুতল ভবনের চতুর্থ তলায় মেয়ের বাসার একটি কক্ষে দীর্ঘদিন ধরে নিঃসঙ্গ জীবন-যাপন করেছিলেন। অন্তত, ৪-৫ দিন আগে মৃত্যু হলেও মায়ের খোঁজ নেয়নি কেউই।

          গত রোববার (৩১ মে) রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে পল্লবী ৬ নম্বর সেকশনের ৮ নম্বর সড়কের একটি বাসা থেকে ওই বৃদ্ধার পচা লাশ উদ্ধার করে পল্লবী থানা পুলিশ।

          গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলেই সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত। তার এক ছেলে যুগ্ম সচিব এবং আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তবে তারা পরিবারসহ অন্যত্র থাকে। যে বাসাটিতে ওই বৃদ্ধা মারা গেছেন এটি তার মেয়ের। তার জামাতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিল, যিনি বছর পাঁচেক আগে মারা গেছেন।

          পুলিশ জানায়, ‘ওই বৃদ্ধা বাসার যে কক্ষে থাকতেন, সেটি আবর্জনায় ভরা ছিল। দেখে মনে হয়েছে কয়েক বছরে কেউ সেখানে প্রবেশ করেনি। মরে কয়েকদিন পড়ে থাকলেও মেয়ে খোঁজ নেয়নি মায়ের।’

          গত রোববার তার মেয়ে মাকে ডাকতে গেলে সাড়া না পেয়ে একজন নার্সকে ডাকেন। মেয়ে ভেবেছিল তার মা অসুস্থ। পরে নার্স বাসায় এসে দেখতে পান তিনি মারা গেছেন। এরপর বের হয়ে মানুষজনকে জানালে প্রতিবেশীরা জরুরি সেবায় ফোন করে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

          প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত এক সপ্তাহ আগে তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানায়, ‘ভুক্তভোগী বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে স্বাভাবিক মনে হয়নি। মা মরে পচে আছেন, অথচ তিনি নাকি গন্ধও পাননি। তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতার কারণে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

          ময়নাতদন্তে পর লাশ তার বুয়েটের শিক্ষক ছেলে গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।

          তথ্যসূত্র:
          ১। ছেলেরা যুগ্মসচিব-বুয়েটের শিক্ষক, নিঃসঙ্গ বাসায় মরে পড়ে ছিলেন বৃদ্ধ মা
          https://tinyurl.com/2mt697h7


          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X