কোনো অযুহাত ছাড়াই রোহিঙ্গা শিবিরে ৩০০ স্বেচ্ছাসেবী মুসল্লি আটক: শর্ত সাপেক্ষে ভোর রাতে মুক্ত
গতকাল সোমবার ২/১০/১৭ রাত এশার পর হটাৎ করেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য বাহিনীরা যৌথ অভিযানে নামেন। শুরু হয় গণআটক। ৩০০ জনের অধিককে আটক করা হয়। বিশেষ করে নুসরতের জন্য যাওয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর সব মসজিদসহ আশপাশের এলাকার মসজিদে থাকা তাবলীগ জামাত, নুসরতের জন্য গত ১ মাস/ ১০-১৫ দিন থেকে নিঃশ্বার্থে পড়ে থাকা বিভিন্ন ইসলামি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক, সেখানে অবস্থানরত আলেমদের গণহারে আটক করা হয়৷
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মেডিকেল টিমে অবস্থানকারী মাসরুর হাবিব ফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, হটাৎ কেনো এই অভিযান_জিজ্ঞাসা করা হলে আর্মীরা বলেন যে উপর থেকে নির্দেশ, ‘আপনার কারো অনুমোদন প্রাপ্ত নন।’ বহু সংখ্যককে রাতে আটক না করেই কক্সবাজার পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং ফিরে যেনো না আসে মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সেনাবাহিনী এর পরিচিত আমাদের একজন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে বলেন যে, আমাদের কাছে তথ্য এসেছে যে, হেফাজত কর্মীতে ভরে গেছে এলাকা৷ তারা সবাই দলবদ্ধ ভাবে চলছে। যে কোন সময় কিছু করতে পারে বলে সন্দেহ। তাই উপর থেকে আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাটহাজারী মাদরাসা থেকে যাওয়া আটক কৃত(যাকে পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে) মুহাম্মাদ মুসতাক আহমদ বলেন, আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে একটি মসজিদে অবস্থান করছিলাম৷ হটাৎ সেনাবাহিনীর দুইটি গাড়ী এসে কোনো কিছু যাচাই ছাড়াই আমাদেরকে গাড়িতে করে উখিয়ার সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে মোট কতোজনকে আটক করা হয়েছে_জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০জনের মতো হলেও রাত ১২টার দিকে তা বেড়ে গিয়ে প্রায় ৩০০তে পৌঁছে৷ এতে ইসলামিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও তাবলীগ জামাতের লোকজনই ছিলেন সবাই৷ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রত্যেকের নাম ঠিকানা লিখে নিয়ে রাত ২.৩০ এর দিকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে ফজর হওয়ার আগেই যেনো সবাই এলাকা ছাড়ে।
(যেসব কারণ থাকতে পারে তা হলো গত কয়দিন ধরে এনজিও সংস্থাগুলোর খুব বেশী আসা যাওয়া দেখা যাচ্ছে৷ এছাড়া তাদের নিজেদের মধ্যে ঘন ঘন বৈঠক করতেও দেখা যাচ্ছে। গত কয়দিন তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মসজিদের জন্য নির্ধারিত স্থান বা অর্ধ বানানো মসজিদের জায়গা দখল করতে চায়। কখনো বা কাউকে কিছু না বলেই টয়লেট বানাতে শুরু করে৷ কখনো বা কিছু না বলেই মসজিদের জন্য নির্ধারণ করা স্থান ঘেরাও করে।
আলেম উলামা, তাবলীগ জামাত ও ইসলামিক বিভিন্ন সেচ্ছাসেবক সংস্থার কর্মীদের প্রতিবাদের দরুন তাতে তারা সফল হয় নি৷ আমাদের একজন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই মহুর্তেই শত শত দাঁড়িয়ে যায়। তারা কিছু স্কুল খুলেছে, কিন্তু সেখানে কয়ে বলে ছাত্র হচ্ছেনা ৫০ জন। কিন্তু আমাদের তৈরী করা অস্থায়ী মসজিদ চালু করলেই জমায়েত হচ্ছে ৩০০+/৪০০+ থেকে ১০০০+ ছাত্রছাত্রী। এসব বিষয় তাদের মাথা নাড়া দিয়ে ওঠে। নয়তো যে সেনাবাহিনী গতকাল সকাল পর্যন্ত আমাদের নিঃস্বার্থভাবে স্বেচ্ছাসেবক মূলক কাজগুলো দেখে সাবাস এর স্বীকৃত দিচ্ছিলো এবং অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের সঙ্গ দিচ্ছিলো, তারাই হটাৎ কেনোই বা.এসব করছে।
গতকাল সোমবার ২/১০/১৭ রাত এশার পর হটাৎ করেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সহ অন্যান্য বাহিনীরা যৌথ অভিযানে নামেন। শুরু হয় গণআটক। ৩০০ জনের অধিককে আটক করা হয়। বিশেষ করে নুসরতের জন্য যাওয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প এর সব মসজিদসহ আশপাশের এলাকার মসজিদে থাকা তাবলীগ জামাত, নুসরতের জন্য গত ১ মাস/ ১০-১৫ দিন থেকে নিঃশ্বার্থে পড়ে থাকা বিভিন্ন ইসলামি সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক, সেখানে অবস্থানরত আলেমদের গণহারে আটক করা হয়৷
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি মেডিকেল টিমে অবস্থানকারী মাসরুর হাবিব ফোনে এই প্রতিবেদককে বলেন, হটাৎ কেনো এই অভিযান_জিজ্ঞাসা করা হলে আর্মীরা বলেন যে উপর থেকে নির্দেশ, ‘আপনার কারো অনুমোদন প্রাপ্ত নন।’ বহু সংখ্যককে রাতে আটক না করেই কক্সবাজার পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং ফিরে যেনো না আসে মর্মে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সেনাবাহিনী এর পরিচিত আমাদের একজন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে বলেন যে, আমাদের কাছে তথ্য এসেছে যে, হেফাজত কর্মীতে ভরে গেছে এলাকা৷ তারা সবাই দলবদ্ধ ভাবে চলছে। যে কোন সময় কিছু করতে পারে বলে সন্দেহ। তাই উপর থেকে আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাটহাজারী মাদরাসা থেকে যাওয়া আটক কৃত(যাকে পরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে) মুহাম্মাদ মুসতাক আহমদ বলেন, আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে একটি মসজিদে অবস্থান করছিলাম৷ হটাৎ সেনাবাহিনীর দুইটি গাড়ী এসে কোনো কিছু যাচাই ছাড়াই আমাদেরকে গাড়িতে করে উখিয়ার সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে মোট কতোজনকে আটক করা হয়েছে_জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০জনের মতো হলেও রাত ১২টার দিকে তা বেড়ে গিয়ে প্রায় ৩০০তে পৌঁছে৷ এতে ইসলামিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও তাবলীগ জামাতের লোকজনই ছিলেন সবাই৷ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রত্যেকের নাম ঠিকানা লিখে নিয়ে রাত ২.৩০ এর দিকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয় যে ফজর হওয়ার আগেই যেনো সবাই এলাকা ছাড়ে।
(যেসব কারণ থাকতে পারে তা হলো গত কয়দিন ধরে এনজিও সংস্থাগুলোর খুব বেশী আসা যাওয়া দেখা যাচ্ছে৷ এছাড়া তাদের নিজেদের মধ্যে ঘন ঘন বৈঠক করতেও দেখা যাচ্ছে। গত কয়দিন তারা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মসজিদের জন্য নির্ধারিত স্থান বা অর্ধ বানানো মসজিদের জায়গা দখল করতে চায়। কখনো বা কাউকে কিছু না বলেই টয়লেট বানাতে শুরু করে৷ কখনো বা কিছু না বলেই মসজিদের জন্য নির্ধারণ করা স্থান ঘেরাও করে।
আলেম উলামা, তাবলীগ জামাত ও ইসলামিক বিভিন্ন সেচ্ছাসেবক সংস্থার কর্মীদের প্রতিবাদের দরুন তাতে তারা সফল হয় নি৷ আমাদের একজন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই মহুর্তেই শত শত দাঁড়িয়ে যায়। তারা কিছু স্কুল খুলেছে, কিন্তু সেখানে কয়ে বলে ছাত্র হচ্ছেনা ৫০ জন। কিন্তু আমাদের তৈরী করা অস্থায়ী মসজিদ চালু করলেই জমায়েত হচ্ছে ৩০০+/৪০০+ থেকে ১০০০+ ছাত্রছাত্রী। এসব বিষয় তাদের মাথা নাড়া দিয়ে ওঠে। নয়তো যে সেনাবাহিনী গতকাল সকাল পর্যন্ত আমাদের নিঃস্বার্থভাবে স্বেচ্ছাসেবক মূলক কাজগুলো দেখে সাবাস এর স্বীকৃত দিচ্ছিলো এবং অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের সঙ্গ দিচ্ছিলো, তারাই হটাৎ কেনোই বা.এসব করছে।
Comment