Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০১লা সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০১লা সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    ঐতিহাসিক দেওবন্দ মাদ্রাসার নিচে শিব মন্দির আছে দাবি করে আবারও বিতর্ক উস্কে দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী নেতা


    ভারতের উত্তর প্রদেশে অবস্থিত ঐতিহাসিক দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসার ১৪ ফুট নিচে শিব মন্দির রয়েছে দাবি করে আবারও বিতর্ক উস্কে দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু রক্ষা দলের নেতা ললিত শর্মা। প্রশাসন মন্দির নির্মাণের জন্য মাদ্রাসাটি পুনরুদ্ধারে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, তারা ত্রিশূল নিয়ে এসে সেখানে জলভিষেক করবে বলেও সে হুমকি দিয়েছে।

    উল্লেখ্য, জলভিষেক হলো হিন্দুদের একটি শিরকি প্রথা, যেখানে কথিত শিব দেবতা বা শিবলিঙ্গে তারা ভক্তিমূলক জল অর্পণ করে।

    ১৪ জুলাই উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে এক সাংবাদিক সাক্ষাৎকারে ঔদ্ধত্যের সাথে সে এই দাবিগুলো তুলে ধরে। তার অভিযোগ, মুসলমানরা শত বছর ধরে দেওবন্দ মাদ্রাসার স্থান দখল করে আছে।

    প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে সে বলেছে, দেওবন্দে তদন্ত প্রক্রিয়া আরম্ভ করতে প্রশাসন বিলম্ব করছে। শিব মন্দির তৈরির লক্ষ্যে দেওবন্দ মাদ্রাসায় অবিলম্বে তদন্ত আরম্ভ করতে সে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

    সে আরও হুঁশিয়ারি দেয় যে, কানওয়ার যাত্রাকালে (শিবপূজার সাথে সম্পর্কিত একটি তীর্থযাত্রা) হিন্দু তীর্থযাত্রীরা দেওবন্দের দিকে বিক্ষোভ করবে, এরপর সবকিছু তাদের হয়ে যাবে। এই দুর্বৃত্ত হিন্দুত্ববাদী আরও দাবি করে, ভারতের কোথাও মসজিদের প্রয়োজন নেই।

    সাক্ষাৎকারে উপস্থিত হিন্দুত্ববাদী জনতা স্লোগান তুলেছে, মথুরা ও কাশী কেবল একটি ঝলক মাত্র, দেওবন্দ এখনও বাকি রয়েছে।

    ভিডিও: https://x.com/MuslimSpaces/status/20...803967/video/1

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/3ch4vw3h
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মহারাষ্ট্রে ৩ মুসলিম স্কুলছাত্রকে খুঁটিতে বেঁধে হিন্দুত্ববাদীদের নির্মম নিপীড়ন, ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধেই পুলিশের অবস্থান

    ১০ জুলাই ভারতে মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলায় ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ৩ মুসলিম স্কুলছাত্রকে খুঁটিতে বেঁধে নির্মমভাবে নিপীড়ন করেছে একদল উগ্র হিন্দুত্ববাদী। উগ্রপন্থীরা ভুক্তভোগী মুসলিম বালকদের বেল্ট, বৈদ্যুতিক তার ও পাইপ দিয়ে মারধর করেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত হিন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

    নিপীড়নের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে মুসলিম বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়।

    ঘটনার দিন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান বালকদের পিতামাতা। নিপীড়ন বন্ধ করতে তারা হস্তক্ষেপ করলে হামলাকারীরা তাদেরকেও গালিগালাজ ও হুমকি-ধমকি দিতে আরম্ভ করে।

    পরবর্তীতে পিতামাতা থানায় অভিযোগ জানালে পুলিশ উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হাত থেকে কোনভাবে বালকদের উদ্ধার করে। এই সময় বালকদের পুরো শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে, তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

    কিন্তু বালকদের উদ্ধারের পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। পুলিশ উক্ত নিপীড়নের ঘটনায় প্রত্যক্ষ সাক্ষী হলেও তারা প্রাথমিকভাবে হিন্দুত্ববাদী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করেনি।

    বরং ঐদিন রাতে শচীন রাউতরও নামে প্রধান অভিযুক্ত ভুক্তভোগী মুসলিম বালকদের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ফলে স্থানীয় মুসলিম ও সচেতন শ্রেণির নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম নেয়।

    ঘটনার ১০ ঘণ্টারও অধিক সময় পার হলে হিন্দুত্ববাদী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা লিপিবদ্ধ করে পুলিশ। এই সময়ের মধ্যে প্রধান ২ আসামী শচীন রাউতরও এবং নীতিন শিন্ডে পালিয়ে যায়।

    এছাড়া ৬ অভিযুক্তকে প্রথমে পুলিশ আটক করেছিল, কিন্তু আটকের মাত্র ২ দিন পর এই হিন্দুত্ববাদীদেরও জামিন দেওয়া হয়।

    পরিবারের অভিযোগ, হিন্দুত্ববাদী দুর্বৃত্তরা বালকদের মুসলিম পরিচয়কে টার্গেট বানিয়ে অত্যাচার করেছে। অথচ বালকদের মুসলিম পরিচয় প্রকাশের উপর বেশি জোর না দিতে ভুক্তভোগী পিতামাতাদের নির্দেশ দেয় পুলিশ।

    ঘটনাটি ভারতে ক্রমবর্ধমান মুসলিম শিশু নিপীড়ন ও হিন্দুত্ববাদী পুলিশের মুসলিম বিরোধী অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/49nswfu4

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় নিখোঁজ দুই মাদরাসাছাত্রী, ১৩ দিনেও মেলেনি সন্ধান

      মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার একটি আবাসিক মহিলা মাদরাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া দুই শিক্ষার্থীর ১৩ দিন পার হলেও এখনো তাদের উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। দীর্ঘ সময় ধরে সন্তানদের কোনো খোঁজ না পেয়ে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে দুই পরিবারের।

      দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থী সাটুরিয়া উপজেলার জামিয়া জয়নব বিনতে জাহাশ (রা.) সৈয়দা গুলজান বেগম মহিলা মাদরাসার আবাসিক শাখায় থেকে পড়াশোনা করত। ১৩ দিন আগে তারা সাময়িক সময়ের জন্য বাইরে যাওয়ার কথা বলে মাদরাসা থেকে বের হয়। এরপর থেকে তারা আর মাদরাসা কিংবা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে আসেনি। আত্মীয়-স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

      নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের স্বজনরা সাংবাদিকদের জানান, সন্তানরা কোথায় এবং কেমন আছে, সে বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। গত ১৩ দিন ধরে চরম দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটছে তাদের। তারা প্রশাসনের প্রতি দ্রুত দুই শিক্ষার্থীকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

      শিক্ষার্থীরা নিখোঁজ হওয়ার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে সাটুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে ঘটনার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও তাদের অবস্থান শনাক্ত বা উদ্ধার করা সম্ভব না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্বজনরা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও পুলিশি তদন্তে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

      এদিকে, ১৩ দিন পরও দুই মাদ্রাসাছাত্রীর সন্ধান না মেলায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ঘটনার রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটন এবং দুই শিক্ষার্থীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

      তথ্যসূত্র:
      ১। ১৩ দিনেও মেলেনি সাটুরিয়ার নিখোঁজ দুই মাদ্রাসাছাত্রীর সন্ধান
      https://tinyurl.com/2an56bta
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        দেশে ৬ মাসে শিশুসহ ৪০৪ নারী ধর্ষণের শিকার, ১৭ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা

        দেশের নারী ও শিশুরা প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। গত ছয় মাসে দেশে ৪০৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২৩৮ জন ভুক্তভোগী শিশু ও কিশোরী। এছাড়া, ধর্ষণের পর ১৭ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

        গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) প্রকাশ করা দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে (জানুয়ারি-জুন) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

        প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় মাসে ১ হাজার ৬২১ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, যা আগের সালের একইসময়ে ছিল ১ হাজার ৪২ জন। অর্থাৎ, এক বছরে নির্যাতনের ঘটনা প্রায় ৫৬ শতাংশ বেড়েছে।

        প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ছয় মাসে ৮৮ নারী ও শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। ৪৭৬ নারী ও শিশুকে যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে।

        এছাড়া, যৌতুকের জন্য নির্যাতনের ঘটনায় ১৯ নারী নিহত হয়েছেন, ৮ জন আহত হয়েছেন এবং ৩ নারী আত্মহত্যা করেছেন। পারিবারিক সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৩২০ নারী, আহত হয়েছেন ২১১ জন এবং আত্মহত্যা করেছেন ১৪৭ জন। এসিড সহিংসতায় আহত হয়েছেন ৪ জন নারী।

        এইচআরএসএস জানায়, ছয় মাসে ১ হাজার ৭৭ শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০৫ জন মারা গেছে। ৭৭২ শিশু শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৬৭৩, যার মধ্যে নিহত হয়েছিল ১৩২ জন।

        প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের মূলধারার ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, এইচআরএসএসের সংগৃহীত তথ্য ও ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং রিপোর্টের ভিত্তিতে ছয় মাসের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পর এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

        প্রসঙ্গত, পশ্চিমা শাসনব্যবস্থার অধীনে মুখে নারীর স্বাধীনতা ও নারী ক্ষমতায়নের কথা বললেও প্রকৃত বাস্তবতা দিন দিন উন্মোচিত হচ্ছে। এ ব্যবস্থায় নারীদের প্রকৃত মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে ভোগবাদী সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করেছে, যার ফলে নারীরা প্রতিটি ক্ষেত্রে শোষণ, সহিংসতা ও জুলুমের শিকার হচ্ছেন।

        সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীরা বিচার কার্যক্রমের দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে আদালতের বারান্দায় ঘুরতে ঘুরতে যুগ যুগ পার করতে হয়। তবুও বিচার কার্যের শেষ দেখে যেতে পারেন না।

        তথ্যসূত্র:
        ১। ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ, নির্যাতন বেড়েছে ৫৬ শতাংশ: এইচআরএসএস
        https://tinyurl.com/3cyc8kzh
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X