Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২০ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৭ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২০ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৭ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    গরু চোর অপবাদ দিয়ে আসামে আরও ২ মুসলিমের ওপর উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের এয়ারগান হামলা


    ​১ জুন রাতে ভারতে দক্ষিণ আসামের শ্রীভূমি জেলার (পূর্ব নাম করিমগঞ্জ) অন্তর্গত পাথারকান্দি এলাকায় গরু চুরির অভিযোগ তুলে ২ মুসলিমকে নির্মমভাবে মারধর করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতা। এইসময় এয়ারগান দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলিয়ে চালিয়ে ভুক্তভোগীদেরকে আহত করেছে উগ্রবাদীরা।

    ভুক্তভোগী আমির উদ্দিন (১৭) একজন মাদ্রাসা ছাত্র এবং ইসলাম উদ্দিন (১৮) একজন দিনমজুর। তারা পরস্পর চাচাতো ভাই সম্পর্কিত।

    ঘটনার দিন তারা পার্শ্ববর্তী একটি হিন্দু পাড়ায় তাদের নিজেদের মালিকানাধীন গবাদি পশুর খোঁজ করতে গিয়েছিলেন।

    তাদের এক চাচা নাজিম উদ্দিন বলেন, পাথারকান্দি বাইপাস এলাকার আশেপাশে দুই চাচাতো ভাই সবসময় তাদের গবাদি পশুগুলো চারণের জন্য নিয়ে যেতো। কিন্তু সেদিন তাদের মালিকানাধীন ৪টি গরু নিকটবর্তী নালুগাঁও এলাকায় (হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ) চলে যায়।

    হিন্দু এলাকায় নিজেদের গরুর খোঁজ করতে গেলে তারা উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়। উগ্র জনতা তাদেরকে গরু চোর অপবাদ দেয় এবং লাঠি দ্বারা নির্মমভাবে মারধর করতে আরম্ভ করে। তারা এয়ারগান দিয়ে এই মুসলিমদের ওপর হামলা চালায়।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে এক ভিডিওতে দেখা গেছে, উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের একজন দুই মুসলিমকে লক্ষ্য করে এয়ারগান থেকে কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়েছে। এই সময় ভুক্তভোগী আমির ও ইসলাম যন্ত্রণায় “ও আল্লাহ! ও মা!” বলে চিৎকার করছিল।

    উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন তাদের চাচা নাজিম। চাচার ভাষ্যনুযায়ী, প্রত্যেকের শরীরে ৪ থেকে ৫টি পেলেটের আঘাত রয়েছে। ইসলামের বুকের ভিতরে পেলেট রয়েছে এবং আমিরের কুঁচকিতে এখনও একটি পেলেট আটকে আছে। এছাড়া উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা তাদের গবাদিপশু গুলোও চুরি করে নিয়ে গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে তারা শিলচর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    উক্ত ঘটনায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, ভাইরাল ভিডিও থেকে হামলাকারীদের সম্পর্কে স্পষ্ট জানা গেছে। তবে পুলিশ এখন পর্যন্ত কেবল ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    নাজিমের অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ভুক্তভোগী মুসলিমদের পূর্ব থেকেই চিনতো। মুসলিমরা প্রায়ই কাজের জন্য আশেপাশের এলাকায় যায়। উগ্র হিন্দুরা স্পষ্ট জানতো যে, গবাদি পশুগুলো মুসলিমদের মালিকানাধীন। এটিই প্রতীয়মান যে, কেবল মুসলিম পরিচয়ের কারণেই জেনেশুনে ভুক্তভোগীদের চোর অপবাদ দেওয়া হয়েছে ও নিপীড়ন করা হয়েছে।

    একই ধরনের অভিযোগ তুলে গত ২৪ মে আসামের সোনিতপুর জেলায় দুই মুসলিমকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করেছিল উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতা। হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের শাসনামলে প্রায় ডজন খানেক এরূপ সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, প্রাণ হারিয়েছে অনেক নিরপরাধ মুসলিম।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/4msx3kze​
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গাজায় বিয়ের অনুষ্ঠানে বর্বর ইসরায়েলি হামলা, কমপক্ষে ৭ জন শহীদ



    ​০৬ জুন, শনিবার ফিলিস্তিনের গাজায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ৭ জন শহীদ হয়েছেন। স্থানীয় হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    আল-জাজিরার প্রতিবেদক হানি মাহমুদ জানিয়েছেন, বিয়ের জন্য বানানো তাঁবু ও এর আশপাশে বেশ কয়েকটি বোমা ফেলা হয়। এতে বোমার বিস্ফোরক ও ধাতব টুকরা আশপাশে ছিটকে পড়ে। বিস্ফোরণ এতটাই তীব্র ছিল যে পাশের স্কুলেও এর প্রভাব পড়েছে, যেখানে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল। তিনি বলেন, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    আল শিফা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, হতাহতের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া এক আত্মীয় জানিয়েছেন, তাঁবুটি ছিল মানুষে পরিপূর্ণ। কয়েক মিনিটের ব্যবধানে আনন্দের এই অনুষ্ঠান রক্তাক্ত ও শোকের মুহূর্তে পরিণত হয়েছে।

    তিনি বলেন, ফিলিস্তিনিরা সবসময় এই উদ্বেগ আর ভয় নিয়েই বাস করে, কারণ যে কোনো সময় এ ধরনের হামলা হতে পারে। শহীদ ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শনিবার গাজার বিভিন্ন স্থানে আরও কয়েকটি হামলার খবর পাওয়া গেছে, যাতে মোট অন্তত ৯ জন শহীদ হয়েছেন। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় একটি পৃথক হামলায় নিজের বিয়ের দিনই এক ফিলিস্তিনি যুবক শহীদ হন বলে স্থানীয় চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে।


    তথ্যসূত্র
    1. Israeli attack on Gaza City tent camp kills at least seven
    https://tinyurl.com/muu85rkz
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      লেবাননে আগ্রাসন চালাতে গিয়ে ২ দখলদার ইসরাইলি সেনা নিহত



      লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আগ্রাসন চালাতে গিয়ে ৬ জুন, শনিবার রাতে দুই জন ইসরায়েলি সন্ত্রাসী সেনা নিহত হয়েছে। পৃথক দুটি ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। নিহতদের একজন ২৩ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন শাহার গামলা। সে ইগোজ ইউনিটের কমান্ডো ব্রিগেডে কর্মরত ছিল।

      গত বৃহস্পতিবার হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
      অন্যদিকে ২১ বছর বয়সী সার্জেন্ট ওহাদ ইয়ারি শুক্রবার পৃথক এক ঘটনায় নিহত হয়। সে গিভাতি ব্রিগেডের সাকেদ ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিল।

      আইডিএফের দাবি, দুর্ঘটনাবশত সংঘটিত গোলাগুলিতে সে প্রাণ হারিয়েছে।
      এদিকে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলের বিমান হামলা ও দক্ষিণ লেবাননে স্থল অভিযান চালানোর ফলে সেখানে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।
      তথ্যসূত্র
      1. Two IDF soldiers killed in southern Lebanon as fighting against Hezbollah continues
      https://tinyurl.com/2s3ahjvz
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভারতের মধ্যপ্রদেশে ‘বরকতউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়’র নাম পরিবর্তন করে হিন্দুয়ানী ‘বাগদেবী ভোজপাল বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণ



        ভারতে মধ্যপ্রদেশের ভোপালে অবস্থিত বরকতউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘বাগদেবী ভোজপাল বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে প্রতিষ্ঠানটির কার্যনির্বাহী পরিষদ। চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি রাজ্যপালের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে। মুসলিম সংস্কৃতি ও অবদান বিলুপ্ত করে একচেটিয়াভাবে হিন্দুয়ানী ন্যারেটিভ প্রচারের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নিয়েছে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। ৪ জুন দি অবজারভার পোস্ট সংবাদ মাধ্যমে নিউজটি তুলে ধরা হয়েছে।

        ভোপাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ১৯৭০ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৮৮ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী মাওলানা বরকতউল্লাহ ভোপালির সম্মানে এটি ‘বরকতউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে নামকরণ করা হয়। বরকতউল্লাহ ভোপালির একজন বিশিষ্ট বিপ্লবী নেতা, যিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে কাজ করেছিলেন।

        তিনি একজন আলেম ও সাংবাদিক হিসেবে সম্মানিত ছিলেন। তিনি আরবি, ফার্সি, ইংরেজি ও জাপানি সহ বেশ কয়েকটি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি ইংল্যান্ড ও জাপানের মতো দেশে শিক্ষকতা করেছিলেন। এছাড়া ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সমর্থনে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, তুরস্ক, আফগানিস্তান ও সোভিয়েত রাশিয়া ভ্রমণ করেছিলেন।

        অপরদিকে পরিবর্তিত নতুন হিন্দুয়ানী নামে ‘বাগদেবী’ শব্দটি হিন্দুদের দেবীর সাথে সম্পৃক্ত। এছাড়া ‘ভোজপাল’ বলতে ১১ শতকের রাজা ভোজকে বোঝানো হয়েছে।

        সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের বেশ কয়েকটি স্থান ও প্রতিষ্ঠানের মুসলিম নাম পরিবর্তন করে হিন্দুয়ানী নামকরণ করা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালের হাবিবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন এর নাম ‘রানী কমলাপতি’র নামে নামকরণ করা হয়েছিল।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/5n6bcdrb

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ ও বিদেশি সম্পৃক্ততার তদন্ত আহ্বান হেফাজতের



          গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বৃহৎ আকারের হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটি বিষয়গুলোর স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনার মাধ্যমে জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের গ্রহণযোগ্য জবাব নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

          দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, রোববার (০৭ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব সাজিদুর রহমান (হাফিযাহুমুল্লাহ) এই আহ্বান জানান।

          বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে বৃহৎ আকারের হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন এবং এসব কর্মসূচিতে বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক অংশগ্রহণ জনমনে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

          বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র। সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার অনুযায়ী এ দেশের প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে, যা জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও সাংবিধানিক ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। সকল ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কথাও উল্লেখ করেন তারা।

          বিবৃতিতে বলা হয়, পলাশবাড়ীর মতো ভৌগোলিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বৃহৎ আকারের ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ, প্রকল্পগুলোর অর্থায়নের উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ঘনঘন সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো যথাযথভাবে পর্যালোচনা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জনমনে উত্থাপিত প্রশ্নগুলোর স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য উত্তর নিশ্চিত করাও জরুরি বলে মন্তব্য করেন তাঁরা।

          বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা তার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড যদি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রভাব বিস্তার, সামাজিক ভারসাম্য বিনষ্ট বা ভবিষ্যতে কোনো ধরনের কৌশলগত জটিলতার আশঙ্কা সৃষ্টি করে, তবে তা গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের উদাসীনতার সুযোগ নেই।

          বিবৃতিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বিষয়গুলো নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে জনগণের উদ্বেগ দূর করতে হবে। একই সঙ্গে এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না, যাতে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় কিংবা কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ন্যায়সঙ্গত অধিকার খর্ব হয়।

          নেতৃদ্বয় বলেন, জাতীয় স্বার্থ, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ অক্ষুণ্ন রেখে সব কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন এবং দেশের সার্বভৌম স্বার্থের প্রতি অটল অঙ্গীকারের মাধ্যমেই জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা আরও সুসংহত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


          তথ্যসূত্র:
          ১। পলাশবাড়ীতে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ ও বিদেশি সম্পৃক্ততার তদন্ত দাবি হেফাজতের
          https://tinyurl.com/5xusjyxu
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই



            রাজধানীর মতিঝিলে প্রকাশ্যে গুলি করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১৭ হাজার ডলার ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় আহত ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন-কে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ ভর্তি করা হয়েছে।

            দৈনিক আমার দেশ জানায়, রোববার (০৭ জুন) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে মতিঝিলের শাপলা চত্বর সংলগ্ন জনতা ব্যাংক-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।

            ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মতিঝিল থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানায়, আহত ব্যক্তি মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি শাপলা চত্বর এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং সঙ্গে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ওই ব্যাগে ১৭ হাজার ডলার ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

            পুলিশ আরও জানায়, লোকমান হোসেনের হাতের কনুইয়ের নিচে একটি এবং হাঁটুর নিচে দুটি গুলি লেগেছে। ঘটনার পর পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

            তবে, এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।


            তথ্যসূত্র:
            ১। মতিঝিলে দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই
            https://tinyurl.com/4xr9wtfr
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৪২ শতাংশ, চাপে মধ্যবিত্ত




              চলতি বছরের মে মাসে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে সাধারণ মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে, যা আগের মাস এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশ। সর্বশেষ মার্চ মাসে ৯ শতাংশের নিচে ছিল সার্বিক মূল্যস্ফীতি। মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর চাপ আরেক দফা বাড়লো।

              গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বোরবার (০৭ জুন) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) মে মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।

              বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, টানা চার মাস ধরে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির পর মার্চে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছিল। এখন এপ্রিল ও মে পর পর দুই মাস আবার বাড়ল। এক মাস আগে অর্থাৎ এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে। তার আগে মার্চ মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। আর ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। জানুয়ারি মাসে ছিল ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

              খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, খাদ্যপণ্যে চাপ আরও বেড়েছে। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০৬ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ভোজ্যতেল, শাকসবজি, ডিম ও মুরগির বাজারদর বাড়ায় নিম্ন ও মধ্য আয়ের পরিবার বেশি চাপে পড়েছে। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশে পৌঁছেছে, যেখানে এপ্রিল মাসে ছিল ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশ। জ্বালানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ এবং পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধি এই খাতে বড় প্রভাব ফেলেছে।

              বিবিএসের তথ্য বলছে, গ্রাম ও শহর—উভয় এলাকায় মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। মে মাসে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে, যা এপ্রিলে ছিল ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ। শহরাঞ্চলে মূল্যস্ফীতির সামগ্রিক হার ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।


              তথ্যসূত্র:
              ১। মে মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৪২ শতাংশ
              https://tinyurl.com/ysfys2b2
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X