Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২২ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৬ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২২ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৬ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

    ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোতে সন্ত্রাসবাদ তৈরি হচ্ছে বলে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছে উত্তর প্রদেশের হিন্দুত্ববাদী উপমুখ্যমন্ত্রী






    ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মাদ্রাসাগুলোতে সন্ত্রাসবাদ তৈরি হচ্ছে বলে উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের হিন্দুত্ববাদী উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তার এমন মুসলিম বিদ্বেষমূলক মন্তব্যে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

    ৪ আগস্ট এক সাংবাদিক সাক্ষাতকারে সে এই মন্তব্য করেছে। মুসলিম বিদ্বেষী এই উগ্র হিন্দুত্ববাদী আরও দাবি করেছে, ভারতের অভ্যন্তরে বা বিশ্বের অন্য কোথাও হামলার সাথে জড়িত বড় বড় সন্ত্রাসীরা মাদ্রাসা শিক্ষার ফসল।

    তার মুর্খতাসুলভ যুক্তি হলো, মাদ্রাসা শিক্ষা গ্রহণকারী কেউ ‘ভারত মাতা কি জয়’ শিরকি স্লোগান উচ্চারণ করে না, ‘বন্দে মাতরম’ শিরকি গীত গায় না। এজন্য মুসলমানদের মানসিকতা নাকি সন্ত্রাসীদের মতো হয়।

    অপরদিকে তার এই সকল মন্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত আখ্যা দিয়েছে ভারতের বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক নেতারা। তাদের দাবি, নির্বাচনের আগে ভোটারদের ধর্মের ভিত্তিতে মেরুকরণের উদ্দেশ্যে মন্তব্যগুলো করা হয়েছে। সমাজবাদী পার্টির একজন বিধায়ক বলেছে, বিজেপি সরকারের উদ্দেশ্য হলো ধর্মের আফিম দিয়ে মানুষকে নেশাগ্রস্ত করা, জনগণের কাছে মিথ্যা বলা এবং দেশে ব্যাপকভাবে লুটপাট করা।

    উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি ভারতের বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে মাদ্রাসাসমূহে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সরকার। মাদ্রাসাগুলোর সরকারি সহায়তা হ্রাস বা প্রত্যাহার করা হচ্ছে, বিদেশি অনুদানে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তদন্ত করা হচ্ছে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মাদ্রাসা ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, মাদ্রাসা বোর্ড বাতিলের মাধ্যমে মুসলিমদের শিক্ষা কাঠামোর উপর হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করা হচ্ছে।

    ভিডিও: https://archive.org/details/madrasas...and-bangladesh



    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/rda9cjvp
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    দেশজুড়ে হত্যা-ধর্ষণ-ছিনতাইমূলক অপরাধ লাগামহীন, বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থাহীনতাকে দায়ী ভাবছেন বিশ্লেষকগণ



    দেশজুড়ে হত্যাকাণ্ড, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশের অপরাধ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে দেশে এক হাজার ৭৭৫ হত্যাকাণ্ড এবং ১০ হাজারের বেশি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। একই সময় প্রায় প্রত্যেক মাসেই অপরাধের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এর সঙ্গে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ধারাবাহিক ঘটনায় জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানা যায়, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের আগে জানুয়ারিতে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল এক হাজার ২৮১টি। জুন মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় দুই হাজার ১৯৪টিতে। একইভাবে জানুয়ারিতে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ছিল ২৮৭টি, যা জুনে বেড়ে ৩২৩টিতে পৌঁছায়। ফেব্রুয়ারিতে অপরাধের সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও পরের মাসগুলোয় প্রায় সব ধরনের অপরাধই ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধির ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে। দিনদুপুরে সড়ক, গণপরিবহন কিংবা বাড়ি ফেরার পথে হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে।

    পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশে হত্যা করা হয় ২৮৭ জনকে। এরপর ফেব্রুয়ারিতে ২৫০, মার্চে ৩১৭, এপ্রিলে ২৮৮, মে মাসে ৩১০ এবং জুনে সর্বোচ্চ ৩২৩ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

    কেবল খুন নয়, অন্যান্য অপরাধের গ্রাফও ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী। পুলিশের পরিসংখ্যান অনুযায়ী জানুয়ারি মাসে মোট ১৪ হাজার ৫৮টি মামলা রেকর্ড হয়, যার মধ্যে ৫২টি ডাকাতি, ১৬৩টি দস্যুতা এবং এক হাজার ২৮১টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। ফেব্রুয়ারিতে মামলার সংখ্যা ১১ হাজার ৭৭৫টি, যার মধ্যে দস্যুতা ১৩৪ এবং মাদক-সংক্রান্ত মামলা তিন হাজার ৩৫৯টি। মার্চে অপরাধের সংখ্যা এক লাফে বেড়ে হয় ১৬ হাজার ১৫৭টি, যেখানে মাদক-সংক্রান্ত মামলাই ছিল পাঁচ হাজার ৬২টি। এপ্রিলে মামলার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ হাজার ১৮০টি, যার মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন ছিল দুই হাজার ১১টি। মে মাসে মোট ১৮ হাজার ১৪৯ মামলার মধ্যে মাদক-সংক্রান্ত মামলা ছিল সাত হাজার ৯২টি। আর জুনে অপরাধের সব রেকর্ড ভেঙে ১৮ হাজার ৭৪৯টি মামলা দায়ের হয়, যার মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল দুই হাজার ১৯৪টি এবং মাদক মামলা ছিল ছয় হাজার ৫৮৫টি।

    আইনশৃঙ্খলার এমন চরম সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত নারী ও শিশুরা। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী বছরের প্রথম ছয় মাসে ১০ হাজারের বেশি নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

    সম্প্রতি শিশু রামিসাকে ধর্ষণের মর্মান্তিক ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হলেও এখনো পর্যন্ত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ায় জনমনে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।

    এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, বর্তমান বিচারব্যবস্থার কাঠামোর মধ্যে অপরাধীদের দ্রুত ও কার্যকর শাস্তি নিশ্চিত করা কতটা সম্ভব? একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে, বিদ্যমান শাসন ও বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে হত্যা, ধর্ষণ, ছিনতাইসহ ভয়াবহ অপরাধ কতটা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে? নাকি বিচারে দীর্ঘসূত্রতা ও দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাবে, আর দেশের মানুষকে অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেই বসবাস করতে হবে!

    তথ্যসূত্র:
    ১। অপরাধের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, জনমনে বাড়ছে আতঙ্ক
    https://tinyurl.com/m5kkakz3
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      দক্ষিণ লেবাননে আইইডি বিস্ফোরণে দুই দখলদার ইসরায়েলি সেনা নিহত, আহত ৭



      দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল জৌন গ্রামে একটি ভবনের ভেতরে বিস্ফোরণে কমপক্ষে দুই দখলদার ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছে এবং সাতজন আহত হয়েছে। ৫ আগস্ট, বুধবার লেবাননভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল মায়াদিন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

      প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ লেবাননের একটি বিস্ফোরকভর্তি ভবনের ভেতরে একটি আইইডি বিস্ফোরণে অন্তত দুজন ইসরায়েলি সৈন্য নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। দীর্ঘ সময় ধরে অত্র এলাকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী আগ্রাসী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

      এর আগে, ইসরায়েলি গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায় যে, দক্ষিণ লেবাননে একটি ‘কঠোর নিরাপত্তা পরিস্থিতির’ পর বেশ কয়েকজন গুরুতর আহতসহ একাধিক ব্যক্তিকে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলের হাসপাতালে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

      ইসরায়েলি গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, তিনটি অ্যাম্বুলেন্সসহ একটি হেলিকপ্টার অধিকৃত হাইফার রামবাম হাসপাতালে অবতরণ করেছে। নিহত ও আহত সৈন্যরা ৫৫তম ব্রিগেডের সদস্য ছিল।


      তথ্যসূত্র
      1.Two Israeli troops killed, seven wounded in South Lebanon blast
      https://tinyurl.com/5ae3yv3u
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মালিতে তুরস্কের দেয়া ড্রোনে জান্তার ৬৬ হামলায় শহীদ ১৫৫ বেসামরিক নাগরিক



        ​বিগত আট বছরে মালিতে তুরস্কের ভূমিকা অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব এবং সফট পাওয়ারের হাতিয়ার থেকে সামরিক সমর্থনে রূপান্তরিত হয়েছে, যা সামরিক জান্তাকে আফ্রিকার অন্যতম বৃহত্তম ড্রোন বহরের অধিকারী হতে সক্ষম করেছে। এদিকে বেসামরিক নাগরিক শহীদ হওয়া বিমান হামলার সংখ্যা ২০২২ সালের চারটি ঘটনা থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ৬৬টি ঘটনায় দাঁড়িয়েছে, যার ফলে ১৫৫ জন বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

        মালির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলিয় রাজ্য টিম্বুকটোর একটি (এসিপিইডি) গবেষণা দল ২০১৮ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে তুরস্কের ভূমিকা বিষয়ক একটি সমীক্ষা তৈরি করে। এই সমীক্ষা অনুসারে, আঙ্কারা সরাসরি সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করছে না, কিন্তু আঙ্কারা জান্তা বাহিনীকে এমন কিছু প্রদান করছে যাকে সমীক্ষায় “গণহত্যায় সহায়তা” হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আঙ্কারা এখানে জান্তাকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দিচ্ছে, আধুনিক যুদ্ধ ড্রোন, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে। আর এসব কিছুই বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা বা অস্ত্রের চূড়ান্ত ব্যবহার পর্যবেক্ষণের জন্য কোনো ঘোষিত শর্ত ছাড়াই দেওয়া হচ্ছে।

        এই প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালের মার্চে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের বামাকো সফরের মাধ্যমে, যেখানে আটটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এরপর তুরস্ক প্রথম দেশ হিসেবে ২০২০ সালের আগস্টের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার নেতাদের সাথে দেখা করার জন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে পাঠায়। ফরাসি বাহিনী এবং জাতিসংঘ মিশনের প্রত্যাহারের পর, বামাকো ২০২২ সালের শেষের দিকে বায়রাক্তার টিবি২ ড্রোন পেতে শুরু করে এবং ২০২৩ ও ২০২৪ সালে অতিরিক্ত চালান আসে, যার ফলে ড্রোনগুলোর ক্রমিক নম্বরের সংখ্যা অন্তত ১৭টিতে পৌঁছায়।

        এই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে মালি আরও ভারী ও দীর্ঘ পাল্লার আকিনজি ড্রোন পায়। এরপর ২০২৬ সালের জানুয়ারি ও জুলাই মাসে আরও দুটি চালান আসে। এরপরেও জেএনআইএম এবং এফএলএ প্রতিরোধ যোদ্ধাদের আক্রমণে জান্তা শিবিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি, উত্তরের শহরগুলোর পতন এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাদিও কামারার নিহতের ঘটনা ঘটেছিল।

        মালিতে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের এই অগ্রগতি থামাতে জান্তা বাহিনী তুরস্ক থেকে ড্রোনের আগমনের সাথে সাথে বিমান হামলায় তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। আর জান্তার এসব ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে থাকেন বেসামরিক নাগরিকরা। এসিপিইডি সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২২ সালে জান্তার ৪টি ড্রোন হামলার শিকার হয়েছেন বেসামরিক নাগরিকরা, কিন্তু ২০২৫ সালে তা ৬৬টিতে দাঁড়িয়েছে, যার ফলে ১৫৫ জনের বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

        অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দ্বারা নথিভুক্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

        – মার্চ মাসে আমসরাকাদ-এ তুর্কি বায়রাক্তার টিবি২ ড্রোন হামলার মাধ্যমে ৭ শিশুসহ ১৩ জন বেসামরিক নাগরিককে শহীদ।
        – একই মাসে দোয়ান-এর একটি ইসলামিক স্কুলে ড্রোন হামলায় ১৪ জন শিশুকে শহীদ।
        – ইনাতিয়ারার একটি ঐতিহ্যবাহী স্বর্ণখনির স্থানে কমপক্ষে ৫০ জন বেসামরিক নাগরিককে শহীদ।
        – হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, উত্তর মালির ত্বিন-যাওয়াতিন এলাকায় ড্রোন হামলার মাধ্যমে একটি ফার্মেসির সামনে ৫ শিশুসহ ৭ বেসামরিক নাগরিককে শহীদ করা হয়, যদিও আজাওয়াদ ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট এই হামলায় শহীদের সংখ্যা ২১ পর্যন্ত বর্ণনা করেছে।
        – অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, নভেম্বর মাসে জান্তা বাহিনী কর্তৃক ইনাদিয়াভাতান-এ ৬ শিশুসহ ৮ বেসামরিক নাগরিককে শহীদ করা হয়েছে।
        – ক্রিনিয়া গ্রামে একটি বিমান হামলার মাধ্যমে ৩ শিশু ও ১ নারীসহ ৮ জন বেসামরিক নাগরিককে শহীদ করা হয়েছে।

        লক্ষ্যবস্তুগুলোর ধরণ একটি লক্ষণীয় বিন্যাস প্রকাশ করে: ইসলামিক স্কুল, স্বাধীন এলাকাগুলোর ফার্মেসি, পশুর হাট, খনি এলাকা, বেসামরিক যানবাহন এবং মসজিদ। আর এসব স্থানে হামলার ঘটনাগুলোতে শহীদদের মধ্যে শিশুদের হার অনেক বেশি।

        গবেষণাটিতে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, ২০২২ সাল থেকে তুর্কি ড্রোনগুলো মালির জান্তাকে এমন সব এলাকায় ঘন ঘন বিমান হামলা চালানোর সুযোগ করে দিয়েছে, যা আগে তাদের নাগালের বাইরে ছিল। এর পরে পরবর্তী অভিযানগুলোতে তুর্কি ও রুশ ব্যবস্থার মধ্যে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়, যার মধ্যে ২০২৬ সালের মে মাসে কিদাল শহরে বোমা হামলাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

        আঙ্কারা তার এই সহযোগিতাকে কথিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মালির প্রতি সমর্থন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। কিন্তু আঙ্কারা যাকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই বলছে, সেখানে মালির তুয়ারেগ, আরব এবং ফুলানি গ্রামগুলোর বেসামরিক নাগরিকরা আঙ্কারার দেওয়া সহায়তায় হত্যার শিকার হচ্ছেন। আর নথিভুক্ত বেসামরিক হতাহতের ঘটনার পরেও, কোনো তদন্ত, চুক্তি স্থগিতকরণ, বা ব্যবহার-পরবর্তী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন ছাড়াই আঙ্কারা জান্তার জন্য অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে।
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X