Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৭ শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৭ শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    উত্তর প্রদেশে দুই হিন্দু কর্তৃক অপহরণ ও গণধর্ষনের শিকার ১৪ বছরের মুসলিম বালিকা


    ​ভারতে উত্তরপ্রদেশের আলীগড়ে ১৪ বছরের এক মুসলিম বালিকা দুই হিন্দু কর্তৃক অপহরণ ও গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ১১ জুলাই শনিবার আলীগড়ের চাররা নামক গ্রামে নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে।

    ভুক্তভোগী বালিকার মা জানান, ঐদিন তার মেয়ে সবজি কিনতে ঘর থেকে বের হয়েছিল। এরপর থেকে নিখোঁজ হয়। পরবর্তীতে গ্রামের উপকণ্ঠে একটি মাঠে তাকে অচেতন ও কাপড় ছেঁড়া অবস্থায় পাওয়া যায়।

    পিতার অভিযোগ, ধর্ষকরা প্রথমত এক ধরনের রাসায়নিক স্প্রে দিয়ে তার কন্যাকে প্রায় অচেতন করে ফেলে। এছাড়া ধর্ষণের পূর্বে তাকে মদ পান করতেও বাধ্য করে ঐ দুর্বৃত্তরা।

    অভিযুক্ত ধর্ষকরা হলো কিষাণ গোপাল বাল্মীকি এবং সঞ্জু বাল্মীকি। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ অভিযুক্তদেরকে গ্রেপ্তার করেছে।

    ধর্ষণের শিকার বালিকাটি বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভারতে ক্রমবর্ধমান ধর্ষণের ঘটনাগুলো বিশেষ করে মুসলিম নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি করেছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/2jjnf44m
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে মুসলিম শিশুকে ধর্ষণ করল বৈদ্যনাথ রায় নামের প্রতিবেশি হিন্দু যুবক, শিশুটি হাসপাতালে ভর্তি



    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে মুসলিম শিশুকে লটকন খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে ঘরে নিয়ে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বৈদ্যনাথ রায় নামের এক হিন্দু ব্যক্তি। গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ ঘটনাটি ঘটে। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ধর্ষক বৈদ্যনাথ রায় উপজেলার পামুলী ইউনিয়নের ঢাঙ্গীরহাট বৈরাগীপাড়া এলাকার রামচরণ রায়ের ছেলে ও মুসলিম শিশুটির প্রতিবেশি। ঘটনা জানাজানির পর সে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বাদী হয়ে দেবীগঞ্জ থানায় এজাহার জমা দেন। পরে পুলিশ বোদা এলাকা থেকে বৈদ্যনাথকে গ্ৰেপ্তার করে।

    দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত বৈদ্যনাথ রায় গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিবেশী এক হিন্দু শিশু ও এক মুসলিম শিশুকে পৃথকভাবে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে এই অপচেষ্টা চালায়। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে ভূক্তভোগী মুসলিম শিশুকে লটকন দেওয়ার কথা বলে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে বৈদ্যনাথ রায়।

    ভুক্তভোগী শিশুর মা সাংবাদিকদের জানান, বেশ কিছুক্ষণ মেয়েকে না পেয়ে তিনি খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় স্থানীয় অন্য শিশুরা জানায়, বৈদ্যনাথ তার মেয়েকে ঘরের দিকে ডেকে নিয়ে গেছে। প্রথমে গিয়ে সন্ধান না পেলেও দ্বিতীয়বার খুঁজতে গেলে অভিযুক্তের ভাতিজা জানায় শিশুটিকে টয়লেটে আটকে রাখা হয়েছে। পরবর্তীকালে সেখান থেকে ওই শিশুকে উদ্ধার করা হয়।

    শিশুটির মা আরও বলেন, তার মেয়েকে ঘরে নিয়ে পোশাক খুলে ধর্ষণ করে বৈদ্যনাথ। প্রথমে তেমন কিছু বুঝতে না পারলেও শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে ঘুম থেকে উঠে শিশুটি অসুস্থ হওয়ায় এবং ঠিকভাবে হাঁটতে না পারায় বেলা ৩টার দিকে তাকে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়।

    জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তানিয়া জাহান সুকন্যা প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে যৌন নিপীড়নের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরপর উন্নত চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানে চিকিৎসাধীন।

    ভুক্তভোগী শিশুর প্রতিবেশী সেলিনা আক্তার সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত বৈদ্যনাথ রায়ের ভাতিজা এবং অন্য শিশুরা ঘটনাটি দেখে ফেলায় তাদের প্রথমে টাকার লোভ দেখায় বৈদ্যনাথ। শিশুরা রাজি না হলে সে তাদের জবাই করে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।

    এদিকে এলাকাবাসী আরও জানায়, মাত্র এক সপ্তাহ আগে গত ২ জুলাই একই এলাকার তৃতীয় শ্রেণি পড়ুয়া অপর এক আট বছর বয়সি শিশুকেও একইভাবে লটকন দেওয়ার কথা বলে বাসায় ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি করে বৈদ্যনাথ রায়।

    একই সময়ে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে শিশুটির মা ডাকাডাকি করলে বৈদ্যনাথ শিশুটিকে ছেড়ে দিলে সে নিজ বাসায় চলে যায়। শিশুটি তৎক্ষণাৎ তার মাকে কিছু না বললেও পরে সব খুলে বলে।

    এদিকে এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।


    তথ্যসূত্র:
    ১। দেবীগঞ্জে শিশুধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী গ্রেপ্তার
    https://tinyurl.com/3xyhh57d
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      অবশেষে গাইবান্ধার বহুল আলোচিত রাম মূর্তি নির্মাণের মূল হোতা হরিদাস চন্দ্র তরুণী দাস কে গ্রেপ্তার



      সারাদেশব্যাপী আলোচিত গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় রাম মূর্তি নির্মাণের মূল হোতা হরিদাস চন্দ্র তরুণী দাস (৩৬) কে গ্রেপ্তার করেছে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) পুলিশ।

      রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালি মন্দির এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত হরিদাস চন্দ্র ওরফে তরণী দাস উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের গোপীনাথ চন্দ্র দাসের ছেলে এবং শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির ও মন্দির এলাকায় রামমূর্তি নির্মাণের মূল হোতা।

      দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, ঢাকার উত্তরা (পশ্চিম) থানার একটি মানি লন্ডারিং মামলায় তাকে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এবং তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

      উল্লেখ্য, বাবার অভাবের সংসারে ৫ ভাই ও এক বোনের মধ্যে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ছিল ৪র্থ। স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া শেষে সে এলাকা ছেড়ে ভারতে চলে যায়। দীর্ঘদিন পর ২০২৪ সালে সে এলাকায় (পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামে) ফিরে আসে। এরপর গ্রামের শ্রী শ্রী কালী মন্দিরের পুরাতন অবকাঠামো পরিবর্তন করে আধুনিকায়নের কাজ করার উদ্যোগ নেয়। এ বিষয়ে সে গ্রামে একটি বৈঠক করে। ওই বৈঠকে হরিদাসকে সভাপতি এবং বিপিন চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তিকে সাধারণ সম্পাদক করে মন্দির কমিটি গঠন করা হয়।

      এরপর ২০২৫ সালের মে মাসে গ্রামের শ্রী শ্রী কালী মন্দিরের পুরাতন অবকাঠামো পরিবর্তন করে আধুনিকায়নের কাজ শুরু করে তারা। মন্দিরের নাম পরিবর্তন করে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দির নাম করণ করে। সম্প্রতি তারা মন্দির চত্বরে ৮১ ফুট রাম মূর্তি নির্মাণ কাজ শুরু করে। এসব নির্মাণ কাজ ও কাজের অর্থের উৎস নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় আসে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস। এরপর রাম মূর্তি অপসারন ও তাকে গ্রেপ্তার এবং এসব কাজে অর্থের অনুসন্ধানের দাবিতে পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

      প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও র‌্যাব যৌথ অভিযানে রাজধানীর বনানী থেকে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের প্রটোকল অফিসারের ভুয়া পরিচয়ে বদলি বানিজ্য, টেন্ডারবাজি ও প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

      পরে র‌্যাব এক সংবাদ সম্মেলনে গনমাধ্যমকে জানায়, হরিদাস ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময়ে ভারতে যায়। সেখানে এক আত্মীয়ের মাধ্যমে সেখানকার পঞ্চায়েত প্রধানের কাছ থেকে কৌশলে এতিম সনদ সংগ্রহ করে। পরে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে।

      এছাড়াও সে বিয়ে করার জন্য ২০১৯ সালে ধর্মান্তরিত হয়েছিল। সে সময় হরিদাস চন্দ্র তরনী দাস থেকে সে তাওহীদ ইসলাম নাম গ্রহণ করে। এরপর তার শ্বশুর বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকায় কিছু জমি ক্রয় করে। পাশাপাশি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে বদলি বানিজ্য, টেন্ডারবানিজ্য ও প্রতারণা শুরু করে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। গাইবান্ধার রাম মূর্তি নির্মাণের মূল উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র অর্থ পাচার মামলায় গ্রেপ্তার
      https://tinyurl.com/3ppkmpen
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment

      Working...
      X