Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০৯ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২৫ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০৯ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২৫ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    সিলেট সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকের লাশ উদ্ধার, শরীরে আঘাতের চিহ্ন



    সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দমদমা সীমান্তের ভারতের অংশে মিক কন্দ জানী (৬০) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সীমান্তের ১০০ গজ ভারতের অভ্যন্তর থেকে স্বজনরা তার লাশ উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।

    দৈনিক আমার দেশ জানিয়েছে, সীমান্তের জিরো পয়েন্ট এলাকায় মিক কন্দ জানীর বাড়ি হওয়ায় তিনি প্রায় প্রতিদিন সীমান্তের ওপারে গিয়ে কাঠ ও মৌসুমি ফলমূল শ্রমের বিনিময়ে নিয়ে আসতেন। ভারতীয় নাগরিক খাসিয়াদের বাগানে দিনমজুরের কাজ করে এসব ফলমূল ও কাঠ নিয়ে এসে বিক্রি করতেন।

    বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১১টার দিকে প্রতিদিনের ন্যায় ভারতে যান তিনি। কিন্তু দিন শেষে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও ফিরে না আসায় তাকে খুঁজতে বের হন স্বজনরা। পরে ১২৬০ নম্বর সীমান্ত পিলারের ভারতের অভ্যন্তরে একটি ছড়ার পানিতে মিক কন্দ জানীর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তার ভাই নিখিল। পরে স্বজনরা তার লাশ উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ সময় লাশের মাথা ও শরীরের কয়েক জায়গায় আঘাত এবং কাটার চিহ্ন দেখতে পান তারা।

    লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনকারী কর্মকর্তা এসআই ওলি উল্লাহ জানান, মৃতের শরীরে বেশ কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। কানে ও চোখের আঘাত দেখে বোঝা যাচ্ছে, কেউ গুলি করেছিল।

    তথ্যসূত্র:
    ১। সিলেট সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকের লাশ উদ্ধার
    https://tinyurl.com/5a4h4mp2
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পাবনায় চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে হাত-পা ভেঙে দিল শ্রমিক দল নেতা



    পাবনার বেড়ায় তিন লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মিজানুর রহমান (৪০) নামে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর ও হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় শ্রমিক দল নেতা রিপন সরদার ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

    দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে বেড়া সিঅ্যান্ডবি এলাকা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর এই নির্যাতন চালানো হয় এবং ওই রাতেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় বুধবার (২৪ জুন) বেড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    আহত ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বেড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মনজেল খানের ছেলে। তিনি এলাকায় হোটেল ও গাড়ির ব্যবসা পরিচালনা করেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত মূল হোতা রিপন সরদার (৩৫) সাঁথিয়া উপজেলার করমজা সরদারপাড়া গ্রামের পাশা সরদারের ছেলে এবং সে সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছে।

    মামলা ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বেড়া পৌরসভার সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান ও তার ভাই গোলাম মোস্তফা মিলে একটি মার্কেট নির্মাণ করছেন। গত ১৯ জুন শ্রমিক দল নেতা রিপন তার দলবল নিয়ে ওই নির্মাণাধীন মার্কেটে গিয়ে দুই ভাইয়ের কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে দাবিকৃত টাকা না দিলে তাদের প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। কিন্তু ব্যবসায়ীরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রিপন সরদার তার সহযোগীদের নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে এসে মিজানুর রহমানকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে পার্শ্ববর্তী সাঁথিয়া উপজেলার করমজা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মহরম সরদারের কার্যালয়ে আটকে রাখা হয়।

    ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, করমজা বাজারের ওই অফিসে আটকে রেখে মিজানুর রহমানের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। লোহার রড ও পাইপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করায় তার একটি হাত ও একটি পা ভেঙে গেছে। ঘটনার পর তাকে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে আহত ব্যবসায়ীর ভাই গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে রিপনসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বেড়া থানায় একটি লিখিত মামলা দায়ের করেছেন।

    মিজানুরের পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই অভিযুক্ত রিপন সরদার ও করমজা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মহরমসহ একটি চক্র তাদের পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছিল। সে সময় নিরুপায় হয়ে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নিলে সেনা সদস্যরা অভিযুক্তদের ডেকে এনে একটি মুচলেকা সই করিয়ে নেয়। ওই মুচলেকায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে, ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার সমস্ত দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বহন করতে হবে। এরপর দীর্ঘদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও সম্প্রতি ওই চক্রটি আবারও পুরোনো রূপে ফিরে এসে নতুন করে চাঁদা দাবি শুরু করে।

    তবে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে সাঁথিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রিপন সরদার সাংবাদিকদের জানায়, এর আগে তারা তাকে সেনাবাহিনীর কাছে নিয়ে গিয়ে অভিযোগ করেছিলেন, তবে সেনাবাহিনী সেই অভিযোগের কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি। পাল্টা অভিযোগ এনে সে জানায়, ওই ব্যবসায়ীরা এখনো আওয়ামী লীগ আমলের মতো আচরণ করেন। তবে মারধরের বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে সে বলে, তার লোকজন ওই ব্যবসায়ীকে দুই-একটা বাড়ি (আঘাত) দিয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    ১। চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর হাত-পা ভেঙে দিলেন শ্রমিক দল নেতা
    https://tinyurl.com/2nhu87sb
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      এবার নিজেদের বিরুদ্ধেই অযোধ্যা রাম মন্দিরের তহবিল লুটপাটের অভিযোগ তুলে ধরলো উত্তরপ্রদেশের সাবেক হিন্দু মন্ত্রী



      ​“রাম মন্দির থেকে কোটি কোটি রূপি লুট করা হয়েছে। ভগবান রাম যদি সেই লুটেরাদের শাস্তি দিতে না পারে, তবে তিনি কীভাবে আপনার উপকার করবে?”

      এক সমাবেশে এ মন্তব্যগুলো তুলে ধরেছে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ক্যাবিনেট মন্ত্রী ও আপনা জনতা পার্টির প্রধান স্বামী প্রসাদ মৌর্য। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে নির্মিত রাম মন্দিরের তহবিল আত্মসাতের ব্যাপারে সে অত্যন্ত জোরালোভাবে অভিযোগ করেছে। তার মন্তব্যগুলো ভারতের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

      সমালোচকদের অভিযোগ, প্রাক্তন মন্ত্রী এ মন্তব্যগুলোর মাধ্যমে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। কেউ কেউ তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে।

      তবে মন্ত্রীর সমর্থকদের দাবি, সে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে মন্তব্যগুলো করে নি, বরং মন্দিরের দুর্নীতি ও জবাবদিহিতা নিয়ে সে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।

      উল্লেখ্য যে, অযোধ্যা রাম মন্দির দুর্নীতির সঠিক আর্থিক পরিমাণ এখনও সুস্পষ্ট করে নি হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। তবে ভারতের বিরোধী দল এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি—এই দুর্নীতির পরিমাণ ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩৫ কোটি টাকারও বেশি) ছাড়িয়ে যেতে পারে।

      ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি টাকার অনুদান আত্মসাতের এই অভিযোগ তদন্ত করতে একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) গঠন করেছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার (১৯ জুন) উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

      ২০২৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্বোধন হওয়া এই মন্দিরটি ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত। তবে উদ্বোধনের মাত্র দুই বছরের মাথায় খোদ মোদি-যোগীর স্বপ্নের প্রজেক্টে এমন বড় দুর্নীতির অভিযোগ ভারতের রাজনীতিতে নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে।


      তথ্যসূত্র:
      1. https://tinyurl.com/yks7vh5r
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        হবিগঞ্জের মাধবপুর থেকে ৫৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক



        হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জগদীশপুর এলাকা থেকে ৫৯ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে জগদীশপুর বেলঘর বাসস্ট্যান্ড সেতুর ওপর স্থাপিত চেকপোস্ট থেকে তাকে আটক করা হয়।

        গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন রংপুর জেলার আলোয়াকরি গ্রামের বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৩৯)। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি পিকআপও জব্দ করা হয়।

        দৈনিক আমার দেশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে সিলেট সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি পিকআপে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা নিয়ে কয়েকজন মাদক কারবারি মাধবপুরের দিকে আসছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে জগদীশপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন একটি নীল-হলুদ রঙের পিকআপ থামানোর সংকেত দিলে চালক পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়।

        তল্লাশির সময় পিকআপের পেছনে থাকা পাঁচটি বস্তা থেকে খাকি রঙের স্কচটেপে মোড়ানো ৫৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে মাদকসহ চালককে গ্রেপ্তার করা হয়।

        প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আনোয়ার হোসেন র‌্যাবকে জানায়, সে সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহন করছিল।


        তথ্যসূত্র:
        ১। মাধবপুরে ৫৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
        https://tinyurl.com/bdde2nup
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা, এক মেয়ে আহত



          লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গোডাউন রোড এলাকার ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

          নিহতরা হলেন মা শাহিনুর বেগম (৩৮), বড় মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সায়মা আক্তার (২১) ও ছোট মেয়ে শিফা আক্তার (৯)। আহত মেজো মেয়ে রায়পুর কাজী ফারুকী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী ইকরা আক্তারকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

          এদিকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে অজ্ঞাত এক যুবককে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। তাকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

          দৈনিক আমার দেশ সূত্র জানায়, কয়েক বছর ধরে শাহীনুর তার সন্তানদের নিয়ে ঘটনাস্থলে ভাড়া বাসায় থাকেন। কয়েক বছর আগে তার স্বামী মো. কামাল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। এরপর থেকে তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে শাহীনুর ওই বাসায় বসবাস করে আসছেন।

          রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, হাসপাতালে পাঁচজনকে আহত অবস্থায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে দুই মেয়ে ও তাদের মা মারা গেছেন। তার এক মেয়েকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত একজনকে গণপিটুনি দিয়ে আহত করা হয়। তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। লক্ষ্মীপুরে দুই মেয়েসহ মাকে কুপিয়ে হত্যা
          https://tinyurl.com/3mbzh5yu
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X