Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ ।। ০৭ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ০৮ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ ।। ০৭ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ০৮ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

    সোমালিয়ার বুস-হারির ও আল-কাউসার শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন আশ-শাবাব মুজাহিদিন


    পূর্ব আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ায় আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট প্রতিরোধ বাহিনী হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিনের অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় শনিবার দেশটির মধ্য শাবেলি রাজ্যের ২টি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন মুজাহিদিনরা।

    শাহাদাহ এজেন্সির তথ্যমতে, গত ৭ মার্চ শনিবার সকালে, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা মধ্য শাবেলি রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ জেলা আদান ইয়াবাল শহরের অন্তর্গত ২টি উপশহরে হামলা চালিয়েছেন। জেলাটির বুস-হারির ও আল-কাউসার এলাকায় শাবাব মুজাহিদিন ও মোগাদিশু বাহিনীর মধ্যে তীব্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। এদিন শুধু বুস-হারির শহরেই মুজাহিদদের হামলায় শত্রু বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, অভিযানে ২ কমান্ডার সহ মোগাদিশু বাহিনীর অন্তত ২৪ সৈন্য নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৮ এরও বেশি শত্রু সৈন্য। এছাড়াও কতক শত্রু সৈন্যকে মুজাহিদিনরা বন্দী করতে সক্ষম হয়েছেন।

    এই যুদ্ধে শত্রু বাহিনীর ১টি সামরিক যান ধ্বংস হয়ে যায়। সেই সাথে মুজাহিদিনরা দুটি গাড়ি সহ অসংখ্য অস্ত্র শস্ত্র গনিমত লাভ করেন। গনিমতের একটি গাড়ি ২৩-mm এম/টি মেশিনগান দিয়ে সজ্জিত ছিল।

    এদিকে বুস-হারির শহরে মুজাহিদদের অভিযান শুরু হওয়ার পর, আল-কাউসার শহরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অনেক সৈন্য পালিয়ে যায়। আর অবশিষ্ট সৈন্যরা যখন মুজাহিদদের শহরের দিকে অগ্রসর হতে দেখে, তখন তারাও জীবন বাঁচাতে পালিয়ে যায়। শত্রু বাহিনীর এই পলায়নের মধ্য দিয়ে, শুক্রবার মুজাহিদিনরা ২টি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধ শুরু করলে তার অবশিষ্ট মর্যাদাকে ধূলিসাৎ করা হবে: আবু উবাইদাহ


    ফিলিস্তিন ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদাহ বলেছেন, যদি ইসরায়েল আবারো গাজায় যুদ্ধে ফিরে আসে, তবে এর অবশিষ্ট মর্যাদাকে ধূলিসাৎ করা হবে এবং বাকি জীবিত বন্দিদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে।

    গত বৃহস্পতিবার ৬ মার্চ, মুখপাত্র আবু উবাইদাহ বিজয়ের মাস পবিত্র রমজানের আগমনে মুসলিমদের, বিশেষ করে ফিলিস্তিন এবং গাজার জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে ১২ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তা প্রচার করেছেন। বার্তায় তিনি বলেন, আমরা আমাদের দুই বিলিয়ন মুসলিম ভাই-বোনদের বলছি যে, আপনাদের ভাইয়েরা পবিত্র রক্তের ধারা উৎসর্গ করে তাদের রোজা পবিত্র করেছেন।

    রমজান মাসকে “বিজয়ের মাস” হিসেবে বর্ণনা করে আবু উবাইদাহ তাঁর বার্তায় বিশ্ব মুসলমানদের সম্বোধন করে বলেন: এই পবিত্র ভূমি দখলদারদের অপবিত্রতা থেকে পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত ইসলামি জাতি কখনও নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে না এবং এর কোন মর্যাদাও থাকবে না।

    মুসলিম বিশ্বের প্রতি বার্তা:

    গাজার নির্যাতিত জনগণের সমস্যা এবং সাম্প্রতিক চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে, তিনি বিশ্বের মুসলমানদের উদ্দেশ্যে তার ভাষণে বলেন: আমরা দুই বিলিয়ন জনসংখ্যার শক্তিশালী মুসলিম উম্মাহকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে, এই আরব মুসলিম জনগণ ৭০ বছর ধরে আপনাদের চোখের সামনেই গণহত্যা, অনাহার এবং জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনারা মহান প্রভুর কাছে কী বলবেন?

    আবু উবাইদাহ তার বক্তৃতা অব্যাহত রেখে সিরিয়া ও লেবাননে জায়োনিস্ট ইসরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিক আগ্রাসনের কথা উল্লেখ করে বিশ্বের মুসলমানদের উদ্দেশ্যে বলেন: “অত্যাচারীদের হাত আপনাদের ঘরে পৌঁছানোর আগে আপনারা নিজেদের সম্মান রক্ষার জন্য কী করেছেন?” অথচ আপনাদের চোখের সামনেই মুসলিমরা গণহত্যা, অনাহার এবং বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

    যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পর্কে আবু উবাইদাহ:

    আবু উবাইদাহ আরও বলেন যে, গত ১৯ জানুয়ারী থেকে শত্রুদের সকল প্রচেষ্টা, মিথ্যাচার এবং প্রতারণা সত্ত্বেও আমরা আমাদের জনগণের রক্তপাত এড়াতে যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রতিশ্রুতি পালন করে আসছি।

    অপরদিকে শত্রুরা অনেক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে এবং চুক্তির শর্তাবলী এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। শত্রুপক্ষের নেতৃত্ব চুক্তি এড়িয়ে আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালিয়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন চাইছে।

    আবু উবাইদাহ বলেন যে, যদি ইসরায়েল চুক্তি মেনে না চলে, তবে শত্রু জিম্মিদের সাথে যা ঘটবে তার জন্য ইসরায়েল দায়ী থাকবে। কেননা আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসন শত্রু বন্দিদের হত্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

    আবু উবাইদাহ পশ্চিমা বিশ্বের “ইসরায়েলি বন্দিদের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি ফিলিস্তিনি বন্দিদের প্রতি দুর্ব্যবহার উপেক্ষা করার” সমালোচনাও করে বলেন, বিশ্ব দেখেছে কিভাবে শত্রুরা আমাদের বন্দিদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে এবং চালিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে আমাদের থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত শত্রু বন্দিদেরও দেখেছে। তথাপি পশ্চিমা শাসকদের অন্ধ চোখ কোনও পার্থক্য দেখতে পায় না, বরং কয়েক ডজন শত্রু বন্দির জন্য কাঁদে, কিন্তু আমাদের বন্দিদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে না। আমরা সমস্ত ন্যায়পরায়ণ মানুষ এবং মানবাধিকার কর্মীদের প্রতি ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধ প্রকাশ করার আহ্বান জানাই।

    আমরা শত্রুর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রস্তুত:

    ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার হুমকির জবাবে আবু উবাইদাহ বলেন, শত্রুরা আগ্রাসন ও যুদ্ধের মাধ্যমে যা অর্জন করতে পারেনি, তা হুমকি ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্জন করতে পারবে না। আর শত্রুর এধরণের হুমকি তাদের দুর্বলতা, পরাজয় এবং অপমানের অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ। যুদ্ধের হুমকি কেবল তাদের জন্য হতাশাই এনে দেবে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা শত্রুর সকল সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করতে প্রস্তুত আছি। আসন্ন যেকোনো আগ্রাসনে শত্রুর ক্ষতি করার মতো সক্ষমতা প্রতিরোধ বাহিনীর আছে, যা শত্রুকে প্রকৃত যন্ত্রণা দিবে। সেই সাথে শত্রুর অবশিষ্ট মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে।
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      গজনি শহরে রাস্তায় স্ট্রিট লাইটিং প্রকল্প উদ্বোধন করলো ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন






      আফগানিস্তানের গজনী শহরে রাস্তার স্ট্রিট লাইটিং প্রকল্প উদ্বোধন করেছে ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন, যার জন্য ৮.৯ মিলিয়ন আফগানি ব্যয় করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে আধুনিক আলোকসজ্জা স্থাপন করা হয়েছে, যা রাতের যান চলাচলকে আরও নিরাপদ করবে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবে।

      গত ৭ মার্চ আফগান গণমাধ্যম হুররিয়াত রেডিও এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নতুন আলোকসজ্জার ফলে শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি নাগরিকদের চলাফেরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

      শহরের বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি শুধু নিরাপত্তা বৃদ্ধিই নয়, বরং শহরের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে, যা গজনিকে একটি আধুনিক শহরে পরিণত করতে সহায়তা করবে।

      উল্লেখ্য যে, আফগানিস্তান জুড়ে রাস্তা উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সংযোগ সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কাজ করে চলেছে ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন।

      ভিডিওটি ইউটিউব থেকে দেখুন:


      তথ্যসূত্র:
      1. Ghazni City Unveils New Street Lighting Project
      https://tinyurl.com/2sxch64j

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        পরিবেশ সংরক্ষণে ইমারতে ইসলামিয়ার বড় উদ্যোগ, ২ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা


        পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন দেশব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তারই অংশ হিসেবে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পরিবেশ সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের প্রযুক্তিগত উপপরিচালক ড. জয়নুল আবেদীন হাফিযাহুল্লাহ ঘোষণা করেন, আগামী বছরে দেশজুড়ে ২০ লাখের বেশি গাছ রোপণ করা হবে।

        গত ৭ মার্চ ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসনের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এই কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই বন সংরক্ষণ, পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন ও শহর সবুজায়নের মতো নানা পরিবেশবান্ধব প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

        ড. জয়নুল আবেদীন হাফিযাহুল্লাহ জানান, ‘দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মোট ২ কোটি গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচি শুধু পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষাই নয়, বরং কৃষি খাত ও বাস্তুসংস্থান উন্নয়নেও সহায়ক হবে।’

        এছাড়া, প্রশাসন ইতোমধ্যে পানি সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নগর সবুজায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এসব উদ্যোগ আফগানিস্তানের পরিবেশের টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


        তথ্যসূত্র:
        1. NEPA Aims to Plant Over Two Million Trees Next Year
        https://tinyurl.com/2u9utep3
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          স্বচ্ছ ও ব্যয়-সাশ্রয়ী প্রক্রিয়ায় ইমারতে ইসলামিয়ায় আসন্ন হজ্ব আয়োজন


          চলছি বছরে আফগানিস্তানের জন্য ৩০ হাজার হজ্ব কোটা বরাদ্দ করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। অতিরিক্ত হজ্ব কোটা মঞ্জুরির জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইমারতে ইসলামিয়ার হজ্ব ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

          হজ্ব ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী শাইখুল হাদিস নূর মুহাম্মদ সাকিব হাফিযাহুল্লাহ জানান, নাগরিকদের সুষ্ঠুভাবে হজ্বের সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে বরাদ্দকৃত হজ্ব কোটা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বণ্টন করা হচ্ছে। এতে মুজাহিদ, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শহীদ পরিবার, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও শরণার্থীদের জন্য হজ্বের বিশেষ কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে।

          সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ জানান, হজ্বগামীদের হজ্ব সংক্রান্ত শিক্ষা প্রদানের জন্য যোগ্য আলেম নিয়োগ দেয়া হয়েছে। হজ্বে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য বাছাইকৃত আলেমগণ হাজীদের সফরসঙ্গী হবেন। এছাড়া হানাফি ফিকহের আলোকে হজ্বগাইড বই আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

          হজ্বযাত্রীদের নিরাপদ সফর নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সাথে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। হাজীদের সৌদি আরবে অবস্থান, খাবার, পরিবহন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আলোচনা ও চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মক্কা ও মদিনা উভয় স্থানে হাজীদের সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্যের স্বার্থে নিরাপদ ও কৌশলগত অবস্থানে আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

          হাজীদের উন্নত পরিষেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হ্রাস করতে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এ বছরে প্রতি জন হাজীর হজ্বের ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৮২ হাজার ৯০ আফগানি। আসন্ন হজ্ব মৌসুমে মন্ত্রণালয়ের সামগ্রিক ব্যয় ৮.২৭ বিলিয়ন আফগানির অধিক।

          হজ্ব সংশ্লিষ্ট ব্যয় কমিয়ে আনার পাশাপাশি সামগ্রিক প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে ইমারতে ইসলামিয়ার হজ্ব ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গৃহীত উদ্যোগসমূহ মন্ত্রণালয়ের প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


          তথ্যসূত্র:
          1. Ministry of Hajj and Religious Affairs Announces 30,000 Hajj Quotas for Afghanistan in 1404
          https://tinyurl.com/k8m6jyec
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X