Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৪ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ৩০ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৪ মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ৩০ জুন, ২০২৬ ঈসায়ী

    মহারাষ্ট্রে হিন্দু ট্রাক চালককে ‘মুসলিম’ পরিচয় আরোপ করে হেনস্তার চেষ্টা হিন্দুত্ববাদী পুলিশের



    ভারতের মহারাষ্ট্রে সড়কে রুটিন ডিউটিকালে এক হিন্দুত্ববাদী ট্রাফিক পুলিশ একজন ট্রাক চালককে হেনস্তার লক্ষ্যে তার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বৈষম্যমূলক মন্তব্য করেছে। হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও ট্রাক চালককে ‘মুসলিম’ বলে পরিচয় করিয়ে তাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করেছে অভিযুক্ত ঐ পুলিশ কর্মী।

    ২৮ জুন সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, হিন্দু ট্রাক চালক শ্যামলাল রাও ও পুলিশ কর্মীদের মধ্যে তীব্র বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়।

    তর্ক তীব্রতর হয়ে উঠলে পুলিশ সদস্য ভুক্তভোগী রাওকে গাদ্দার বলে অভিযুক্ত করে বলে, “তুই কি মুসলমান?” পুলিশ সদস্যের মন্তব্যে এমন ইঙ্গিত প্রকাশ পায়, যেন মুসলমানদের আচরণই গাদ্দারী ও প্রতারণামূলক হয়ে থাকে।

    ভুক্তভোগী রাও পুলিশের এ মন্তব্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে উঠে। নিজের ধর্মীয় পরিচয় স্পষ্ট করে সে বলে যে, সে রাজস্থানের জাট সম্প্রদায়ভুক্ত হিন্দু। এখানে ধর্মীয় পরিচয়কে কেন টেনে আনা হল তা নিয়ে সে বারবার অভিযোগ করতে থাকে, “মুসলমান নাকি হিন্দু, এটা কোন ধরনের কথা হলো?”

    সে ট্রাফিক পুলিশকে আচরণ সংশোধন করার ইঙ্গিত দিয়ে বলে, সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাদেরকে অবশ্যই নাগরিকদের সাথে নিরপেক্ষ আচরণ করতে হবে, তাদের ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য করা উচিত নয়।

    অবশেষে একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা সেখানে হস্তক্ষেপ করে। সে ভুক্তভোগী রাও এর অভিযোগ শুনে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে।বৈষম্যমূলক মন্তব্যের জন্য জড়িত ট্রাফিক কনস্টেবলকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করে ট্রাক চালক রাও। আর এ ঘটনায় পুলিশ কর্মীর আচরণকে অপেশাদার ও পক্ষপাতদুষ্ট বলে নিন্দা জানিয়েছে সমালোচকরা।

    পর্যবেক্ষকদের মতে, ভারতে ‘মুসলিম’ শব্দটিকে একটি অপমানজনক ও নিপীড়নযোগ্য পরিচয় হিসেবে চিত্রায়িত করতে সব ধরনের অপপ্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকার ও সমর্থকগোষ্ঠী।

    ভিডিও: https://archive.org/details/hindu-tr...sing-as-muslim


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/yptbsmd8
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে গাজায় ইসরায়েলি হামলা: নারী-শিশুসহ নিহত আরও ৮ জন



    ​গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরায়েলের ধারাবাহিক আগ্রাসন থামছে না। সোমবার গাজার বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে চালানো বিমান হামলায় এক নারী ও তার কন্যাশিশুসহ অন্তত ৮ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে গাজার বিভিন্ন অঞ্চলে স্থল অভিযান ও বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের কার্যক্রমও অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।

    গাজার চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর আশ্রয়স্থল তাঁবু লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বর হামলায় এক নারী ও তার কন্যাশিশু শহীদ হন। হামলায় তাঁবুগুলো এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের ব্যবহৃত সামগ্রী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর কিছুক্ষণ আগে একই এলাকার সমুদ্রসৈকত সংলগ্ন একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় আরও দুই ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ২৭ জন আহত হন। আহতদের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্স, কুয়েতি হাসপাতাল ও আল-মাওয়াসি ফিল্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এদিকে খান ইউনুসের পূর্বাঞ্চলের বানি সুহাইলা মোড়ের কাছে বেসামরিক মানুষের একটি সমাবেশে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে আরও একজন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং এক কিশোরী আহত হয়েছে। একই সাথে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর আল-বারাকা সড়কে বেসামরিক মানুষের ওপর ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ আরও তিন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং কয়েকজন আহত হন।

    উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ার আল-সালাতিন এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে এক যুবক ও এক নারী আহত হয়েছেন। একই সময়ে খান ইউনুসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সন্ত্রাসি ইসরায়েলি বাহিনী একাধিক ভবন ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, প্রবল বিস্ফোরণ ও ভারী গুলিবর্ষণের শব্দে পুরো এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে চালানো ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৫ ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ৩ হাজার ৩৮০ জন আহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আর ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ১ লাখ ৭৩ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছেন। পাশাপাশি গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।


    তথ্যসূত্র
    1.Fresh Israeli strikes kill 8 in Gaza despite ceasefire
    https://tinyurl.com/fffmvtzj
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ইনুকে মাত্র ১০ বছরের কারাদণ্ড দিলো আদালত


      জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যাকারীদের মধ্যে অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ও সারা দেশে হত্যাকাণ্ডসহ কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে মৃত্যুদণ্ড না দিয়ে মাত্র ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানার রায় দিয়েছে আদালত।

      মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারক মঞ্জুরুল বাছিত ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির।

      এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছে, ‘আমরা এই মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে ১০ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেছি এবং কথোপকথনের ভিডিও ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছি। সেখানে আমরা পরিষ্কারভাবেই এটি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি এবং আমরা তথ্য-প্রমাণ দিয়েছি যে, ইনু একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশপ্রেমিক জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। সাধারণ মানুষকে জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে তাদের ওপরে নিপীড়ন চালানোর জন্য নানা কৌশল বা নানা পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিল। যার ফলে বহু লোকের জীবনে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। আমরা আশা করছি তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।’

      তবে, আদালত ইনুকে ৮ টি মামলার মধ্যে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ৫টি অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেয়। ৩টি অভিযোগে ১০ বছর করে মোট ৩০ বছর সাজা দেয়া হয়েছে। কিন্তু তিনটি সাজাই একসঙ্গে চলবে, এজন্য তাকে মাত্র ১০ বছর সাজা ভোগ করতে হবে।

      উল্লেখ্য যে, হাসানুল হক ইনু জুলাই আন্দোলনকারীদের জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী অস্ত্র, ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের করে হাসিনাকে আন্দোলন দমনের পরমার্শ দিয়েছিল।

      আন্দোলন চলাকালীন সে হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করে কারফিউ জারি, সেনা মোতায়েন এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ বলপ্রয়োগ ও ‘শ্যুট অ্যাট সাইট’ নীতি বাস্তবায়নের পরমার্শ দেয়।

      সে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারকে আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে তালিকা তৈরি করার এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়। পরবর্তী সময়ে পুলিশ ও সশস্ত্র ক্যাডারদের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং বহু মানুষ আহত ও আটক হয়।

      ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির দিন ইনুর নির্দেশে কুষ্টিয়ায় পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত সশস্ত্র ব্যক্তিরা নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায়। এতে আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, মো. উসামা, বাবলু ফরাজী ও ইউসুফ শেখসহ কয়েকজন নিহত হন। এছাড়াও সে নিয়মিত হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ রেখে আন্দোলন দমনে হাসিনাকে বিভিন্ন পরমার্শ প্রদান করে যাচ্ছিল।


      তথ্যসূত্র:
      ১। জাসদ নেতা ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
      https://tinyurl.com/5x29mm8b
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        কলকাতার যাদবপুরে মুসলিম মাংস বিক্রেতাদের ব্যবসা বন্ধ করতে হুমকি



        ভারতে কলকাতার যাদবপুরে মুসলিম মাংস বিক্রেতাদের ব্যবসা বন্ধের বা অবিলম্বে অন্যত্র ব্যবসা স্থানান্তর করার হুমকি দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বজরং দলের কর্মীরা।

        ২৮ জুন সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বজরং দলের এক সমর্থক অত্যন্ত উগ্র ও অবমাননাকর ভাষায় মুসলিম বিক্রেতাদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে।

        ঐ ব্যক্তি আক্রমনাত্নক ভঙ্গিতে প্রশ্ন তুলছে, কেন মাংস বিক্রি করা হচ্ছে, কেন জবাই করা হচ্ছে? এখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু বসবাস করে।

        সে বিরোধী রাজনৈতিক দলকে কটাক্ষ করে বলেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের দিন শেষ হয়ে গেছে।

        বিক্রেতাদের সতর্ক করে সে আরও বলেছে, হালাল বিক্রি বন্ধ কর। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই জায়গা ছেড়ে চলে যা।

        “মল্লিকপুরের তোদের মত অনেক মোল্লা থাকে, সেখানে চলে যা।”

        পশ্চিমবঙ্গে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা প্রচারের অপরাধ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। Siasat.com এর তথ্য অনুযায়ী, কেবল মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে কমপক্ষে ১০টি মুসলিমবিদ্বেষ মূলক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।

        নির্বাচনে জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গের উগ্র হিন্দুত্ববাদী মুখ্যমন্ত্রী ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিল, “নন্দীগ্রামের হিন্দু জনগণ আমাকে জিতিয়েছে। আমি কেবল হিন্দুদের জন্যই কাজ করব।”

        এসকল ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের বাংলাভাষী মুসলিমদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগকে ক্রমশ বাড়িয়ে তুলছে।


        ভিডিও: https://x.com/TheSiasatDaily/status/2071545909184528609


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/8srr4uy4
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          চট্টগ্রামের পটিয়ায় চাঁদা না দেয়ায় বালু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম



          চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় চাঁদা না দেয়ায় মো. মামুন সিকদার (৫০) নামে এক বালু ব্যবসায়ীর ওপর অতর্কিত হামলা ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (২৯ জুন) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ছনহরা ইউনিয়নের কিরিঞ্জা ব্রিজ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মামুন সিকদার ছনহরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বলে জানা গেছে।

          দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মামুন সিকদার আনোয়ারা খাল থেকে নৌকায় (বোটে) বালু এনে ছনহরা এলাকায় ব্যবসা করে আসছেন। সোমবার দুপুরে বালুভর্তি একটি বোট নিয়ে আসার পর আশিয়া এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. সোহেল তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। মামুন সিকদার চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহেল ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে বেদম মারধর করে এবং একপর্যায়ে ধারালো কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

          আহত মামুন সিকদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বৈধভাবে বালুর ব্যবসা করে আসছি। সোমবার সন্ত্রাসীরা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমার ওপর হামলা চালায়। আমি পটিয়া আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।’

          স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত সোহেল ২০টি মামলার আসামি। জামিনে এসে সে আবারো বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। চাঁদা না দেয়ায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম
          https://tinyurl.com/yv3cm87k
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ফিলিস্তিনিদের গণহত্যাকারী ইসরায়েলের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়েছে বুরকিনা ফাসো’র প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে



            ​পশ্চিমা আগ্রাসন বিরোধী প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিতি পাওয়া বুরকিনা ফাসো’র প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে এবার ফিলিস্তিন, লেবানন, সিরিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া ইসরায়েলের নতুন রাষ্ট্রদূতকে তার নিজ দেশে স্বাগত জানিয়েছে। ২৬ জুন, ২০২৬ তারিখ আনুষ্ঠানিক ভাবে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের পরিচয়পত্র গ্রহণ করে তাকে অভ্যর্থনা জানায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে।

            এসময় নবনিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত সাইমন ক্লেমেন্ট সেরোসি এক টুইট বার্তায় জানায়, “বুরকিনা ফাসোর রাষ্ট্রপতি ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরের কাছে আমার পরিচয়পত্র জমা দিতে পেরে আমি বিশেষভাবে সম্মানিত বোধ করছি। এই অনুষ্ঠান ইজরায়েল ও বুরকিনা ফাসোর মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা তুলে ধরবে এবং এটা দু’দেশের জনগণের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রতিফলন। আগামী বছরগুলিতে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করতে আমি একযোগে কাজ করার দিকে তাকিয়ে রয়েছি।”

            উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালের ৫ই আগস্ট ফ্রান্স থেকে স্বাধীনতা লাভের পর মাত্র এগারো মাসের মাথায় ৫ই জুলাই, ১৯৬১ তারিখ ৬ষ্ঠ দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে বুরকিনা ফাসো প্রশাসন। মধ্যপ্রাচ্যের এই অবৈধ রাষ্ট্রটির একজন রাষ্ট্রদূত এতদিন অনাবাসিক ভাবে কাজ করে আসলেও এবার সে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে নবনিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত।

            আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) এর ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে ২০১৫ সালের পর থেকে ফ্রান্স সাহেল অঞ্চলের এই দেশগুলো থেকে তার নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেয়া শুরু করলে, পূর্ব থেকে ফ্রান্সের প্রভাবাধীনে কাজ করা প্রশাসনে একের পর এক আভ্যন্তরীণ অভ্যুত্থান চলতে থাকে। সবশেষ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে আরেকটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ট্রাওরে বুরকিনা ফাসো’র রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে।

            রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের পর থেকে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে নেতৃত্বাধীন বুরকিনান জান্তা বাহিনী আল কায়েদা’র জিহাদি ইনসার্জেন্সি দমনের নামে নিজ দেশের জনগণের উপর একাধিক গণহত্যা চালিয়েছে। যার মাঝে উল্লেখযোগ্য হল- কারমা ম্যাসাকার (২০ এপ্রিল, ২০২৩); ফ্রান্স থেকে প্রকাশিত পত্রিকা ‘লিবারেশন’ থেকে উক্ত গণহত্যার কিছু ভিডিও সহ সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে ফ্রান্স এর সাথে সম্পর্ক কমিয়ে রাশিয়ার সাথে বাড়াতে শুরু করে।

            তবে পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে সম্পর্কে টানাপড়েনের মাঝেও ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক রেখেছে প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে নেতৃত্বাধীন বুরকিনান জান্তা প্রশাসন।


            তথ্যসূত্র
            1. https://tinyurl.com/2s4cdxtt
            2. https://tinyurl.com/5879jpjz
            3. https://tinyurl.com/3624hwua
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের ৪ দিন পর কন্যাশিশুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার



              ​নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের চার দিন পরে তাসকিয়া নামে (৭) বছরের এক কন্যাশিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি মাঠ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। তাসকিয়া পাড়াতলী ইউনিয়নের মধ্যনগর গ্রামের মামুন মিয়ার মেয়ে।

              গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে নিখোঁজ হয় তাসকিয়া। অনেক খোঁজাখুজি করেও কোন সন্ধান পায়নি তার পরিবার। এ বিষয়ে রায়পুরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন তার পরিবার। সোমবার সকালে বালুয়াকান্দি চরে একটি অর্ধগলিত লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা।

              পরে খবর পেয়ে তাসকিয়ার পরিবার লাশ শনাক্ত করে। পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।


              তথ্যসূত্র:
              ১। নিখোঁজের ৪ দিন পর কন্যাশিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
              https://tinyurl.com/375747me
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                ভোলার চরাঞ্চলে অস্ত্রের মুখে ডাকাত দল কর্তৃক ২৩ মহিষ লুট



                ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের দুর্গম চরাঞ্চলে সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালিয়ে ২৩টি মহিষ নিয়ে গিয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানায়, গভীর রাতে ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে রাখালদের জিম্মি করার পর ট্রলারে করে মহিষগুলো নিয়ে যায় ডাকাতরা।

                গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৫ জুন) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মদনপুর ইউনিয়নের মধুপুর ৪ নম্বর শিট এলাকার একটি বাথানে দুই থেকে তিনটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হানা দেয়। তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করলে প্রাণ বাঁচাতে রাখাল ও পাহারাদারেরা পাশের হোগলাবনে আশ্রয় নেন। পরে ওই সুযোগে ২৩টি মাদি মহিষ ট্রলারে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। লুট হওয়া মহিষগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা।

                মহিষের মালিকরা জানান, ঘটনার পর প্রথমে তারা নিজেরাই আশপাশের চর ও নদীপথে খোঁজাখুঁজি করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে পরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

                ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, চরাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গবাদিপশু চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। পাতার চরের বাসিন্দা মেন্টু খাঁ ও তার সহযোগীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সোর্স এবং স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ের অভিযোগও করেছেন তারা। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

                স্থানীয়রা সাংবাদিকদের জানান, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে গত দুই বছরে ভোলার চরাঞ্চলে গবাদিপশু চুরি ও ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ সময়ে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার গবাদিপশু নিখোঁজ হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

                সম্প্রতি ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের নতুন চর হোসেন এলাকায় দুর্বৃত্তরা তিনটি মহিষকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। পরে মালিকরা সেগুলো কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন। একই ইউনিয়নের চরমোহাম্মদ এলাকায় কয়েক দিন আগে আরও তিনটি মহিষ চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়রা জানান।


                তথ্যসূত্র:
                ১। ভোলার চরে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ২৩ মহিষ লুটের অভিযোগ
                https://tinyurl.com/34yywebb
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  চাঁদপুরের কচুয়ায় বৃদ্ধাকে খুন করে স্বর্ণালংকার লুট


                  চাঁদপুরের কচুয়ায় ফাতেমা বেগম (৭০) নামের এক বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

                  রোববার (২৮ জুন) রাতে উপজেলার বেরকোটা গ্রামে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে এ ঘটনা ঘটানো হয়। ফাতেমা বেরকোটা মিয়াজী বাড়ির মরহুম সাদেক মিয়াজীর স্ত্রী। তাঁর স্বামী সাবেক পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ছিলেন। এ ঘটনায় ইয়াসিন (১৮) নামের এক যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।

                  গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সংঘবদ্ধ চোর চক্র ফাতেমা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় বৃদ্ধ গৃহকর্তৃ মরিয়ম তাদের বাঁধা দিলে বা চিনে ফেলায় দুষ্কৃতিকারীরা তাকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে। নিহত ফাতেমার তিন ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন বলে জানা গেছে।


                  তথ্যসূত্র:
                  ১। কচুয়ায় বৃদ্ধাকে খুন করে স্বর্ণালংকার লুট
                  https://tinyurl.com/yhwkkduc
                  নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                  Comment


                  • #10
                    আফগানিস্তানের ভূখণ্ডে পাকিস্তানি বিমান হামলার নিন্দা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়


                    আফগানিস্তানের পাকতিয়া, পাকতিকা ও কুনার প্রদেশে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সাম্প্রতিক বিমান হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের হতাহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং একাধিক আন্তর্জাতিক মানবিকতার সংস্থা। তারা পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

                    নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের প্রধান ইয়ান এগেল্যান্ড বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, চলমান সংকটের একমাত্র কার্যকর সমাধান হলো সংলাপ। তিনি সব পক্ষকে সংঘাতের পরিবর্তে আলোচনার পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান।

                    ইউনিসেফ জানিয়েছে, পাকিস্তানি হামলায় শহীদদের মধ্যে বহু শিশুও রয়েছে। সংস্থাটি পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, যেকোনো পরিস্থিতিতেই শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মৌলিক দায়িত্ব। একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করে আফগানিস্তানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দল বলেছে, কোনো অবস্থাতেই বেসামরিক স্থাপনা ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালানোর বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়।

                    এদিকে আফগানিস্তানে জাতিসংঘ সহায়তা মিশন (UNAMA) জানিয়েছে, তারা হামলার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে বিশেষভাবে সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিশ্চিত করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে নিরপরাধ মানুষের প্রাণহানি প্রতিরোধ করা যায়।

                    উল্লেখ্য, গত ২৮ জুন, রবিবার রাতে পাকিস্তানি বিমান হামলায় পাকতিয়া, পাকতিকা ও কুনার প্রদেশে ৩৬ জন বেসামরিক নাগরিক শহীদ এবং ১৬৩ জন আহত হয়েছেন। ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে বেসামরিক প্রাণহানির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।


                    তথ্যসূত্র
                    1. UN, EU, Aid Agencies Condemn Pakistani Airstrikes on Afghan Civilians
                    https://tinyurl.com/2knytcc6
                    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                    Comment

                    Working...
                    X