Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২১ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৫ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২১ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৫ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

    অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রসদৃশ বস্তুর হামলায় লোহিত সাগরে ডুবে গেল ভারতীয় জাহাজ



    লোহিত সাগরে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রসদৃশ বস্তুর হামলায় একটি ভারতীয় পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। ৪ আগস্ট, মঙ্গলবার ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

    জাহাজটিতে মোট ১৪ জন নাবিক ছিল। তাদের মধ্যে ১৩ জন ভারতীয় এবং একজন ইয়েমেনের নাগরিক। ইয়েমেনের নিরাপত্তা বাহিনী সবাইকে জীবিত উদ্ধার করেছে। পরে তাদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

    ডুবে যাওয়া জাহাজটির নাম এমএসভি ফাইজে নূরে অলিয়া (MSV Faize Noore Oliya)। জাহাজটি হুথি নিয়ন্ত্রিত বন্দরনগরী হোদেইদাহর দক্ষিণে প্রায় ১৩ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। এ সময় একটি ক্ষেপণাস্ত্রসদৃশ বস্তুর আঘাতে জাহাজটি উল্টে যায় এবং পরে ডুবে যায়।

    ইয়েমেনের ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্স জানিয়েছে, কোস্ট গার্ড ও নৌ ইউনিটের যৌথ অভিযানে সব নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে।

    ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির উপকূলীয় অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে ইরান-সমর্থিত শিয়া বিদ্রোহীগোষ্ঠী হুথিরা। লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর ও ভারত মহাসাগরকে সংযুক্ত করা এই প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক নৌপথ হিসেবে পরিচিত।

    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লোহিত সাগর ও আশপাশের সমুদ্রপথে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা বেড়েছে। গত মাসে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দেয়। তারা জানায় সৌদির পণ্যবাহী কোনো জাহাজ লোহিত সাগরের বাব এল মান্দেব প্রণালি দিয়ে পার হতে দেওয়া হবে না।


    তথ্যসূত্র
    1.Indian vessel sinks after Red Sea attack off Yemen, all 14 crew rescued
    https://tinyurl.com/3w4n4thw
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমকামী বিয়ের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবিতে ১২৩০ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি




    ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বেআইনী সমকামী বিয়ের ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবিতে বিবৃতি দিয়েছেন উলামায়ে কেরাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার ও ব্যবসায়ীসহ ১২৩০ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

    মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ‘ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বেআইনী সমকামী বিবাহে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করুন’ শিরোনামে মূল্যবোধ আন্দোলনের পক্ষ থেকে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।

    মূল্যবোধ আন্দোলনের মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ সাদাতের পাঠানো এ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা দেশের বিভিন্ন পেশাজীবী বিশিষ্ট নাগরিকরা সাম্প্রতিককালে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমলিঙ্গের বিয়ের যে ঘটনা গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে, তাতে বিস্মিত ও হতভম্ব হয়েছি। কামাল হোসেন নামক মুসলিম নামধারী একজন জন্মগত সুস্থ পুরুষ, যে তাসনুভা আনান শিশির নাম নিয়ে নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরিত নারী হিসেবে দাবি করে থাকে, সে দেশের প্রচলিত ধর্ম, সমাজ, সংস্কৃতি ও আইন— সবকিছুকে উপেক্ষা করে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে অন্য একজন হিন্দু পুরুষের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে। উল্লেখ্য, পৃথিবীতে এমন কোনো চিকিৎসাপদ্ধতি নেই, যা একজন পূর্ণাঙ্গ পুরুষকে পূর্ণাঙ্গ নারীতে রূপান্তর করতে পারে এবং একজন পুরুষ শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়‍েই কোনরূপ অপারেশন ছাড়াই পুরুষাঙ্গ নিয়‍েও নিজেকে ট্রান্সজেন্ডার নারী দাবী করতে পারে।’

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের সংবিধানে লিঙ্গ হিসেবে কেবল নারী ও পুরুষের উল্লেখ রয়েছে এবং ২০১৪ সালে লিঙ্গ-প্রতিবন্ধী হিজড়া জনগোষ্ঠীকে ‘হিজড়া লিঙ্গ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সংবিধান বা আইনে ‘ট্রান্সজেন্ডার’ বলে কোনো লিঙ্গের স্বীকৃতি নেই এবং ‘ট্রান্সজেন্ডার নারী’কে নারী হিসেবে গণ্য করার কোনো আইনও বিদ্যমান নেই। অন্যদিকে, দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারা অনুসারে সমকামিতা একটি নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য আচরণ হিসেবে পরিগণিত। সমকামিতা বা সমলিঙ্গের বিবাহের অভিযোগে আটকের বিভিন্ন দৃষ্টান্তও আমাদের সামনে রয়েছে। ট্রান্সজেন্ডারবাদকে যেমন বিশ্বের বড় বড় ফতোয়া বিভাগ কুফরি মতবাদ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশও ট্রান্সজেন্ডার উন্মাদনা (Transgender Insanity) দূরীকরণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এবং যে জেন্ডারবাদ থেকে ট্রান্সজেন্ডার ধারণার জন্ম, তাকে ‘চরমপন্থা’ (Extremism) ও নারী অধিকারের পরিপন্থী হিসেবে অভিযুক্ত করেছে।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ইসলামী আইনে আঠারো বছরের নিচের বালেগ ছেলে-মেয়েদের বিবাহ নিষিদ্ধ না হলেও রাষ্ট্রীয় আইনের কারণে এ ধরনের বিবাহের উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করতে প্রশাসন স্বপ্রণোদিত হয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। অথচ রাজধানীর বুকে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রশাসনের নাকের ডগায় আইনবিরোধী সমলিঙ্গের বিবাহ অনুষ্ঠানের সংবাদ প্রকাশের এক সপ্তাহের বেশি সময়‍ অতিবাহিত হয়ে গেলেও এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি।’

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘৯২ শতাংশ মুসলিম-অধ্যুষিত এই দেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়, কিন্তু ধর্ম ও মূল্যবোধের প্রশ্নে অত্য‌ন্ত সংবেদনশীল। যদি প্রকাশ্যে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সমকামী বিবাহের এই অনাচারের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে তা শান্তিপ্রিয় জনগণকে ক্ষুব্ধ ও অসহিষ্ণু করে তুলতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আমরা মনে করি। কাজেই, অনতিবিলম্বে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের এই ঘটনার তদন্ত করে দোষী ব্য‌ক্তিবর্গের বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।’

    বিবৃতি প্রদানকারী ব্যক্তিদের নামের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে মূল্যবোধ ডট কম (mullobodh.com) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এতে ৩৮ জন অধ্যাপক, ২৪ জন সহযোগী অধ্যাপক ও ৪৫ জন সহকারী অধ্যাপক রয়েছেন।

    বিবৃতি প্রদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন, ড্যাফোডিল ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক মোখতার আহমাদ, মসজিদ উত তাকওয়া সোসাইটি ধানমন্ডির খতীব মুফতি সাইফুল ইসলাম, মাসজিদুল জুমা কমপ্লেক্স পল্লবীর খতীব শায়খ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ, আইইউবির প্রফেসর ও মূল্যবোধ আন্দোলনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির লেকচারার আসিফ মাহতাব উৎস, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, উত্তরার রূপায়ণ সিটি জামে মসজিদ খতীব মুফতি মুহাম্মাদ শামছুদ্দোহা আশরাফী, সাবেক সচিব নুরুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর জুলফিকার হাসান খান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. সালমা বেগম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. শামীমা তাসনিম, বুয়েটের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তানভীর পারভেজ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গালিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. তারেক ফজল, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ মাকসুদ হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সাখাওয়াত হুসাইন ও আইইউবির প্রফেসর ড. মো. কাফিউল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সামসুন নাহার মিতুল, জাগো নিউজের সহকারী বার্তা সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন ও সময় টিভির সাংবাদিক মুফতি আবদুল্লাহ তামিম প্রমুখ।


    তথ্যসূত্র:
    ১। ১২৩০ জন বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি : ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বেআইনী সমকামী বিবাহে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করুন
    https://tinyurl.com/38jpahxu
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ডান হাতে ভাত খেতে খেতে বাম হাতে নিচ্ছে ঘুষ! ঠাকুরগাঁও জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল



      ঠাকুরগাঁও জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের এক নারী কর্মকর্তার ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ওই কর্মকর্তা অফিস কক্ষে খাবার খাওয়ার সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রকাশ্যেই টাকা নিয়ে নিজের টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দিচ্ছে।

      গোপন ক্যামেরায় ধারণ করে ঘটনাটি সম্প্রতি একটি গণমাধ্যম প্রকাশ করে। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের রেকর্ড কিপার আঞ্জুমান আরা অফিস কক্ষে বসে খাবার খাচ্ছিল। এ সময় এক ব্যক্তি তার হাতে টাকা দিলে সে ডান হাতে খাবার খেতে খেতেই বাম হাতে সেই টাকা নিয়ে টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দেয়।

      একাধিক সেবাগ্রহীতা জানায়, ঠাকুরগাঁও জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে জমির দলিল নিবন্ধন, দলিলের নকল উত্তোলন এবং রেকর্ড-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি নির্ধারিত ‘ফি’ এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত অর্থ না দিলে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে অযথা বিলম্ব করা হয় কিংবা বিভিন্ন অজুহাতে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়।

      উল্লেখ্য যে, এ ধরনের অনিয়ম শুধু ঠাকুরগাঁও জেলা রেজিস্ট্রার অফিসেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ভূমি ও রেজিস্ট্রেশন-সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও সেবা নিতে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং হয়রানির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। যার ফলে সরকারি সেবা পেতে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের ভোগান্তি মুখে পড়তে হচ্ছে।


      তথ্যসূত্র:
      ১। ক্যামেরার সামনেই ঘুষ,নেই কোন ভয়
      https://tinyurl.com/ht8t632x
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা




        টানা ভারী বর্ষণ এবং ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাত থেকে পানি হুহু করে বাড়তে থাকে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এটি নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের চরম উদ্বেগের মধ্যে ফেলেছে।

        গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ভারতের উজানে কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীতে পানির প্রবাহ বেড়েছে।

        তিস্তার পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। লালমনিরহাটের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ইতিমধ্যে প্লাবিত হওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে নৌকা ও ভেলা। পানিবন্দি মানুষ গৃহপালিত পশু, শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। একই সঙ্গে রয়েছে সাপ ও বিষাক্ত পোকামাকড়ের উপদ্রব।

        পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের চরের বাসিন্দা তসর উদ্দিন বলেন, ‘বিকেল থেকে পানি হুহু করে বাড়ছে। ইতোমধ্যে চরাঞ্চলের বেশ কিছু বাড়িতে পানি ঢুকেছে। পানির চাপ দেখে মনে হচ্ছে বড় বন্যা হতে পারে। বন্যার সময় চারদিকে শুধু পানি থাকায় আমাদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়।’

        মহিষখোঁচা চরের বাসিন্দা মনির হোসেন জানান, কয়েক দিন ধরে পানি বাড়া-কমার মধ্যে থাকলেও সোমবার পানির পরিমাণ হঠাৎ বেশি বেড়েছে। এতে চরাঞ্চলের বহু পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

        পানির তীব্র চাপে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও নদীতীরবর্তী উঁচু সড়কগুলো চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধগুলো সংস্কার না করায় সেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ মেরামতের কাজ না করে বর্ষা মৌসুমে জরুরি মেরামতের নামে সরকারি অর্থের অপচয় করে বলে অভিযোগ তাদের। শুষ্ক মৌসুমে কাজ করলে বাঁধ পাকাপোক্ত হতো এবং মানুষ নদীভাঙন ও বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেত।

        সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী সাংবাদিকদের জানায়, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বুধবার সকাল ৯টায় বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।


        তথ্যসূত্র:
        ১। তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা
        https://tinyurl.com/2b74vkzr
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X