Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৭ই মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ৩রা জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৭ই মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি || ৩রা জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    ভারতের রাজস্থানে ৩ মুসলিম শ্রমিক নির্মম নিপীড়নের শিকার, বন্দুকের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে বাধ্য করেছে হিন্দুত্ববাদীরা



    ২৮ জুন ভারতে রাজস্থানের বেওয়ার জেলার অন্তর্গত ঝুথা গ্রামে ৩ মুসলিম শ্রমিককে অপহরণ করে নির্মমভাবে নিপীড়ন করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা।

    ভুক্তভোগী সাজিদ খান বলেন, তাকে, তার ভাই জুনায়েদ ও ভাগ্নে সাহিলকে একটি খনিতে মেশিন মেরামত করার জন্য ডেকে আনা হয়। খনির হিন্দু মালিকের নাম মুখলেশ মালি। সেদিন রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত তারা কাজ করেছিল। কাজ শেষে পারিশ্রমিক দাবি করলে তাদেরকে পরের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলা হয়।

    পরের দিন মালি ও ৪-৫ জন সহযোগী সেখানে একটি গাড়ি নিয়ে উপস্থিত হয়, ভুক্তভোগীদের গালিগালাজ করতে আরম্ভ করে। তাদেরকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেয়।

    মুসলিমরা শ্রমিকরা দাবি করেন, তাদেরকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখানে তাদেরকে কয়েক ঘন্টাব্যাপী নির্যাতন করা হয়।

    হামলাকারীরা তাদের মুসলিম পরিচয়কে সম্বোধন করে হুমকি-ধমকি দিয়েছিল, “তোরা মুসলিম, আমরা হিন্দু, আমরা মুসলিমদের মেরে ফেলব”। এছাড়া তারা বন্দুকের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে ভুক্তভোগীদের বাধ্য করেছিল।

    এছাড়া মুসলিম শ্রমিকদের দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল, লোহার পাইপ ও বেলচা হাতল দিয়ে বারবার মারধর করা হয়েছিল। জুনায়েদের চুল টেনে বের করা হয়েছিল, ফলে তার প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছিল বলে জানা গেছে। তাদের লজ্জাস্থানে পর্যন্ত আঘাত করা হয়েছিল।

    উগ্রবাদীরা ভুক্তভোগীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত ভেঙ্গে দেয়, যেন কারও কাছে সাহায্য চাইতে না পারে। গুরুতর আহত অবস্থায় ভুক্তভোগী ৩ মুসলিম শ্রমিক বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

    অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রাসঙ্গিক ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে পুলিশ এই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণে নিষ্ক্রিয়তা দেখিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।

    পরবর্তীতে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, তবে ঘটনার প্রধান আসামী মুখলেস মালি এখনও পলাতক।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/y4frmmxu
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ‎ভারতের উত্তরপ্রদেশে ছোটখাটো সড়ক দুর্ঘটনার জেরে মুসলিম যুবককে নির্মমভাবে মারধর ও হত্যা




    ২৯ জুন ভারতে উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদ জেলার লোনি এলাকায় মোহাম্মদ জায়েদ (২৫) নামে এক মুসলিমকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে উগ্র হিন্দুরা। ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন জায়েদ ও তার দুই বন্ধু মিলে স্কুটারে মুস্তাফাবাদ থেকে বেহতা রোডের একটি সুইমিং পুলে যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে একটি গাড়ির সাথে তাদের স্কুটারের সামান্য ধাক্কা লাগে।

    ‎এসময় গাড়ির হিন্দু মালিক রাহুল ও তার সঙ্গীরা ভুক্তভোগী জায়েদকে কয়েকবার চড়-থাপ্পর মারে, অতঃপর জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে তাদের অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে জায়েদকে নির্মমভাবে মারধর করে।

    ‎অতঃপর জায়েদের বন্ধুরা অভিযুক্ত রাহুলের অফিসে পৌঁছলে, সেখানে জায়েদকে অচেতন অবস্থায় মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে। ভুক্তভোগী জায়েদকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

    ‎জায়েদের বন্ধুরা জানায়, অভিযুক্তদের মধ্যে একজন তাকে বারবার লাথি মারছিল। মুখে পানি ছিটিয়ে দিয়েও জায়েদের আর জ্ঞান ফিরে আসেনি। অভিযুক্তরা জায়েদের বন্ধুদের হুমকি দিয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    ‎এ ঘটনায় রাহুল মাভি ওরফে পহলওয়ান নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, এছাড়া মূল অভিযুক্তের অপর সঙ্গীরা পলাতক রয়েছে।



    ‎তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3mb4am56
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ‎অধিকৃত কাশ্মীরে আসন্ন অমরনাথ যাত্রার অজুহাতে যুদ্ধপ্রস্তুতিমূলক মহড়া



      ​অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে আসন্ন অমরনাথ যাত্রার অজুহাতে ভারী যুদ্ধের প্রস্তুতিমূলক সামরিক মহড়া শুরু করেছে দখলদার ভারতীয় বাহিনী। বিষয়টি কাশ্মীর অঞ্চলে দখলদার ভারত কর্তৃক চূড়ান্ত ও তীব্র সামরিকীকরণের ইঙ্গিত বহন করে। সেইসাথে এটি স্থানীয়দের মধ্যে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

      ‎১ জুলাই কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের প্রতিবেদনে বলা হয়, শ্রীনগরের সিনিয়র পুলিশ সুপার ড. জি ভি সন্দীপ চক্রবর্তী নিজে উপস্থিত থেকে পান্থ চক ট্রানজিট ক্যাম্পে সামরিক প্রস্তুতিমূলক একটি বিস্তৃত মহড়া তদারকি করছে। এই কর্মসূচিতে ফিদায়িন-ধাঁচের হামলা, সড়ক দুর্ঘটনা, আইনি বিশৃঙ্খলা মোকাবেলা, গণহারে লোকজন অপসারণ এবং চিকিৎসা সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলার মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

      ‎বারামুল্লার হামরে রেলওয়ে স্টেশনেও আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশ ইউনিটের সমন্বয়ে একই ধরনের মহড়া কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

      ‎স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, অমরনাথ যাত্রা আরম্ভের পূর্বে ‘যুদ্ধ মহড়া’র এই কার্যক্রমকে মূলত অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতের সামরিক আগ্রাসন আরও মজবুত করার কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি তীর্থযাত্রার রুটগুলোতে ৪০০ এরও অধিক এআই-সক্ষম সিসিটিভি ক্যামেরা, ড্রোন, স্নাইপার টিম এবং আরএফআইডি ট্র্যাকিং সিস্টেম মোতায়েন করা হয়েছে।

      ‎বিশ্লেষকদের মতে, তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এত বড় আকারের সামরিকীকরণ এবং ধারাবাহিক মহড়া আয়োজনের প্রয়োজন ছিল না। বরং অধিকৃত ভূখণ্ডে ভীতির পরিবেশ তৈরি করতে ও ভারী সামরিক উপস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগগুলো গ্রহণ করা হয়েছে।

      ‎এ পদক্ষেপ নিরাপত্তার অজুহাতে কাশ্মীরিদের চলাচল এবং দৈনন্দিন জীবনকে আরও সীমাবদ্ধ করছে।



      ‎তথ্যসূত্র:
      https://tinyurl.com/mr47rc4r
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ‎উত্তর গাজায় বর্বর ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তিন ফিলিস্তিনি শহীদ



        অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরও সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর ধারাবাহিক হামলা যেন থামছেই না। সর্বশেষ ০১ জুলাই, বুধবার উত্তর গাজায় একটি ড্রোন হামলায় তিন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

        ‎ওয়াফা জানায়, বুধবার উত্তর গাজার আল-হেলু জ্বালানি স্টেশনের কাছে একদল বেসামরিক মানুষের ওপর ড্রোন হামলা চালায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী। এতে ঘটনাস্থলেই তিন ফিলিস্তিনি শহীদ হন। এছাড়া বুধবার আরও আট শহীদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং অন্তত ২৬ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

        ‎গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় দখলদার ইসরায়েলের চলমান আগ্রাসনে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৬৯ জন ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ জন। দীর্ঘ এই আগ্রাসনে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।

        ‎অব্যাহত ইসরায়েলি আগ্রাসনের ফলে গাজার প্রায় ২০ লাখ মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই মিসর সীমান্তসংলগ্ন দক্ষিণাঞ্চলের রাফাহ শহরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। ১৯৪৮ সালের নাকবার পর এটিই ফিলিস্তিনের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণবাস্তুচ্যুতির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



        ‎তথ্যসূত্র
        ‎Israeli strike kills three civilians in northern Gaza Strip
        https://tinyurl.com/y7pa2zfs

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ‎ভারতের উত্তরপ্রদেশে উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে একইদিনে ৫টি মসজিদের আংশিক ধ্বংস



          ১ জুলাই বুধবার ভারতে উত্তরপ্রদেশের বারাণসীতে সড়ক প্রশস্তকরণ ও সংস্কার প্রকল্পের অজুহাতে একই দিনে ৫টি মসজিদের আংশিক ভেঙ্গে দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী কর্তৃপক্ষ।

          ‎মসজিদগুলো হলো নেসারান কি মসজিদ, রঙ্গিল শাহ মসজিদ, আলী রাজা মসজিদ, সাংমারমার মসজিদ ও মির্জা করিমুল্লাহ বেগ মসজিদ।

          ‎এছাড়া লংদে হাফিজ মসজিদ নামে আরও একটি মসজিদ নির্মূলের কথা রয়েছে, এটির অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে এলাহাবাদ হাইকোর্টে অভিযোগ করেছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

          ‎কর্তৃপক্ষের দাবি, যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ৬৫০ মিটার দৈর্ঘ্যজুড়ে সংশ্লিষ্ট ডালমান্ডি সড়কটি ১৭.৪ মিটার প্রশস্ত করার চেষ্টা চলছে। সড়ক প্রশস্তকরণের লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করছে।

          ‎নির্মূল অভিযানকে ঘটনাস্থলে ১৮০০ এর অধিক নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করেছে প্রশাসন। এসময় ডালমান্ডি অঞ্চলটি সম্পূর্ণরূপে সিল করে দেওয়া হয়েছিল, জনসাধারণ এবং মিডিয়ার প্রবেশ সীমাবদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল। পুরো অভিযান জুড়ে ঘটনাস্থলে ড্রোন নজরদারি বজায় রাখা হয়েছিল।

          ‎শতাব্দী প্রাচীন মসজিদগুলো এভাবে ধ্বংসের ফলে স্থানীয় মুসলিমদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এতে ধর্মীয় ঐতিহ্যের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। ইবাদতের স্থানগুলো কেন নির্মূলের প্রয়োজন পড়ছে তা নিয়েও প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।

          ‎বেশ কয়েকটি স্থানীয় সংগঠন অভিযোগ করেছে, কর্তৃপক্ষ নগর উন্নয়নের নামে কেবল মুসলিম পাড়াগুলোকে টার্গেট করেছে। উন্নয়ন প্রকল্পগুলোকে মূলত মুসলিমদের স্থাপনা নিধনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকগণ।



          ‎তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/4469958z
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ভারতের উত্তরাখণ্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা বোর্ডের বিলুপ্তি ঘোষণা করলো উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজ্য সরকার


            ১ জুলাই ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিলুপ্তি ঘোষণা করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। এর পরিবর্তে রাজ্যে সংখ্যালঘু শিক্ষা কর্তৃপক্ষ (ইউএসএমইএ) নামে নতুন সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। নতুন এই সংস্থার অধীনে মুসলিম, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং পার্সি- এ ৬টি সম্প্রদায়ের জন্য একটি সাধারণ শিক্ষা কাঠামো অনুসরণ করা হবে।

            দেরাদুনে এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সংখ্যালঘু শিক্ষা কর্তৃপক্ষ’ এর উদ্বোধন করেছে হিন্দুত্ববাদী মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি।

            এই সংস্থাকে বিতর্কিত ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বিল এর সাথে তুলনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছে, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আইনের ক্ষেত্রে যেমন ‘এক জাতি, এক আইন’ এর প্রতীক ইউসিসি, তেমনি নতুন এই শিক্ষা কাঠামো ‘এক জাতি, এক শিক্ষা’ এর সূচনা চিহ্নিত করেছে।

            উত্তরাখণ্ড ভারতের প্রথম রাজ্য, যেখানে সমস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য একটি সাধারণ শিক্ষা কাঠামো ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

            পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন শিক্ষা কাঠামো প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মুসলিমদের ধর্মীয় শিক্ষার উপর উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করা।

            অনেকের মতে, এই উদ্যোগ মুসলিম সন্তানদের ইসলামের সঠিক ঈমানি চেতনাভিত্তিক শিক্ষা থেকে দূরে সরানোর একটি অপপ্রয়াস, যেন হিন্দুত্ববাদী সরকার তাদের জুলুম-নিপীড়নের শাসনকে আরও দীর্ঘায়ত করতে পারে।


            তথ্যসূত্র:
            1. https://tinyurl.com/mut53hvy
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X