Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৯ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৫ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ০৯ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

    ‘শিবলিঙ্গ’ থাকার ভিত্তিহীন দাবির সূত্র ধরে এবার দারুল উলুম দেওবন্দে গঙ্গাজল অর্পণের ঘোষণা দিলো উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী


    আগামী ১১ আগস্ট উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলায় অবস্থিত ঐতিহাসিক দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা সফরের ঘোষণা দিয়েছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু রক্ষা দল। সফরকালে মাদ্রাসা চত্বরে গঙ্গাজল অর্পণের পরিকল্পনাও তারা ব্যক্ত করেছে। তাদের দাবি, দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা চত্বরে মাটির নিচে একটি শিবমন্দির বা শিবলিঙ্গ রয়েছে।

    শনিবার (৮ আগস্ট) প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এই ঘোষণা দেয় হিন্দু রক্ষা দলের উত্তরাখণ্ড রাজ্য সভাপতি ললিত শর্মা।

    এই দুর্বৃত্ত হিন্দুত্ববাদী আরও জানায়, সংগঠনটির জাতীয় সভাপতি পিঙ্কি চৌধুরীর নেতৃত্বে হিন্দুত্ববাদীরা হরিদ্বার থেকে গঙ্গাজল নিয়ে আসবে, অতঃপর তারা দেওবন্দের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

    তবে দেওবন্দ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণের নিচে শিব লিঙ্গ বা শিব মন্দির বিদ্যমান থাকার সপক্ষে ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক সত্যতা প্রতিষ্ঠিত নেই। পর্যবেক্ষকদের মতে, ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে রাম মন্দির নির্মাণের মতোই দেওবন্দ মাদ্রাসা ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র আরম্ভ করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। মাদ্রাসার স্থলে শিব মন্দির নির্মাণ করে নিজেদের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী মহল।

    এর আগে সাহারানপুর প্রশাসনের কাছে এই ভিত্তিহীন অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছিল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনটি। মূলত প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যেই তারা মাদ্রাসায় গিয়ে গঙ্গাজল অর্পণের আইন বহির্ভূত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    পূর্ব ঘোষিত এই সফরকে কেন্দ্র করে দারুল উলুম দেওবন্দের আশপাশে পুলিশ নজরদারি বাড়াতে পারে বলে জানা গেছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/rc5fwt6e
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে গুলি করে লাশ নিয়ে গেলো সন্ত্রাসী বিএসএফ



    মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার আলীনগর সীমান্তে সন্ত্রাসী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। হত্যার পর নিহত বাংলাদেশির লাশ বিএসএফ নিয়ে গেছে।

    রোববার (৯ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে সীমান্তের ১৮৪৫ নম্বর ৬৩ এস পিলারের ওপারে ত্রিপুরা রাজ্যের মাগুরুলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত তারা মিয়া (২০) কুলাউড়া উপজেলার মুরইছড়া বস্তি এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে।

    সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানা যায়, ভোররাতে তারা মিয়াসহ চার-পাঁচজনের একটি দল আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় নাসিরুদ্দিন পাতার বিড়ি আনতে আলীনগর সীমান্ত দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। তারা সীমান্তের প্রায় ৫০০ গজ ভেতরে মাগুরুলী এলাকায় গেলে সেখানে ১৯৯ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের মাগুরুলী ক্যাম্পের সদস্যরা গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা মিয়ার মৃত্যু হয়। এ সময় দলের অন্য সদস্যরা পালিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফিরে এসে আত্মগোপনে রয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    ১। কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু
    https://tinyurl.com/ys5pppjn
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানায় জব্দ করা মোটরসাইকেল থানা থেকে উধাও



      মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানায় পুলিশি হেফাজতে রাখা একটি মোটরসাইকেল থানা প্রাঙ্গণ থেকে উধাও হয়ে গেছে। গত এক সপ্তাহের বেশি সময় পার হলেও মোটরসাইকেলটির খোঁজ দিতে পারেনি থানার পুলিশ।

      গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই উপজেলার চালা ইউনিয়নের সট্টি গ্রামের শাহিন শেখের ছেলে সিয়াম শেখ একটি মামলার কপি তুলতে মানিকগঞ্জ-ল-১১-৩৬৩৭ নম্বরের এই মোটরসাইকেল চালিয়ে হরিরামপুর থানায় যান। সেখানে অবস্থানকালে থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. এমদাদুল হক তার বাইকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চায়। তাৎক্ষণিকভাবে সিয়াম শেখ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে বাইকটির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন (মামলা) দেওয়া হয়। এরপর বাইকের চাবি ও যানটি থানার হেফাজতে রেখে পরবর্তীতে কাগজপত্র নিয়ে এসে ছাড়িয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেয় ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

      পরবর্তী সময়ে সিয়াম শেখ তার ভাইকে সঙ্গে নিয়ে বাইকের যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র নিয়ে থানায় হাজির হলে পুলিশ জানায়, আদালতের মাধ্যমে মামলার আইনি নিষ্পত্তি করেই মোটরসাইকেলটি নিতে হবে। তবে এর দুই দিন পরেই ঘটনার গতিপথ ভিন্ন রূপ নেয়। থানা থেকে ফোন করে সিয়ামকে জানানো হয়, আইনি নিষ্পত্তির আর প্রয়োজন নেই। তিনি যেন সরাসরি থানায় এসে তার গাড়িটি নিয়ে যান।

      ফোন পেয়ে গত ৪ আগস্ট সিয়াম শেখের মামাতো ভাই রাজিব হোসেনকে নিয়ে বাইকটি আনতে হরিরামপুর থানায় যান। কিন্তু থানায় পৌঁছালে এসআই এমদাদুল হক তাকে জানায় যে, মোটরসাইকেলটি থানা প্রাঙ্গণ থেকে হারিয়েছে গেছে।

      ভুক্তভোগীরা সাংবাদিকদের জানায়, বাইক হারিয়েছে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। তারা বাইকের বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের টাকা বাবদ অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দেয় এবং বিষয়টি সুরাহার জন্য ১৫ দিনের সময় চায়।

      থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখা যায় গত ১ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টা ১৯ মিনিটের দিকে এক বা একাধিক ব্যক্তি মোটরসাইকেলটি থানা প্রাঙ্গণ থেকে বের করে নিয়ে যাচ্ছে। তবে রাতের আঁধারে ফুটেজে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় কিংবা বাইকটি কীভাবে বাইরে নেওয়া হলো,তা নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ।

      অভিযোগ রয়েছে, এসআই মো. এমদাদুল হক ছাড়াও আরও দুজন কনস্টেবল এই ঘটনায় জড়িত। তাদের দাবি, পরিকল্পনা অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতের গাড়িটি বাইরে নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

      ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল মালিক সিয়াম শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি মামলার তথ্য নিতে গিয়ে শুধু কাগজপত্র সঙ্গে না থাকায় পুলিশ আমার গাড়িটি জব্দ করে। পরে গাড়ি আনতে গেলে প্রথমে বলে চাবি পাওয়া যাচ্ছে না, আর এখন বলছে গাড়িই নাকি চুরি হয়ে গেছে। পুলিশ হেফাজত থেকে কিভাবে একটি গাড়ি উধাও হয়। আমি এর পেছনে জড়িতদের শাস্তি ও নিরপেক্ষ তদন্ত চাই।

      সিয়ামের ভাই রাজিব বলেন, পুলিশ আমাদের টাকা দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে চাচ্ছে। কিন্তু আমরা গাড়ি বিক্রি করতে আসি নাই। আমরা আমাদের নিজস্ব গাড়ি অক্ষত অবস্থায় ফেরত চাই।


      তথ্যসূত্র:
      ১। কাগজপত্র দেখাতে না পারায় জব্দ করা মোটরসাইকেল থানা থেকে উধাও
      https://tinyurl.com/uhrj5bc2
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ভারতের ছত্তিশগড়ে ধর্মীয় বিদ্বেষবশত ১০টি খ্রিস্টান উপজাতি পরিবারকে গ্রামছাড়া করলো উগ্র হিন্দুত্ববাদী সমর্থকরা



        ভারতে ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার চিতলনার গ্রামের একাধিক উপজাতি খ্রিস্টান পরিবারকে গ্রামছাড়া করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সমর্থকরা।

        ২০২৬ সালের মার্চে প্রায় ১০টি খ্রিস্টান পরিবার উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীর হামলার শিকার হয়েছিল। ঐ হামলায় ২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ঐসময় উগ্র হিন্দুত্ববাদী কর্মীরা ভুক্তভোগী খ্রিস্টানদের হিন্দুধর্মে ফিরে আসতে জোর জবস্তি করে।

        খ্রিস্টান পরিবারগুলোর অভিযোগ, হামলার ঘটনার পর থানায় একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছে, কিন্তু পুলিশ কার্যকর কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। উপরন্তু হিন্দুত্ববাদীদের মদদে তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করা হয়েছে। তাই নিরাপত্তার জন্য সম্প্রতি পরিবারগুলো তাদের গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। গ্রামে তাদের বাড়িঘর ও কৃষিজমি থাকলেও তারা সেখানে আর ফিরতে পারছে না।

        ২০২৬ সালের জুলাইয়ে চিতলনার গ্রাম পঞ্চায়েত খ্রিস্টানদের সামাজিক বয়কটের পক্ষে স্থানীয় থানায় একটি লিখিত নোটিশ দেয়। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে পঞ্চায়েত দাবি করে, পরিবারগুলো খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছে, যা গ্রামবাসী মেনে নেয়নি। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কাউকেই গ্রামে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

        নোটিশে সে সতর্ক করে বলেছে, পরিবারগুলো গ্রামে ফিরে আসার চেষ্টা করলে, এরপর কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় পঞ্চায়েত নেবে না।

        ভুক্তভোগী খ্রিস্টানদের গ্রামছাড়া করতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) সমর্থিত উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ। এ ঘটনায় হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী ও প্রশাসনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে বিভিন্ন নাগরিক অধিকার সংগঠন।


        তথ্যসূত্র:
        1. https://tinyurl.com/mrx9eu6v
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          বাগেরহাটে ঘর ভাড়া পরিশোধে ৫০০ টাকায় মাথার চুল বিক্রি করলেন অসহায় নারী, ২ সন্তান নিয়ে থাকেন রেললাইনে



          বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামে দারিদ্র্যের কষাঘাতে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও হারিয়েছেন রেহানা খাতুন নামে এক নারী। দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি এখন খুলনা-মোংলা রেললাইনের পাশের খোলা জায়গা থাকেন। এর আগে ঘরের ৫০০ টাকা ভাড়া পরিশোধ করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের মাথার চুল বিক্রি করতে হয়েছে তাকে।

          গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, রেহানা খাতুন আগে দুই সন্তানকে নিয়ে একটি ভাড়া করা ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করতেন। দীর্ঘদিন ঘরভাড়া দিতে না পারায় একপর্যায়ে সেই আশ্রয়ও হারাতে হয় তাকে। এরপর তিনি সন্তানদের নিয়ে রেললাইনের পাশের সরকারি জমিতে আশ্রয় নেন।

          রেহানার দুর্দশা দেখে প্রতিবেশীরা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। তাদের উদ্যোগে খুলনা-মোংলা রেলব্রিজের পাশে বাঁশের খুঁটি দিয়ে একটি ঘরের কাঠামোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও আর্থিক অনটনে তা আর পূর্ণতা পায়নি। মাথার ওপর টিন আর চারপাশে বেড়া না থাকায় তীব্র রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই অনাবৃত কাঠামোর নিচে দুই সন্তান নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন তিনি।

          স্থানীয় বাসিন্দা ফেরদৌসী বেগম সাংবাদিকদের বলেছেন, মাথা গোঁজার জায়গা না থাকায় রেহানা একসময় পাশের একটি বাড়িতে অস্থায়ীভাবে থাকতেন। একদিন দেখি তার মাথায় চুল নেই। জিজ্ঞেস করলে কান্নাকাটি করে জানায়, ঘরের ৫০০ টাকা ভাড়া পরিশোধ করতে সে তার চুল বিক্রি করেছে।

          মহিদুল ইসলাম নামে আরেক স্থানীয় বাসিন্দা জানালেন, রেহানার জন্য বাঁশের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। এখন শুধু টিন ও বেড়ার ব্যবস্থা করতে পারলেই একটি ঘর দাঁড় করানো সম্ভব। এলাকার সচ্ছল মানুষ ও মানবিক ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে তার সন্তানদের নিয়ে অন্তত মাথা গোঁজার ঠাঁই হবে।

          কান্নাজড়িত কণ্ঠে রেহানা খাতুন সাংবাদিকদের জানান, ‘দুই সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে সব কষ্ট সহ্য করি। মাথা গোঁজার ঠাঁই তো নেই-ই, খাওয়ারও খুব কষ্ট। নিরুপায় হয়ে চুল বিক্রি করতে হয়েছিল।’


          তথ্যসূত্র:
          ১। ঘর ভাড়া পরিশোধে ৫০০ টাকায় মাথার চুল বিক্রি, ২ সন্তান নিয়ে রেললাইনে রেহানা
          https://tinyurl.com/2skfam96
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি বৃদ্ধকে ধরে নিয়ে যাবার পর ভারতীয় যুবককে ধরে আনল স্থানীয়রা



            পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা সীমান্তে তমিজউদ্দীন (৭৮) নামে এক বাংলাদেশি বৃদ্ধকে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ধরে নিয়ে যাওয়ার পরদিন বাংলাদেশি সীমান্তে আসা দীপংকর গোপ (৩০) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে এলাকাবাসী। পরে তাকে পুলিশ ও বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় উভয় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

            শনিবার (৮ আগস্ট) কাটাতারের বেড়া পার হয়ে বাংলাদেশ অংশে প্রবেশ করে আখ ক্ষেত হতে আখ ভাঙ্গার পরে দীপংকর পোগ (৩০) নামে ওই ভারতীয় নাগরিককে ধরে পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিরাজোত এলাকায় নিয়ে আসে স্থানীয়রা।

            দীপংকর গোপের বাড়ি ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থানার চাউলিয়াপট্রি এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মিশ্রি গোপের ছেলে।

            স্থানীয়রা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বুধবার (৫ আগস্ট) সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়নের বিরাজোত এলাকার বাসিন্দা তমিজউদ্দীন (৭৮) নামের এক বৃদ্ধ তার গরু খুঁজতে বাড়ি থেকে বের হয়। এক পর্যায়ে তিনি সীমান্তের কাটাতারে বেড়ার কাছাকাছি গেলে বিএসএফ তাকে ধরে ভারতে নিয়ে যায়।

            তমিজউদ্দীনের ছেলে আজাহার বলেন, আমার বাবা কিছুই করেনি। গরু খুঁজতে সীমান্তের কাছাকাছি গেলে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে যায়। তিনি অত্যন্ত বয়স্ক মানুষ এবং কানেও শুনতে পান না।

            এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ওই ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশি সীমান্তে আসলে তাকে ধরে পুলিশ ও বিজিবির নিকট হস্তান্তর করে।

            এ বিষয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য গণমাধ্যমে জানা যায়নি। তবে তমিজউদ্দীনকে ফেরত আনা এবং ভারতীয় নাগরিক দীপংকর গোপের বিষয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে রোববার (৯ আগস্ট) পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে বলে জানা গেছে।

            তথ্যসূত্র:
            ১। বাংলাদেশি আটকের পর ভারতীয় যুবককে ধরে আনল স্থানীয়রা
            https://tinyurl.com/3yxksca7
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবন থেকে ১৯ লাশ উদ্ধার, বেশিরভাগ নারী-শিশু



              ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনগুলোর নিচ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। সর্বশেষ গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। ভারী যন্ত্রপাতির সংকটে মূলত হাতের সাহায্যেই ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

              ৮ আগস্ট, শনিবার চার দিনের উদ্ধার অভিযান শেষে ‘কারাম’ নামে ওই ভবন থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

              উদ্ধারকাজ তদারককারী মোহাম্মদ আবু দান জানান, গাজার পশ্চিমাঞ্চলের ‘কারাম’ ভবনে টানা চার দিন তল্লাশি চালানোর পর উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। এখন বিশেষায়িত চিকিৎসাকর্মী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের উদ্ধারকারী দল গাজা সিটির অন্য একটি স্থানে যাবে এবং সেখানে তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ শুরু করবে।

              বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বারবার জানিয়েছেন, ভারী কংক্রিটের স্ল্যাব সরানোর মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকায় উদ্ধারকারীরা বর্তমানে সাধারণ ও অপ্রতুল সরঞ্জাম ব্যবহার করে এবং প্রচণ্ড শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে ধ্বংসস্তূপ সরানোর চেষ্টা করছেন। এসব ধ্বংসস্তূপ ইসরায়েলি হামলার পর সৃষ্টি হয়েছে।

              গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, পুরো ভূখণ্ডে এখনো ৮ হাজারের বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন।

              গত বছরের ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় অন্তত ১ হাজার ২৫৪ জন নিহত, ৪ হাজার ১২১ জন আহত এবং ৮০৪ জনের মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে জানানো হয়েছে।

              ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় মোট শহীদের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।


              তথ্যসূত্র
              1. Crews recover 19 bodies from rubble of destroyed Gaza building
              https://tinyurl.com/2dy9djdh
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                নাফ নদী থেকে ৩ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে সন্ত্রাসী আরাকান আর্মি


                কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে নাফ নদীর মোহনা থেকে তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠন আরাকান আর্মি (এএ)। এ সময় নৌকা থেকে সাগরে ঝাঁপ দিয়ে এক ঘণ্টা সাঁতার কেটে ফিরে এসেছেন আরও দুই জেলে।

                গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনার নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক জেলেরা হলেন—টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া এলাকার জসিম উদ্দিন (৪০), মোহম্মদ ইসমাইল (৪৫) এবং হারুন (৩৭)। সাঁতরে পালিয়ে আসা দুজন হলেন- জালিয়াপাড়া এলাকার নুর আলি ও মো. শরীফ।

                শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া নৌঘাট কমিটির সভাপতি আব্দুল গণি সাংবাদিকদের বলেন, সকালে পাঁচ জেলে নাফ নদীতে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরে আসার সময় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে একটি স্পিডবোট তাদেরকে ধাওয়া করলে দুজনে সাগরে ঝাপ দিয়ে সাঁতার কেটে বাংলাদেশের ভূখণ্ড গোলারচরে আসে। বাকি তিন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি। এর আগেও ওই এলাকা থেকে ২০-২৫ জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

                আরেক জেলে মো. শরীফ বলেন, ‘সাগর থেকে মাছ ধরে আসার সময় এক সঙ্গে ছয়-সাতটি নৌকাকে ধাওয়া করে আরাকান আর্মি। আমাদের নৌকাটি ছোট হওয়ায় স্পিডবোট নিয়ে ধাওয়া করে ধরে ফেলে।’

                সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘জালিয়াপাড়া এলাকার তিন জেলেকে আরাকান আর্মি নাফ নদীর মোহনা থেকে ধরে নিয়ে গেছে। তাদের ফিরে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে।’


                তথ্যসূত্র:
                ১। আরাকান আর্মি ধরে নিল ৩ জেলেকে, সাগরে ঝাঁপ দিয়ে ফিরলেন দুজন
                https://tinyurl.com/2m6m8ywa
                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment


                • #9
                  মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ, ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা


                  মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় হোগলাকান্দি গ্রামে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই কিশোরী বর্তমানে প্রায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।

                  বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ হোগলাকান্দি গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে মো. ইসম (১৮), বোরহানউদ্দিন সরকারের ছেলে মারুফ মিয়া (১৪), সোলায়মান দেওয়ানের ছেলে তহিদুল ইসলাম (১৩) কিশোরীকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে।

                  একপর্যায়ে কিশোরীর শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলে তার গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

                  পরিবারের দাবি, ঘটনার পর বিষয়টি গোপন রাখার জন্য অভিযুক্ত পক্ষ থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি জানাজানি হলে তারা আইনি সহায়তা নেওয়ার উদ্যোগ নেন।

                  এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।


                  তথ্যসূত্র:
                  ১। গজারিয়ায় ১৩ বছরের কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ, ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা
                  https://tinyurl.com/5f539cnn
                  নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                  Comment


                  • #10
                    লক্ষ্মীপুরে ইমাম-মুয়াজ্জিনকে ভাতা দেওয়ার নাম করে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নিলো বিএনপির দুই নেতা


                    লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সরকারি ভাতা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ১৫ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ায় বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

                    বহিষ্কৃত দুই নেতা হল, উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হারুনুর রশিদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ হোসেন।

                    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের উত্তর দরবেশপুর হাজীবাড়ি জামে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমকে সরকারি ভাতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই দুই নেতা জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ১৫ হাজার টাকা নেয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তাদেরকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।


                    তথ্যসূত্র:
                    ১। ইমাম-মুয়াজ্জিনকে ভাতা দেওয়ার নামে ঘুস, দুই বিএনপি নেতা বহিষ্কার
                    https://tinyurl.com/ydjv92pe
                    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                    Comment


                    • #11
                      গাইবান্ধায় ত্রিপলের সামিয়ানা টানিয়ে রাতভর জুয়ার আসর, মাদক-সুদের ফাঁদে সর্বস্বান্ত মানুষ; অভিযোগের পরও নীরব প্রশাসন



                      ​গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় রাত হলেই একাধিক স্থানে জমে উঠে ‘ফরডাবুর-ছয়গুটির’ জুয়ার আসর। আর এই জুয়ার আসরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে মাদক ও সুদের কারবার। এতে করে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন মানুষ, বাড়ছে চুরি-ছিনতাইসহ নানা অপরাধ।

                      দৈনিক ইত্তেফাক এক প্রতিবেদনে জানায়, এসব আসর ঘিরে রাতভর জুয়াড়িদের আনাগোনা, মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের উৎপাত এবং মোটরসাইকেলের শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন আশপাশের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার জানানো হলেও এসবের বিরুদ্ধে জনপ্রতিনিধি কিংবা পুলিশ কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয়রা আরও জানায়, বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করেই এই জুয়ার আসর নির্বিঘ্নে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিবাদ করলে পড়তে হচ্ছে হুমকি-ধামকির মুখে।

                      জানা গেছে, উপজেলার ফরিদপুর ও ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী খোদাবক্স গ্রামের খরকার দিঘির দক্ষিণ পাড়, সাদুল্লাপুর-নলডাঙ্গা সড়কের জোড়া ঘাঘট ব্রিজসংলগ্ন দামোদরপুর ইউনিয়নের জামুডাঙ্গা গ্রামে নদীর বাঁধের পূর্ব পাশের চর, ধাপেরহাট ইউনিয়নের বকসীগঞ্জ হাইস্কুলের পিছনে নলেয়া নদীরপাড় ও ফরিদপুর ইউনিয়নের মহেশপুর সংলগ্ন মাঝিপাড়াসহ উপজেলার একাধিক স্থানে চলছে এই জুয়া খেলা।

                      অভিযোগ রয়েছে, ত্রিপলের সামিয়ানা টাঙিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত নিয়মিত এসব জুয়ার খেলা দীর্ঘদিন থেকে চলছে।

                      স্থানীয়দের ভাষ্য, সন্ধ্যার পর থেকেই মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে এই আসরগুলোতে জুয়াড়িরা আসতে শুরু করে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় জুয়া খেলা। সেই সঙ্গে চলে মদ, গাঁজা, ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সেবন। এছাড়া জুয়ার আসরের জুয়াড়িরা (জুয়া খেলোয়ার) সাথে নিয়ে আসা সব টাকা জুয়ার বোর্ডে হারিয়ে নি:স্ব হলে পুনরায় খেলার জন্য উপস্থিত মুহুর্তেই তাদেরকে চড়া সুদে টাকা ধার দেওয়া হয়। জুয়া পরিচালনা কমিটির লোকজনই তিনশত টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যামে সই-স্বাক্ষর নিয়ে এই টাকা ধার দেয়।

                      উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য ও স্কুল শিক্ষক সাইদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তাঁর বাড়ির পাশের গ্রাম জামুডাঙ্গা। এই গ্রামের ঘাঘট নদীর বাঁধের পূর্ব পাশের চরে দীর্ঘদিন থেকে ফরডাবুর জুয়া খেলা চলছে। এখানে ত্রিপলের সামিয়ানা টাঙ্গানো থাকায় বৃষ্টি হলেও এ খেলা বন্ধ হয় না। এছাড়া জুয়াড়িদের মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন রাখারও আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে।

                      তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জুয়া খেলে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, অনেককেই জুয়ার বোর্ডে এক লক্ষ টাকায় দিন প্রতি এক হাজার টাকা সুদে ধার নেওয়া টাকা পরিশোধ করার জন্য গুরু-ছাগল ও ঘরবাড়িও বিক্রি করতে হচ্ছে। অথচও পুলিশকে বারবার অভিযোগ করেও এসবের স্থায়ী কোনো প্রতিকার মেলেনি।’

                      উপজেলার ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মাহাফুজার রহমান মাফু বলেন, ‘খরকার দিঘির জুয়ার আসর বন্ধে বহুবার চেষ্টা করেছি। পুলিশকে জানিয়েছি। কিন্তু কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং জুয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে বিভিন্ন মহল থেকে চাপ আসে।’

                      উপজেলা সদর বনগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল কাইয়ুম হুদা বলেন, ‘এসব জুয়ার আসর নিয়ে উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জুয়ার আসরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তারপরও জুয়া নির্মূলে পুলিশ ও প্রশাসনের কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা যায়নি।’

                      উপজেলা বনিক সমিতির সভাপতি সফিউল ইসলাম স্বপন জানান, এই জুয়া খেলে অনেক ব্যবসায়ী ও কৃষক পরিবার সর্বস্বান্ত হচ্ছে। পাশাপাশি উঠতি বয়সী যুবক ও শিক্ষার্থীরা জুয়া এবং মাদক সেবনে দিকে ঝুঁকে পড়ছে, বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয়, চুরি-ছিনতাই ও অপরাধপ্রবণতা।


                      তথ্যসূত্র:
                      ১। রাত হলেই জমে উঠে জুয়া ও মাদকের আসর, সর্বস্বান্ত হচ্ছে মানুষ
                      https://tinyurl.com/mrx9kweb
                      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                      Comment

                      Working...
                      X