Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ ।। ১২ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১৩ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ ।। ১২ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১৩ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

    বালদাউইন সামরিক কম্পাউন্ডে আশ-শাবাবের অবিশ্বাস্য ২০ ঘন্টার দীর্ঘ অপারেশন


    আল-কায়েদা পূর্ব আফ্রিকা ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন। দলটির মুজাহিদিনরা গত মঙ্গলবার (১১ মার্চ), সোমালিয়ার হিরান রাজ্যে শত্রু বাহিনীর ভীত কাঁপিয়ে দেওয়া ২০ ঘন্টারও বেশি দীর্ঘ একটি বীরত্বপূর্ণ অপারেশন পরিচালনা করেছেন।

    শাহাদাহ এজেন্সির তথ্যমতে, গত ১১ মার্চ মঙ্গলবার ভোর ৪টায়, সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় হিরান রাজ্যের প্রাদেশিক রাজধানী বালদাউইনে অবিশ্বাস্য একটি সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছিলেন হারাকাতুশ শাবাব প্রশাসনের ইস্তেশহাদী ব্রিগেডের মুজাহিদিনরা। অপারেশনটি প্রদেশিক রাজধানীর একটি সামরিক কম্পাউন্ড লক্ষ্য করে শক্তিশালী গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে শুরু করা হয়েছিল। এতে হোটেলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এবং অনেক শত্রু সৈন্য হতাহত হয়। শক্তিশালী এই বোমা বিস্ফোরণে শত্রু বাহিনীতে আতংক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে, আর এই সময়টিকে কাজে লাগিয়ে হারাকাতুশ শাবাবের ইস্তেশহাদী ব্রিগেডের ইনগিমাসী যোদ্ধারা কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়েন এবং এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র আক্রমণ চালাতে থাকেন।

    সূত্রমতে, শাবাবের হামলার লক্ষ্যবস্তু সামরিক কম্পাউন্ডে এদিন পশ্চিমা সমর্থিত মোগাদিশু সরকারের হাই-প্রোফাইলের সামরিক কর্মকর্তা ও আঞ্চলিক মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর শীর্ষ নেতারা একত্রিত হয়েছিল। শত্রু বাহিনীর উচ্চ-প্রোফাইলের কর্মকর্তাদের এই বৈঠকের লক্ষ্য ছিলো, হারাকাতুশ শাবাবের বিজয় অভিযান রুখতে দূর্ভেদ্য প্রতিরোধ গড়ে তুলা এবং সামরিক বাহিনীগুলোকে পুনর্গঠন করা। কিন্তু হারাকাতুশ শাবাব প্রশাসন তাদের গোয়েন্দা বিভাগের মাধ্যমে এই বৈঠকের তথ্য আগেই জেনে যান। আর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মুজাহিদিনরা কম্পাউন্ডে অপারেশন পরিচালনার পরিকল্পনা তৈরি করেন।




    শাবাবের হামলার লক্ষ্যবস্তু সামরিক কম্পাউন্ড


    মুজাহিদিনরা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইস্তেশহাদী হামলা ও ইনগিমাসী যোদ্ধাদের মাধ্যমে কম্পাউন্ডের নিয়ন্ত্রণ নেন। এরপর কম্পাউন্ডের ভিতর বৈঠকের জন্য একত্রিত হওয়া শত্রু বাহিনীর হাই-প্রোফাইলের সামরিক ও মিলিশিয়া কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে টার্গেট কিলিং অপারেশন শুরু করেন মুজাহিদিনরা। এই অপারেশন শুরুর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীর হাই-প্রোফাইলের অন্তত ২০ কর্মকর্তাকে হত্যা করতে সক্ষম হন, যাদের মধ্যে ৪ জনই ছিলো বিভিন্ন মিলিশিয়া গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা।

    এদিকে অপারেশন চলা কালে কম্পাউন্ডকে বাহির থেকে ঘিরে ফেলতে মোগাদিশু সরকারি বাহিনীর শত শত সেনা ও পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। আর তখনই হারাকাতুশ শাবাবের অন্য একজন ইস্তেশহাদী মুজাহিদ বাহির থেকে জড়ো হওয়া শত্রু বাহিনীর মাঝে দ্বিতীয় গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। এতে আরও কয়েক ডজন শত্রু সৈন্য হতাহত হয়। একই সাথে কম্পাউন্ডের ভিতরে আটকে পড়া শত্রু কর্মকর্তাদেরও লাশের সারি বাড়িতে থাকে।

    আর এভাবেই মঙ্গলবার সকালে শুরু হওয়া এই অপারেশন কোনো ইনগিমাসী মুজাহিদ হতাহত হওয়া ছাড়াই সন্ধ্যার পরও চলতে থাকে। চারদিকে রাত যখন গভীর হতে থাকে, তখন কম্পাউন্ডের ভিতরে এই অভিযানে অংশ নেওয়া মুজাহিদিনরা নিজেদেরকে আড়াল করে ফেলেন। এতে মোগাদিশু বাহিনী ভাবতে শুরু করে ইনগিমাসী মুজাহিদিনরা সকলে শহিদ হয়েছেন। আর এটা ভেবেই তারা হতাহত সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধার করতে ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করে, কিন্তু তখনই ইনগিমাসী মুজাহিদিনরা তাদের চমক দেখান এবং আরও কয়েক ডজন শত্রু সৈন্যকে হতাহত করেন।

    এমন পরিস্থিতিতে মোগাদিশু বাহিনী দখলদার ইথিওপিয়ান ও জিবুতি সেনাবাহিনীর সহায়তা নিয়ে নতুন করে অভিযান শুরু করে। এসময় শত্রু বাহিনী পুরো কম্পাউন্ড ইনগিমাসী মুজাহিদদের উপর ধ্বসিয়া দেওয়ার লক্ষ্যে ভারী গোলাবর্ষণও করতে শুরু করে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মুজাহিদিনরা তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কম্পাউন্ডের গোপন স্থানে সরে যান। পরে মোগাদিশু বাহিনী অভিযান সমাপ্তের ঘোষণা করে এবং হতাহতদের উদ্ধার কাজ শুরু করে।

    এসময় কম্পাউন্ড এলাকায় পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়ে আসে, আর মোগাদিশু বাহিনীও হামলা আর না হওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে। আর শত্রুর এই আত্মবিশ্বাসী মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে রাত ১১টার পরে, ভারী অস্ত্রে সজ্জিত আশ-শাবাবের অন্য একটি ইউনিট শহরের পশ্চিম দিক থেকে কম্পাউন্ডের দিকে এগিয়ে আসে এবং শত্রু বাহিনীকে লক্ষ্য করে তীব্র আক্রমণ চালাতে শুরু করেন। ফলে কম্পাউন্ডা ঘিরে থাকা শত্রু বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। এভাবে শত্রু বাহিনীর চোখে ধুলো দিয়ে কম্পাউন্ডের ভিতরে প্রবেশ করেন হারাকাতুশ শাবাবের স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা। তাঁরা কম্পাউন্ডের ভিতরে ঢুকে ইনগিমাসী মুজাহিদদেরকে সাথে নিয়ে কোনো মুজাহিদ হতাহত ছাড়াই নিরাপদে বের হয়ে আসেন।



    তথ্যসূত্র:
    ١. منذ أكثر من 13 ساعة مقاتلو حركة الشباب المجاهدين ينفذون هجوما انغماسيا على مقر حكومي في مدينة بلدوين وسط الصومال وبيان من القيادة العسكرية
    https://tinyurl.com/3fpbpx2a

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    মালিতে দুটি শত্রু কনভয়ের বিরুদ্ধে মুজাহিদদের সফল অভিযান


    আল-কায়েদা ইসলামিক মাগরিব সংশ্লিষ্ট সামরিক শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। সম্প্রতি মালির টিম্বুকটো ও কিদাল রাজ্যে ২টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করছেন।

    আয-যাল্লাকার তথ্যমতে, গত সোমবার ১০ মার্চ, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা টিম্বুকটো রাজ্যের বের শহরে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। অভিযানটি এই অঞ্চলে টহলরত মালির জান্তা বাহিনীর একটি কনভয় টার্গেট করে ২টি আইইডি বিস্ফোরণের মাধ্যমে চালানো হয়েছে। এতে জান্তা বাহিনীর দুটি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়ে যায়। এসময় সাঁজোয়া যানে থাকা শত্রু সৈন্যরা হতাহতের শিকার হয়।

    এদিকে গত ৯ মার্চ সন্ধ্যায়, মালির কিদাল রাজ্যের টেসালিট এলাকায় অনুরূপ আরেকটি অভিযান পরিচালনা করেন মুজাহিদিনরা। এই অভিযানটি মুজাহিদিনরা মালির জান্তা ও ওয়াগনার ভাড়াটে মিলিশিয়াদের একটি যৌথ সামরিক কনভয় লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। মুজাহিদিনরা কনভয়টি লক্ষ্য করে পরপর দুটি শক্তিশালী আইইডি বিস্ফোরণ ঘটান। এতে শত্রু বাহিনীর ২টি সাঁজোয়া যান ধ্বংস হয়ে যায় এবং অনেক সৈন্য হতাহত হয়।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/yewm5nva
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      সিরিয়া সরকারের সাথে যোগ দিল দ্রুজ অধ্যুষিত প্রদেশ সুয়েইদা


      সিরিয়ার সীমান্তবর্তী শহর সুয়েইদার অধিবাসীদের সাথে ঐক্যমতের ভিত্তিতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে আহমদ আল শার’আ আল জুলানীর নেতৃত্বাধীন সরকার। এই চুক্তির মাধ্যমে সিরিয়া সরকারের অধীনস্থ একটি প্রদেশে পরিনত হবে সুয়েইদা। বৃহত্তম দ্রুজ জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত এই প্রদেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

      ১১ মার্চ, সোমবার এই চুক্তিটি স্বাক্ষর হয় বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম আল জাজিরা।

      চুক্তিতে আরো বলা হয়েছে, সুয়েইদার পুলিশ বাহিনীতে স্থানীয় জনগণের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলের জন্য একজন গভর্নর ও পুলিশপ্রধান নিয়োগ দেবে। তবে গভর্নর বা পুলিশ প্রধান সুয়েইদা প্রদেশের নাও হতে পারে।

      প্রসঙ্গত, এর আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেস (এসডিএফ)- এর সাথে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট। এই চুক্তি অনুযায়ী, কুর্দিদের সকল সৈন্য সিরিয়ার সরকারি সৈন্যদের সাথে যোগদান করবে। পাশাপাশি কুর্দিদের নিয়ন্ত্রিত তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র, সামরিক স্থাপনা, বিমানবন্দর ও সীমান্ত বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নেবে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

      চুক্তির পর সিরিয়ার দ্রুজ সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক নেতা হিকমত আল-হিজরি বলেছে, “সিরিয়ার অখণ্ডতা এবং জনগণের ঐক্য আমাদের জন্য সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিভক্তি চাই না, আমাদের লক্ষ্য শুধুই আমাদের শিকড় সংরক্ষণ করা।”

      উল্লেখ্য, সুয়েইদা প্রদেশ মূলত শিয়া অন্তর্ভুক্ত দ্রুজ সম্প্রদায়ের বসবাসের এলাকা। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্বায়ত্তশাসনের দাবি তুললেও বর্তমানে বিচ্ছিন্নতাবাদ প্রত্যাখ্যান করেছে।


      তথ্যসূত্র:
      1. Why Syrian Druze are placing faith in Damascus and not Israel for security
      https://tinyurl.com/2fjyefva
      2.Damascus reportedly reaches deal with Druze as Kurds integrate into Syrian state
      https://tinyurl.com/mu8m77ht
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        কুশতেপা খাল সবুজায়ন করার লক্ষ্যে কাবুল কৃষি বিভাগের ৪ লক্ষ চারা রোপণের ঘোষণা


        কুশতেপা খালের চারপাশে সবুজায়ন করতে সর্বমোট ৪ লক্ষ চারা রোপণের ঘোষণা জানিয়েছেন কাবুল কৃষি বিভাগ। এর উদ্দেশ্য হল খালের বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করা এবং এটিকে গাছপালা সমৃদ্ধ করে তোলা। কাবুল জেলা কৃষি পরিষেবার সাধারণ পরিচালনার সহায়তায় এ উদ্যোগ কার্যকর করা হচ্ছে।

        সবুজায়নের সাথে সাথে মাটির বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ, ভূমি অবক্ষয় রোধ ও কুশতেপা খালের আশেপাশে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

        উল্লেখ্য যে, এর আগে লোগার প্রদেশের বাগান মালিকগণ খালটির সবুজায়নের উদ্দেশ্যে দেড় লক্ষেরও অধিক চারা প্রদান করেছেন।


        তথ্যসূত্র:
        1. 400,000 saplings to be planted to green the Qush Tepa Canal
        https://tinyurl.com/3ba4cetf
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          জাতিসংঘের বৈঠকে তালিবান প্রতিনিধির অনুপস্থিতির সুযোগে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে পাকিস্তান


          সম্প্রতি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে পাকিস্তান প্রতিনিধির মন্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ইমারতে ইসলামিয়ার উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ। পাকিস্তানের মত অনেকেই এই ধরনের অধিবেশনকে আফগানিস্তানের ক্ষতি করতে ব্যবহার করে আসছে বলে তিনি বার্তায় উল্লেখ করেন।

          অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি মুনির আকরাম দাবি করেন যে, দায়েশ দমনে তালিবান সরকার তেমন সফল হয় নি। এছাড়া আফগানিস্তানের ২০টিরও অধিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সক্রিয় রয়েছে, যা আঞ্চলিক ও বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

          ভিত্তিহীন এ মন্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করে হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ বলেন, বর্তমান আফগানিস্তান একটি নিরাপদ দেশ, এতে একটি ঐক্যবদ্ধ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। সমগ্র দেশের উপর ইমারতে ইসলামিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, এখানে কোনও নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। জাতিসংঘের বৈঠকে আফগান প্রতিনিধির অনুপস্থিতির সুযোগে অনেকেই দেশটির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

          তিনি জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, তাদের উচিত ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের আসনকে স্বীকৃতি দেয়া, যেন আফগানিস্তানের প্রতি কেউ বিদ্বেষপূর্ণ প্রচারণার সুযোগ না পায়। এতে বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাও সম্ভব হবে।

          বিশেষজ্ঞগণের মতে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের দাবি করে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করছে পাকিস্তান প্রশাসন।


          তথ্যসূত্র:
          1. IEA dispels Pakistan’s remarks on Daesh in Afghanistan as ‘baseless’
          https://tinyurl.com/243v2838
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            কাবুলে অবস্থিত দেশের অন্যতম ডেইরি কারখানা নব উদ্যোমে চালু করল ইমারতে ইসলামিয়া


            আফগানিস্তানের কাবুলে অবস্থিত দেশের অন্যতম রিশখোর দুগ্ধপণ্য উৎপাদন কারখানা নতুন উদ্যোমে সচল করেছে ইমারতে ইসলামিয়া প্রশাসন। এ লক্ষ্যে একটি বেসরকারি সংস্থার সাথে ১০ বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইমারতে ইসলামিয়ার কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

            কারখানাটিতে ১২টি বিভিন্ন প্রকার দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন হয়ে থাকে। এটির প্রতি ব্যাচে ৪০ হাজার লিটার এবং দৈনিক ১ লক্ষ লিটার দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণের সক্ষমতা রয়েছে।

            চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মৌলভী ঝামির ওসমানী হাফিযাহুল্লাহ বলেন, কারখানাটি সচল করার উদ্দেশ্য হল পশু খামারীদের জন্য সহায়তা জোরদার করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা, দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা।

            চুক্তির শর্তানুযায়ী, চুক্তিবদ্ধ কোম্পানি কাবুল, লোগার, ময়দান ওয়ারদাকসহ বিভিন্ন প্রদেশ থেকে দুধ সংগ্রহ করবে। এছাড়া অদূর ভবিষ্যতে দেশের ৪টি স্বতন্ত্র অঞ্চলে দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধা স্থাপনের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন কোম্পানির প্রতিনিধিগণ।


            তথ্যসূত্র:
            1. Agreement Signed for Revitalization of Kabul’s Rishkhor Dairy Factory
            https://tinyurl.com/2wepj5c4
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...