Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ০৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২০শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ০৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২০শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    মধ্যপ্রদেশে মুসলিম পারিবারিক আইন নিষিদ্ধ করে বিতর্কিত অভিন্ন দেওয়ান বিধি (ইউসিসি) বিলের খসড়া অনুমোদন





    ১৯ জুলাই (রবিবার) মুসলিম পারিবারিক আইন নিষিদ্ধ করে বিতর্কিত অভিন্ন দেওয়ান বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বিলের খসড়া অনুমোদন করেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশ মন্ত্রীসভা। এর মাধ্যমে ৩ তালাক ও বহুবিবাহের মতো মুসলিম পারিবারিক আইন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অপরদিকে ইসলামে হারাম লিভ-ইন রিলেশনশিপের সম্পর্ককে নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে।

    ২০ জুলাই (সোমবার) থেকে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার বাদল অধিবেশনে বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে বলে জানা গেছে। অবশ্য নথিভুক্ত তফসিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের নাগরিকগণ এই আইনের আওতাভুক্ত থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

    বিতর্কিত আইনে বৈধ বিবাহের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া শিশু, দত্তক, টেস্টটিউব শিশু কিংবা জারজ শিশুদের সমান আইনি মর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে বৈবাহিক অবস্থান নির্বিশেষে পুত্র ও কন্যার জন্য সমান অধিকার প্রদান করা হচ্ছে।

    হিন্দুত্ববাদী মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের দাবি, ইউসিসি বিল বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, ভরণপোষণ, উত্তরাধিকার ও লিভ-ইন রিলেশনশিপ সম্পর্কিত বিষয়ে নাগরিকের জন্য একটি সাধারণ আইনি কাঠামো সরবরাহ করবে।

    অপরদিকে বিতর্কিত এই আইনের মাধ্যমে মুসলিমদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আইনে ইসলামী শরিয়ার প্রয়োগ নিষিদ্ধ হবে বলে মুসলিম বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/yc3fxfrz
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইরাকের মার্কিন সামরিক ঘাটিতে ইরানের হামলায় আরও এক মার্কিন সেনা নিৃহত, আহত ১


    উত্তর ইরাকে ইরানি হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের আরও এক সেনা সদস্য নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। জর্ডানের একটি ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত ও একজন নিখোঁজ হওয়ার পরদিনই এ ঘটনা ঘটল।

    মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ১৮ জুলাই, শনিবার উত্তর ইরাকে ভূপাতিত করা একটি ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার সময় ওই সেনা নিহত হয়েছে। এসময় অপর এক সেনা আহত হয়েছে।

    এই মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ১৭ জনে পৌঁছেছে।

    এর আগে ১৭ জুলাই, শুক্রবার জর্ডানে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত এবং আরেক সেনা নিখোঁজ হয়। সেন্টকম জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের কিছু মরদেহের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলছে।

    এদিকে টানা অষ্টম রাতের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। রবিবার ইরানের গণমাধ্যম জানায়, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের সিরিক শহরের কাছে এবং ইরাক সীমান্তসংলগ্ন শাদেগানের নিকট যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। পরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আবাদান এলাকায়ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।

    যুক্তরাষ্ট্রের এসব হামলার জবাবে ইরান কুয়েতের আল-আদিরি সামরিক ঘাটি এবং আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইরান।


    ‎তথ্যসূত্র
    1. US soldier killed in Iraq during ‘controlled detonation’ of Iranian drone
    https://tinyurl.com/2unmy6uv
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      চট্টগ্রামে বন্যায় রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি; ৬১৪ গ্রামীণ সড়ক ও ১৮০ ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত


      প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামে গ্রামীণ সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলার ১৫ উপজেলায় ৬১৪ গ্রামীণ সড়কের আংশিক কিংবা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সব মিলিয়ে এসব সড়কের দৈর্ঘ ৫০০ কিলোমিটার হবে। ব্রিজ-কালভার্ট ক্ষতি হয়েছে ১৮০ টি। এতে টাকার অংকে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯০ কোটি টাকার মত। অনেক স্থানে গ্রামীণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বড় ভরসা অভ্যন্তরীণ সড়কের সিংহভাগই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ভেঙে পড়েছে সেতু ও কালভার্ট। চট্টগ্রাম স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

      এদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্য ইতিমধ্যে নিয়মিত মেরামতের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর কাজ শুরু করেছে এলজিইডি।

      সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার টানা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের সৃষ্টি হয়। যা ছিল অন্যান্য যেকোন বছরের চেয়ে বেশি। অনেক গ্রামীণ সড়ক পানির প্রবল স্রোতে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় এখনও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পাশাপাশি কালভার্ট ভেঙে পড়েছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জেলার চার উপজেলায়।

      বিশেষ করে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও লোহাগাড়া উপজেলায়। সেখানে বন্যার পানির তীব্র স্রোতে সড়কগুলোর নিচের মাটি পর্যন্ত ধুয়ে গেছে। এতে অনেক গ্রাম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় দুর্ভোগে রয়েছে মানুষ। বিলের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে রাস্তা।

      উপজেলাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির চিত্র

      স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের হিসাব মতে, সাতকানিয়া উপজেলায় ৬১টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য প্রায় ৪৭ কিলোমিটার। চারটি ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এখানে। চন্দনাইশ উপজেলায় ৫৫টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ২৮ কিলোমিটার। এছাড়া গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছয়টি।

      লোহাগাড়া উপজেলায় ৩৯টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৩৮ কিলোমিটার। এছাড়া গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতটি। বাঁশখালী উপজেলায় ৫৮টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৪৬ কিলোমিটার। এছাড়া গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ষাটটি। এ ছাড়া পটিয়া উপজেলায় ৬২টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৪৭ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৮টি।

      আনোয়ারা উপজেলায় ৫৩টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ২৮ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪টি। বোয়ালখালী উপজেলায় ৩৫টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৪৩ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১১টি। মিরসরাই উপজেলায় ৩০টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ২৮ কিলোমিটার। এখানে গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৫টি। সীতাকুন্ড উপজেলায় ১৪টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ১১ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একটি।

      রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় ৩৩টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৫৯ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৪টি। সন্দ্বীপ উপজেলায় ৩৪টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ২২ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৩টি।

      হাটহাজারী উপজেলায় ২০টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ৪২ কিলোমিটার। এখানে গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪টি। ফটিকছড়ি উপজেলায় ৫৬টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ২৯ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৮টি।

      রাউজান উপজেলায় ৫২টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ২৭ কিলোমিটার। গ্রামীণ ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৬টি।

      কর্ণফুলী উপজেলায় ১২টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার দৈর্ঘ্য ১১ কিলোমিটার।

      এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার মধ্যে রয়েছে সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া। অনেক উপজেলায় ছোট ছোট সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক স্থানে সড়কের ধসে পড়া অংশ, হেলে পড়া কালভার্ট সেতু, গ্রামীণ সড়কের উপড়ে থাকা ইট ও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বন্যায় পানি নেমে যাওয়ার পর জেলার সড়ক যোগাযোগ ও যাতায়াত নিয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন এসব অঞ্চলের মানুষ।

      চট্টগ্রাম এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন জানান, বন্যায় চট্টগ্রাম জেলায় এলজিইডির আওতাভুক্ত সড়ক ও ব্রিজ কালভার্টসহ অন্যান্য অবকাঠামোর সম্ভাব্য ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩৯০ কোটি টাকা। যেহেতু চট্টগ্রাম জেলায় জুলাই ও অগাস্ট এই দুই মাস বন্যা প্রবণ সেহেতু আগামী সেপ্টেম্বর মাসে এই বছরের বন্যায় মোট ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে। তাছাড়া এলজিইডি থেকে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে এলজিইডির আওতাভুক্ত সড়ক ও সেতু মেরামতের জন্য পর্যায়ক্রমিক সংস্কারের প্রায় ৯০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। যা দিয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কিছু সড়ক মেরামত করা যাবে। কিন্তু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, সেতু-কালভার্ট মেরামতের জন্য আরো অতিরিক্ত প্রায় ৩০০ কোটি টাকা প্রয়োজন রয়েছে।


      তথ্যসূত্রঃ

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সাতক্ষীরায় রাতের ফোনকলের পর নিখোঁজ, সকালে মৎস্য ঘেরে মিলল যুবকের লাশ




        রাতের একটি রহস্যজনক ফোনকলের পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে ছিলেন মাইক্রোবাসচালক সুমন। এরপর আর বাড়ি ফেরা হয়নি তার। পরদিন সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার একটি মৎস্য ঘের থেকে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

        ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন আলামত ও পরিবারের হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনাটি ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

        সোমবার (২০ জুলাই) সকালে সদর উপজেলার মাগুরা-কৈখালী বিল এলাকার কেসমত আলীর মৎস্য ঘের থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

        নিহত সুমন (৩৫) সদর উপজেলার কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি পেশায় মাইক্রোবাসচালক ছিলেন।

        স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে ঘেরের মালিক কেসমত আলী টংঘরের বাতি বন্ধ করতে গিয়ে পানিতে একটি লাশ ভাসতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিদ্যুতের কাটা তার, লোহা কাটার দুটি ব্লেড, একটি সিমবিহীন বাটন মোবাইল ফোন ও একটি সিগারেটের প্যাকেটসহ কয়েকটি আলামত জব্দ করা হয়
        নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাত ১১টার দিকে একটি ফোনকল পেয়ে সুমন বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

        তাদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তার লাশ ঘেরে ফেলে রাখা হয়েছে।

        সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মুহা. মাসুদুর রহমান বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।


        তথ্যসূত্রঃ

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X