Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ১৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ১৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ৩০ শে জুলাই, ২০২৬ ঈসায়ী

    প্রশাসনকে না জানিয়ে সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ মন্দিরে ভারতীয় কূটনীতিকের আকস্মিক সফর



    কোনো পূর্বঘোষিত কর্মসূচি নেই, স্থানীয় প্রশাসনও জানে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও ছিল না কোনো আগাম তথ্য। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির ও সতীপীঠ পরিদর্শন করেছে চট্টগ্রামে নবনিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হরিশ কুমার। একজন বিদেশি কূটনীতিকের এ আকস্মিক সফর ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা।

    দৈনিক আমার দেশ এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে স্বল্পসংখ্যক সহযোগী নিয়ে ভারতীয় এ কূটনীতিক চন্দ্রনাথ মন্দিরে যায়। এ সময় সে ৫১ সতীপীঠের মা ভবানী মন্দিরে প্রার্থনায় অংশ নেয়। পরে পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত শ্রী শ্রী ক্রমদীশ্বর স্বয়ম্ভুনাথ মন্দির, শ্রী শ্রী ভৈরব মন্দির, ব্যাসকুণ্ডসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন করে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সফরের সময় সে মন্দিরগুলোর বর্তমান অবস্থা, সংরক্ষণ কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং তীর্থযাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়।

    তবে এ সফরের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে কোনো পূর্ব তথ্য না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সফরের উদ্দেশ সম্পর্কেও ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

    সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায়, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সীতাকুণ্ড সফরের বিষয়ে আমার কাছে কোনো পূর্ব তথ্য ছিল না। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে হয়ত পুলিশ জানতে পারে।

    সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন সংবাদ মাধ্যমকে জানায়, ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার সীতাকুণ্ডে এসেছিলেন, এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ কিছুই জানে না। এমনকি ডিএসবির কাছেও এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই।

    চট্টগ্রাম উত্তর জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক জিতেন্দ্র নারায়ণ দাস নাটু সাংবাদিকদের জানায়, আমি ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার চন্দ্রনাথ ধাম পরিদর্শনে এসেছিলেন। এর বাইরে বিস্তারিত কোনো তথ্য আমার কাছে নেই।

    সীতাকুণ্ড জগন্নাথ মন্দিরের সভাপতি মনোজ কুমার নাথ সাংবাদিকদের জানায়, সীতাকুণ্ড উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং পৌরসভা পূজা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কেউই এ বিষয়ে কিছু জানে না।


    তথ্যসূত্র:
    ১। চন্দ্রনাথ ধামে ভারতীয় কূটনীতিকের আকস্মিক সফর, জানে না প্রশাসন
    https://tinyurl.com/yt4v796x
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৩ বছরে এতিম হয়েছে ৬০ হাজারের বেশি শিশু




    ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে বর্বর ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় ৬০ হাজারের বেশি শিশু এতিম হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

    মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত মোট ৬০ হাজার ৭৩৭ শিশু তাদের বাবা অথবা মায়ের অন্তত একজনকে হারিয়েছে। এর মধ্যে ৫২ হাজার ৯৫ জন শিশু বাবাকে, ৫ হাজার ৯২৯ জন মা-কে এবং ২ হাজার ৭১৩ জন শিশু বাবা ও মা-দুজনকেই হারিয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে গাজায় ২ হাজার ২৭৬টি পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এসব পরিবারের মোট সদস্যসংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৮৫৮ জন। পরিবারগুলোর কোনো সদস্য জীবিত না থাকায় তাদের নাম গাজার নাগরিক নিবন্ধন থেকেও মুছে গেছে।

    ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজার ২৫০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। একই সঙ্গে গাজার প্রায় পুরো জনগোষ্ঠী বারবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিদ্যালয়, হাসপাতাল, শিশুসেবা কেন্দ্র এবং অন্যান্য মৌলিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় এতিম শিশুদের সংকট আরও গভীর হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজাজুড়ে ইসরায়েলি হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পরও এসব হামলায় ১ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।


    তথ্যসূত্র
    1. More than 60,000 children in Gaza have lost parents since October 2023
    https://tinyurl.com/3u3nftr8
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ



      শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরে গ্রামবাসীর সহায়তায় পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে। সেই সঙ্গে আটক করা হয়েছে তিন ব্যক্তিকে।

      গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের ওই গৃহবধূর স্বামীকে পূর্বপরিচিত কয়েকজন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর স্বামীকে একটি নির্জন স্থানে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে স্ত্রীকে সেখানে ডেকে আনে ওই ব্যক্তিরা। এরপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই নারীকে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করে। এ সময় ওই নারীর চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সেখানে ছুটে যান। তারা ৯৯৯–এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

      পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, ‘আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় একটি পক্ষের মাদকের বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। পুলিশ তদন্ত করে পুরো বিষয় খতিয়ে দেখছে। আর ধর্ষণের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

      ভুক্তভোগী নারী সাংবাদিকদের জানায়, ‘রাতে কয়েকজন ব্যক্তি আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পাশের একটি গ্রামের নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে জিম্মি করে। এরপর রাত ১০টার দিকে আমাকে ফোন করে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে সেখানে যেতে বলে। গিয়ে দেখি, আমার স্বামীকে একটা গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। আরেকটি গাছের আড়ালে নিয়ে আমার মুখ চেপে দুই ব্যক্তি ধর্ষণ করেছে আমাকে। তাদের থেকে বাঁচার জন্য অনেক কাকুতি–মিনতি করেছি, তাদের পায়ে ধরেছি। কিন্তু কেউ কোনো কথা শোনেনি।’


      তথ্যসূত্র:
      ১। শরীয়তপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ
      https://tinyurl.com/yc4f3fwr
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ঠাকুরগাঁওয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের



        ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ঘরে ঢুকে এক কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

        মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করেছেন। এর আগে সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চিলারং গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তের নাম মো.আলাউদ্দীন (৫৬)। সে ১ নম্বর ওয়ার্ডের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।

        গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগীর বাবা পেশায় দিনমজুর। সোমবার সকালে তিনি অসুস্থ বড় মেয়েকে ডাক্তার দেখানোর জন্য দিনাজপুরে নিয়ে যান। একই দিন সকালে তার স্ত্রী কাজের উদ্দেশে বাইরে বের হলে ১৫ বছর বয়সী ছোট মেয়ে ঘরে একা অবস্থান করছিল।

        দুপুর দেড়টার দিকে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন বাড়িতে এসে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি চায়। কিশোরী ফটোকপি দিলে মেম্বার তখন পরিবারের অন্য সদস্যদের বিষয়ে খোঁজ নেয়। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ঘরের ভেতরে ঢুকে কিশোরীর গায়ে হাত দেয় এবং একপর্যায়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। কিশোরী তখন আত্মরক্ষার্থে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়ে এবং সুযোগ বুঝে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার শুরু করে।

        কিশোরীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য সুকৌশলে পালিয়ে যায়। পরে দিনাজপুর থেকে কিশোরীর বাবা ফিরে এসে মেয়ের গলায় আঁচড়ের দাগসহ শারীরিক অসুস্থতা দেখে তাকে দ্রুত ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ঠাকুরগাঁওয়ে ভর্তি করান।

        ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন কোনো কথা না শুনে উলটো দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়।


        তথ্যসূত্র:
        ১। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের
        https://tinyurl.com/ku3yunxr

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          অন্যায্য যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান চাপ: এক সপ্তাহে দুই ইসরায়েলি নারী সেনার আত্মহত্যা



          ​দখলদার ইসরায়েল কর্তৃক গাজা, লেবানন, সিরিয়া ও ইরানে চালানো টানা প্রায় তিন বছরের অন্যায় আগ্রাসনের মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয় দিন দিন স্পষ্ট হয়ে উঠছে দখলদার ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে। দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ, অবিরাম মোতায়েন এবং মানসিক চাপের কারণে চলতি বছর ইসরায়েলি সেনাদের আত্মহত্যার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে।

          ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে আরও দুই নারী সেনা আত্মহত্যা করেছে। এর ফলে ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কর্মরত অন্তত ১৬ জন ইসরায়েলি সেনা আত্মহত্যা করেছে।

          প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের একজন মিসর সীমান্তে মোতায়েন বারদেলাস ব্যাটালিয়নে দায়িত্ব পালন করছিল। দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে আত্মহত্যার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে। অন্য নারী সেনা তেল আবিবের নিকটবর্তী গ্লিলট সামরিক ঘাঁটির গোয়েন্দা ইউনিটে কর্মরত ছিল। সে ঘাঁটির ভেতর আত্মহত্যা করে।

          হিব্রু ভাষার বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গ্লিলট ঘাঁটির ওই সেনা মানসিক চাপে ভুগছিল এবং দায়িত্ব কমানো বা আগাম অব্যাহতির আবেদন করেছিল। তবে তার আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়।

          হারেৎজ আরও জানিয়েছে, কর্মরত সেনাদের বাইরে যুদ্ধ থেকে ফেরত আসা অন্তত আরও ৯ জন সাবেক সেনাও আত্মহত্যা করেছে। এছাড়া ২০২৫ সালে কর্মরত সেনাদের মধ্যে ২২টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে, যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

          বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর শুরু হওয়া যুদ্ধ ইসরায়েলি সেনাদের ওপর ব্যাপক মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে। গাজা যুদ্ধের পাশাপাশি লেবানন, সিরিয়া ও ইরানকে ঘিরে একাধিক ফ্রন্টে সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে নিয়মিত ও রিজার্ভ—উভয় বাহিনীর সদস্যদের দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এর ফলে ক্লান্তি, যুদ্ধজনিত মানসিক আঘাত এবং মানসিক অবসাদের ঘটনা বাড়ছে।

          পর্যবেক্ষকদের মতে, ইসরায়েলি সেনাদের মধ্যে আত্মহত্যার ক্রমবর্ধমান ঘটনা শুধু একটি সামরিক সংকট নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী অন্যায্য যুদ্ধের কারণে দেশটির সামরিক কাঠামোর ওপর বাড়তে থাকা চাপ এবং মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয়েরও ইঙ্গিত বহন করে।


          তথ্যসূত্র
          1.Two Female Israeli Soldiers Die by Suicide as IDF Mental Health Crisis Deepens
          https://tinyurl.com/mrxy4rxx
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X