Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ২৯ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ২৯ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৩ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

    অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে বই নিষিদ্ধ থেকে ইন্টারনেট বন্ধ: মতপ্রকাশ ও শিক্ষার স্বাধীনতা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ



    অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শিক্ষার পরিবেশ এবং তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। গত এক বছরে ২৫টি বই বাজেয়াপ্ত, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগার থেকে বই সরিয়ে নেওয়া, কয়েকশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন, ইন্টারনেট ও ভিপিএন ব্যবহারে বিধিনিষেধ এবং সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের দীর্ঘমেয়াদি আটকের মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছে।

    হিন্দুত্ববাদী ভারত কর্তৃক অবৈধভাবে অধিকৃত এই ভূখন্ডের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে Forum for Human Rights in Jammu and Kashmir-এর সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব ঘটনা নথিবদ্ধ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত সময়ের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলার অজুহাতে দখলদার সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ কাশ্মীরিদের মতপ্রকাশ, শিক্ষা ও একাডেমিক স্বাধীনতা এবং তথ্যপ্রাপ্তির পরিসরকে সংকুচিত করছে।

    ২৫টি বই বাজেয়াপ্ত

    ২০২৫ সালের ৫ আগস্ট অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের স্বরাষ্ট্র দপ্তর ২৫টি বই বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয়। দখলদার প্রশাসনের অভিযোগ, বইগুলো ‘মিথ্যা বয়ান ও বিচ্ছিন্নতাবাদ’ প্রচার করে। এগুলো তরুণদের মধ্যে দখলদার সরকারের প্রতি ক্ষোভ তৈরি করছে, মজলুম কাশ্মীরিদের নিপীড়িত হওয়ার অনুভূতিকে আরও জাগিয়ে তুলছে। এছাড়া কাশ্মীরের স্বাধীনতাপন্থীদের বীর হিসেবে উপস্থাপন করছে।

    নিষিদ্ধ বইগুলোর লেখকদের মধ্যে রয়েছেন অরুন্ধতী রায়, এ.জি. নূরানি, অনুরাধা ভাসিন, ক্রিস্টোফার স্নেডেন, সুমন্ত্র বসু, হাফসা কাঞ্জওয়াল ও এসার বাতুল।

    আদেশের পর শ্রীনগরসহ জম্মু ও কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় বইয়ের দোকান ও বিক্রেতাদের কাছে তল্লাশি চালানো হয়। নিষিদ্ধ বইয়ের কপি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখে দখলদার পুলিশ।

    অনুরাধা ভাসিনের A Dismantled State: The Untold Story of Kashmir After Article 370 বইটিও নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে। সরকারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে ভাসিন দাবি করেছে, বইটি গবেষণাভিত্তিক এবং এতে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করা হয়নি।

    পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টি (PDP)-র নেত্রী মেহবুবা মুফতি বই নিষিদ্ধের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। তার বক্তব্য, বই নিষিদ্ধ করে ইতিহাস মুছে ফেলা যায় না; বরং এতে দখলদার প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস আরও বাড়বে।

    স্কুল লাইব্রেরিতে বই নিয়ে বিতর্ক

    ২০২৬ সালের জুলাইয়ে সরকারি স্কুলের লাইব্রেরিতে সরবরাহ করা কিছু বই নিয়ে আপত্তি তুলে দখলদার ভারত প্রশাসন। বিশেষ করে Personalities and Legends of J&K বইটিতে কাশ্মীরের বর্ণনা এবং জম্মু-কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্ট (JKLF) এর প্রতিষ্ঠাতা মাকবুল ভাটকে ‘শহীদ’ হিসেবে উল্লেখ করায় আপত্তি জানায় দখলদার কর্তৃপক্ষ।

    ফলশ্রুতিতে স্কুলশিক্ষা দপ্তরের ৮ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং লাইব্রেরি ক্রয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়। সংশ্লিষ্ট বই প্রত্যাহারের পাশাপাশি তদন্ত শুরু করে দখলদার কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট লেখক ও প্রকাশকদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়।

    পরে জম্মু বিশ্ববিদ্যালয়ও সংশ্লিষ্ট লেখকদের বই লাইব্রেরি ও ডিজিটাল সংগ্রহশালা থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়। কালো তালিকাভুক্ত প্রকাশকদের কাছ থেকে নতুন করে বই না কেনার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    মানবাধিকার ফোরামের মতে, এই ঘটনা কাশ্মীরের রাজনৈতিক ইতিহাস নিয়ে একাডেমিক গবেষণা ও পাঠ্যসামগ্রী ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে।

    FAT- ট্রাস্টের সাথে সম্পৃক্ত স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিবর্তন

    ফালাহ-ই-আম ট্রাস্ট (FAT)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত স্কুলগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দখলদার কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নিষিদ্ধ জামায়াতে ইসলামীর সম্পর্ক রয়েছে। এর ভিত্তিতে শত শত স্কুলের ব্যবস্থাপনা সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষাবর্ষের মাঝপথে ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনের ফলে শিক্ষা কার্যক্রম ও শিক্ষকতার ধারাবাহিকতা ব্যাহত হয়েছে।

    অভিভাবকদের একাংশের দাবি, সীমিত আয়ের পরিবারের সন্তানদের জন্য এসব প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক কম খরচে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ তৈরি করেছিল।

    চিকিৎসাশিক্ষায় বৈষম্য

    শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল এক্সিলেন্সকে ঘিরেও বিতর্ক উস্কে দেয় দখলদার প্রশাসন। ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি ন্যাশনাল মেডিক্যাল কমিশন (NMC) মূল্যায়নে চিহ্নিত বিভিন্ন ঘাটতির কথা উল্লেখ করে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রতিষ্ঠানটির MBBS কোর্স পরিচালনার অনুমতি প্রত্যাহার করে।

    এতে NEET-এর মাধ্যমে ভর্তি হওয়া ৫০ শিক্ষার্থী (যার মধ্যে ৪৪ জনই মুসলিম) অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। পরে তাদের অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। ৫০ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪৪ জন মুসলিম হওয়ার বিষয়টি সামনে আসার পর ঘটনাটি রাজনৈতিক বিতর্কের রূপ নেয়।

    ২০২৫ সালে ৬৫ বার ইন্টারনেট বন্ধ

    তথ্যপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়গুলোর একটি হলো ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা। ফোরামের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে ৬৫ বার ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়, যা ওই বছর ভারতে নথিভুক্ত মোট ইন্টারনেট বন্ধের ৬০ শতাংশেরও বেশি।

    এছাড়া ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর থেকে প্রায় দুই মাস ভিপিএন ব্যবহারের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। ওই সময় ভিপিএন ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাংবাদিক, শিক্ষার্থী, গবেষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ওপর এসব বিধিনিষেধের প্রভাব পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের মামলার মাধ্যমে হয়রানি

    মানবাধিকারকর্মী খুররম পারভেজ ও সাংবাদিক ইরফান মেহরাজের বিরুদ্ধে মামলার মাধ্যমে হয়রানির ঘটনা প্রতিবেদনে গুরুত্ব পেয়েছে। UAPA-এর অধীনে দায়ের করা মামলায় দীর্ঘ সময় বিচার-বিহীন অবস্থায় রেখে তাদেরকে বন্দি রাখা হয়। অতঃপর ২০২৬ সালের জুলাইয়ে দিল্লির আদালত তাদের জামিন দেয়।

    মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, সন্ত্রাসবিরোধী কঠোর আইন ব্যবহারের মাধ্যমে সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের কর্মীদের ওপর আইনি চাপ তৈরি হচ্ছে। ফোরামের মতে, দীর্ঘ বিচার-পূর্ব আটক একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করছে, যা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করছে।

    অনলাইনে রাজনৈতিক মতপ্রকাশে বিধিনিষেধ

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক মতপ্রকাশ নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। ২০২৬ সালের ১১ মে ঐতিহাসিক একটি ভিডিও শেয়ার করার পর PDP নেত্রী ইলতিজা মুফতির এক্স অ্যাকাউন্ট ভারতে সীমিত করে দেওয়া হয়।

    ঘটনাটি জম্মু ও কাশ্মীরে রাজনৈতিক বক্তব্য এবং অনলাইন কনটেন্টের ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও উসকে দেয়।

    উপসংহার

    ফোরাম এসব ঘটনাকে ভারতের সংবিধানের ১৯ অনুচ্ছেদে সুরক্ষিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং ২১এ অনুচ্ছেদে স্বীকৃত শিক্ষার অধিকারের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে।

    বইয়ের দোকান থেকে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি, সংবাদমাধ্যম থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—বিভিন্ন ক্ষেত্রের ঘটনাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে, নিরাপত্তানীতির অজুহাতে জম্মু-কাশ্মীরে দখলদার ভারতের দমন-পীড়ন কেবল রাজনৈতিক পরিসরে সীমাবদ্ধ নেই; বরং শিক্ষা, গবেষণা, সাংবাদিকতা এবং সাধারণ মানুষের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিতর্ক ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/3xjxyjr5
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর এর নামে ২৭ লক্ষ ভোটার বাদ দেয়া এবং মসজিদের লাউডস্পিকার অপসারণের প্রতিবাদে জমিয়তের বিক্ষোভ



    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ১১ আগস্ট (মঙ্গলবার) কলকাতায় বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে জমিয়াত-এ-উলামা। এসআইআর (Special Intensive Revision) এর নামে ২৭ লক্ষ ভোটারের নাম ‘বৈষম্যমূলকভাবে’ বাদ দেওয়া এবং মসজিদ থেকে অযৌক্তিকভাবে লাউডস্পিকার অপসারণের প্রতিবাদে তারা এই বিক্ষোভ করেছে।

    সাংবিধানিক অধিকার সত্ত্বেও প্রাথমিকভাবে বিক্ষোভ মিছিলের অনুমতি দেয়নি কলকাতার হিন্দুত্ববাদী পুলিশ। পরবর্তীতে রাজাবাজার থেকে মৌলালি পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মিছিলের অনুমতি দেয় আদালত।

    বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন জমিয়ত-এ-উলামার রাজ্য সভাপতি মওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। মসজিদের লাউডস্পিকার সরাতে হিন্দুত্ববাদী প্রশাসনের কঠোরতা আরোপের বিরুদ্ধে তিনি প্রতিবাদ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) বিষয়টিকে রাজনৈতিক ‘নাটক’-এ পরিণত করেছে।

    এর আগে গত ৩ আগস্ট কলকাতা পুলিশের কাছে প্রায় ২,০০০ মানুষের মিছিলের জন্য অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিল জমিয়ত-এ-উলামা। কিন্তু ৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টার দিকে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করে।

    ভিত্তিহীন অজুহাত দেখিয়ে মিছিল আয়োজনে বাধা প্রদানের পদক্ষেপে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠেছে। জনবহুল স্থানে সরকারি কর্মদিবসে ইতোপূর্বে মিছিল আয়োজনের দৃষ্টান্ত রয়েছে, তাসত্ত্বেও জমিয়ত উলামার মিছিল আয়োজনের উদ্যোগকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে কলকাতা পুলিশ। আদালতের যুক্তি, সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে।

    আদালত মিছিলের অনুমতি দিলেও একাধিক শর্ত আরোপ করেছে। সর্বোচ্চ ৭৫০ জন মিছিলে অংশ নিতে পারবেন। পাশাপাশি মিছিলের ১০ জন স্বেচ্ছাসেবককে (ভলান্টিয়ার) তাদের যোগাযোগের সকল তথ্য পুলিশকে দিতে বলা হয়।

    মিছিলে লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কেবল হাতে ধরা মাইক্রোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের একাধিক মসজিদ থেকে স্থানীয় থানাগুলোর মৌখিক নির্দেশে আজানের সময় ব্যবহৃত লাউডস্পিকার সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

    ওয়াকফ বোর্ডের নথি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৬২ হাজার মসজিদ রয়েছে। তবে বহু ছোট গ্রামীণ মসজিদ সরকারি নথিভুক্ত না থাকায় মসজিদের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/ykuaf6nv
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      শরীয়তপুরে ৭ মাসের গর্ভবতী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা ছাত্রদল নেতার, মামলা করায় হত্যার হুমকি, এলাকা ছাড়া ভূক্তভোগী পরিবার



      শরীয়তপুরের সখিপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গর্ভবতী এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এক ছাত্রদল নেতা। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার থানা অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে মামলা করার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা পরিবারটিকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে, যার ফলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে বর্তমানে বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে পরিবারটি।

      পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে দৈনিক ইত্তেফাক জানায়, গত ৫ আগস্ট শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের ঢালী কান্দি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত মিলন ঢালী (৩৩) চরকুমারিয়া ইউনিয়নের ঢালী কান্দি এলাকার আক্কাস ঢালী ছেলে ও চরকুমারিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি।

      জানা যায়, উপজেলার ঢালী কান্দি গ্রামের মৃত গনি উকিলের মেয়ে ভুক্তভোগী ৭ মাসের গর্ভবতী নারী আইরিন লাবনীকে (২৩) দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে এই এলাকার বাসিন্দা আক্কাস ঢালীর ছেলে মিলন ঢালী। মাঝে মধ্যেই রাস্তাঘাটে সে ওই নারীকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে একাধিকবার মিলনকে সতর্ক করে ওই নারীর মা এবং পরিবারের লোকজন। ঘটনার দিন ৫ আগস্ট দুপুরে বাবার বাড়ীতে ঘরের মধ্যে ছিলেন আইরিন। বাসায় তিনি ছাড়া কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এই সুযোগে পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা মিলন বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তাকে জড়িয়ে ধরে প্রথমে শ্লীলতাহানি ও পরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ভূক্তভোগী নারী তার হাত থেকে বাঁচার জন্য ডাক-চিৎকার শুরু করেন।

      তবে চিৎকার চেচামেচি করায় ভুক্তভোগীকে মারধর করে মিলন। পরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ভুক্তভোগী নারীকে হুমকি-ধামকি দিয়ে চলে যায় ছাত্রদলের ওই নেতা। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মিলন ঢালী (৩৩) ও আনোয়ার ঢালীর (৩৬) বিরুদ্ধে ৯ আগস্ট সখিপুর থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেন ওই নারীর মা নাজমা বেগম।

      এদিকে মামলা করার পর থেকেই ভুক্তভোগী ও তার মা, ভাইদের হামলা এবং মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদল নেতা মিলন ঢালী ও তার লোকজন। এই ঘটনায় থানায় মামলা করায় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ওই নারীর মাকে ফোন দিয়ে পরিবার সহ হত্যা ও ঘরবাড়ি পেট্রোল বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় অভিযুক্ত মিলন। গত ৭ দিন ধরে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতার কারণে আত্মীয়র বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছেন।

      স্থানীয় মাদবর ওয়াসিম ঢালী সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দিচ্ছে মিলন। আমি এই সমাজের মুরুব্বি হিসেবে তাকে একাধিকবার নিষেধ করেছি। তার পরেও আমাদের কথা না শুনে গত ৫ তারিখে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। মেয়েটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অসুস্থ মানুষ। তাই বাবার বাড়ীতে বেড়াতে এসেছে। তার চিৎকারে মানুষ এগিয়ে না আসলে মেয়েটিকে মেরেই ফেলতো। এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার চাই। মিলন রাজনৈতিক প্রভাবে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

      স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন সরদার বলেন, মিলন একজন মাদক সেবনকারী। রাজনৈতিক পরিচয়ে এমন কোন অপকর্ম নেই যেটা মিলন না করে। ওইদিন তার মা পাশের বাড়ীতে গিয়েছে এই সুযোগে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর উপর যেভাবে ঝাপিয়ে পড়েছে মহিলারা এগিয়ে না এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতো। আজকে শুনলাম ফোন করে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। মামলা হওয়ার পরেও পুলিশ তাকে ধরতে পারছে না, এটা দুঃখজনক। দ্রুত তাকে ধরতে না পারলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ তাকে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করুন।

      এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আইরিন লাবনী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মিলন আমাকে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিলো। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতো। আমি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাই মায়ের সহযোগিতা পেতে বাবার বাড়ীতে এসেছি। ঘটনার দিন মা পাশের বাড়ীতে গিয়েছিল। সেই সুযোগে মিলন বাড়িতে প্রবেশ করে কথা বলার এক পর্যায়ে জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানি করে। এরপর ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে ডাক-চিৎকার করলে আশপাশের মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে আমাকে মারধর করে ও বিষয়টি কাউকে জানালে জানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফেরার চেষ্টা করি। তবে মামলা তুলে নিতে মিলন মাকে ফোন করে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তাই ভয়ে বাড়ীতে যাচ্ছি না। পুলিশও তাকে আটক করছে না। আমরা কার কাছে যাবো? কে আমাদের দায়িত্ব নিবে। আমি বিচার পাচ্ছি না কোথাও? আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করি তার যেন উপযুক্ত শাস্তি হয়।

      মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী আইরিনের মা নাজমা বেগম বলেন, আগে জানলে মামলা করতাম না। মামলা করে এখন নিজেরাই পালিয়ে বেড়াচ্ছি। মামলা উঠিয়ে নিতে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে মিলন ও তার পরিবারের লোকজন। তারা বিএনপির বড় নেতা, এলাকায় প্রভাব বেশি। তাই তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে চায় না। মেয়েটা এমনিতেই অসুস্থ। এরপর তাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে তাতে ডাক্তার বলেছেন সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে। আমার স্বামী নেই, কাকে নিয়ে মামলা লড়বো? আমাকে হুমকি দিয়ে বলে মামলা না তুলে নিলে হত্যা করে ঘরবাড়ি পেট্রোল বোমা মেরে উড়িয়ে দিবে। এই দেশে কি প্রশাসন নেই? আমি সরকারের কাছে ন্যায় বিচার ও আমাদের নিরাপত্তা চাই।


      তথ্যসূত্র:
      ১। গর্ভবতী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা
      https://tinyurl.com/mrr6p7sv
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        গাজায় পানি সংকট: বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত ১৩ লাখেরও বেশি বাসিন্দা



        পর্যাপ্ত পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিষেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার অধিকাংশ মানুষ। জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ) এ তথ্য জানিয়েছে।

        ওসিএইচএ-এর তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ১৩ লাখের বেশি মানুষ অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি, প্রতিদিন মাথাপিছু ৬ লিটারের কম পানি পান ও রান্নার জন্য ব্যবহার করতে পারছে। অথচ জরুরি পরিস্থিতিতেও গোসল, রান্না ও পান করার জন্য একজন মানুষের প্রতিদিন অন্তত ১৫ লিটার পানি প্রয়োজন।

        এ ছাড়া গাজার আরও ৭ লাখ মানুষ, যা মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি, প্রতিদিন মাথাপিছু ৯ লিটারের কম পানি পাচ্ছে। এতে তাদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা এবং শিশুদের প্রয়োজন মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

        জাতিসংঘের সংস্থাটি বলেছে, পানি সংগ্রহের কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় রয়েছে। একই সঙ্গে পানি বহনের জন্য পর্যাপ্ত পাত্রও অনেক পরিবারের নেই। ফলে অনেক সময় শিশুদেরই বাড়িতে পানি নিয়ে যেতে হচ্ছে।

        গাজার প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন পানি সরবরাহকারী ট্রাকের ওপর নির্ভরশীল। গত মাসে মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো গাজাজুড়ে প্রতিদিন ২ হাজার ৫০০টির বেশি পানি সংগ্রহের কেন্দ্র এবং ১০০টিরও বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থলে পানি সরবরাহ করেছে।

        ওসিএইচএ আরও জানিয়েছে, উপত্যকাটির মাত্র অর্ধেক পরিবার মৌলিক স্যানিটেশন ব্যবস্থা বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের সুবিধা পায়। পাশাপাশি ৯ লাখের বেশি মানুষ আবাসিক এলাকায় জমে থাকা আবর্জনার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।


        ‎তথ্যসূত্র
        1. More than 1.3 million people in Gaza have access to
        https://tinyurl.com/nhb8bcpr
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          নথি থাকা সত্ত্বেও বাংলাভাষী মুসলিম নারীকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন




          ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ৪০ বছর বয়সী এক বাংলাভাষী মুসলিম নারীকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশে পুশইন করেছে দেশটির হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন।

          ভুক্তভোগী সাহিদা ফকির পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বরূপনগরের স্থানীয় বাসিন্দা। গত ১৮ জুলাই রাতে নাভি (নতুন) মুম্বাইয়ের সানপাড়ায় একটি বাজার থেকে তাকে আটক করেছিল হিন্দুত্ববাদী পুলিশ।

          সাহিদার স্বামী জুম্মান ফকির জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে সাহিদার পরিচয়পত্র, জন্মসনদ, স্কুল সার্টিফিকেট, তার পিতা-মাতার জমির দলিলসহ একাধিক ডকুমেন্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৩ দিন পর তাদেরকে জানানো হয় যে, সাহিদাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাহিদার স্বামী ও দুই ছেলে বর্তমানে ভারতেই রয়েছেন।

          এর আগে বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (MASUM) নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন কলকাতা হাইকোর্টে অভিযোগ করেছিল যে, সাহিদাকে বেআইনিভাবে আটক করা হয়েছে। সংগঠনটির দাবি, সাহিদার ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের একাধিক সরকারি নথি রয়েছে। তাসত্ত্বেও তাকে ‘বাংলাদেশি’ তকমা দেওয়া হয়েছে।

          জুম্মান ফকির আরও বলেন, “আমাদের বাড়ি স্বরূপনগরে। আমরা ভারতীয় নাগরিক, গত দুই দশক ধরে মুম্বাইয়ে বসবাস করছি। ইতিপূর্বে আমরা কখনও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হইনি।”

          পরিবারের দাবি, সাহিদাকে আরও কয়েকজনের সাথে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। কথিত পুশব্যাকের পর তিনি বাংলাদেশের সাতক্ষীরায় একটি পরিবারের আশ্রয়ে রয়েছেন। সেখানে পৌঁছাতে তাকে কর্দমাক্ত মাঠ দিয়ে প্রায় ৮ ঘণ্টা হাঁটতে হয়েছে।

          সাতক্ষীরা থেকে ফোনে সাহিদা জানান, রাত প্রায় ১টার দিকে সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।

          স্থানীয় বাসিন্দাগণ তাকে খাবার, পোশাক ও আশ্রয় দিয়েছেন। অসহায় সাহিদা দাবি জানান,“আমি একজন ভারতীয় নাগরিক, আমি শুধু বাড়ি ফিরতে চাই। আমার ছেলে ৭ম শ্রেণিতে পড়ে। এখন তার দেখাশোনা কে করবে?”

          সাহিদা আরও জানান, তার তিন ভাই-বোনের নাম ভোটার তালিকায় রয়েছে। তবে তার নিজের নাম এবং এক বোনের নাম বর্তমানে ট্রাইব্যুনালের বিবেচনাধীন রয়েছে।

          অভিযোগ রয়েছে, কোনও বিচার বা আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণ ব্যতীত ভুক্তভোগীকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে হিন্দুত্ববাদী পুলিশ ও সিআইডি কর্মকর্তারা। আটকের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার নিয়ম থাকলেও প্রায় ৯০ ঘন্টা পরেও তাকে হাজির না করে পুলিশি হেফাজতেই রাখা হয়। তাকে এমনকি তার পরিবার বা কোন আইনজীবীর সাথে কথা বলার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ উঠেছে।

          এই ঘটনার মাধ্যমে, পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব ও ভোটার তালিকা যাচাইয়ের নামে বাংলাভাষী মুসলিমদের ওপর চলমান ধরপাকড় ও অতিরিক্ত নজরদারির বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।


          তথ্যসূত্র:
          1. https://tinyurl.com/y3by3x4a
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            টেক্সাসে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ২ সেনা নিহত




            যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই সেনাসদস্য নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় ১২ আগস্ট, বুধবার এ ঘটনা ঘটে। বুধবার টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটি থেকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে গিয়েছিল হেলিকপ্টারটি।

            ফোর্ট হুড কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টারটি টেক্সাসের সালাডো এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এতে থাকা দুই সেনাসদস্যই নিহত হয়েছে।

            তবে বিবৃতিতে দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারটি কী ধরনের কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিল, সে বিষয়ে সামরিক কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

            নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিচয়ও তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তাদের স্বজনদের বিষয়টি জানানোর পর পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে ফোর্ট হুড কর্তৃপক্ষ।

            এদিকে, এই ঘটনার প্রায় দুই মাস আগে ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি মার্কিন বিমানবাহিনীর B-52 বোমারু বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ওই ঘটনায় বিমানে থাকা আটজনই নিহত হয়।


            তথ্যসূত্র
            1. Two soldiers are dead after a military helicopter crashes in Texas, sparking a fire
            https://tinyurl.com/ycxvxv46
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ভারতের উত্তর প্রদেশে সরকারিভাবে গোমূত্র সংগ্রহের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্প চালু



              ভারতের উত্তর প্রদেশে গোমূত্র সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি পাইলট প্রকল্প আরম্ভ করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। প্রকল্পটির আওতায় বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ লিটার গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। এটি চালু করা হয়েছে বুলন্দ শহরের ১৫টি গ্রামে।

              ১২ আগস্ট ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিভির নিউজে জানানো হয়, ভবিষ্যতে প্রতি লিটার ২০ রুপির বিনিময়ে পশুপালকদের থেকে গোমূত্র সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। এলক্ষ্যে গ্রামগুলোতে ২০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাঙ্কও বসানো হয়েছে।

              সরকারের দাবি, প্রকল্পটির উদ্দেশ্য কৃষকদের অতিরিক্ত আয়, গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থান এবং দুধ না দেওয়া গরুর রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করা। সংগৃহীত গোমূত্র জৈব কৃষিকাজে প্রাকৃতিক কীটনাশক ও সার তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া প্রকল্প সফল হলে রাজ্যজুড়ে এটি চালুর জন্য পৃথক নীতি প্রণয়ন করা হবে বলেও জানানো হয়।

              প্রকল্পে প্রায় ৩০০ নারী যুক্ত হয়েছে। গোমূত্র সংগ্রহে সহযোগিতাকারী নারীরা প্রতি লিটারে দুই রুপি কমিশন পাচ্ছে।

              তবে সমাজবাদী পার্টি এই উদ্যোগকে ‘কেলেঙ্কারি’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছে, নির্বাচনি তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই সরকার এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে।


              তথ্যসত্র:
              1. https://tinyurl.com/w4a9menm
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X