Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৮ শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৮ শে মুহাররম, ১৪৪৮ হিজরি|| ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    রামমূর্তি নির্মাণে জড়িত হরিদাসের ব্যাংক হিসাবে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেনের তথ্য মিলেছে





    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বিশাল উচ্চতার ‘রামমূর্তি’ নির্মাণ করতে চেয়ে দেশজুড়ে আলোচনায় আসা সেই হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারদিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালত এই আদেশ দেয়। আসামিকে আদালতে হাজির করে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) কে এম রাকিবুল হুদা।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এবং সে ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারসহ হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসামির ব্যাংক হিসাবসমূহে ব্যবসাবহির্ভূত নগদ অর্থ জমা করা হয়েছে। অভিযোগটির অনুসন্ধানে তার নামে পাঁচটি ব্যাংক হিসাব ও চারটি এমএফএস হিসাবে বিভিন্ন সন্দেহজনক উৎস থেকে ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা হওয়ার রেকর্ডপত্র ভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের কোমরপুরের মধ্যরামচন্দ্রপুর (নয়াপাড়া) গ্রামের মৃত গোপিনাথ চন্দ্র তরণী দাসের ছেলে। তার জন্ম ১৯৯১ সালে। তার আপন তিন ভাই গোবিন্দ, গৌরাঙ্গ ও আনন্দ চন্দ্র দাস দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে বসবাস করছে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে থাকতেই সে ভারতে পাড়ি জমিয়েছিল। সেখান থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক ও ইলেক্ট্রনিক বিষয়ে দুই বছরের বিশেষ প্রশিক্ষণ নেয়।

    ধারণা করা হয়, সেখান থেকে ফিরে আসার পরই তার মধ্যে উগ্র হিন্দুত্ববাদের দীক্ষা ও কর্মতৎপরতা শুরু হয়। ২০১০ সালে দেশে ফিরে রাজধানীর উত্তরায় পুরনো এসি মেকানিকের কাজ শুরু করে। গোয়েন্দা সংস্থার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সে তাওহীদ ইসলাম নাম ব্যবহার শুরু করে। একই বছরে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ছাইতানতলা এলাকার সবজি বিক্রেতা রফিকুল ইসলামের মেয়ে স্মৃতি আক্তারকে বিয়ে করে। আমার দেশ জানায়, এক সময় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘কথিত’ ব্যবসায় সক্রিয় থাকাকালে শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই শেখ সেলিমের সঙ্গেও তার গভীর সখ্য গড়ে ওঠে।

    মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নিজের ছবি যুক্ত করে ২০১৪ সালের দিকে সে প্রতারণা শুরু করে। তার প্রতারণায় প্রলুব্ধ হয়ে অনেকে চাকরি, বদলি, টেন্ডারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তদবির নিয়ে তার কাছে আসা শুরু করে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ শুরু করে। ২০১৮ সালে প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব। তবে পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় সে।

    তথ্যসূত্র:
    ১। রামমূর্তি নির্মাণে জড়িত হরিদাসের কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য
    https://tinyurl.com/bddhbu3y
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পুলিশের ‘জঙ্গি নাটক’; ৯ বছর পর নির্দোষ চার পরিবার, ভুক্তভোগীদের ক্যারিয়ার তছনছ



    যশোরে চার পরিবারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ‘জঙ্গি’ নাটক মামলা দীর্ঘ ৯ বছর পর শেষ হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাসিনার পতনের পর সম্প্রতি আদালত তাদের নির্দোষ ঘোষণা করে খালাস দিয়েছে। এ মামলায় ভুক্তভোগী তানজির আহমেদ, মো. মহিউদ্দিন, মেহেদী হাসান পাশা ও সাদ্দাম ইয়াসির সজলের জীবন ও ক্যারিয়ার তছনছ হয়ে গেছে।

    জানা যায়, এ মামলার নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছে যশোরের তৎকালীন পুলিশ সুপার ও পরবর্তী সময়ে রাজশাহীর ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান। জানা যায়, আনিসের বাড়ি গোপালগঞ্জে, তার স্ত্রী ফাতেমা তুজ্জহুরা শ্যামলী হাসিনা সরকারের সংরক্ষিত আসনের এমপি ছিল।

    দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, তার নির্দেশে তরুণদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলার পাশাপাশি আবু সাঈদ নামে বিএনপির এক কর্মীকে কথিত ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে। বিচারবহির্ভূত এ হত্যার অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট যশোরে পুলিশ কর্মকর্তা আনিসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আবু সাঈদের স্ত্রী পারভীন খাতুন। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহমেদ অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশের খুলনা রেঞ্জ ডিআইজিকে (ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল) নির্দেশ দিয়েছে। সম্প্রতি যশোরের ধর্মতলা এলাকায় ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

    বিতর্কিত কর্মকর্তা আনিসের বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানায়, কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় ‘পলায়নের’ অভিযোগে তাকে গত বছরের ৩০ জুলাই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

    তানজিরের পরিবারের ওপর নির্যাতন

    তানজিরের পরিবারের নারী-শিশুসহ কোনো সদস্যই বাদ যায়নি পুলিশের সাজানো মামলার হয়রানি থেকে। ভুক্তভোগী তানজির সাংবাদিকদের জানান, ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে তাদের বাড়িতে হানা দেয় ডিবি পুলিশ। তখন তিনি এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। পুলিশ তার বড়ভাইকে তুলে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন ও বৈদ্যুতিক শক দেয়। পরবর্তী সময়ে পরিবারের সদস্যদের তালিকা তৈরি করে পুলিশ তার দুই বোন এবং তাদের স্বামীদেরও সাজানো মামলায় আসামি করে।

    তিনি আরো জানান, ২০১৬ সালের রমজানের এক রাতে পুলিশ আবারও তাদের বাড়িতে হানা দেয়। পুলিশ তাকে এবং তার মেজো বোনকে তিন বছরের বাচ্চাসহ ডিবি অফিসে তুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘ হয়রানি ও বন্দিদশায় জেলখানায় বসেই এইচএসসি পরীক্ষা দিতে বাধ্য হন তানজির। ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল জামিনে মুক্তি পেলেও পুলিশের নিয়মিত নজরদারি ও ভয়ভীতি তাদের জীবন অতিষ্ঠ করে তোলে।

    পুলিশের মামলার অভিযোগে বলা হয়, তারা অভয়নগরের একটি মাদরাসায় গোপন মিটিং করছিলেন। মামলায় তানজির, তার ভাই, দুই বোন ও দুলাভাইসহ পরিবারের সাত সদস্যকে আসামি করা হয়। জেল থেকে জামিনে বের হওয়ার পরও পুলিশ জেলগেট থেকে পুনরায় তানজিরকে ডিবি অফিসে তুলে নিয়ে যায়। একই সময়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়, জামিন পাওয়ার পর তানজির পলাতক। পরবর্তী সময়ে ঢাকা থেকে তার বড়ভাই ও মেজো বোনকে ধরে নিয়ে প্রায় ৪৫ দিন আটকে রাখা হয়। শেষে পুলিশ তাদের দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করিয়ে ‘স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ’-এর নাটক সাজায়। তারা দীর্ঘ হয়রানির শিকার হন। তানজির, তার ভাই, দুই বোন ও এক দুলাভাইকে কারাভোগ করতে হয়। দীর্ঘ ৯ বছরের এ অমানবিক ভোগান্তির অবসান ঘটে ২০২৪ সালের ২৪ আগস্ট। হাসিনার পতনের পর আইনি লড়াই শেষে তানজিরের পরিবারের সদস্যরা সব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

    মহিউদ্দিনের পরিবারের বিভীষিকাময় দিন

    চাঁচড়া পশ্চিমপাড়ার মো. মহিউদ্দিন এবং তার পরিবারও এ ‘জঙ্গি’ নাটকের শিকার। ২০১৬ সালে মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে জঙ্গি মামলা দিয়ে তৎকালীন পুলিশ সুপার আনিসের নির্দেশে তার স্ত্রী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের জানায়, তার নববধূকে তুলে নিয়ে ডিভোর্স দিতে চাপ দেয় ডিবি পুলিশ। এমনকি মহিউদ্দিনের বাবাকেও গ্রেপ্তার করে একই জঙ্গি মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়।

    জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর মহিউদ্দিনের বাবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন ও স্মৃতিশক্তি হারিয়েছেন। ৩৬ বছর বয়সি মহিউদ্দিন সরকারি চাকরির সুযোগ হারিয়ে বর্তমানে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন। আদালতের নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণে এ পরিবারটিও মামলা থেকে বেকসুর খালাস পায়।

    মেহেদী হাসান পাশাকে ক্রসফায়ারের হুমকি

    ২০১৫ সালে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান পাশাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে ১১ দিন ডিবি হেফাজতে চোখ বেঁধে অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়। পাশা সাংবাদিকদের জানান, পুলিশের চরম হুমকিতে তাকেসহ অন্যদের ‘জঙ্গি’ হিসেবে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়।

    তার ভাষায় ১৫-২০ জন পুলিশ তাকে ঘিরে ধরে ব্যাপক মারধর ও নির্যাতন করত। এক রাতে অভিযানের কথা বলে তাকে পুরো শহর ঘুরিয়ে ‘ক্রসফায়ারে’ মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।

    তিনি জানান, জামিন পেলেও দীর্ঘ ৯ বছর তাকে পুলিশের কড়া নজরদারিতে থাকতে হয়। যশোরের বাইরে যাওয়া ছিল নিষিদ্ধ। নিয়মিত পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয়ে অপরিচিত ব্যক্তিরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করত। ২০২৪ সালের ৩০ নভেম্বর তাকে সব মামলা থেকে খালাস দেয় আদালত।

    আরেক ভুক্তভোগী সজলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তার স্ত্রী ও ছয় বছর বয়সি সন্তানকে তুলে নেয়। পুলিশের দুর্ব্যবহারে সে শিশু আজও ট্রমার শিকার। সজলের স্ত্রী তখন ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।

    মামলাগুলোর আইনি দুর্বলতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ৯ বছর ধরে কেন চলল? এমন প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগী পাশার আইনজীবী মো. মাহমুদ কবীর কাকন সাংবাদিকদের বলেন, ‘তখনকার সরকারের চাপে পড়ে বিচারকের কিছুই করার ছিল না।’


    তথ্যসূত্র:
    ১। ডিআইজি আনিসের ‘জঙ্গি নাটক’, ৯ বছর পর নির্দোষ চার পরিবার
    https://tinyurl.com/3xnncpx4
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      বাংলাদেশে ইমাম ও মুসলিম পরিচয়ে সাধারণ মুসলিমদের খ্রিস্টান বানাচ্ছে মিশনারীরা




      ​বাংলাদেশের কিছু এলাকায় মসজিদের ইমামদেরকে টার্গেট করে কাজ শুরু করেছে খ্রিস্টান মিশনারীরা। মিশনারীদের এই ফাঁদে পরে কিছু ব্যক্তি খ্রিস্টানও হয়ে গেছে। বর্তমানে তারা সরলমনা সাধারণ মুসলিমদের বিভ্রান্ত করে খ্রিস্টান বানানোর কাজে লিপ্ত রয়েছে।

      কিছুদিন আগে ফরিদপুর জেলার একটি মসজিদে মিশনারীর কাজে যুক্ত এমনই এক ইমামকে আটক করা হয়। এ সময় তার সাথে থাকা আরও এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়, সে ওই এলাকায় খ্রিস্টান মিশনারীদের প্রধান হিসেবে কাজ করছিল বলে জানা গেছে।

      স্থানীয় অন্য এক আলেমকে খ্রিস্টান বানানোর দাওয়াত দেয়ার পরই তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু মিশনারী বই-পুস্তক পাওয়া যায়।

      সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় এক আলেমকে টাকার লোভ ও ইউরোপ-আমেরিকায় নিয়ে বিলাসী জীবন-যাপনের প্রলোভন দেখিয়ে খ্রিস্টান হওয়ার দাওয়াত দেয়া হয়। এ সময় তিনি কৌশলে কিছুদিন তাদের থেকে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন এবং বিষয়টি স্থানীয় আলেম-উলামাদের অবগত করেন।

      পরে স্থানীয় আলেম-উলামারা মসজিদে দিয়ে মুসলিম নামধারী ওই ইমাম ও তার প্রধানকে আটক করে। এ সময় তারা এলাকাটিতে ইমাম ও মুসলিম সেজে সাধারণ মুসলিমদের খ্রিস্টান বানানোর কথা স্বীকার করে। ইতোমধ্যে তারা বেশ মুসলিমকে খ্রিস্টান বানিয়ে ফেলেছে বলেও স্বীকারোক্তি দেয়।

      জানা যায়, সাধারণ মসলিমদের সহজেই ধোঁকায় ফেলার জন্য নিজেদেরকে তারা মাওলানা, মুফতি পরিচয় দিতো।

      ভিডিও লিংক- https://archive.org/details/missionaries-convert-ordinary-muslims-to-christianity


      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভিডিও || ভারতে দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে দাড়ি, টুপি পরিহিত এক মুসলিম ব্যক্তিকে অপমান করেছে এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী নারী ও তার হিন্দু সহযোগীরা


        ​ভারতে দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে দাড়ি, টুপি পরিহিত এক মুসলিম ব্যক্তিকে অপমান করেছে এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী নারী ও তার হিন্দু সহযোগীরা। উগ্র মহিলাটি ভুক্তভোগী মুসলিমের পরনের কাপড় ও দাড়ি টেনে ধরে লাঞ্ছিত করেছে, ধর্মকে হাতিয়ার বানিয়ে হেনস্তা করেছে, জুতা দিয়ে আঘাত করে অপমান করেছে, এমনকি ভুক্তভোগীকে মেরে ফেলারও হুমকি দিয়েছে। মুসলিম ব্যক্তিটি প্রতিবাদের চেষ্টা করলে আশেপাশের উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতা মহিলার সমর্থনে ভুক্তভোগীর উপর আরও চড়াও হয়ে উঠে।

        ভিডিও : https://archive.org/details/in-the-c...of-delhi-india
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ভিডিও || পাকিস্তানের পেশোয়ারে আফগান অভিবাসীদের ওপর নির্মম উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী





          পাকিস্তানের পেশোয়ারে আফগান অভিবাসীদের ওপর নির্মম উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী।
          পেশোয়ারে আফগান শরণার্থীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পরিচালিত জোরপূর্বক উচ্ছেদ, গণগ্রেফতার ও অমানবিকতা—এ যেন ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরায়েলের নৃশংস দমননীতির ই পুনরাবৃত্তি।

          ভিডিও: https://archive.org/details/pakistan...eviction-drive
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজাজুড়ে বর্বর ইসরায়েলি হামলায় আরও ৩ ফিলিস্তিনি শহীদ, আহত ১৫



            যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও গাজা জুড়ে হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। ১৩ জুলাই, সোমবার চালানো পৃথক হামলায় অন্তত ৩ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আরও ১৫ জন আহত হয়েছেন।

            দক্ষিণ গাজা সিটির তাল আল-হাওয়া এলাকায় একটি বেসামরিক যানবাহন লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন থেকে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হলে ২৮ বছর বয়সী ওসামা নাঈম শামলাখ শহীদ হন। এ হামলায় আরও ৯ বেসামরিক ফিলিস্তিনি আহত হন।

            অন্যদিকে গাজা সিটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আত-তওয়াম মোড়ের কাছে একটি পুলিশ চৌকিতে ইসরায়েলি হামলায় চার পুলিশ সদস্য আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৩৬ বছর বয়সী থায়ের রমজি ফাইয়াদ পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদ হন।

            এ ছাড়া গাজার বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী আরও একাধিক হামলা চালায়। এতে আরো এক ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ৩ জন আহত হয়েছেন। বিশেষ করে দক্ষিণ গাজার খান ইউনুসের আল-মাওয়াসি এলাকায় এবং মধ্য গাজার আজ-জাওয়াইদা শহরের আল-রশিদ সড়কে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের তাঁবুতে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে আহতদের নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।


            ‎তথ্যসূত্র
            1. Three Palestinians killed, 15 wounded in Israeli attacks across Gaza
            https://tinyurl.com/nha4p8bh
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে লাখের বেশি পানিবন্দির জনপ্রতি সরকারি বরাদ্দ মাত্র দেড় টাকা



              চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে টানা এক সপ্তাহের ভারী বর্ষণে ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হলেও এখনো প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। সরকারি হিসাবে ৬০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে পানিবন্দি সংখ্যা ১ লাখেরও বেশি। তবে এই বিশালসংখ্যক দুর্গত মানুষের জন্য সরকারিভাবে জরুরি ত্রাণ বাবদ বরাদ্দ এসেছে মাত্র দেড় লাখ টাকা। যা জনপ্রতি পড়েছে দেড় টাকারও কম।

              দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, অপ্রতুল বরাদ্দ নিয়েই মাঠে নেমেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। বিচ্ছিন্ন ইউনিয়ন উড়িরচরসহ ১৪টি ইউনিয়নেই এই ত্রান বিতরণ করা হচ্ছে।

              সন্তোষপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আজমত আলী ত্রাণ পেয়েছেন। কিন্তু ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘পরিবারে পাঁচজন খাউইন্যা (সদস্য) আছে। যা হাইছি বড়জোর এক বেলা খানা অইব।’

              অন্যান্য এলাকায় জলাবদ্ধতা কমতে শুরু করলেও মুছাপুর ৩ নং ওয়ার্ডের অনেক ঘরবাড়িতে এখনো কোমরপানি। পানিবন্দি অবস্থায় অনাহার-অর্ধাহারে দিন কাটানো সাহারা খাতুন (৪৬) আকুতি জানিয়ে বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে চুলায় আগুন জ্বলে না। বাঁচি আছি না মরি গেছি, সরকারের কেউ খবরও নিতে আইয়ে ন।’

              উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন সাংবাদিকদের জানায়, ‘অন্যান্য উপজেলার তুলনায় আমরা অনেক কম বরাদ্দ পেয়েছি। সরকারি বরাদ্দ মাত্র দেড় লাখ টাকা।’


              তথ্যসূত্র:
              ১। লাখের বেশি পানিবন্দির জনপ্রতি বরাদ্দ মাত্র দেড় টাকা
              https://tinyurl.com/22kcjvub
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                দেশে বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৫৪, সাত জেলায় পানিবন্দি দেড় লক্ষাধিক পরিবার



                দেশে অতিবর্ষণ, পাহাড়ি ঢলে বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৪ জনে দাঁড়িয়েছে; দেশের সাত জেলায় এখনো পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে দেড় লাখের বেশি পরিবার। বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জনে।

                গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বন্যা সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য বলা হয়েছে।

                প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ, এই সাত জেলা বর্তমানে তীব্রভাবে বন্যা উপদ্রুত। সরকারি হিসাবে এসব জেলার মোট ৫৯টি উপজেলার ৩৩৪টি ইউনিয়ন ও ১২টি পৌরসভা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

                বন্যা ও ভূমি ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কক্সবাজারে। এ জেলায় এখন পর্যন্ত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ১৮ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। আহত হয়েছেন ২৪ জন এবং একজন এখনো নিখোঁজ।

                অন্যান্য জেলার মধ্যে চট্টগ্রামে ১৩ জন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে ৬ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।


                তথ্যসূত্র:
                ১। বৃষ্টি ও বন্যা: মৃত্যু বেড়ে ৫৪, সাত জেলায় পানিবন্দি দেড় লক্ষাধিক পরিবার
                https://tinyurl.com/bdzcxbzt
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধসহ ৩ দফা দাবি



                  দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ঢাকার সায়েন্সল্যাব, উত্তরা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও রাজশাহীতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয়।

                  গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেছেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি। কেউ কেউ পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন, আবার অনেকের অ্যাডমিট কার্ড বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তকে তারা অমানবিক ও অযৌক্তিক উল্লেখ্য করেন।

                  এদিকে চট্টগ্রামে সকাল ১১টা থেকে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

                  রাজশাহীতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, দেশজুড়ে ভয়াবহ দুর্যোগে বিভিন্ন এলাকা ডুবে গেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। ফলে কোমর সমান পানি মাড়িয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাছাড়া পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুলের ছড়াছড়ি রয়েছে যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতার ফল।

                  এ সময় ‘দুর্যোগ আর পরীক্ষা একসাথে চলে না’, ‘শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই, পদত্যাগ চাই ‘, ‘তুমি কে? আমি কে? ফার্মের মুরগি, ফার্মের মুরগি’ স্লোগান দেন তারা।

                  কুমিল্লাতেও বেলা ১১টায় নগরীর কান্দিরপাড় পূবালী চত্বরে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।

                  রাজধানীতে সকাল সাড়ে ১১টার পর ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব মোড়ে ধানমন্ডি থেকে নিউমার্কেটমুখী সড়ক অবরোধ করেন। একই সময়ে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনেও শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শেষে সড়ক অবরোধ করে।

                  বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা “দফা এক, দাবি এক—মিলনের পদত্যাগ”, “ভোগান্তির দায় নিতে হবে” এবং “বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়”—এমন নানা স্লোগান দেন।

                  আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে—

                  ১.দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলমান দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে।
                  ‎২.বৈরী আবহাওয়ার কারণে যেসব পরীক্ষার্থী ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে।
                  ৩.আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে পদত্যাগ করতে হবে।

                  শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারাদেশে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


                  তথ্যসূত্র:
                  ১। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে সায়েন্সল্যাব মোড় ও উত্তরায় অবরোধ, ৩ দফা দাবি
                  https://tinyurl.com/455azkfd
                  নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                  Comment

                  Working...
                  X