Announcement

Collapse
No announcement yet.

উম্মাহ নিউজ || ৩০ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • উম্মাহ নিউজ || ৩০ সফর, ১৪৪৮ হিজরি || ১৪ আগস্ট, ২০২৬ ঈসায়ী

    ভারতে হিন্দুদের কানওয়ার তীর্থযাত্রা শেষে হরিদ্বারে ৭ হাজার টন বর্জ্য, পরিচ্ছন্নতা নিয়ে উদ্বেগ



    ভারতের উত্তরাখণ্ডে হিন্দুদের বার্ষিক কানওয়ার তীর্থযাত্রা শেষ হয়েছে। যাত্রা শেষে হরিদ্বারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।

    জানা গেছে, শ্রাবণ মাসে প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ কানওয়ারিয়া হরিদ্বারে এসেছিল। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী, পবিত্র গঙ্গাজল সংগ্রহ করে শিবরাত্রির পর তীর্থযাত্রীরা নিজ নিজ শহরে ফিরে গেছে।

    কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, তীর্থযাত্রীরা শহরের বিভিন্ন ঘাট, সড়ক ও পার্কিং এলাকায় বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ফেলে গেছে। এসব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে পোশাক, প্লাস্টিকের বোতল, চটি-জুতা এবং কানওয়ার কাঠামোর বিভিন্ন অংশ। এমনকি অসংখ্য প্রস্রাবভর্তি বোতল উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা গেছে। প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, কানওয়ার যাত্রার পর হরিদ্বারে প্রায় ৭ হাজার টন আবর্জনা জমেছে।

    হরিদ্বারের অন্যতম প্রধান ঘাট হর কি পৌড়ি এর পরিস্থিতি উদ্বেগ তৈরি করেছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে সেখানে আবর্জনা ও ফেলে দেওয়া সামগ্রীর স্তূপ দেখা গেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কোদাল দিয়ে এসব বর্জ্য সরাতে দেখা গেছে।

    কানওয়ার যাত্রায় সৃষ্ট বিপুল বর্জ্য পরিষ্কার করতে হরিদ্বার পৌরসভা ও জেলা প্রশাসন বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দল রাতভর কাজ করে ঘাট, সড়ক ও পার্কিং এলাকা পরিষ্কার করছে। বিশেষ এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ১৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। প্রায় ১ হাজার অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজে নামানো হয়েছে, পাশাপাশি সংগৃহীত আবর্জনা সরাতে ৮০টিরও বেশি যানবাহন ব্যবহার করা হচ্ছে।

    তবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা শুধু হরিদ্বারেই সীমাবদ্ধ নয়। কানওয়ার যাত্রার সময় গঙ্গা নদীর উৎসমুখ উত্তরকাশীর গঙ্গোত্রীতেও হাজার হাজার ভক্ত গিয়েছিল। জানা গেছে, সেখানে প্রায় ৫৭ হাজার তীর্থযাত্রী গিয়েছিল।

    যাত্রা শেষ হওয়ার পর ওই এলাকায় হিন্দু ভক্তদের ফেলে যাওয়া পোশাক, প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের, কারণ গঙ্গোত্রী তথা গঙ্গার উৎপত্তিস্থল প্লাস্টিকমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে পরিবেশ কর্মীরা।

    কানওয়ার যাত্রা শেষে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য পড়ে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীদের একাংশ সমালোচনা করেছে। হিন্দুদের এই তীর্থযাত্রা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের নামে কীভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    সমালোচকদের অনেকে মন্তব্য করছে, ভক্তরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী পবিত্র গঙ্গা থেকে জল সংগ্রহ করছে, অথচ সেই একই নদীর তীরে তারা বিপুল পরিমাণ আবর্জনা ফেলে যাচ্ছে — বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/43zyrba2
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    গাজায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বর্বর ইসরায়েলি হামলায় শহীদ অন্তত ২ ফিলিস্তিনি



    গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও সন্ত্রাসী ইসরায়েলি হামলা ও সামরিক আগ্রাসন থামেনি। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ আগস্ট, বৃহস্পতিবার গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলায় একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ২ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্র ও চিকিৎসা কর্মকর্তাদের বরাতে আনাদুলু জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-আমাল এলাকায় একটি বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী একটি ড্রোন হামলা চালায়। এতে একজন ফিলিস্তিনি শহীদ হন এবং আরও একজন আহত হন। স্থানীয় প্রতিবেদনে শহীদ ব্যক্তির নাম হুযাইফা কাওয়ারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অন্যদিকে গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আল-রশিদ সড়কে একটি যানবাহন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী। এতে গাজার পুলিশপ্রধান কর্নেল জামাল মাহমুদ আবু কামিল শহীদ হন এবং আরও দুইজন আহত হন। ৪৩ বছর বয়সী জামাল আবু কামিলের গাড়িতে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    জামাল আবু কামিল গাজার পুলিশ ব্যবস্থার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন। যুদ্ধ ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও তিনি গাজায় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজে পুলিশ সদস্যদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছিলেন।

    গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, গাজার পুলিশ বাহিনীকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যাতে গাজাজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যায়।

    মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তর, টহল দল, যানবাহন এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর সরাসরি ইসরায়েলি হামলায় অর্ধশতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য শহীদ হয়েছেন।


    তথ্যসূত্র

    1. Police officer among 2 killed in Israeli drone strikes in Gaza despite truce
    https://tinyurl.com/3td3ewsn
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ইরান যুদ্ধে ২২৫ কোটি ডলার সমমূল্যের ৪৫টি এমকিউ-৯ ‘রিপার’ ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র




      ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ ‘রিপার’ ড্রোন হারিয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। এই সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট রিপার ড্রোনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

      রিপার ড্রোন মূলত নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার কাজে ব্যবহৃত হয়। মার্কিন বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সেন্সর ও অস্ত্রের ধরনভেদে প্রতিটি রিপার ড্রোনের দাম প্রায় ৩ কোটি থেকে ৫ কোটি ডলার। সে হিসাবে ৪৫টি ড্রোন হারানোর অর্থ শুধু এই ড্রোনগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ক্ষতি ১৩০ কোটি থেকে ২২৫ কোটি ডলার।

      ইরান যুদ্ধের সময় হরমুজ প্রণালির আশপাশে এসব ড্রোন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বর্তমানে সংঘাতের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ এলাকায় পরিণত হয়েছে।

      তবে রিপার ড্রোন তুলনামূলক ধীরগতির এবং অনেক সময় নিচু উচ্চতায় উড়ে। ফলে ইরানের সামরিক বাহিনী এবং ইয়েমেন ও ইরাকে থাকা ইরানের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য এগুলো তুলনামূলক সহজ লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।

      ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি ইউক্রেনকে দীর্ঘদিন ধরে সামরিক সহায়তা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুতের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে।

      যুদ্ধের প্রথম মাসেই মার্কিন বাহিনী ৮৫০টির বেশি ‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’ এবং এক হাজারের বেশি প্যাট্রিয়ট ও ‘থাড’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ফলে দীর্ঘপাল্লার হামলা ও গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

      মজুত কমে যাওয়ার কারণে আঞ্চলিক মার্কিন কমান্ডাররা কিছু ক্ষেত্রে সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করছে। কোনো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার আশঙ্কা কম মনে হলে সেটিকে প্রতিহত না করে কিছু প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ইরান যুদ্ধে ব্যবহৃত এবং ইউক্রেনকে পাঠানো অস্ত্রের কারণে কমে যাওয়া মজুত পুরোপুরি পূরণ করতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।

      রক্ষণশীল থিংকট্যাংক আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের (AEI) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন মিসাইল ডিফেন্স এজেন্সি বছরে সর্বোচ্চ ৯৬টি থাড ইন্টারসেপ্টর তৈরি করতে পারে। অথচ আগামী বছরের প্রতিরক্ষা বাজেটে পেন্টাগন ৮৫৭টি এবং আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২ হাজার ৬০০টি থাড চেয়েছে। উৎপাদনক্ষমতা অপরিবর্তিত থাকলে এই চাহিদা পূরণে প্রায় ২৭ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে এইআই।

      ফলে ইরান যুদ্ধ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পরিমাণই বাড়াচ্ছে না, অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন, প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখার ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি করছে।


      তথ্যসূত্র

      1. U.S. military has lost roughly 25% of its Reaper drones as Iran war depletes arsenal
      https://tinyurl.com/mv4j9nn8
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        চট্রগ্রামের সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাসে শ্রমিকদের মৃত্যু বেড়ে ৯


        চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় স্ক্র্যাপ জাহাজের ভেতর ছড়িয়ে পড়া গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

        ১৪ আগস্ট (শুক্রবার) সকালে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ড ও রিসাইক্লিং কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

        দুই দফায় হাসপাতালে ৭ জন

        কারখানাটিতে থাকা একটি স্ক্র্যাপ জাহাজের ভেতর শ্রমিকেরা কাজ করছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, হঠাৎ কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে একে একে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

        চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ইশতিয়াক রহমান বলেন, ওই কারখানা থেকে দুই দফায় সাতজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে ছয়জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অপরজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।

        ঘটনাস্থলে আরও দুজনের লাশ রয়েছে বলে জানান সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর। পরে নিহতের সংখ্যা আটজনে দাঁড়ায়।

        নিহত আট শ্রমিকের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭) এবং দুই সহোদর মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। তাদের বাড়ি ভাটিয়ারী এলাকায়।

        স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সকালে হঠাৎ কারখানার ভেতর থেকে মানুষের চিৎকার শুনতে পান তারা। পরে কয়েকজন সেখানে গিয়ে অসুস্থ শ্রমিকদের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখেন।

        এরপর স্ক্র্যাপ জাহাজের ভেতরে কয়েকজন শ্রমিকের লাশ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে কারখানার ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

        আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সকালে তাদের দুটি নৌকা সাগর থেকে ইলিশ ধরে উপকূলের দিকে ফিরছিল। কিন্তু কারখানার দিক থেকে আসা গ্যাসের তীব্র গন্ধের কারণে তারা ওই এলাকার খালে ঢুকতে পারেননি। প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে নৌকা ভেড়াতে হয়েছে।

        গ্যাসমুক্ত না করেই জাহাজ কাটার অভিযোগ

        ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। যে জাহাজটি কাটা হচ্ছিল, সেটি আগে এলএনজি বহন করত।

        তার ভাষ্য, এ ধরনের জাহাজ কাটার আগে ট্যাংক ও অন্যান্য অংশ সম্পূর্ণ গ্যাসমুক্ত করতে হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট জাহাজের ট্যাংক গ্যাসমুক্ত না করেই কাটার কাজ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

        তৌফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু ট্যাংকে ফ্লোরিন, কার্বন মনোক্সাইড ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্যাস থাকতে পারে। এসব গ্যাসের উপস্থিতি শ্রমিকদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে শ্রমিকদের নিরাপত্তাব্যবস্থাও খুবই দুর্বল ছিল বলে জানান তিনি।

        কারখানার মালিকের প্রতিনিধি মো. মহিউদ্দিন বলেন, ঘটনার সময় তিনি কারখানার বাইরে ছিলেন। কারখানা থেকে তাকে জানানো হয়েছে, জাহাজে থাকা ছয় থেকে আটজন কর্মী অসতর্কতার কারণে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কারখানায় গিয়ে তিনি বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান।

        দুর্ঘটনার পর কারখানা ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিষাক্ত গ্যাসের ঝুঁকির কারণে উদ্ধারকাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।


        তথ্যসূত্র:

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X