Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৩শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ০৯ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৩শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ০৯ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে আরও বেশ কয়েকটি মুসলিম বাড়িতে দখলদার ভারতের তল্লাশি অভিযান



    অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে মুসলিমদের বেশ কয়েকটি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে দখলদার ভারতীয় পুলিশ।

    ৯ জুলাই কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিসের খবরে বলা হয়েছে, উক্ত জেলার বারামুল্লা শহর ও খাজাবাগ জেটি অংশের বিভিন্ন এলাকায় এই তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় আশরাফ গোজরি, ওয়াসিম আলি, তানভীর আহমেদ, ওয়াসিম হোসেন মীরসহ আরও অনেকের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

    দখলদার কর্তৃপক্ষের দাবি, বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনে (ইউএপিএ) দায়েরকৃত একটি মামলার তদন্তের লক্ষ্যে তারা এই তল্লাশি চালিয়েছে। অভিযানকালে ৪টি মোবাইল, ১টি ল্যাপটপ এবং অন্যান্য বইপত্র জব্দ করেছে দখলদার পুলিশ বাহিনী।

    উল্লেখ্য, কথিত বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অজুহাতে ইতোপূর্বে অসংখ্য কাশ্মীরি মুসলমান গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, সংশ্লিষ্ট আইনটি কেবল কাশ্মীরি মুসলমানদের দমন-পীড়নের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে দখলদার ভারত।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/ypyxb47n
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পশ্চিমবঙ্গে এক গবাদিপশু বহনকারী মুসলিম শ্রমিককে মারধরের পর নির্মমভাবে হত্যা করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোরক্ষক কর্মীরা




    ভারতে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলায় এক গবাদি পশুবহনকারী মুসলিম শ্রমিককে নির্মমভাবে হত্যা করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী কথিত গোরক্ষক কর্মীরা। ৫ জুলাই খুতামারা নদীর একটি ব্রিজের নিচে পশুপালক মন্টু মিয়ার (৫১) মরদেহ পাওয়া যায়।

    পরিবারের অভিযোগ, আগের দিন (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় একটি গরুকে তার মালিকের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে একদল উগ্রপন্থী গোরক্ষক তার উপর হামলা চালায় এবং তাকে মারাত্মকভাবে মারধর করে হত্যা করে।

    নিহত মন্টু মিয়ার পেশা ছিল, তিনি স্থানীয় বাজারে বিক্রি হওয়া গবাদি পশুগুলো ক্রেতা মালিকদের বাড়িতে পৌঁছে দিতেন।

    নিহতের শ্বশুর তারিক মিয়া সাংবাদিকদের নিকট জোরালোভাবে দাবি করেন, হামলাকারীরা স্বঘোষিত গোরক্ষক সদস্য ছিল।

    উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা তার পথ আটকে প্রথমে তাকে মারধর করে, তার মুখ ও শরীরে এসিড ঢেলে দেয়। তাকে হত্যার পর মরদেহটি নদীতে ফেলে দেয়।

    পরিবারের সদস্যরা জানায়, মন্টুর মৃত শরীরে দাঁত ভাঙা এবং বিভিন্ন অংশে ক্ষতসহ একাধিক আঘাত পাওয়া দেখা গেছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, মন্টুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে বোঝা যায় যে তিনি মারাত্মক সহিংসতার শিকার হয়েছেন।

    মন্টু মিয়াকে একজন শান্ত ও পরিশ্রমী ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে তার প্রতিবেশীরা। তার মৃত্যুতে পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/y2f2euba
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      মুসলমানদের ধর্মীয় সম্পত্তি পরিচালনার ওয়াকফ বোর্ডে হিন্দু সদস্য নিয়োগ দিলো মধ্যপ্রদেশের উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকার



      ​ভারতের মধ্যপ্রদেশে ওয়াকফ বোর্ডে ২ হিন্দু সদস্য নিয়োগ দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার, এতে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে রাজ্যের মুসলিম সংগঠনগুলো।

      এই পদক্ষেপ মুসলিমদের ধর্মীয় বিষয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের সরাসরি হস্তক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে মুসলমানরা। ভারতের কোনও রাজ্য এই প্রথম ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিম সদস্য নিয়োগ দিয়েছে।

      উক্ত নিয়োগ প্রত্যাহারের দাবিতে ৮ জুলাই ভোপালের বুধওয়ারা স্কোয়ারে জড়ো হয়েছিল মুসলিম বিক্ষোভকারীরা।

      মুসলিমদের যুক্তি, ওয়াকফ বোর্ড মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ধর্মীয় ও সামাজিক উদ্দেশ্যে (যেমন মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, এতিমখানা নির্মাণ) মুসলমানদের আল্লাহর পথে দান করা সম্পত্তিগুলো পরিচালনা করা হয়। এখানে অমুসলিম সদস্য নিয়োগ সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই বোর্ড একমাত্র মুসলিমদের একচেটিয়া প্রশাসনের অধীনে থাকতে হবে, যা প্রথাগতভাবে অনেক আগে থেকেই চলে এসেছে।

      এর আগে ওয়াকফ আইন-১৯৯৫ অনুসারে, রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে কেবল মুসলিম সদস্যগণ অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিছু সদস্য রাজ্য সরকার কর্তৃক নিয়োগ দেওয়া হলেও তাদেরকে মুসলিম হওয়া বাধ্যতামূলক ছিল।

      কিন্তু উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকারের শাসনামলে ২০২৫ সালে ওয়াকফ আইন সংশোধন করা হয়। বিতর্কিত এই সংশোধনী আইনে রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডে কমপক্ষে ২ জন অমুসলিম সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে নিয়ম চালু করা হয়।

      বিরোধী দলীয় অনেক রাজনৈতিক নেতা বিতর্কিত ওয়াকফ সংশোধনী আইন ও ওয়াকফ বোর্ডে হিন্দু নিয়োগের তীব্র সমালোচনা করেছে।

      আরিফ মাসুদ নামে কংগ্রেসের এক বিধায়ক মন্তব্য করেছে, সংশোধিত ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ইতিমধ্যে আইনি চ্যালেঞ্জ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তা সত্ত্বেও হিন্দু নিয়োগের পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে রাজ্য সরকার।

      উল্লেখ্য, বিতর্কিত ওয়াকফ আইনের প্রণয়নের মাধ্যমে ভারত জুড়ে মুসলমানদের মসজিদ, মাদ্রাসার মতো ধর্মীয় স্থাপনাগুলো ধ্বংসের হীন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন।


      তথ্যসূত্র:
      1. https://tinyurl.com/33kfthpj
      2. https://tinyurl.com/328j4ra9
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ত্রিপুরার খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দিয়েছে ভারত, হবিগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা



        ​টানা দুই দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরমধ্যে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই নদীর গেট খুলে দেওয়ায় জেলায় এই নদীতে পানির প্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

        দৈনিক আমার দেশ জানায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টায় খোয়াই নদীর পানি বাল্লা পয়েন্টে বিপদসীমার ২২০ সেমি, শায়েস্তাগঞ্জে ৯৯ সেমি, ও হবিগঞ্জের মাছুলিয়ায় ১১৫ সেমি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

        হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, জেলার প্রায় সব নদীতেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক অবস্থা খোয়াই নদীর বাল্লা সীমান্ত পয়েন্টে। উভয় স্টেশনেই পানি দ্রুত বাড়ছে। এছাড়া ধলেশ্বরী, সুতাং, সোনাই, করাঙ্গী, জানিখাল, জিয়ারখলাসহ অন্যান্য নদী, খাল ও ছড়ায় পানি বেড়েছে।

        পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে এবং দেশের অভ্যন্তরে গত দুই দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভারতের খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে খোয়াই নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়। কালনী-কুশিয়ারার পানিও একদিন আগেই বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত থেকে জেলার প্রায় সব নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

        তিনি আরো জানান, খোয়াই নদীর পানি এভাবে বাড়তে থাকলে হবিগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। যে কোনো সময় বাঁধের দুর্বল স্থানে ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

        টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে শঙ্কা বাড়ছে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। হবিগঞ্জে বিপৎসীমার ওপরে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা
        https://tinyurl.com/yp66ktxc
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কক্সবাজারের পেকুয়ায় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা, পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ




          ​টানা চার দিনের অতিভারী বর্ষণে কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিস্তীর্ণ জনপদ এখন বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোমরপানি, কোথাও বিচ্ছিন্ন সড়কযোগাযোগ, আবার কোথাও পাহাড়ধসের আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে হাজারো মানুষের।

          ইতিমধ্যে একজনের প্রাণহানি ঘটেছে, পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে অন্তত ২০ হাজার মানুষ। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কায় উপজেলা প্রশাসন ৭১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখে চালু করেছে জরুরি কন্ট্রোল রুম এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

          জেলা প্রশাসনের জারি করা গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েক দিনও ভারী থেকে অতিভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

          স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে পেকুয়ার সাতটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পেকুয়া সদর, উজানটিয়া, মগনামা, রাজাখালী, শিলখালী, টইটং ও বারবাকিয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা।

          বহু পরিবার ঘরবাড়িতে পানি ওঠায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে। অনেক গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন জনপদ।

          কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, টানা তিন দিনে জেলায় মোট ৬৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। শুধু শেষ ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড হয়েছে ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টি। আবহাওয়াবিদদের মতে, স্বল্প সময়ে এত বিপুল পরিমাণ বৃষ্টিপাত পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

          এদিকে উত্তাল সাগরের কারণে পেকুয়া-কুতুবদিয়া নৌপথে নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। টইটং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটেছে। পাহাড়ঘেঁষা হাজারো পরিবার এখন চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

          দুর্যোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, টানা ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে পেকুয়ার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে বিলম্ব না করে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          ১। পেকুয়ায় পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ, প্রস্তুত ৭১ আশ্রয়কেন্দ্র
          https://tinyurl.com/mr36em5c
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            পাবনার চাটমোহরে ভ্যানচালককে গলা কেটে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা



            পাবনার চাটমোহরে এক ভ্যানচালককে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ভ্যানচালক উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের আগশোইল টলটলিপাড়ার মৃত খোরশেদ আলীর ছেলে নাসের আলী (৪৪)।

            দৈনিক আমার দেশ জানায়, বুধবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় ছাইকোলা ইউনিয়নের বোয়াইলমারী গোরস্থানের পাশে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।

            খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গলাকাটা রক্তাক্ত অবস্থায় ভ্যানচালকের লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, ‘ঘটনাস্থলেই ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।


            তথ্যসূত্র:
            ১। চাটমোহরে ভ্যানচালককে নৃশংসভাবে হত্যা
            https://tinyurl.com/9m7ntd8x
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসে বান্দরবানে ৫, কক্সবাজারে ২ জনের মৃত্যু



              টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা এলাকায় পৃথক দুটি পাহাড়ধসের ঘটনায় একই এলাকার পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন এবং অপর ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়া (পাগলির ঝিরি) ভোরে এ দুটি ঘটনা ঘটে।

              নিহতরা হলেন- আজিজনগরে বাসিন্দা মো. ইউনুস (৪০), তার স্ত্রী রানু আক্তার (৩৫) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মো. সোলেমান মাটিচাপা পড়ে মারা যান। পরে দেয়াল ও মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যান স্বামী-স্ত্রী মো. জুয়েল (৩৪) ও কুলছুমা আক্তার (২৫)।

              গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ভোরের দিকে পাহাড়ধসে পড়লে এলাকার মানুষ চিৎকার শুনতে পায়। চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করে।

              এদিকে টানা বর্ষণের ফলে কক্সবাজারের চকরিয়ায় পাহাড় ধসে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। বৃহস্পতিবার ভোররাতে চকরিয়ার মছনিয়া কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার।

              তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভোররাতে তিনি খবর পান, মছনিয়াকাটা এলাকায় পাহাড়ধসে পড়েছে। চাপা পড়েন দুই সন্তানসহ এক মা। তাদের উদ্ধার করার পর দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করে চিকিৎসক। হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে মাকে।

              এ নিয়ে গেল কয়েকদিনে কক্সবাজার জেলায় ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে পাহাড়ধসে। যাদের অনেকে রোহিঙ্গা। এছাড়া পানিবন্দি হয়েছে তিন উপজেলার ১৫ হাজার পরিবার।


              তথ্যসূত্র:
              ১। পাহাড়ধসে বান্দরবানে ৫, কক্সবাজারে ২ জনের মৃত্যু
              https://tinyurl.com/4xmpexxy
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন সাগর থেকে ভাসমান অবস্থায় তিনটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার


                ​কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন দ্বীপসংলগ্ন সাগর থেকে ভাসমান অবস্থায় তিনটি অজ্ঞাত অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

                বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর ও বিকেলের দিকে টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন দ্বীপ, শাহপরীর দ্বীপ এবং সদর ইউনিয়নের রাজারছড়া-সংলগ্ন সাগর এলাকা থেকে পৃথকভাবে ভাসমান অবস্থায় তিনটি অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার করা হয়।

                লাশগুলোর পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহগুলো মিয়ানমারের চলমান সংঘাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তির হতে পারে।


                তথ্যসূত্র:
                ১। সেন্ট মার্টিন ও শাহপরীর দ্বীপে ভেসে এল ৩ মরদেহ
                https://tinyurl.com/bunjh47w
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment

                Working...
                X