Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০২ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ১৮ই জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০২ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ১৮ই জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    হিন্দু মহাজোটের মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে’র ঔদ্ধত্যপূর্ণ ঘোষণা: এদেশে রামমূর্তি নির্মাণ কেউ ঠেকাতে পারবে না

    ভিডিও দেখুন:

    গত ১৪ জুন, রবিবার রাতে রাজধানীতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হিন্দু ছাত্র মহাজোট এবং ১৫ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের হিন্দু শিক্ষার্থীরা গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নির্মাণাধীন ৮১ ফুট উচ্চতার বিশাল রামমূর্তির নির্মাণ কাজ মুসলিমদের প্রতিবাদের মুখে স্থগিত করার প্রতিবাদে মশাল মিছিল ও হিন্দু সমাবেশ করে।

    উক্ত সমাবেশে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে এক ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষণ দেয়। এসময় সে তার ভাষণে বলে, এদেশে রাম মূর্তি নির্মাণ কেউ ঠেকাতে পারবে না। বাংলাদেশে এমন কোন শক্তি নাই যে রাম মূর্তি নির্মাণ ঠেকাতে পারে। রাম মূর্তি কতটুকু হবে, কত ইঞ্চি হবে সেটা ঠিক করবে এদেশের হিন্দুরা।

    সে মন্দির কর্তৃপক্ষকে অভয় জানিয়ে বলে, প্রয়োজনে ঢাকা অচল করে দিয়ে হলেও তাদের রক্ষা করবে।

    এসময় সে এদেশের মুসলিমদের উদ্দেশ্যে ঔদ্ধত্যের সাথে বলে, “তোরা যদি রামমূর্তিকে ভয় পাস, তাহলে পলাশবাড়ীতে যাইস না, তোরা গাইবান্ধা ছেড়ে অন্য জেলায় চলে যা।”

    উক্ত মশাল মিছিল ও সমাবেশ থেকে হিন্দু শিক্ষার্থীরা মুসলিমদের উদ্দেশ্য করে “মৌলবাদ নিপাত যাক”, “জঙ্গিবাদ নিপাত যাক”, “মৌলবাদের আস্তানা ভেঙ্গে দাও, গুঁড়িয়ে দাও”, “মৌলবাদের কালো হাত, ভেঙ্গে দাও, গুঁড়িয়ে দাও” ইত্যাদি বলে উসকানিমূলক নানান শ্লোগান দেয়।

    তথ্যসূত্র



    https://tinyurl.com/3ezx68cd

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ভারতের তেলেঙ্গানায় ছোটখাটো সড়ক দুর্ঘটনার জের ধরে মুসলিম দম্পতির উপর হিন্দুত্ববাদীদের হামলা



    ভারতে তেলেঙ্গানা রাজ্যের মাহাবুবনগর জেলায় গভীর রাতে ছোটখাটো সড়ক দুর্ঘটনার জের ধরে নববিবাহিত মুসলিম দম্পতির ওপর হামলা চালিয়েছে এক দল উগ্র হিন্দুত্ববাদী। ১৭ জুন অবজারভার পোস্ট সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি তুলে ধরা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, ঘটনাটি আগের দিন রাত ১১টার দিকে মাহাবুবনগরের এসভিএস হাসপাতালের নিকটে ঘটেছে। এই সময় মোহম্মদ তালহা ও তার স্ত্রী ফারহানা বেগম সাদনগর থেকে মাহাবুবনগর যাচ্ছিলেন। তাদের গাড়িটি সড়কের পাশে ব্যারিকেডের নিকটে একটি ছোটখাটো দুর্ঘটনার মুখোমুখি হয়, এই দুর্ঘটনায় একদল নেশাগ্রস্ত যুবক সম্পৃক্ত ছিল।

    এরপর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, ফারহানা বেগম বোরখা পরিহিত থাকায় দম্পতি উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের টার্গেটে পরিণত হয়।

    দুর্ঘটনার অল্পক্ষণ পরেই নিকটবর্তী রামদাস তান্ডা এলাকা থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ জন লোক ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। তারা মুসলিম দম্পতিকে লাঞ্ছিত করতে আরম্ভ করে। তখন স্থানীয় মুসলিমরা ভুক্তভোগীদের সাহায্যের জন্য ছুটে আসে এবং হামলাকারীদের হাত থেকে তাদেরকে রক্ষার চেষ্টা করে। কিন্তু একটু পরেই প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জনের একটি উগ্রবাদী দল পুনরায় হামলা আরম্ভ করে।

    তারা ফারহানা বেগমকে বারবার মারধর করে, টেনে এসভিএস হাসপাতাল প্রাঙ্গণের দিকে নিয়ে যায়। এসময় তার পাঁজরে আঘাত লাগে। এছাড়া মোহাম্মদ তালহা ও তার চাচাতো ভাইও মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলে জানা যায়। ভুক্তভোগীদের জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং প্রকাশ্যে তাদেরকে অপমান করা হয়।

    সহিংসতাকালে ফারহানা বেগমের অলংকার হারিয়ে যায়, যা চুরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত অবস্থায় ভুক্তভোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    ঘটনাটি স্থানীয় মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। মুসলিম পরিচয়ের কারণে উক্ত দম্পতি টার্গেটে পরিণত হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় জনগণ।

    গুরুতর অভিযোগ সত্ত্বেও পুলিশ সহিংসকারীদের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এর ফলে স্থানীয়দের বিক্ষোভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ধারায় অভিযোগ গঠনের দাবি জানিয়েছেন মুসলিম বাসিন্দাগণ।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/472exdsm
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      সিলেট সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি হত্যা ও লাশ গুমের অভিযোগ, উত্তেজিত জনতার ধরে আনা ভারতীয়কে ফেরত দিলো বিজিবি


      সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার উত্তরকুল সীমান্তে বাংলাদেশি এক যুবকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় দুদেশের নাগরিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে নিহত হয়েছেন ডিপজল আহমদ নামের (২৬) ঐ যুবক। তার লাশ সীমান্তের ওপারে আটকে রাখা হয়েছে।

      দৈনিক আমার দেশ জানায়, নিখোঁজ ডিপজল আহমদ বারঠাকুরী ইউনিয়নের দিগালিগ্রামের আহমদ আলীর ছেলে। তিনি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

      ‎‎তবে স্থানীয়দের দাবি, গত রোববার রাতে ডিপজলসহ কয়েকজন যুবক ভারতের অভ্যন্তরে যান। ফেরার পথে ভারতের বিএসএফ সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে এবং গুলি চালায়। এ সময় ডিপজলের সঙ্গে থাকা অন্যরা পালিয়ে দেশে ফিরলেও, ডিপজল নিখোঁজ রয়েছেন। বিএসএফের গুলিতে ডিপজলের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করছেন তারা।

      এদিকে, ডিপজলের সন্ধান না পাওয়ায় সৃষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সীমান্ত এলাকা থেকে রঞ্জিত দাস নামে এক ভারতীয় কৃষককে তুলে আনেন স্থানীয় জনতা। পরে মঙ্গলবার রাতেই বিজিবি তাকে অক্ষত অবস্থায় বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।

      তবে, বাংলাদেশি যুবক নিখোঁজের বিষয়টি এখনো সমাধান হয়নি। সে জীবিত নাকি মৃত সেই তথ্যও আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।

      ‎এ বিষয়ে জ‌কিগঞ্জ ব‌্যাটা‌লিয়ন ১৯ বি‌জি‌বির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, ওই যুবক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি কীভাবে নিখোঁজ হয়েছেন তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

      তথ্যসূত্র:
      ১। বিএসএফের গুলিতে হত্যার পর লাশ গুমের অভিযোগ
      https://tinyurl.com/bdhw9u2e
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ময়মনসিংহে স্বামীর হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, মৃত্যু হয়েছে ভেবে ফেলে রেখে যায় অপরাধীরা

        ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় রাতের অন্ধকারে এক চাঞ্চল্যকর ও অমানবিক ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে ঘরে ঢুকে স্বামীর হাত-পা ও মুখ বেঁধে এক গৃহবধূকে (২০) তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে একদল মুখোশধারী। স্বামীর চোখের সামনে ঘটে যাওয়া এই পাশবিক ও নির্মম ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারসহ পুরো এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

        দৈনিক ইত্তেফাক সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ভয়াবহ এই ঘটনাটি ঘটেছে গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে। নির্যাতিতা ওই তরুণী গৃহবধূ দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী এবং তিন বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে নিজের মায়ের বাড়িতেই বসবাস করে আসছিলেন। ঘটনার রাতে পরিবারের সদস্যরা যখন আলাদা আলাদা কক্ষে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই সাত থেকে আটজনের একটি সংঘবদ্ধ মুখোশধারী দল অতর্কিতভাবে তাদের বাড়িতে অনুপ্রবেশ করে।

        দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করেই প্রথমে ওই গৃহবধূর স্বামীকে জিম্মি করে ফেলে। তারা অত্যন্ত নির্মমভাবে স্বামীর মুখ এবং হাত-পা শক্ত করে বেঁধে তাকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে। এ সময় স্বামীকে দুর্বৃত্তদের হাত থেকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ওই গৃহবধূকেও শারীরিকভাবে চরম লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়। একপর্যায়ে অসহায় স্বামীর সামনে থেকেই জোরপূর্বক ওই নারীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

        পরিবারের সদস্যরা জানায়, বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নেওয়ার পর গৃহবধূকে প্রায় দেড়শ মিটার দূরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মুখোশধারীরা তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পৈশাচিক এই নির্যাতনের পর হামলাকারীরা ওই গৃহবধূর মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে ভেবে তাকে সেই অবস্থাতেই ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। এদিকে, ঘটনার পরপরই স্বজন ও প্রতিবেশীরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং অবশেষে ওই নির্জন স্থান থেকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসতে সক্ষম হন।

        এই বর্বরোচিত ঘটনার পরদিন বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ভুক্তভোগী গৃহবধূর মা বাদী হয়ে পাগলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে অসহায় এই মা বলেন, ‘আমি একজন অসহায় মা। আমার স্বামী প্রতিবন্ধী ছিলেন, তিনি মারা গেছেন। অনেক কষ্ট করে মেয়েকে নিয়ে জীবনযাপন করছি। যারা আমার মেয়ের সর্বনাশ করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

        তথ্যসূত্র:
        ১। স্বামীর হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, বিচার চেয়ে মায়ের আকুতি
        https://tinyurl.com/mdxnxd89
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X