Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ ।। ১১ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১২ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ ।। ১১ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১২ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

    “যুদ্ধের নতুন পর্বের জন্য প্রস্তুত হও” : আশ-শাবাবের উদ্দেশ্যে দলটির সর্বোচ্চ নেতা


    পূর্ব আফ্রিকা ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী হারাকাতুশ শাবাব প্রশাসন তাদের যোদ্ধাদের সোমালিয়ায় আসন্ন যুদ্ধের নতুন পর্বের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। সেই সাথে আসন্ন মোগাদিশু বিজয়ের প্রতিও ইঙ্গিত দিয়েছে দলটি।

    আশ-শাবাব প্রশাসনের অন্যতম মিডিয়া শাখা আল-কাতায়েব সম্প্রতি ৩ মিনিটের একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করেছে। “নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী” শিরোনামে সম্প্রচারিত এই ভিডিওটিতে দলটির আমির শাইখ আবু উবাইদাহ আহমেদ ওমর (হাফিজাহুল্লাহ্) এবং দলটির প্রাক্তন প্রতিষ্ঠাতা আমির শাইখ মুখতার আবু জুবায়ের রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর ২টি বার্তা যুক্ত করা হয়েছে।

    শাইখ উবাইদাহ আহমেদ ওমর হাফিজাহুল্লাহ্ সামনে বড়ধরণের সামরিক অপারেশন শুরু করার ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “আমি মুজাহিদদের বলছি যে, যুদ্ধ নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে, তার জন্য আপনারা প্রস্তুত থাকুন। এই যুদ্ধ পূর্ববর্তী যুদ্ধগুলির চেয়েও বৃহত্তর হবে। তাই আপনাদের দায়িত্বও হবে কঠিন, তাই এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত থাকুন।”

    ভিডিওটির দ্বিতীয় বার্তায় আসন্ন বিজয়ের প্রতি ইঙ্গিত করে শাইখ মুখতার আবু জুবায়ের রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য যুক্ত করা হয়েছে। বার্তার এই অংশে বলা হয়েছে: শত্রু তার সবচেয়ে কঠিন পর্যায় অতিক্রম করছে এবং সে তার শেষ প্রহর গুনছে। এখন আমাদের সকলকে এই শত্রুকে শেষ করার জন্য সর্বশেষ কাজটি করতে হবে।

    জেনে রাখুন! সর্বশক্তিমান আল্লাহ কাফেরদের পরাজয়ের দারপ্রান্তে নিয়ে এসেছেন। ফলে শত্রু তার অর্থনৈতিক, সামরিক এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্লান্তিকাল সময় অতিক্রম করছে এবং পরাজয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

    কেউ যদি স্বপ্ন দেখে যে, সে সোমালিয়ায় একটি অনৈসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে, তবে সে চরম বিভ্রান্তির মধ্যে আছে এবং সে জানে না যে পৃথিবীতে কী ঘটছে। আল্লাহর কসম! তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই। খুব শীঘ্রই এটি ঘটবে যে, এই দেশ আল্লাহর আইন দ্বারা সম্পূর্ণরূপে শাসিত হবে। আর সোমালিয়া হবে নবুওয়তের আদলে পরিচালিত খেলাফত পুনরুদ্ধারের ভিত্তি। আর যতক্ষণ না আমরা এই লক্ষ্য অর্জন করি ততক্ষণ আমাদের পবিত্র জিহাদ অব্যাহত থাকবে।

    উল্লেখ্য যে, হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকেই তাদের লক্ষ্য অর্জনে বড় ধরণের সামরিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেন। সেই ধারাবাহিকতায় মুজাহিদিনরা দক্ষিণ সোমালিয়ার মধ্য শাবেলি ও হিরান রাজ্যে ব্যাপক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে অঞ্চলটির কৌশলগত কয়েক ডজন শহর, এলাকা ও সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন, যার ধারা বিজয়ের মাস পবিত্র রামাদানেও অব্যাহত রয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    أمير حركة الشباب المجاهدين، الشيخ أبو عبيد أحمد عمر لمقاتلي الحركة:”استعدوا للمرحلة الجديدة”
    https://tinyurl.com/27s7r842
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    বুরকিনায় দুটি শত্রু অবস্থানে মুজাহিদদের অতর্কিত আক্রমণ: হতাহত বহু শত্রু সেনা


    পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে জেএনআইএম-এর সামরিক অপারেশন অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহেও অঞ্চলটিতে জান্তা বাহিনীর উপর ২টি অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন দলটির মুজাহিদিনরা।

    আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্যমতে, গত ৭ মার্চ, আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) যোদ্ধারা বুরকিনান জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ২টি পৃথক অপারেশন পরিচালনা করছেন। অভিযান ২টি বুরকিনা ফাসোর ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যের জাঙ্গা এবং কায়া রাজ্যের বারসালোঘোর এলাকায় জান্তা বাহিনীর ২টি দলকে টার্গেট করে চালানো হয়েছে। এসময় বারসালোঘোর অভিযানে সেনাবাহিনী এবং ভিডিপির সহায়তায় শত্রু ড্রোনগুলো সক্রিয় ছিলো। কিন্তু মুজাহিদিনরা দক্ষতার সাথে শত্রু বাহিনীর ড্রোনগুলকে প্রতিহত করেন, ফলে ড্রোনগুলো দিক পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়।

    সূত্রমতে, মুজাহিদদের উক্ত দুটি পৃথক অভিযানে বহু সংখ্যক বুরকিনান সেনা এবং মিলিশিয়া সদস্য নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে আরও অনেক। আর নিখোঁজ হয়েছে ৪ মিলিশিয়া সদস্য। এই অভিযানগুলো শেষে মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনী থেকে ১টি পিকা অস্ত্র, ২টি ক্লাশিনকোভ, ১টি ড্রোন, ১টি পিস্তল এবং ৬টি মোটরসাইকেল গনিমত হিসাবে জব্দ করেছেন।

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার পথে নতুন মাত্রা, খনি সংশ্লিষ্ট ১১টি মেগাপ্রকল্পের অনুমোদন


      বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ আফগানিস্তান। দেশটিতে মজুদে থাকা খনিজ সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইমারতে ইসলামিয়া। এ খাতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে তালিবান প্রশাসন। এছাড়া খনিজ সম্পদের দক্ষ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

      বিগত ৩ বছরে ছোট-বড় উদ্যোক্তাগণের সাথে ২০০ এরও অধিক খনি সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইমারতে ইসলামিয়া। জাতীয় অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে চুক্তিগুলো অবদান রাখছে। এর ফলে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে, পাশাপাশি দেড় লাখেরও অধিক লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

      এ চুক্তিসমূহের মধ্যে তামা, সীসা, দস্তা, লোহা, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বড় আকারের খনি কার্যক্রমে সর্বমোট বিনিয়োগ প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

      সম্প্রতি খনি সংক্রান্ত ১১টি মেগাপ্রকল্প অনুমোদনের ঘোষণা জানিয়েছে ইমারতে ইসলামিয়ার অর্থনীতি বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। প্রকল্পসমূহ হিজরি সৌর অর্থবছর ১৪০৩ (২০২৪-২০২৫) সালের মধ্যেই শুরু করতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

      প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে জাওযান প্রদেশের ইয়াতিম-তাক সিমেন্ট প্রকল্প, ফারিয়াব প্রদেশে অবস্থিত মায়মানা ও আন্দখোই লবণ খনি প্রকল্প, জাওযান প্রদেশের দারজাব লবণ খনি প্রকল্প, কান্দাহার প্রদেশে দারা-ই-নূর মার্বেল খনি প্রকল্প, লোগার প্রদেশের ক্রোমাইট খনি উন্নয়ন প্রকল্প, বাদঘিস প্রদেশের তাইমানি লামন কয়লা খনি প্রকল্প, হেরাত প্রদেশের কাশক ও তিরপুল গ্যাস বেসিন প্রকল্প, ফারিয়াব প্রদেশের টোটি ময়দান গ্যাস ক্ষেত্র প্রকল্প, জাওযান প্রদেশের লয় জাঙ্গাল গ্যাস বেসিন প্রকল্প এবং লোগার প্রদেশে অবস্থিত আলতামুর সিমেন্ট প্রকল্প।

      উদ্যোগটি আফগানিস্তানের খনি খাতের উন্নয়নে অবদান রাখবে, একই সাথে দেশটির অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ফলে নাগরিকদের আর্থ-সামাজিক অবস্থান আরও মজবুত হয়ে উঠবে। এ উদ্যোগ প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সুবিধা লাভ করতে ইমারতে ইসলামিয়ার প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছে।


      তথ্যসূত্র:
      1. Approval of 11 Major Mining Projects: A Strategic Path to Afghanistan’s Economic Self-Sufficiency
      https://tinyurl.com/zss4u3hk
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        বুরকিনায় একটি সামরিক ব্যারাকের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে জেএনআইএম


        পশ্চিম আফ্রিকার সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। সম্প্রতি দলটির মুজাহিদিনরা বুরকিনা ফাসোর ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যে জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক ব্যারাকের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

        আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্যমতে, গত ৫ মার্চ বুধবার সকালে, বুরকিনা ফাসোর ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যে একটি অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন জেএনআইএম মুজাহিদিনরা। আক্রমণটি এই রাজ্যের গ্রুয়েল এলাকায় অবস্থিত বুরকিনান জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক ব্যারাক লক্ষ্য করে চালানো হয়েছিল। মুজাহিদদের অতর্কিত এই আক্রমণে জান্তা বাহিনীতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে, অন্য সৈন্যরা ব্যারাক ছেড়ে পালিয়ে গেলে মুজাহিদিনরা এটির নিয়ন্ত্রণ নেন।

        অভিযান শেষে মুজাহিদিনরা সামরিক ব্যারাক থেকে ১টি সামরিক যান, ১টি দুশকা অস্ত্র, ২টি RPG, ৪টি PIKA, ৮টি ক্লাশিনকোভ, ১টি পিস্তল এবং অন্যান্য বহু সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেন। এছাড়াও মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীর ২টি সামরিক যান এবং ১টি ড্রোন ধ্বংস ধ্বংস করেন।


        তথ্যসূত্র:
        ١. هجوم على ثكنة عسكرية للجيش في (غرويل)
        https://tinyurl.com/yf4tv7jh
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে প্রস্তুত ওমান ও ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান



          সম্প্রতি ওমানে এক সরকারি সফরে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল-বুসাইদির সাথে সাক্ষাত করেছেন ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মৌলভী আমির খান মুত্তাকি হাফিযাহুল্লাহ।

          এ সাক্ষাতে তারা উভয় দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন যুগের সূচনা করতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান মৌলভী আমির খান মুত্তাকি হাফিযাহুল্লাহ।

          আফগানিস্তানে ওমানি উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রসঙ্গে আলোকপাত করেছেন মৌলভী মুত্তাকি হাফিযাহুল্লাহ। এছাড়া ওমানে আফগান পণ্য রপ্তানি সহজতর করা এবং দ্বিপাক্ষিক বিমান পরিষেবা চালু করাকে অগ্রাধিকার দিতে উভয় দেশ একমত পোষণ করেছেন।

          বৈঠকে আফগানিস্তানের কল্যাণ ও অগ্রগতির প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পাশাপাশি আফগানিস্তানের সাথে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, বাণিজ্য ও সামগ্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার প্রতিশ্রুতি তিনি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বিনিময় বজায় রাখতে তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।


          তথ্যসূত্র:
          1. Afghanistan and Oman begin new chapter in bilateral relations
          https://tinyurl.com/bddwse6n
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            মধ্য শাবেলিতে শাবাবের শক্তিশালী পাল্টা আক্রমণে ৪৮ শত্রু সেনা হতাহত



            সোমালিয়ার মধ্য শাবেলি অঞ্চলে হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন এবং মোগাদিশু বাহিনীর মধ্যে ভারী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার অঞ্চলটিতে শাবাব নিয়ন্ত্রিত এলাকা দখল করতে আসলে এই লড়াইয়ের ঘটনা ঘটে।

            সূত্রমতে, গত ১১ মার্চ বুধবার, মধ্য শাবেলির আদেল জেলার উপকণ্ঠে শাবাব মুজাহিদিন নিয়ন্ত্রিত বুরশা-শেখ এলাকা দখলের উদ্দেশ্য আক্রমণ চালায় মোগাদিশু বাহিনী। এসময় মোগাদিশু বাহিনীকে স্থলপথে সহায়তা করে গুরগুর্তে মিলিশিয়ারা এবং আকাশ পথে ব্যাপক বিমান হামলার মাধ্যমে শক্তিবৃদ্ধি করে ক্রুসেডার বাহিনী।

            এমন পরিস্থিতিতে হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিন সাময়িক সময়ের জন্য মোগাদিশু বাহিনীকে “বুরশা-শেখ” এলাকার ভিতরে ঢুকার সুযোগ করে দেন। মোগাদিশু বাহিনীর এই অনুপ্রবেশের পর মুজাহিদিনরা শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ নিবিড় নজর রাখছিলেন। এভাবে মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীর জন্য তৈরি ফাঁদের কিনারায় মোগাদিশু বাহিনীকে নিয়ে আসতে সক্ষম হন। মোগাদিশু বাহিনী যখন মুজাহিদদের পাতানো ফাঁদে আটকে পড়ে, তখনই মুজাহিদিনরা বিভিন্ন দিক থেকে মোগাদিশু বাহিনীর উপর তীব্র পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন, এসময় শহরে আটকা পড়া শত্রু বাহিনীর শক্তিবৃদ্ধি করতে আরও ৩টি দলকে প্রেরণ করে মোগাদিশু সরকার।

            ক্রুসেডার বাহিনীর বিমান হামলা সত্ত্বেও মুজাহিদিনরা ভয়াবহ এই যুদ্ধে দৃঢ়তার সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যান। মোগাদিশু বাহিনীর বিরুদ্ধে এদিন মুজাহিদিনরা মুখোমুখি তীব্র এক যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। মুজাহিদিনরা বীরত্ব ও সাহসীকতার সাথে শহর দখল করতে আসা মোগাদিশু বাহিনীর ৩টি দলকে সফলতার সাথে পতিহত করেন।

            হারাকাতুশ শাবাব প্রশাসনের সামরিক নেতৃত্বের দেওয়া বিবৃতি অনুযায়ী, এই যুদ্ধে মুজাহিদদের হাতে পরাজিত শত্রু বাহিনীর কমপক্ষে ১৮ সৈন্য নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১০টি মৃতদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় মোগাদিশু বাহিনীর অন্য সদস্যরা। এছাড়াও যুদ্ধে মুজাহিদদের পাল্টা আক্রমণে আহত হয় আরও ৩০ এরও বেশি শত্রু সৈন্য।


            তথ্যসূত্র:
            https://tinyurl.com/yckerwjd
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X