Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ ।। ১০ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১১ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ ।। ১০ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১১ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

    সোমালিয়ায় মুজাহিদদের হামলায় ৯ ইথিওপিয়ান ক্রুসেডার সৈন্য হতাহত


    পূর্ব আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনের অভিযানে ৯ ইথিওপিয়ান দখলদার সেনা হতাহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ সোমবার, সোমালিয়ার বাইদোয়া শহরে একটি প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। বিস্ফোরণটি এই অঞ্চলে দখলদার ইথিওপিয়ান সেনাবাহিনীর একটি দলকে টার্গেট করে ঘটানো হয়েছে। বিস্ফোরণের সময় ইথিওপিয়ান সেনাবাহিনীর উক্ত দলটি বাইদোয়া শহরের বিমানবন্দরের পাশের সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল।

    প্রতিরোধ বাহিনী হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, বাইদোয়া শহরে মুজাহিদদের উক্ত বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ৫ জন ইথিওপীয় সৈন্য নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছে আরও ৪ ইথিওপিয়ান সৈন্য।

    উল্লেখ্য যে, সোমালিয়া ভূখণ্ড জুড়ে বিদেশী আগ্রাসী বাহিনী এবং তাদের সহযোগীদের নিষ্ক্রিয় করতে হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন নিরবচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।


    তথ্যসূত্র:
    1. 9 Askari Itoobiyaan ah oo dhimasho iyo dhaawac ku noqday qarax maanta ka dhacay Baydhabo.
    https://tinyurl.com/2s3kj346
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পাকিস্তানে টিটিপির পৃথক হামলায় ১৬ শত্রু সেনা হতাহত


    সম্প্রতি পাকিস্তানে শরিয়াহ্ বিরোধী দেশটির সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ দলগুলোর মুজাহিদিনরা। সেই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার ৯ মার্চ, দেশটির খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে ২টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করছেন মুজাহিদিনরা।

    সূত্রমতে, মুজাহিদিনরা এদিন তাদের প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করেন উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত অঞ্চলের কুররাম জেলায়। টিটিপির মুজাহিদিনরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি চেকপয়েন্ট লক্ষ্য করে আক্রমণটি পরিচালনা করেন। রবিবার সকালে, মুজাহিদদের পরিচালিত এই অভিযানে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর অন্তত ৪ সেনা সদস্য নিহত এবং অন্য ৭ সেনা সদস্য আহত হয়।

    এদিন টিটিপির মুজাহিদিনরা অন্য একটি অভিযান পরিচালনা করেন খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলের লাক্কি মারওয়াত জেলায়। অভিযানটি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি টহল দলকে টার্গেট করে পরিচালনা করেন মুজাহিদিনরা। এতে ৫ শত্রু সেনা নিহত হয়। এসময় মুজাহিদিনরা নিহত সেনা সদস্যদের পাঁচটি ক্লাশিনকোভ গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।


    তথ্যসূত্র:
    1. پاکستاني طالبانو لکي مروت کې د یوه برید په ترڅ کې پنځه پاکستاني پوځیان وژلي
    https://tinyurl.com/4zvfpfhh
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানে আদর্শগত ও পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন ২৬৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা


      আফগানিস্তানের পারওয়ান পুলিশ সেন্টারে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন সর্বমোট ২৬৩ জন পুলিশ কর্মকর্তা। প্রশিক্ষণে কর্মকর্তাগণ ঈমান ও আদর্শগত এবং পেশাগত বিষয়ে জ্ঞান লাভ করেছেন।

      প্রশিক্ষণ সেন্টারের প্রেস অফিসার আব্দুল মনির মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ জানান, এ কর্মকর্তাগণ পারওয়ান, কাপিসা ও পাঞ্জশির প্রদেশের অন্তর্গত। আদর্শিক প্রশিক্ষণ ছাড়াও কর্মকর্তাগণ কৌশলগত ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা, চেকপয়েন্ট ব্যবস্থাপনা এবং পেশাদার আচরণের দিক-নির্দেশনা লাভ করেছেন।

      বিগত ৩ বছরে ৭ হাজার ১৩৫ জন পুলিশ অফিসার তৈরি হয়েছে এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে, যা উক্ত কেন্দ্রের উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ পরবর্তী এ কর্মকর্তাদের পারওয়ান ও অন্যান্য প্রদেশে মোতায়েন করা হয়েছে। তারা দেশব্যাপী নিরাপত্তা বিধান করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।


      তথ্যসূত্র:
      1. Parwan Trains 300 New Police Officer
      https://tinyurl.com/y3b4vfsz
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মালিতে ওয়াগনার ও জান্তার সামরিক কনভয়ে মুজাহিদদের হামলা: নিহত ১৪


        পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি সামরিক কনভয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন মুজাহিদিনরা। এতে জান্তা ও ওয়াগনার ভাড়াটে সহ অন্তত ১৪ শত্রু সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

        আয-যাল্লাকার তথ্যমতে, গত ৬ মার্চ বুরকিনা ফাসোর ফারাবুগোত অঞ্চলে একটি সামরিক কনভয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম মুজাহিদিনরা। অতর্কিত আক্রমণটি এই অঞ্চলে দখলদার রাশিয়ান ভাড়াটে ওয়াগনার এবং মালি জান্তা বাহিনীর যৌথ সামরিক কনভয় লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।

        ফলশ্রুতিতে ওয়াগনার ও জান্তা বাহিনীর অন্তত ১৪ সেনা নিহত এবং আরও ৯ সেনা নিখোঁজ হয়েছে। এসময় মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে শত্রু বাহিনীর ৪টি যানবাহন ধ্বংস হয়েছে। আর মুজাহিদিনরা গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন ৪টি সামরিক যান ও বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/yj8e34uf
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ট্রাম্পের অস্ত্র ফেরতের দাবির বিরুদ্ধে সাবেক আফগান সেনাদের প্রতিবাদ


          কাবুলে গত ৯ মার্চ এক প্রতিবাদী সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন আফগানিস্তানের সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও জেনারেলরা। সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, আফগান সরকারের পতনের সময়, অর্থাৎ ইমারতে ইসলামিয়া প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে, তৎকালীন সরকার আফগানিস্তানের যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, সামরিক যান, অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান ও ইরানের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে স্থানান্তর করেছিল। তারা এই ঘটনাকে জাতীয় বিশ্বাসঘাতকতা বলে অভিহিত করেন।

          সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাবেক উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান ও ইরানকে আহ্বান জানান, যেন এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ ‘অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম’ অবিলম্বে আফগানিস্তানে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের মতে, এই সম্পদ কোনো সরকারের নয়, বরং এটি আফগান জনগণের অধিকার।

          সাবেক জেনারেলরা জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানে লক্ষ লক্ষ পুরনো অস্ত্র ধ্বংস করেছে এবং অসংখ্য নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে, যা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত নিন্দনীয়। তারা এ জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

          প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তারা আরও জানান, যারা আফগানিস্তানের বাইরে থেকে দেশটিতে অস্থিরতা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করছে, তারা সফল হবে না। এ সময় তারা স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা সরকারের পাশে আছি এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে তাকে সমর্থন করবো।’

          এই সময় প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তারা প্রাক্তন কর্মকর্তাদের ওপর ইমারতে ইসলামিয়া কর্তৃক কথিত নির্যাতনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন যে, ‘আফগানিস্তানে সাবেক সামরিক কর্মকর্তা বা কর্মীদের ওপর কোনো নির্যাতন চলছে না।’ বরং তারা জানান, কারাগার ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং তাদের সকল দাবি ও পরামর্শ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

          সংবাদ সম্মেলনে আফগান জেনারেলস অ্যান্ড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান, জেনারেল শাওর গুল পশতুন, আফগানিস্তানে মার্কিন হস্তক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘দখলদারিত্বের সময় যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের উন্নত সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে এবং আফগান সেনাবাহিনীকে ভিয়েতনাম যুদ্ধের পুরনো ও অপ্রচলিত অস্ত্র দিয়েছে।’

          তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘ডিসআর্মামেন্ট, ডিমোবিলাইজেশন, অ্যান্ড রিইন্টিগ্রেশন’ নামের কর্মসূচির মাধ্যমে আফগানিস্তানের আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে, যা এ অঞ্চলে নজিরবিহীন।

          সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে, সাবেক সামরিক কর্মকর্তারা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।

          প্রথমত, তারা বলেন যে, আফগানিস্তানের বর্তমান সরকার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নীতিতে অটল। কোনো পক্ষকে আফগান ভূখণ্ড প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না।

          দ্বিতীয়ত, ইমারতে ইসলামিয়া আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোকে একই নীতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেন, যদি কেউ এই আইন লঙ্ঘন করে, তবে তাকে দখলদার হিসেবে গণ্য করা হবে।

          তৃতীয়ত, সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে আফগানিস্তানের সামরিক সরঞ্জাম প্রতিবেশী দেশগুলোতে স্থানান্তর করেছেন, তাদের কর্মকাণ্ডকে জাতীয় বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

          চতুর্থত, যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তানের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করে দেশটির বিশাল ক্ষতি করেছে। এ জন্য তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

          পঞ্চমত, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাগরাম বিমানঘাঁটি ফেরত চাওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং এটিকে আন্তর্জাতিক নিয়মের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

          অবশেষে, আফগান জেনারেল ও অফিসারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে যে, যারা দেশ ছেড়ে গেছেন, তারা যেন নির্ভয়ে ফিরে আসেন। সরকার তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়েছে।


          তথ্যসূত্র:
          1. Overview of the former soldiers and generals’ press briefing!
          https://tinyurl.com/5a77ebza
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            সিরিয়ায় নিরাপত্তা অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা, ঘটনায় দায়ীদের খুঁজে বের করার অঙ্গীকার


            সিরিয়ার সরকার দেশের পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা অভিযান শেষ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এই অঞ্চলটি সাবেক স্বৈরশাসক আসাদপন্থী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ১০ মার্চ, সোমবার এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হাসান আবদুল গনি বলেছেন, লাতাকিয়া ও তারতুস প্রদেশে নিরাপত্তা হুমকি নিরপেক্ষ করা হয়েছে।

            হাসান আবদুল ঘানি জানিয়েছেন, লাতাকিয়া ও তারতুস প্রদেশে ‘নিরাপত্তা হুমকি ও পুরনো শাসনযন্ত্রের অবশিষ্টাংশ’ দমনে পরিচালিত সামরিক অভিযান সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। আমরা ক্ষমতাচ্যুত শাসনব্যবস্থা ও তাদের কর্মকর্তাদের আক্রমণ মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে সরিয়ে দিয়েছি।

            অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা সহিংস সংঘাতের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এক ভাষণে তিনি বলেন, সিরিয়া কোনো বিদেশি শক্তি বা দেশীয় গোষ্ঠীকে নতুন করে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে দেবে না। তিনি আরও বলেন, যারা নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে বা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সীমা লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। আল-শারার দফতর আরও জানিয়েছে, উভয় পক্ষের সংঘাত ও হত্যাকাণ্ড তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করা হচ্ছে।

            হাসান আবদুল গনি সোমবার বলেছেন, নিরাপত্তা বাহিনী তদন্ত কমিটির সঙ্গে সহযোগিতা করবে এবং ঘটনার পরিস্থিতি উন্মোচন, তথ্য যাচাই ও ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পূর্ণ সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা সাবেক শাসনব্যবস্থার অবশিষ্টাংশ ও তাদের কর্মকর্তাদের আক্রমণ মোকাবিলা করতে পেরেছি। আমরা তাদের অভিযানের উপাদান ধ্বংস করেছি এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে সরিয়ে দিয়েছি। বেশিরভাগ প্রধান সড়ক নিরাপদ করা হয়েছে।

            গনি বলেন, আমরা স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনা এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা সুদৃঢ় করার পথ প্রশস্ত করছি। সাবেক স্বৈরশাসক আসাদপন্থী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের অবশিষ্টাংশের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়া এবং ভবিষ্যতের যেকোনও হুমকি দূর করার পরিকল্পনা রয়েছে।


            তথ্যসূত্র:
            1. What we know about the deadly violence in Syria
            https://tinyurl.com/bdfznxrr
            2.Damascus faces demands for accountability after civilian killings
            https://tinyurl.com/39bfs7su
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ইমারতে ইসলামিয়ায় আরও ১১১ তরুণের সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন


              ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে নতুন সদস্য সংযোজন করে চলেছে। এরই অংশ হিসেবে আরও ১১১ জন তরুণ সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে।

              গত ১০ মার্চ, ইমারতে ইসলামিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সেনা কোর ও ইউনিটের ১১১ জন তরুণ সদস্য হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু যুদ্ধবিষয়ক যৌথ প্রশিক্ষণ কমান্ড থেকে পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।

              এ উপলক্ষে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কমান্ডার মাওলানা নসিবুল্লাহ মাদানি হাফিজাহুল্লাহ-সহ অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থী সেনা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

              অনুষ্ঠানে স্নাতকদের উদ্দেশে মাওলানা নসিবুল্লাহ মাদানি বলেন, ‘পেশাগত ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির সরঞ্জাম ব্যবহার শিখুন এবং নিজের দক্ষতাকে আরও শক্তিশালী করুন। আমাদের লক্ষ্য একটি শক্তিশালী, সুশৃঙ্খল এবং সময়োপযোগী সামরিক বাহিনী গঠন করা, যা ইসলামি শাসনব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।’


              তথ্যসূত্র:
              1. د عبدالله بن مسعود رضي الله عنه د جګړه ایزو ګډو زده کړو له قوماندانۍ څخه ۱۱۱ تنه ځوان منسوبین فارغ شول
              https://tinyurl.com/y9bzbcz6
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment


              • #8
                কাবুলে নির্মাণ কাজের গুণগত মান রক্ষায় কঠোর নির্দেশনা


                ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মেয়র মৌলভী আব্দুল রশিদ হাফিজাহুল্লাহ সড়ক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারি সংস্থাগুলোর প্রতি কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রকল্পের কাজে কোনো অনিয়ম বা মানহীনতা গ্রহণযোগ্য নয়, এবং যেকোনো লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

                গত ১০ মার্চ, এক বৈঠকে মেয়র ঠিকাদারি সংস্থাগুলোর দায়িত্বশীলতা, প্রকল্পের গতি ও গুণগত মানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যদি কোনো প্রতিষ্ঠান চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনে চুক্তি বাতিল করা হবে।

                মেয়র আরও বলেন, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো সততা ও নির্ভুলতার সাথে সম্পন্ন করতে হবে। তিনি ঠিকাদারদের মানসম্মত নকশা অনুসরণ করে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে প্রকল্প শেষ করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি, তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিম্নমানের কাজের মাধ্যমে জনগণের তহবিল অপচয় করার অনুমতি কাউকে দেওয়া হবে না।

                এছাড়া, মেয়র প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, জাতীয় বিনিয়োগকারী ও স্থানীয় নির্মাণ কোম্পানিগুলোকে সমর্থন দেওয়া হবে, তবে শর্ত হলো— তাদের নির্মাণকাজ অবশ্যই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী হতে হবে।


                তথ্যসূত্র:
                1. Kabul Municipality Cracks Down on Projects Violations
                https://tinyurl.com/4rn3uzjj

                নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

                Comment

                Working...
                X