Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৩ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৭ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৩ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৭ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

    পশ্চিম তীরের কালান্দিয়ায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি হামলায় আহত ৫১ ফিলিস্তিনি



    অধিকৃত পশ্চিম তীরের কালান্দিয়া শরণার্থী শিবিরে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো এক বড় ধরনের সামরিক অভিযানে অন্তত ৫১ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। ৬ আগস্ট, বৃহস্পতিবার জেরুজালেম গভর্নরেটের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার কালান্দিয়া চেকপয়েন্টের কাছে বেশ কিছু বাণিজ্যিক দোকানপাট ও অবকাঠামো বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর পার্শ্ববর্তী কফর আকাব শহরে কারফিউ জারি করে জেরুজালেমের সাথে সংযোগকারী সমস্ত প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি সন্ত্রাসী সেনাদের পাশবিক মারধরের শিকারে অন্তত ৩৫ জন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৬ জনকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাসের বিষাক্ত ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আরও একাধিক ব্যক্তি। অভিযানের সময় বুধবার গভীর রাত থেকেই রেড ক্রিসেন্টের অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে চরম বাধা সৃষ্টি করে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি সেনারা। চিকিৎসাসেবা অবরুদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ডায়ালাইসিসের রোগীসহ কয়েকজনকে অতি কষ্টে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয় উদ্ধারকারী দল।

    অভিযান চলাকালে ক্যাম্পের প্রবেশমুখে অবস্থানরত পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে স্টান গ্রেনেড নিক্ষেপ করে এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেয় দখলদার সৈন্যরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাধারণ ফিলিস্তিনিদের বাসাবাড়ি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে অস্থায়ী জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। সেখানে নারী ও শিশুসহ বহু ফিলিস্তিনিকে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সামরিক অভিযান, বসতি স্থাপনকারীদের হামলা এবং ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে পশ্চিম তীরে ১১ হাজারের বেশি সামরিক ও বসতি স্থাপনকারী হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব ঘটনার কারণে ২ হাজার ৩০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।


    তথ্যসূত্র
    1. Israeli raid in West Bank’s Qalandiya injures 51 Palestinians
    https://tinyurl.com/ejmv4ybf
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    বগুড়ায় ছিনতাই দেখে ফেলায় শিশুকে হত্যা, ধানক্ষেতে মিললো মাটিচাপা লাশ



    অটো ছিনতাইয়ের ঘটনা দেখে ফেলেছিল ১০ বছরের শিশু রাজু আহম্মেদ। আর সেই ঘটনা গোপন রাখতে ওই শিশুটিকে হত্যা করা হয়। এবং পরে শিশুটির লাশ জলাবদ্ধ একটি ধানক্ষেতে পুঁতে রাখে হত্যাকারীরা। সর্বশেষ তিনদিন খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিশুটির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।

    বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ররোয়া গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনা। নিহত রাজু আহম্মেদ ররোয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে।

    এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হল- উপজেলার সীমাবাড়ী ইউনিয়নের ররোয়া গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে মোস্তাকিম হোসেন (২৫) ও তার সহযোগী মির্জাপুর বাজার এলাকার আব্দুল করিম (২২)। এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানা যায়, রোববার (২ আগস্ট) অভিযুক্ত মোস্তাকিম ররোয়া গ্রাম থেকে একটি অটোরিকশা ছিনতাই করে। আর এই অটো ছিনতাইয়ের ঘটনাটি শিশু রাজু দেখে ফেলে। ছিনতাইয়ের তথ্য প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় ঘটনার একদিন পরই শিশুটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ঘাতক মোস্তাকিম ও তার লোকজন। একপর্যায়ে শিশুটিকে হত্যার পর লাশ গুম করতে পার্শ্ববর্তী তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের গাবরগাড়ী এলাকার একটি মাঠে ধানক্ষেতে পুঁতে রাখা হয়।

    এদিকে রাজু নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের পক্ষ থেকে শেরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। একই সময়ে এলাকায় অটো ছিনতাইয়ের ঘটনাটিও পুলিশের নজরে আসে। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ অটো ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোস্তাকিমকে এবং ছিনতাই করা অটো কেনার অভিযোগে আব্দুল করিমকে আটক করে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই শিশু রাজুর লাশের সন্ধান পায় পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে তাড়াশের গাবরগাড়ী এলাকার একটি জলাবদ্ধ জমিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাজুর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে।

    এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সেইসঙ্গে শিশু রাজুর এমন নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর মোস্তাকিম এর বাড়িতে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।


    তথ্যসূত্র:
    ১। ছিনতাই দেখে ফেলায় শিশুকে হত্যা, ধানক্ষেতে মিললো মাটিচাপা মরদেহ
    https://tinyurl.com/yc44smbx
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      কুমিল্লায় তনু হত্যা মামলায় দীর্ঘ দশ বছর পর ডিএনএ বিশ্লেষণে পাঁচজনের শুক্রাণুর অস্তিত্ব মিলেছে, মৃত্যুর আগে খুনিদের ফাঁসি দেখতে চান তনুর মা



      কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় দীর্ঘ এক দশক পর ডিএনএ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ডিএনএ বিশ্লেষণে পাঁচজন পুরুষের শুক্রাণু ও একজনের রক্তের অস্তিত্ব মিলেছে। এর আগে ২০১৭ সালে সিআইডি ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট দিয়ে তিনজনের শুক্রাণু পাওয়ার কথা জানিয়েছিল।

      তদন্ত সূত্রে জানা যায়, তনু হত্যাকাণ্ডে ছয়জনের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নিয়ে তদন্ত এগোচ্ছে। এ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশে চার সাবেক সেনাসদস্য এবং বেসামরিক এক ব্যক্তির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ জুলাই নতুন করে আরো দুজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ দেয় আদালত। তারা হল তনুর বন্ধু কুমিল্লার রাজাপাড়ার ফয়সাল আহমেদ রাব্বি এবং সিরাজগঞ্জের কাজীপুরের বাসিন্দা সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম। ষষ্ঠ সন্দেহভাজনের পরিচয় প্রকাশ করেনি তদন্তকারীরা।

      ডিএনএ রিপোর্টের সূত্র ধরে সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার (অব.) হাফিজুর রহমানকে গত এপ্রিলে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। এর পরই মামলার দুই সন্দেহভাজন সাবেক সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান জাহিদ এবং সাবেক সেনাসদস্য শাহীন আলম দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে তদন্তে বলা হয়েছে।

      তদন্তকারীদের দাবি, শাহীন আলম গত এপ্রিলে গোপনে কুয়েতে পালিয়ে যায়। তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে এবং সর্বশেষ লোকেশন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে।

      তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অভিযোগ করেছেন, শুরু থেকেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তার প্রশ্ন, ভুয়া ফরেনসিক রিপোর্ট দেওয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কেন এখনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি? প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া চিকিৎসক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা বর্তমানে খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া সার্জেন্ট জাহিদ ও তার স্ত্রীকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। কারণ ঘটনার দিন তনু সার্জেন্ট জাহিদের বাসায় টিউশনি করতে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পথেই তাকে হত্যা করা হয়। তনুর মা আনোয়ারা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি জিন্দা লাশ হয়ে বেঁচে আছি, প্রায় সময়ই অসুস্থ থাকি। এরই মধ্যে কয়েকবার হাসপাতালেও গেছি। প্রতি মুহূর্তে মনে হয়, এই বুঝি মরে গেলাম। মৃত্যুর আগে তনুর খুনিদের বিচারটা দেখে যেতে চাই। মরার আগে আমার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি দেখে যেতে চাই।’

      উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ারহাউস এলাকার ঝোঁপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।


      তথ্যসূত্র:
      ১। ডিএনএ বিশ্লেষণে পাঁচজনের শুক্রাণুর অস্তিত্ব মিলেছে
      https://tinyurl.com/3h2b89u4
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় ৩০০ দিনে অন্তত ৩০০ শিশু শহীদ: ইউনিসেফ




        ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় গত বছরের ১০ অক্টোবর কথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার পর থেকে আনুমানিক ৩০০ দিনে অন্তত ৩০০ শিশু শহীদ হয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় গড়ে প্রতিদিন একটি করে শিশু প্রাণ হারিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ।

        ৬ আগস্ট, বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, শহীদদের পাশাপাশি এই সময়ে আরো শত শত শিশু মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় অংশ নেওয়া পক্ষগুলোকে গাজায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি অবিলম্বে বাস্তবায়নের জোর দাবি জানিয়েছে ইউনিসেফ।

        বিবৃতিতে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে ইউনিসেফের আঞ্চলিক পরিচালক এদুয়ার্দ বেগবেদার বলেন, “যে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকার পরও গড়ে প্রতিদিন একটি শিশুর মৃত্যু হয়, তা মূলত শিশুদের সুরক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে। গাজার শিশুরা এখনও সেই শান্তি ও সহিংসতার সমাপ্তির প্রতীক্ষায় রয়েছে, যার প্রতিশ্রুতি তাদের দেওয়া হয়েছিল।”

        ইউনিসেফ জানায়, বর্তমানে গাজার পরিবারগুলো পুরো ভূখণ্ডের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ এলাকায় অবরুদ্ধ অবস্থায় জীবনযাপন করছে। ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন, ধ্বংসস্তূপ ও নোংরা আবর্জনার মধ্যে কোনোমতে তারা আশ্রয় নিয়ে আছে।

        এর ওপর তীব্র পুষ্টিহীনতা, পানিবাহিত রোগ এবং অনিরাপদ খাবার পানি ও ধ্বংসপ্রাপ্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে শিশুরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে। এমনকি ইনকিউবেটর সংকটের কারণে প্রিমেচিউর শিশুদের একের অধিক সংখ্যায় একটি মাত্র যন্ত্রে রাখতে বাধ্য হচ্ছেন চিকিৎসকরা।

        গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সন্ত্রাসী ইসরায়েলি নির্বিচার হামলায় এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।

        ইউনিসেফের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘ এই হামলায় গাজায় ৫৮ হাজারের বেশি শিশু তাদের বাবা-মা অথবা উভয়কেই হারিয়ে এতিম হয়েছে। এছাড়া ১০ লাখেরও বেশি শিশুর জরুরি ভিত্তিতে মনস্তাত্ত্বিক সেবা ও সামাজিক সুরক্ষা প্রয়োজন। সংস্থাটির মতে, প্রায় ১৭ হাজার শিশু তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে- যা বর্তমান বিশ্বে শিশু সুরক্ষার অন্যতম বড় সংকট।

        সংস্থাটির প্রতিনিধিরা জানান, টানা তৃতীয় বছরের মতো যুদ্ধচলাকালীন সময়ে গাজার শিশুদের কাছ থেকে শৈশব পুরোপুরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। খেলাধুলার বয়সে শিশুরা সারাদিন ধরে দূর থেকে খাবার পানি সংগ্রহ, ত্রাণের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা জ্বালানি কাঠ কুড়াতে বাধ্য হচ্ছে। বাস্তুচ্যুতদের শিবিরে শিশুদের জন্য শিক্ষা বা বিনোদনের উপকরণ, এমনকি কাগজ-কলমেরও চরম সংকট দেখা দিয়েছে।


        তথ্যসূত্র
        1. At least 300 children reportedly killed in Gaza in past 300 days
        https://tinyurl.com/mshvmdfa
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X