Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১১ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১১ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ২৬ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    পশ্চিমবঙ্গে ৬৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক আদিনা মসজিদ প্রাঙ্গণে শিবলিঙ্গ স্থাপনের ঘোষণা উগ্র হিন্দুত্ববাদী নেতার



    ভারতে পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় অবস্থিত প্রায় ৬৫০ বছর পুরোনো আদিনা মসজিদ প্রাঙ্গণে বৃহৎ শিবলিঙ্গ স্থাপনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে একটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন।

    সংগঠনটির দাবি, উক্ত স্থানে প্রাচীন ‘আদিনাথ শিবমন্দির’ এর কাঠামো বিদ্যমান ছিল। তাই ৩.৬ ফুট উচ্চতা ও প্রায় দেড় টন ওজনের শিবলিঙ্গ তারকেশ্বর থেকে এনে মসজিদের নিকটবর্তী স্থানে স্থাপন করা হবে।

    একটি ফেসবুকে পোস্টের মাধ্যমে শ্রাবণ মাসের দ্বিতীয় সোমবার (২৭ জুলাই) কথিত ‘আদিনাথের প্রাচীন শিবমন্দিরে’ শিরকি পূজা ও বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য ভক্তদের আহ্বান জানিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতা কাজল গোস্বামী।

    তার দাবি, কথিত এই ‘মন্দির’ ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার বাইরে অবস্থিত। তবে স্থানটিতে তারকেশ্বর থেকে আনা একটি শিবলিঙ্গ স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে প্রাচীন মন্দির কর্তৃপক্ষ।

    সে কোনও প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছে, আদিনাথ মন্দির ধ্বংস করে তার ওপর আদিনা মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। আদালতের রায় ও এএসআইয়ের তদন্তের মাধ্যমে ওই স্থানের ‘প্রকৃত ইতিহাস’ সামনে আনা হবে।

    এই দুর্বৃত্ত হিন্দুত্ববাদী আরও জানায়, তাদের চুড়ান্ত লক্ষ্য হলো মসজিদটি মন্দিরে পরিণত। ভবিষ্যতে মসজিদ কাঠামোর ভেতরে তারা শিবলিঙ্গ স্থাপন করবে।

    উল্লেখ্য, ১৩৭৩ সালে বাংলার সুলতান সিকান্দার শাহ নির্মিত আদিনা মসজিদ বর্তমানে ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের (এএসআই) অধীন কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিস্তম্ভ। এটি ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যযুগীয় যুগের বৃহত্তম মসজিদগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।

    অপরদিকে ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির উত্থানের পর আদিনা মসজিদ ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে উগ্রবাদীরা। বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা ইতিপূর্বে দাবি করেছে, আদিনা মসজিদ নাকি প্রাচীন মন্দিরের স্থানে নির্মিত।

    এই দাবিকে ঘিরে ইতিহাস ও সত্যের বদলে মিথ্যা বয়ান তৈরির অপচেষ্টা চলছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদের মতো আদিনা মসজিদ নিয়েও একটি ষড়যন্ত্রের জাল বোনা হচ্ছে।

    তাদের আশঙ্কা, মিথ্যা ন্যারেটিভের ছায়ায় আরও একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা ধ্বংসের পথে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/y5wzyesd
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পশ্চিম তীরে দুই মসজিদে আগুন দিল দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা





    অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের লাগামহীন সন্ত্রাস, ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং উসকানিমূলক হামলা ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। কথিত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা এবার দুটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করেছে। ফিলিস্তিনিরা বলছে, দখলদার বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী বসতি স্থাপনকারীরা এ ধরনের নৃশংস হামলা ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।

    ২৬ জুলাই, রবিবার অধিকৃত পশ্চিম তীরের তুলকারেমের দক্ষিণে কুর গ্রাম এবং নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা শহরে পৃথক হামলা চালিয়ে দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা দুটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়। ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, কুর গ্রামের একটি মসজিদে আগুন লাগিয়ে ভবনের অংশবিশেষ ও ভেতরের বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালে বর্ণবাদী উসকানিমূলক স্লোগানও লিখে রেখে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে আরও বড় ক্ষয়ক্ষতি ঠেকান।

    এর কয়েক ঘণ্টা আগেই কুসরা শহরে নির্মাণাধীন আর-রাহমা মসজিদেও আগুন দেয় সন্ত্রাসি বসতি স্থাপনকারীরা। কুসরার মেয়র আবদুল আজিম ওয়াদি জানান, এতে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত কাঠ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে যায়। ফিলিস্তিনের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে ‘জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে জানায়, ২০২৫ সালেই দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরে অন্তত ৪৫টি মসজিদে হামলা চালিয়েছে।

    এদিকে নাবলুসের পূর্বে বেইত ফুরিক শহরেও বসতি স্থাপনকারীরা এক ফিলিস্তিনির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং দেয়ালে আরবদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বর্ণবাদী স্লোগান লিখে যায়। ২৪ জুলাই, শুক্রবার নাবলুসের কাছে তাল শহরে বসতি স্থাপনকারী ও দখলদার সেনাদের যৌথ হামলায় চার ফিলিস্তিনি শহীদ হন। এরপর দখলদার বাহিনী নাবলুস ও আশপাশের এলাকায় অবরোধ জারি, গণগ্রেপ্তার অভিযান এবং বৃহৎ সামরিক আগ্রাসনের প্রস্তুতি নেয়।

    ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় অন্তত ১,১৮২ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন, হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন এবং প্রায় ২৪ হাজার ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের উপনিবেশ ও প্রাচীর প্রতিরোধ কমিশনের ৬ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ৩,৪৮৮টি হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার মধ্যে গ্রামে আক্রমণ, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, গুলিবর্ষণ, জমি দখল এবং নতুন অবৈধ বসতি স্থাপন উল্লেখযোগ্য। এসব ঘটনায় অন্তত ১৭ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।

    ফিলিস্তিনিরা সতর্ক করে বলেছে, বসতি স্থাপনকারীদের এই ধারাবাহিক সন্ত্রাস ও দখলদার বাহিনীর সামরিক অভিযান পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে দখলে নেওয়ার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ, যা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও সংকুচিত করছে।


    তথ্যসূত্র
    1. Israeli occupiers set fire to 2 mosques in occupied West Bank
    https://tinyurl.com/3u7dn26n
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      গাজায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শহীদ কমপক্ষে ৬ ফিলিস্তিনি



      অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের লাগামহীন সন্ত্রাস, ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং উসকানিমূলক হামলা ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। কথিত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা এবার দুটি মসজিদে অগ্নিসংযোগের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করেছে। ফিলিস্তিনিরা বলছে, দখলদার বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী বসতি স্থাপনকারীরা এ ধরনের নৃশংস হামলা ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছে।

      ২৬ জুলাই, রবিবার অধিকৃত পশ্চিম তীরের তুলকারেমের দক্ষিণে কুর গ্রাম এবং নাবলুসের দক্ষিণে কুসরা শহরে পৃথক হামলা চালিয়ে দখলদার ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা দুটি মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়। ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, কুর গ্রামের একটি মসজিদে আগুন লাগিয়ে ভবনের অংশবিশেষ ও ভেতরের বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়। হামলাকারীরা মসজিদের দেয়ালে বর্ণবাদী উসকানিমূলক স্লোগানও লিখে রেখে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনে আরও বড় ক্ষয়ক্ষতি ঠেকান।

      এর কয়েক ঘণ্টা আগেই কুসরা শহরে নির্মাণাধীন আর-রাহমা মসজিদেও আগুন দেয় সন্ত্রাসি বসতি স্থাপনকারীরা। কুসরার মেয়র আবদুল আজিম ওয়াদি জানান, এতে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত কাঠ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে যায়। ফিলিস্তিনের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ঘটনাকে ‘জঘন্য অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে জানায়, ২০২৫ সালেই দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে বসতি স্থাপনকারীরা পশ্চিম তীরে অন্তত ৪৫টি মসজিদে হামলা চালিয়েছে।

      এদিকে নাবলুসের পূর্বে বেইত ফুরিক শহরেও বসতি স্থাপনকারীরা এক ফিলিস্তিনির বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং দেয়ালে আরবদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বর্ণবাদী স্লোগান লিখে যায়। ২৪ জুলাই, শুক্রবার নাবলুসের কাছে তাল শহরে বসতি স্থাপনকারী ও দখলদার সেনাদের যৌথ হামলায় চার ফিলিস্তিনি শহীদ হন। এরপর দখলদার বাহিনী নাবলুস ও আশপাশের এলাকায় অবরোধ জারি, গণগ্রেপ্তার অভিযান এবং বৃহৎ সামরিক আগ্রাসনের প্রস্তুতি নেয়।

      ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত পশ্চিম তীরে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় অন্তত ১,১৮২ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন, হাজারো মানুষ আহত হয়েছেন এবং প্রায় ২৪ হাজার ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফিলিস্তিনের উপনিবেশ ও প্রাচীর প্রতিরোধ কমিশনের ৬ জুলাইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ৩,৪৮৮টি হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার মধ্যে গ্রামে আক্রমণ, বাড়িতে অগ্নিসংযোগ, গুলিবর্ষণ, জমি দখল এবং নতুন অবৈধ বসতি স্থাপন উল্লেখযোগ্য। এসব ঘটনায় অন্তত ১৭ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।

      ফিলিস্তিনিরা সতর্ক করে বলেছে, বসতি স্থাপনকারীদের এই ধারাবাহিক সন্ত্রাস ও দখলদার বাহিনীর সামরিক অভিযান পশ্চিম তীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে দখলে নেওয়ার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ, যা একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও সংকুচিত করছে।


      তথ্যসূত্র
      1. Israeli occupiers set fire to 2 mosques in occupied West Bank
      https://tinyurl.com/3u7dn26n
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        গাজায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শহীদ কমপক্ষে ৬ ফিলিস্তিনি



        গাজাজুড়ে বর্বর ইসরায়েলি হামলায় গাজার উত্তর গভর্নরেটের পুলিশপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল নাসের মোহাম্মদ আল-মাকাদমা সহ অন্তত ৬ ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ৩৭ জন আহত হয়েছেন। গাজা সিটির শেখ রাদওয়ান এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

        ২৬ জুলাই, রবিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে আনাদোলু এজেন্সি ও প্যালেস্টাইন ক্রনিকলস এ তথ্য জানিয়েছে।

        মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ৫৪ বছর বয়সী আল-মাকাদমা ইসরায়েলি বাহিনীর সরাসরি হামলায় শহীদ হন। ওই হামলায় আরও কয়েকজন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন। এতে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনে মোট শহীদের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৩১৭ জনে পৌঁছেছে।

        গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, গাজার পুলিশ বাহিনীকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যাতে গাজাজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যায়।

        মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তর, টহল দল, যানবাহন এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর সরাসরি ইসরায়েলি হামলায় ৫৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য শহীদ হয়েছেন।

        মন্ত্রণালয় আরও জানায়, ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজার ১৯১ ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ৩ হাজার ৮৫৩ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া একই সময়ে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮০৩ জন শহীদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।


        তথ্যসূত্র
        1. Israeli Strike Kills North Gaza Police Chief as Attacks Continue across Strip
        https://tinyurl.com/mvjnykxy
        2. 2 Palestinians killed, at least 14 injured in Israeli attacks across Gaza despite ceasefire
        https://tinyurl.com/36fpwfd7
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ১৫ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ১১ যুদ্ধবিমান ও ১৭ ড্রোন ধ্বংস, এবং ২০০ সেনা নিহতের দাবি ইরানের




          নতুন দফায় ১৫ দিনের সর্বশেষ সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়াও নজরদারি পরিচালনায় ব্যবহৃত মার্কিন ১৭টি অত্যাধুনিক ড্রোন ধ্বংস হয়েছে এবং শতাধিক মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছে। ২৫ জুলাই, শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

          শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি বলেন, গত ৮ জুলাই থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে পরিচালিত অভিযানে ১৭টি ড্রোন, একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, একটি পি-৮ নজরদারি বিমান, একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান এবং জ্বালানি সরবরাহকারী ৮টি মার্কিন বিমান ধ্বংস করা হয়েছে। এ ছাড়াও ৯টি কমান্ড সেন্টার, বেশ কিছু প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমের রাডার এবং ১৭টি অস্ত্রের গুদামসহ বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করার দাবি করেছে তেহরান।

          সবচেয়ে বড় দাবিটি এসেছে প্রাণহানি নিয়ে। আইআরজিসি মুখপাত্র দাবি করেন, মার্কিন হামলায় ইরান পাল্টা জবাব দিলে অন্তত ২০০ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়। তিনি ওয়াশিংটনের প্রকাশিত হতাহতের সংখ্যাকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোকে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানান।

          বিবৃতিতে জেনারেল মোহেব্বি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ব্রিটেনসহ যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে এই অভিযানে সহায়তা করবে, তারা ইরানের ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে গণ্য হবে। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েল মূলত ভুয়া গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে এই যুদ্ধে জড়িয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করেছে যে তারা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত এবং যুদ্ধের নতুন কোনো ক্ষেত্র তৈরি হলে ইসরায়েলকে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।


          তথ্যসূত্র
          1. Iran claims it destroyed 11 US warplanes, helicopters on ground during recent conflict
          https://tinyurl.com/mr4a6nky
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            আলেমদের ব্যাখ্যাকে “চরমপন্থী ইসলাম” আখ্যায়িত করে যুদ্ধের ঘোষণা ইব্রাহিম ট্রাওরের






            বুরকিনা ফাসোর সামরিক (জান্তা) নেতা ইব্রাহিম ট্রাওরে দেশটির আলেমদের উদ্দেশে দেওয়া এক বিবৃতিতে (তার ভাষায়) “চরমপন্থী ইসলামের” বিরুদ্ধে লড়াই শুরুর ঘোষণার দিয়েছে। সে বলেছে, “এটাই যদি তোমাদের ইসলাম হয়, আমরা এর বিরুদ্ধে লড়ব। চরমপন্থীদের অবশ্যই বদলাতে হবে। যদি তারা না বদলায়, তাহলে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।”

            বিবৃতিতে ট্রাওরে জান্তা সরকারের গৃহীত “ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন”-এর পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেছে, এর লক্ষ্য হলো বুরকিনা ফাসোর ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোকে শক্তিশালী করা। দেশটির এই সামরিক নেতা বলেছে যে, যেসব ইমাম তাদের ধর্মোপদেশের মাধ্যমে “চরমপন্থী ধারণা” ছড়ানোর চেষ্টা করবে, তাদেরকে বরখাস্ত করা হবে। তবে রাষ্ট্র সেইসব ধর্মীয় পণ্ডিতদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে, যারা “ইসলামের শান্তিপূর্ণ ব্যাখ্যার” পক্ষে কথা বলবেন। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশটির জান্তা সরকারের সাথে দেশের শীর্ষস্থানীয় সুন্নি আলেম ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের উত্তেজনা বৃদ্ধির পর ট্রাওরের এই মন্তব্য এসেছে। গত মে মাসের শেষে প্রভাবশালী স্থানীয় সুন্নি আলেম ইমাম মোহাম্মদ ইসহাক কিন্দো খুতবায় সরকারের “ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন” সহ ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।

            এই খুতবার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করে জান্তা বাহিনী। এসময় ইমাম মোহাম্মদ ইসহাক কিন্দোর মুক্তির দাবিতে রাজধানী ওয়াগাদুগুর বৃহত্তম মসজিদের সামনে বিক্ষোভ করেন সাধারণ মুসলিমরা। এই বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে “জনশৃঙ্খলা” বিঘ্নিত হওয়ার অজুহাত তুলে রাজধানীর বৃহত্তম মসজিদটি বন্ধ করে দেয় ইব্রাহিম ট্রাওরের সরকার। এসময় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী ১০০ জন মুসলিমকে বন্দী করে সামরিক কারাগারে পাঠায় সামরিক জান্তা। একইভাবে চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে ইমাম মাহমুদ বারোকেও গ্রেপ্তার করে জান্তা বাহিনী। এরপর সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম ট্রাওরে সম্মানিত আলেমদের এই সমালোচনা ও জনসাধারণের বিক্ষোভকে ‘উগ্রবাদী’ কর্মকাণ্ড হিসেবে আখ্যা দেয়। আর দ্বীনের সঠিক ব্যাখ্যাকে সে “চরমপন্থী ইসলাম” হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে এবং এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুর ঘোষণা দেয়। উল্লেখ্য যে, গত ২০ জুন বুরকিনা ফাসোর অন্তর্বর্তীকালীন সংসদ কর্তৃক পাস হয় ‘ধর্মীয় স্বাধীনতা আইন’।

            এই আইনের মাধ্যমে মসজিদে জায়গা সংকুলান না হলে সাময়িকভাবে রাস্তায় জুমার নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা, খুতবায় শুধু “শান্তির ইসলাম” প্রচারে চাপ, দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর নজরদারি, ধর্মীয় সংগঠনগুলোর অর্থ ব্যয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণসহ বেশ কিছু নিয়ম জারি করা হয়েছে। এর বিপরীত কিছু করলে কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। জান্তা সরকার বলছে, এই আইনটির লক্ষ্য “দেশের ধর্মনিরপেক্ষ সাংবিধানিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।”
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              আসামে কেবল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের উদ্যোগ নেওয়ার অভিযোগে ৩ মুসলিম যুবক গ্রেপ্তার




              আসামের লখিমপুর জেলার লালুক এলাকার ৩ মুসলিম যুবককে গ্রেপ্তার করেছে আসাম পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, তারা দেশজুড়ে চলমান ছাত্র-যুব আন্দোলনের সমর্থনে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজনের চেষ্টা করেছে।

              গ্রেপ্তার হওয়া মুসলিমগণ হলেন—মঞ্জুর রহমান (২৩), আশরাফুল ইসলাম (২১) এবং আব্দুল কাশেম (২৩)। মঞ্জুর রহমান ও আশরাফুল ইসলাম মাস্টার্সে (M.Com) অধ্যয়ন করছেন। অপরদিকে, আব্দুল কাশেম ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্সে স্নাতক।

              পরিবারের সদস্যদের দাবি, আন্দোলনের সমর্থনে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আয়োজনের উদ্দেশ্যে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলেছিল এই ৩ যুবক। সম্প্রতি এই আন্দোলনের জেরেই শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে।

              মঞ্জুর রহমানের বাবা মজিবুর রহমান বলেন, “আমার ছেলে বিক্ষোভের আয়োজনের চেষ্টা করে অসাংবিধানিক কোনও কাজ করেনি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তরুণরা আন্দোলন করছে। এছাড়া আমার ছেলে তো বিক্ষোভ শুরুই করেনি, আয়োজনের চেষ্টা করেছিল মাত্র।”

              আশরাফুল ইসলামের বাবা আইয়ুব আলীর অভিযোগ, আমরা মুসলিম হওয়ার কারণেই আমাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

              পরিবারের সদস্যরা আরও জানিয়েছে, পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করেছিল। তবে আদালত সেই আবেদন নাকচ করে তাদের বিচার প্রক্রিয়ায় পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

              উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই যুবকদের বিরুদ্ধে ভারতের সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও অখণ্ডতার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।


              তথ্যসূত্র:
              1. https://tinyurl.com/snt8t5y3
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                চাঁদপুরে চাঁদা না দেওয়ায় এক পরিবারের ওপর হামলা, আহত চার


                চাঁদপুরের হাইমচরে চাঁদার টাকা না দেওয়ায় একটি নিরীহ পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে চারজনকে গুরুতর আহত করেছে চাঁদাবাজরা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) জুমার নামাজ শেষে হাইমচর উপজেলার ভিঙ্গুলিয়া বায়তুন নূর জামে মসজিদের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

                এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দায়ের করার পর পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হল হাইমচর উপজেলার ভিঙ্গুলিয়া (গাজী বাড়ি) গ্রামের বাসিন্দা নাজমুল হোসেন বাবু গাজী (৩০) এবং রাফি গাজী (২৫)।

                গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামি নাজমুল হোসেন বাবু গাজী বাদী ফরিদা বেগমের স্বামী মান্নান শেখের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। ঘটনার দিন জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তার পথরোধ করে চাঁদার টাকা দাবি করে। ওই সময় টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা রামদা, লোহার পাইপ ও ছেনী নিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে মান্নান শেখসহ চারজনকে গুরুতর আহত করে।

                পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।


                তথ্যসূত্র:
                ১। চাঁদা না পেয়ে নিরীহ পরিবারের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ২
                -https://tinyurl.com/mtu2r3zr
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  সাভারে চাঁদা না দেয়ায় আবাসিক ভবনে অস্ত্রের মুখে তিনজনকে ৫ ঘণ্টা জিম্মি করে রাখল সন্ত্রাসীরা




                  ঢাকার সাভারে চাঁদার জন্য নারীসহ তিনজনকে পাঁচ ঘণ্টা জিম্মি করে রাখে একদল সন্ত্রাসী। পুলিশ জিম্মিদের উদ্ধার করতে গেলে তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

                  শনিবার (২৫ জুলাই) সাভারের জামগড়া চৌরাস্তায় চৌধুরী প্লাজায় (শরীফ মার্কেট) এই ঘটনা ঘটে। পাঁচ তলা ভবনের মালিক শরীফ চৌধুরী। ভুক্তভোগীরা জানায়, চাঁদা না পেয়ে সন্ত্রাসী ‘শ্যুটার বাপ্পী’ ও তার সহযোগীরা শরীফ চৌধুরীর মার্কেটের ব্যবস্থাপক লিমা আক্তারসহ তিনজনকে জিম্মি করে।

                  গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, চাঁদার জন্য শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে ভবনের পাঁচ তলায় শরীফ চৌধুরীর ফ্ল্যাটে হানা দেয় বাপ্পী ও তার সহযোগীরা। এ সময় বাসা থেকে মার্কেটের ব্যবস্থাপক লিমা আক্তার, বাসার তত্ত্বাবধায়ক এবং স্যানিটারি মিস্ত্রিকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তারা। তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। টানা পাঁচ ঘণ্টা তাদের জিম্মি রেখে ঘরের লকার, আলমারি ও অফিসের ড্রয়ারে তল্লাশি করে সন্ত্রাসীরা।

                  পরে ঘটনার একপর্যায়ে লিমার কোনো সন্ধ্যান না পেয়ে বাড়ির মালিক কতৃপক্ষের লোকজন পুলিশে খবর দেয়। দুপুর ১২টার দিকে খবর পেয়ে ভবনে অভিযান চালান পুলিশের ১০-১২ সদস্য। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি ৭-৮ রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ ৪-৫ রাউন্ড পাল্টা গুলি ছুড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

                  শরীফ চৌধুরীর স্ত্রী মাহি চৌধুরী সাংবাদিকদের জানায়, আগেও শ্যুটার বাপ্পী আমার স্বামীর গাড়ি আটকে রেখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন সে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা চেয়ে আসছে। জেল থেকে বের হয়ে তারা আবার এই চাঁদাবাজি শুরু করেছে। আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি।

                  ঘটনার বিষয়ে লিমা আক্তার জানায়, ‘সকালে বাসায় ঢুকেই সবার ফোন কেড়ে নেয় বাপ্পী। পিস্তল উঁচিয়ে আমাদের তিনজনকে জিম্মি করে। সে যেখানে যাচ্ছিল, আমাকে পিস্তলের সামনে রেখে নিয়ে যাচ্ছিল। দুপুর ১২টার দিকে পুলিশ এলে আমাকে একটি হ্যান্ডকাফের মতো একটি জিনিস পরিয়ে ঢাল করে। আমাকে সামনে রেখেই দুই হাতে পিস্তল উঁচিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি করতে করতে বাথরুমের ওপর দিয়ে লাফিয়ে পালিয়ে যায় সে।’

                  পুলিশ সাংবাদিকদের জানায়, গত বছরের ১৯ জুন মধ্যরাতে রাজধানীর ফকিরাপুলে গোয়েন্দা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটে। এর ৯ দিন পর দুই সহযোগীসহ সন্ত্রাসী বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। এ সময় তিনটি বিদেশি পিস্তল, ছয়টি গুলিভর্তি ম্যাগাজিনসহ ১৫১ রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। বাপ্পীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আগেও আশুলিয়ার জামগড়ায় প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের সঙ্গে বাপ্পী বাহিনীর গোলাগুলি হয়েছে।


                  তথ্যসূত্র:
                  ১। সাভারে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের গোলাগুলি
                  https://tinyurl.com/5fday928
                  নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                  Comment


                  • #10
                    কলকাতায় ছাত্র জনতার বিক্ষোভে গ্রেপ্তারকৃতদের ওপর কথিত ‘গুণ্ডা আইন’ প্রয়োগ, আটক ১১ জনের মধ্যে ১০ জনই মুসলিম



                    শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে কলকাতায় শুক্রবার (২৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত ছাত্র জনতার বিক্ষোভ মিছিলে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। বিক্ষোভে সহিংসতার অভিযোগ তুলে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, এর মধ্যে ১০ জন মুসলিম বলে জানানো হয়েছে।

                    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০২৬ (‘গুণ্ডা আইন’ নামে বহুল পরিচিত) প্রয়োগ করেছে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী সরকার।

                    উক্ত আইন অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষ বিচার ছাড়াই সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক রাখতে পারবে। এছাড়া কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তকে নির্দিষ্ট জেলা বা এলাকা ছাড়ার নির্দেশ (এক্সটার্নমেন্ট অর্ডার) জারি করতে পারে এবং বেআইনি কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে পারে।

                    বিভিন্ন নাগরিক অধিকার সংগঠন ও বিরোধী রাজনৈতিক দল আইনটির কঠোর সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, অপরাধ প্রমাণ হওয়ার আগেই প্রতিরোধের নামে অভিযুক্তকে এভাবে আটকে রাখা অযৌক্তিক, এটি রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করছে। মূলত আইনটিকে মুসলমানসহ সরকার বিরোধীদের দমনের একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকগণ।

                    এদিকে শনিবার (২৫ জুলাই) বিধানসভায় হিন্দুত্ববাদী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছে, বিক্ষোভ থেকে শনাক্ত হওয়া প্রায় ৭০ জনের কেউই শিক্ষার্থী নন এবং নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই।

                    মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করে সে আরও দাবি করেছে, রাজ্যে মাদ্রাসার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ, ওবিসি সনদ সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন, গবাদিপশু জবাই-সংক্রান্ত আইন প্রয়োগ এবং মসজিদে মাইক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞার পদক্ষেপে একটি শ্রেণি ক্ষোভ থেকে এই সহিংসতা উসকে দিয়েছে।


                    তথ্যসূত্র:
                    1. https://tinyurl.com/3wbrz6ce
                    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                    Comment

                    Working...
                    X