Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৭ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ১৪ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৭ যিলহজ্ব, ১৪৪৭ হিজরি || ১৪ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত থেকে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ



    চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে জুলফিকার (২২) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ। তিনি দর্শনা সীমান্ত এলাকার জয়নগর গ্রামের কালু মৌলভীর ছেলে। গত শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় দর্শনা-গেদে আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট-সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, শনিবার সন্ধ্যার আগে কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকায় খড়ি কুড়াতে যান জুলফিকার। এ সময় দর্শনা-গেদে চেকপোস্টের মাঝামাঝি এলাকায় অবস্থানকালে গেদে বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে। সঙ্গে থাকা আরো দুই থেকে তিনজন পালিয়ে গেলেও জুলফিকারকে বিএসএফ সদস্যরা মারধর করতে করতে ভারতীয় অংশে নিয়ে যায় বলে জানায় স্থানীয়রা।


    তথ্যসূত্র:
    ১। দর্শনা সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ
    https://tinyurl.com/4zx735s7
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    খুলনায় ফজর নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে গুলি চালালো অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা, গুলিবিদ্ধ ২ জন মুসল্লি



    খুলনায় ফজরের নামাজের সময় মসজিদের ভেতরে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুজনই গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। আশঙ্কাজনক একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অন্যজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    ​রোববার (১৪ জুন) ভোরে মহানগরীর দৌলতপুর থানাধীন ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিএল কলেজ রোডস্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতরা হলেন- নগরীর খালিশপুর থানার ৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর কাশিপুর এলাকার (ফরহাদ সাহেবের বাড়ির পাশে) মৃত জব্বারের ছেলে লোকমান হাকিম (৫৫) এবং একই এলাকার যমুনা রোডের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলম শেখ (৫৬)।

    স্থানীয়দের বরাতে দৈনিক আমার দেশ জানায়, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি কেন্দ্রের জামে মসজিদে ফজরের নামাজ চলছিল। সাড়ে ৫টার দিকে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করে। তারা লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে ৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। গুলি মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় লোকমানের পাশে দাঁড়িয়ে নামাজরত আলম মন্ডলও গুলিবিদ্ধ হন। গুলি চালিয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

    গুলির শব্দ ও মুসল্লিদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা গুলিবিদ্ধ দুজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় লোকমান হাকিমকে চিকিৎসকদের পরামর্শে ঢাকায় নেওয়া হয়। আলম মন্ডল খুলনা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার (সিটিএসবি) মো. আব্দুর রাজ্জাক জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

    এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। মসজিদের ভেতর নামাজরত অবস্থায় এমন হামলায় মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    ১। খুলনায় মসজিদে ঢুকে গুলি, দুই মুসল্লি আহত
    https://tinyurl.com/3t49xsfh
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      রাঙামাটির গহিন পাহাড়ে একটি সনাতন ঋষি আশ্রম নওমুসলিমদের নির্যাতনের সেল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে



      গত ১১ জুন আয়েশা সিদ্দিকা জারা নামে একজন নওমুসলিমাকে রাঙ্গামাটির চন্দ্রঘোনা থানাধীন বাঙ্গালহালিয়া এলাকার গহিন পাহাড়ী এলাকায় একটি সনাতন ঋষি আশ্রম থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। গত এক বছর পূর্বে ইসলাম গ্রহণের পর গত ২৮শে মার্চ ২০২৬ তারিখে তাকে জোরপূর্বক তার হিন্দু বাবা-মা কর্তৃক পাহাড়ের আশ্রমে হস্তান্তর করা হয়। তার সহপাঠীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রায় ২ মাস পর পুলিশ সেখানে অভিযান চালালে তিনি উদ্ধার হন।

      জানা যায়, উদ্ধার হওয়া নওমুসলিমার বাড়ি কক্সবাজার জেলার ঈদগাঁও এলাকায়। ইসলাম গ্রহণ করার পর গত ৯ মার্চ ২০২৬ সালে চকবাজার থানার পুলিশের মাধ্যমে তাকে তার বাসা থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার বয়স ১৮ বছরের বেশি হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ জোরপূর্বক তার হিন্দু মা-বাবার কাছে হস্তান্তর করেছিল। এরপর তাকে আশ্রমে আটকে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছিল।

      তবে, এই আশ্রমে এ ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একই বন্দীশালা থেকে পালিয়ে বেঁচে ফেরা একাধিক ভুক্তভোগী রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন। ২০২২ সালে জনপ্রিয় ইউটিউবার মোঃ ইব্রাহিমের একটি ইউটিউব চ্যানেলে সাক্ষাতকার দেন নওমুসলিম আব্দুর রহমান।

      তিনি জানান, তাকে তুলে নিয়ে রাঙামাটির চন্দ্রঘোনা থানার বাঙ্গালহালিয়া সনাতন ঋষি আশ্রমে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। সেখানে যতক্ষণ না ‘আল্লাহ’ নাম ছেড়ে ‘ভগবান’ বলতেন ততক্ষণ পর্যন্ত পেটাতো আশ্রমের লোকেরা। সেখানে প্রায় প্রতিদিনই এমন পাশবিক নির্যাতন চলতো। আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, সেখানে তাঁর পাশাপাশি আরো বেশ কয়েকজন নওমুসলিম ছেলে ও মেয়েকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। তাদের ওপরও চলতো একই কায়দায় নির্যাতন। হুমকি দেওয়া হতো ভারতে পাচার করে দেওয়ার। আব্দুর রহমান প্রায় ৭০ দিন সেখানে বন্দী থাকার পর পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। কিন্তু অন্যান্য বন্দীদের সেই সৌভাগ্য হয়নি।

      গহিন পাহাড়ের সনাতন ঋষি আশ্রম থেকে বেঁচে ফেরা জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাত নামে আরও এক নওমুসলিমা একটি সাক্ষাতকারে জানায়, সেখানে নওমুসলিমদেরকে যেভাবে আটকে রেখে মারধর করা হয় মানুষ কুকুরকেও সেভাবে মারে না। মেয়েদেরকেও অনেক খারাপভাবে মারা হয়। ইসলাম ছেড়ে হিন্দুধর্ম গ্রহণ না করলে রাঙামাটির জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে হত্যার হুমকি দিত আশ্রমের কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে তিনি দেড় মাস পর এ নির্যাতন থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। কিন্তু তাঁর সময়ে সেখানে বন্দী বাকি নওমুসলিম ৩ জন মেয়ে ও ১ জন ছেলের সেই সৌভাগ্য হয়নি।


      তথ্যসূত্র:
      ১। রাঙামাটির ঋষি আশ্রমে নওমুসলিমদের বন্দী রেখে জোরপূর্বক হিন্দু বানাতে চলে পৈশাচিক মারধর
      https://tinyurl.com/m96an69f
      ২। ঋষি আশ্রম থেকে ধর্মান্তরিত – তরুণী উদ্ধার
      https://tinyurl.com/467fd8n3
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সংস্কৃতিচর্চার বিরোধীদের কথা শোনার জন্য সরকার বসে নেই: প্রাথমিকে নাচ-গানের শিক্ষা চালু প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ



        দেশে যারা প্রগতিশীল সংস্কৃতিচর্চার (গান-বাজনা) বিরোধিতা করছে, তাদের কথা শোনার জন্য সরকার বসে নেই বলে মন্তব্য করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সে বলেছে, ‘রক্ষণশীলতার ফিরিস্তি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে কেউ বাধা দিলে সবাইকে মিলে তা রুখে দাঁড়াতে হবে এবং পিছিয়ে পড়ার কোনো চিন্তাচেতনাকে বাংলাদেশে আর জায়গা করে নিতে দেওয়া হবে না।’

        গত শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আয়োজিত ‘আন্ত-পিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা’র বিজয়ী শিক্ষকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সে এসব কথা বলেছে।

        এ সময় ববি হাজ্জাজ আলেম-উলামা ও মুসলিম জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেছে, অনেকেই দেশে সাংস্কৃতিক চর্চার বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। তবে আমরা তাদের কথা মানার জন্য বসে নেই। প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক চর্চা যুক্ত করা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অন্যতম অংশ ছিলো। সেই ইশতেহার বাস্তবায়ন করে দেশকে এগিয়ে নিতে যা যা করণীয়, তার সবকিছুই করা হবে।

        সে আরও জানায়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। এ লক্ষ্যে ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলামের আওতায় চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

        অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিল।


        তথ্যসূত্র:
        ১। সংস্কৃতিচর্চার বিরোধীদের কথা শোনার জন্য সরকার বসে নেই: ববি
        https://tinyurl.com/42psr8ef
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          গাজায় বর্বর ইসরায়েলি গণহত্যায় শহীদের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাজার ৯৯৬




          গাজায় চলমান বর্বর ইসরায়েলি গণহত্যায় শহীদের সংখ্যা বেড়ে ৭২ হাজার ৯৯৬ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ২৪৬ জন।

          গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সর্বশেষ ১৩ জুন, শনিবার ইসরায়েলি সামরিক আগ্রাসনে ৩ জন শহীদ এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন। এর ফলে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট হতাহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে।

          বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং বিভিন্ন সড়কে এখনও বহু মানুষ আটকে রয়েছেন। উদ্ধারকর্মীরা অনেক এলাকায় পৌঁছাতে না পারায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

          গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের মতে, উদ্ধার তৎপরতায় নানা প্রতিবন্ধকতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামোর কারণে অনেক শহীদ ও আহত ব্যক্তির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নথিভুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চলমান সংঘাতের মানবিক পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।


          তথ্যসূত্র
          1. Gaza death toll rises to 72,996 since October 2023, health sources say
          https://tinyurl.com/c32ma4as
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে যুবদল নেতার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যা


            ​চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এই হত্যাকাণ্ডে অন্তত ছয়জন অংশ নেয়, যার মধ্যে দুজনের হাতে পিস্তল ছিল।

            শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার চুয়েট সংলগ্ন পাহাড়তলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মাকসুদুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন।

            গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে পাহাড়তলী বাজার এলাকায় অবস্থান করছিলেন মাকসুদুল চৌধুরী। এ সময় ছয়জনের একটি দল তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে দুজন খুব কাছ থেকে তাঁর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে সরাসরি গুলি করে। পরে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায় এই যুবদল নেতা।

            প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হামলাকারীদের একজনের পরনে টি-শার্ট ও জিন্স প্যান্ট ছিল এবং তার হাতে পিস্তল দেখা গেছে। এই নৃশংস ঘটনার পর ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।


            তথ্যসূত্র:
            ১। প্রকাশ্য দিবালোকে যুবদল নেতার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যা
            https://tinyurl.com/5av6t92a
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              মুক্তিপণ না দেওয়ায় ভ্যানচালকে খুন, ৯ দিন পর খালে মিললো তরুণের অর্ধগলিত লাশ




              চুয়াডাঙ্গায় অপহরণের ৯ দিন পর রাফিন (২২) নামের এক তরুণের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মুক্তিপণের টাকা না দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়। শনিবার (১৩ জুন) সকালে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুরের অর্জুন খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান।

              মৃত রাফিন আলমডাঙ্গা উপজেলার চিলাভালকি এলাকার সৌদি প্রবাসী আক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় ভ্যানচালক ছিলেন। পরিবার জানায়, মুক্তিপণের ১২ লাখ টাকা না দেয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

              দৈনিক ইত্তেফাক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত গভীর রাতে লাশের সন্ধান পাওয়া যায়। তবে রাত গভীর হওয়ায় তখন সেটা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এরদিন সকালে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

              মৃত রাফিনের দাদি আমেনা বেগম জানান, গত ৫ জুন সকালে রাফিন নিজের ব্যাটারিচালিত পাখিভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

              দাদি আমেনা বেগম আরও জানান, রাত ৮টার দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে তার মোবাইল ফোনে কল করে দাবি করা হয়, রাফিনকে অপহরণ করা হয়েছে। তাকে জীবিত ফেরত পেতে হলে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। এ ঘটনার পর আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।

              স্বজনরা জানায়, অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় তারা রাফিনের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলেও কথা বলার সুযোগ দেয়া হয়নি। বরং ফোনের অপর প্রান্তে তাকে মারধরের শব্দ শোনানো হয়।


              তথ্যসূত্র:
              ১। অপহরণের ৯ দিন পর খালে মিললো তরুণের অর্ধগলিত মরদেহ
              https://tinyurl.com/yc9afzbm
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                পাবনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, নিরাপত্তা শঙ্কায় মানুষ



                পাবনায় সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। শহরজুড়ে একের পর এক হত্যাকাণ্ড, অগ্নিসংযোগ ও নৃশংসতার ঘটনা ঘটছে। গত সাত দিনে পাবনা শহর ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক ঘটনায় একটি চরমপন্থি দলের সদস্য, কলেজছাত্র ও স্কুলছাত্রীসহ মোট সাতজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

                দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, গত ৮ জুন বিকাল ও সন্ধ্যার মধ্যে পাবনা শহরে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

                ৮ জুন সন্ধ্যায় সদর উপজেলার জাফরাবাদ এলাকার চরমপন্থি দল নকশালের সদস্য আলী হোসেন (৫৩) তার সন্তানকে শহরের মাসুম বাজার এলাকার জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসায় নামিয়ে দিতে আসে। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে আসা চার যুবক তাকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

                এর আগে, ৮ জুন বিকালে শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার পাবনা পেট্রোলিয়াম পাম্পের পেছনে বিরোধের জেরে মনিরুল ইসলাম (২০) নামের এক কলেজছাত্রকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মনিরুলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

                অন্যদিকে গত ৩ জুন প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও আর্থিক লেনদেনের জেরে ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া খাতুনকে (১৫) ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বস্তাবন্দি অবস্থায় পদ্মা নদীর তীরে ফেলে দেওয়া হয়।

                এই ঘটনার জেরে গত ৪ জুন রিয়ার দাফন শেষে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত নাঈমের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় বাড়িতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটলে বেশ কয়েকজন গুরুতরভাবে দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুমন শেখ (৩৫), সাইফুল ইসলাম সাব্বির (২০) এবং সাপু (২১) নামের তিন যুবকের মৃত্যু হয়।

                এর আগে, গত ২ জুন মধ্যরাতে পাবনা মানসিক হাসপাতালের আবাসিক ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা নাজমুল (২৮) ও ইনজামুল হক (২৬) নামে দুই রোগীর প্রচণ্ড মারামারি হয়। এ সময় মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই ইনজামুল মারা যান।

                এসব ঘটনায় পাবনা শহরে বসবাসকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এবং ভীতির সঞ্চার হয়েছে। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন যাপন করছেন। এছাড়া পাবনা শহরে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতে অতিষ্ঠ শহরবাসী। বিশেষ করে শহরের মার্কেট ও গার্লস স্কুলগুলোর সামনে এদের তৎপরতা বেশি।

                শহরের শালগাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমার দুটি মেয়েকে নিয়ে ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতায় আছি। নিজের কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়েও সন্তানদের স্কুল থেকে কোচিংয়ে যাওয়া-আসা করছি। বর্তমান পরিস্থিতিকে আমি আমার সন্তানের জন্য নিরাপদ মনে করছি না।


                তথ্যসূত্র:
                ১। পাবনায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি, নিরাপত্তা শঙ্কায় মানুষ
                https://tinyurl.com/5b5dekua
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  মায়ের লাশ আটকে ছেলেকে ‘কান ধরে উঠবস’ করানো হলো রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে



                  রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অক্সিজেন না দেওয়ায় মৃত্যুর অভিযোগে, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বজন ও চিকিৎসকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় চিকিৎসকরা নিহত নারীর লাশ দীর্ঘ ১১ ঘণ্টা মর্গে আটকে রাখে। পাশাপাশি চিকিৎসকরা প্রায় তিন ঘণ্টা জরুরি বিভাগে চিকিৎসা বন্ধ করে রাখে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও স্বজনেরা।

                  এ ঘটনার পরে মারা যাওয়া রোগীর লাশ হস্তান্তরের দাবিতে স্বজনেরা রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের মেডিকেল মোড় এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

                  গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৩ জুন) ভোরে নগরীর জুম্মাপাড়া এলাকার বাসিন্দা নুর নাহার বেগম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার ছেলে রিফাত তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকদের কাছে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়ার অনুরোধ করা হলে আগে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ সময় রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়। রোগীর মৃত্যুর পর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা দায়িত্বরত চিকিৎসকদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর চিকিৎসকরা নিহত নারীর লাশ আটকে রাখে।

                  চিকিৎসকদের দাবি ছেলে রিফাতকে হাসপাতালে এসে ক্ষমা চাইতে হবে তাহলেই লাশ মিলবে। পরে ১১ ঘণ্টা পর বিকেলে নিহতের ছেলেকে রিফাতকে ডেকে আনা হয়। এবং মায়ের লাশ ফেরত দেবার আগে হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয়ের একটি কক্ষে তাকে ১০ বার কান ধরে প্রকাশ্য উঠবস করানো হয়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় পুরো রংপুর জুড়ে তোলপাড় চলছে। এবং লাশ জিম্মি করে কান ধরে উঠবস করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


                  তথ্যসূত্র:
                  ১। মায়ের মরদেহ আটকে ছেলেকে ‘কান ধরে উঠবস’
                  https://tinyurl.com/5xcrbrsd
                  নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                  Comment


                  • #10
                    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে রামমূর্তি নির্মাণ সম্পন্নের ঘোষণা বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের, ৬৪ জেলায় একই রকম মূর্তি স্থাপনের ঘোষণা



                    দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক ও মুসলিম সমাজের প্রতিবাদের মুখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় নির্মাণাধীন রামচন্দ্রের ৮১ ফুট উচ্চতার বিশাল মূর্তির কাজ আপাতত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। তবে মূর্তি নির্মাণ কাজ বন্ধ করলেও অন্য একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ভবিষ্যতে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে।

                    গত বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর মন্দিরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্দির কমিটির উপদেষ্টা শ্যামল কুমার মহন্ত রামচন্দ্রের মূর্তি নির্মাণের কাজ আপাতত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। এদিকে স্থানীয় ইমাম ওলামা পরিষদ মূর্তিটি সম্পূর্ণ অপসারণের দাবি জানিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।

                    তবে মন্দির কমিটি কর্তৃক প্রকল্প স্থগিতের ঘোষণা দিলেও ‘বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট’ মূর্তি নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, শুধুমাত্র রামের মূর্তিই নয়, ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি জেলায় বিশাল আকারের মহাদেব, রামচন্দ্র ও কৃষ্ণের মূর্তি স্থাপন করবে।

                    গত ১২ জুন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেয়। পোস্টে সে জানায়, ‘পলাশবাড়ীর মন্দির কমিটি নির্মাণকাজ স্থগিত ঘোষণা করলেও বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ওই বিগ্রহ নির্মাণ সম্পন্ন করবে।’

                    একই পোস্টে সে আরও জানায়, পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় মহাদেব, রামচন্দ্র ও কৃষ্ণের নামে ১০৮ ফুট উচ্চতার মূর্তি স্থাপন করবে।


                    তথ্যসূত্র:
                    ১। বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট পলাশবাড়ীর ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের বিগ্রহ নির্মান সম্পন্ন করবে
                    https://tinyurl.com/mucsuvnw
                    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                    Comment


                    • #11
                      পশ্চিমবঙ্গে এক মুসলিম ফেরিওয়ালাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী



                      ভারতে পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়ার অন্তর্গত জঙ্গলমহলে এক মুসলিম ফেরিওয়ালাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী। দাড়ি থাকা ও মুসলিম পরিচয়ের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জোরালোভাবে দাবি করেছেন নিহতের পরিবার।

                      হত্যার শিকার আকবর মণ্ডল (৪৭) স্টিলের বাসনপত্র ফেরি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ৯ জুন সকালে প্রতিদিনের মতো তিনি ঠেলাগাড়ি নিয়ে ব্যবসার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিলেন। এমন সময় সুপুরদিহি গ্রামের একটি বাড়িতে হঠাৎ তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী তার উপর হামলা করে।

                      নিহত আকবরের ছেলে জুলফিকর (২০) বলেন, উগ্র লোকটি তার পিতাকে প্রথমে লাঠি দিয়ে মারধর করতে আরম্ভ করে। আকবর আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে তাকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়া তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

                      নিহত আকবরের পুত্র জুলফিকর
                      অভিযুক্ত বিশ্বনাথ মাহাতোকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।

                      জুলফিকর আরও জানান, “শুধু দাড়ি থাকার কারণে কিছু লোক মুসলিমদের ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে বাধ্য করত। তারা বলত যে আমাদের এখানে আর ফেরিওয়ালা হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করতে দেওয়া হবে না।”

                      কয়েক মাস আগে সংশ্লিষ্ট গ্রামে আরও একজন হকারকে ছুরি দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধুমাত্র ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান উচ্চারণ না করার অভিযোগে হামলাটি সংঘটিত হয়েছিল। আকবরের হত্যাকাণ্ড সেই উদ্বেগকে আরও গভীর করেছে।

                      জুলফিকর বলেন, হামলার সময় তার বাবার মাথা থেতলে দেওয়া হয়েছিল। দৃশ্যটি ছিল ভয়াবহ। তার প্রায় পুরো শরীর রক্তে ভেজা ছিল। চিকিৎসকরা বলেছিল, আকবর মণ্ডলকে হাসপাতালে আনার অনেক আগেই তিনি মারা যান।

                      উল্লেখ্য যে, পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মুসলিমদের জন্যে ভয়ের একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষের প্রভাবে স্থানীয় মুসলমানগণ প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করছেন।


                      তথ্যসূত্র:
                      1. https://tinyurl.com/44fnu7ah
                      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                      Comment


                      • #12
                        আল্লাহ তা’আলা দেশটাকে সকল অরাজকতা থেকে হিফাযত করুন, আমীন।

                        Comment

                        Working...
                        X