Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১০ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২৬ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১০ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ২৬ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    মুসলিম পারিবারিক আইন বাতিল করতে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় উত্থাপিত হচ্ছে বিতর্কিত ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC) বিল



    আগামী ২৮ জুন সোমবার ভারতে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় চলতি বাজেট অধিবেশনে বিতর্কিত ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বিল পেশ করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২৫ জুন সন্ধ্যায় ব্যবসায়িক উপদেষ্টা কমিটির এক বৈঠকে সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হয়।

    এর আগে নির্বাচনী ইশতেহারে ক্ষমতা গ্রহণের ৬ মাসের মধ্যে ইউসিসি বিল পাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। এ প্রসঙ্গে এক বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছে, উত্তরাখণ্ড, গুজরাট ও আসামের মতো পশ্চিমবঙ্গেও একই আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।

    বিতর্কিত ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বিল পাশের মাধ্যমে সকল ধর্মের অনুসারীদের জন্য একটি সাধারণ নাগরিক আইনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে মুসলিমদের বিবাহ, তালাক, দত্তক ও উত্তরাধিকারের মতো বিষয়গুলোতে ইসলামী শরিয়াহ’র ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ বাতিল হবে।

    এর পরিবর্তে সকল ধর্মের নাগরিকদের জন্য একটি সাধারণ আইনি কাঠামো অনুসরণ করা হবে। এই বিল পাশের মাধ্যমে মুসলিমদের বহুবিবাহ এবং ৩ তালাকের মতো ইসলামী বিধানগুলোর অনুশীলন রহিত হবে।

    বেশ কয়েকটি রাজ্যে ইতোমধ্যে ইউসিসি প্রস্তাব বাস্তবায়ন করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। এবার পশ্চিমবঙ্গেও এই বিতর্কিত ও ইসলামবিরোধী প্রস্তাবটি পাশ করা হচ্ছে।

    প্রস্তাবিত ইউসিসি বিল ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তীব্র বিতর্কের সূত্রপাত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/mtujktzt
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের আথোলি থানায় দখলদার পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ



    অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতোয়ার জেলায় একটি পুলিশ স্টেশনে হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এসময় সেনারা পুলিশ কর্মীদের ব্যাপক মারধর করেছে এবং সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন করেছে।

    ঘটনাটি অধিকৃত ভূখণ্ডে দখলদার ভারতের দু’টি নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সহিংসতার চিত্র তুলে ধরেছে।

    কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২৪ জুন দখলদার ভারতের ১৭তম রাষ্ট্রীয় রাইফেলস (আরআর) এর প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জন সেনাসদস্য আথোলি থানায় প্রবেশ করে এবং থানার অভ্যন্তরে তাণ্ডব চালায়।

    লাঠি, লোহার রড ও ভারী অস্ত্র সজ্জিত এ সেনাকর্মীরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মীদের মারধর করেছে। ফলে স্টেশন ইন-চার্জ অমৃত কাটোচ, এসডিপিও বিজয় কুমার ভগত এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা আহত হয়।

    হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি সরকারি যানবাহন এবং থানার অন্যান্য সম্পত্তিরও ক্ষতিসাধন করেছে।

    উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রায় ৪০ জন ভারতীয় সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেছে ভারতীয় পুলিশ। এই মামলায় ১৭ তম রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল এন. অরুণ গান্ধী, মেজর বিকাশ শর্মা, নায়েব সুবেদার শঙ্কর গুর্খে এবং আরও বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার নাম রয়েছে।

    জানা গেছে, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে পুলিশ এক সেনা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত গাড়ি বাজেয়াপ্ত করার পর এই বিবাদের সূত্রপাত হয়। পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, সরকারি কাজে বাধা, হামলা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করাসহ বেশ কয়েকটি গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করেছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/4km47dmj
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যা চেষ্টা মামলার রায়: বিএনপি নেতাদের বেকসুর খালাস, ছাত্র জমিয়ত নেতার মৃত্যুদণ্ড



      সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মৃত নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলার রায় দীর্ঘ ২২ বছর পর ঘোষণা করা হয়েছে। মামলার আলোচিত আসামি সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী (বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত।

      তবে একই মামলায় ছাত্র জমিয়ত শাহারপাড়া মাদ্রাসার সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

      দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করে। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন।

      রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের নিকট তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানায় বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরী, জি কে গউছ ও লুৎফুজ্জামান বাবর। তারা জানায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাদের এ মামলায় জড়ানো হয়েছিল। মিথ্যা মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাদের হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। তারা রায়ে সন্তুষ্ট।

      অন্যদিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হাফেজ নাঈমের পরিবারের জানান, দীর্ঘ ২০ বছর কারাগারে আটক রেখে কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী বা জোরালো প্রমাণ ছাড়াই তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। সরকার দলীয় রাজনৈতিক নেতারা মুক্তি পেলেও একজন নিরীহ মাদ্রাসাছাত্রকে বলির পাঁঠা বানানো হয়েছে।

      নাঈম আহমেদের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের বলেন, তারা রায়ে সন্তুষ্ট নন। এই রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

      এদিকে, সৈয়দ নাঈম আহমেদ আরিফকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। সংগঠনটি জানায়, একই মামলার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আসামিরা খালাস পেলেও দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর কারাভোগের পর কেবল নাঈমের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে, যা বিচারিক বৈষম্য ও ন্যায়বিচার নিয়ে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

      বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী। বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে এ রায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা এবং নাঈমের প্রতি সুবিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।


      তথ্যসূত্র:
      ১। আরিফ, বাবর, গউছ বেকসুর খালাস, একজনের মৃত্যুদণ্ড
      https://tinyurl.com/mt5arx8c
      ২। হাফেজ নাঈমের মৃত্যুদণ্ডের রায় পুনর্বিবেচনার দাবি ছাত্র জমিয়তের
      https://tinyurl.com/yvu3zju3
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ‎গাজায় শিশুদের ওপর পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে সন্ত্রাসী ইসরায়েল



        গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যার অংশ হিসেবে ইসরায়েলি বাহিনী পরিকল্পিতভাবে শিশুদের লক্ষ্যবস্তু করে হত্যা করছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন। ২৩ জুন, মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে জাতিসংঘের ‘ইনডিপেনডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অব ইনকোয়ারি’ জানিয়েছে, গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে সংঘটিত এসব কর্মকাণ্ড প্রকাশ্য যুদ্ধাপরাধ। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই গণহত্যামূলক যুদ্ধে নিহতদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু।


        ‎প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় নবজাতক ও প্রসূতি সেবা কেন্দ্রগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করেছে সন্ত্রাসী ইসরায়েল। এই অমানবিক পদক্ষেপ ফিলিস্তিনিদের বংশগতির ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করে তুলেছে, যার ফলে গর্ভপাত, জন্মগত ত্রুটি এবং নবজাতকদের মৃত্যুর হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এছাড়া, ত্রাণ সহায়তা আটকে রাখার কারণে তীব্র খাদ্যসংকট ও রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ায় অনেক শিশু অনাহারে প্রাণ হারিয়েছে।

        ‎কমিশনের প্রধান জানান, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণাদি থেকে এটি নিশ্চিত যে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী সুপরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনি শিশুদের হত্যা করছে। এমনকি তথাকথিত যুদ্ধবিরতির পরেও ইসরায়েলের চরম অবহেলার কারণে শিশুরা প্রতিনিয়ত হতাহত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে প্রতিদিন গড়ে একজন করে শিশু প্রাণ হারাচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি শিশু হতাহত হয়েছে।

        ‎তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গাজার বাইরে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ইসরায়েলি বাহিনী অনাথালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করছে, যা শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করছে। এছাড়া বন্দি থাকা ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর নির্যাতন ও যৌন নিপীড়নের মতো ভয়াবহ অভিযোগও উঠে এসেছে। অধিকার সংস্থা ‘ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল-প্যালেস্টাইন’-এর তথ্যমতে, গত বছরের শেষে বন্দি থাকা অধিকাংশ ফিলিস্তিনি শিশুকে কোনো অভিযোগ ছাড়াই বিনা বিচারে আটক রাখা হয়েছিল।

        ‎জাতিসংঘের এই কমিশন ১৯৪৮ সালের জেনোসাইড কনভেনশনের আওতায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার চারটি সুনির্দিষ্ট অপরাধ সংঘটনের প্রমাণ পেয়েছে। কমিশনের মতে, শিশুদের ওপর হামলার উদ্দেশ্য হলো ফিলিস্তিনি জাতির অস্তিত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে ধ্বংস করা। এই সহিংসতা কেবল বর্তমানকে নয়, বরং ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকেও মুছে ফেলার এক পরিকল্পিত প্রচেষ্টা।



        তথ্যসূত্র
        ‎1. Israel targeted Gaza children resulting in genocide, UN inquiry says
        ‎- https://tinyurl.com/bdfr6jh8
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          বিয়েতে গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগে ভোজসভা হল সিলগালা করলো উত্তরপ্রদেশের হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন



          ​ভারতে উত্তরপ্রদেশের শামলি জেলার কাইরানা শহরে অবস্থিত মুঘল ব্যাঙ্কোয়েট হল তথা ভোজসভা সেন্টার সিলগালা করে দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। স্থাপনাটি ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে ইতিমধ্যে অফিসিয়াল নোটিশ জারি করেছে শামলি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, যা শীঘ্রই বুলডজারে ধ্বংস করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

          ১৮ জুন উক্ত ভোজসভা হলে আয়োজিত মুসলিমদের একটি বিবাহ অনুষ্ঠানে গরুর মাংস পরিবেশন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠে। তদপ্রেক্ষিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয় হিন্দুত্ববাদী পুলিশ। সংশ্লিষ্ট বিয়ের বর ফরমান, চাচা সালমান, ভোজসভা হলের মালিক আনিস আহমেদ ও বাবুর্চি খলিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া গরুর মাংস পরিবহনের অভিযোগে একটি গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।

          পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বিজেপি শাসিত রাজ্যসমূহে মুসলিম মালিকানাধীন স্থাপনাসমূহের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান বুলডোজার অভিযানের একটি প্যাটার্ন।

          অনেক ক্ষেত্রে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পূর্বেই শুধুমাত্র অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুলডোজার পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে হিন্দুত্ববাদী কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট ভোজশালা হল সিলগালার পদক্ষেপটিও উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী ও সরকারের বেআইনি চাপ প্রয়োগে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জোরালো অভিযোগ উঠেছে।


          তথ্যসূত্র:
          1. https://tinyurl.com/2jvkfmnm
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X