Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ ।। ১৫ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১৬ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ ।। ১৫ রমযান, ১৪৪৬ হিজরী ।। ১৬ মার্চ, ২০২৫ ঈসায়ী

    সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুকে কার্যত ঘিরে ধরেছে আশ-শাবাব: একাধিক শহর ও এলাকা বিজয়


    সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুকে কার্যত অবরুদ্ধ করে ফেলেছে হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন। রাজধানীর সাথে সংযোগকারী সড়কগুলোতে অবস্থান নিয়ে নিয়মিত টহল দিতেও দেখা৷ যাচ্ছে আশ-শাবাব যোদ্ধাদের।

    হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা গত ২০ ফেব্রুয়ারী থেকে সোমালিয়ায় বড়ধরণের সমন্বিত অপারেশন শুরু করেছে। মুজাহিদদের এসকল অপারেশনে প্রধান যুদ্ধক্ষেত্র হয়ে উঠেছে মধ্য শাবেলি, হিরান ও রাজধানী মোগাদিশুর উপকন্ঠ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলো। এই অভিযান শুরুর পর থেকে গত ৮ মার্চ পর্যন্ত দলটির মুজাহিদিনরা গুরুত্বপূর্ণ ১৮টি শহর এবং আরও কয়েক ডজন উপশহর ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। এসময় মোগাদিশু সরকারি বাহিনী ও মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর বৈঠক চলাকালে সামরিক কম্পাউন্ডে ২০ ঘন্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করেছে আশ-শাবাব।




    এই বিজয়গুলোর পর, আশ-শাবাব মুজাহিদিনরা গত সপ্তাহে গুরুত্বপূর্ণ কোনো শহরের নিয়ন্ত্রণ না নিলেও, রাজধানী মোগাদিশুকে ঘিরে ফেলার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছেন। এই সময়টাতে মুজাহিদিনরা রাজধানী মোগাদিশুর সাথে সংযোগকারী সড়কগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সেখানে নিজেদের অবস্থান মজবুত করেছেন এবং সামরিক পোস্ট বসিয়ে নিয়মিত টহল দিতেও দেখা গেছে আশ-শাবাব যোদ্ধাদের।

    এমন পরিস্থিতিতে, আশ-শাবাবের অগ্রগতি রুখতে শহরের উপকণ্ঠের গুরুত্বপূর্ণ একাধিক ব্রিজ বোমা মেরে ধ্বংস করে দিয়েছে মোগাদিশুর বাহিনী। সেই সাথে আন্তর্জাতিক জোট বাহিনীর সহায়তায় আশ-শাবাব যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে ১০০ এরও বেশি বিমান হামলা চালিয়েছে মোগাদিশু বাহিনী। মোগাদিশু বাহিনী তার আন্তর্জাতিক মিত্রদের সহায়তায় তীব্র এই আক্রমণ চালানো সত্বেও একটি শহরও আশ-শাবাব থেকে পুনরুদ্ধার করতে পারি নি। বিপরীতে আশ-শাবাব এসকল এলাকায় তাদের অবস্থান ও নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করেছেন। সেই সাথে রাজধানী মোগাদিশুর দিকে আশ-শাবাব তাদের অগ্রগতি অব্যাহত রেখেছে।




    সেই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (১৫ মার্চ) সকালে, রাজধানী মোগাদিশু থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত লাফোল এবং হাও আবদি এলাকায় প্রবেশ করেছেন হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা। একই দিন সকালে, মুজাহিদিনরা মধ্য ও নিন্ম শাবেলি রাজ্যের মধ্যে সংযোগকারী আওধেগল শহর ও সুমাদালে শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। বর্তমানে বিজিত এই দু’টি শহর থেকে মুজাহিদিনরা রাজধানীর নিকটতম শহর আদালের দিকে অগ্রসর হচ্ছেন।

    এমনিভাবে, শনিবার সকাল থেকে মোগাদিশুর দক্ষিণ এবং উত্তর দিক থেকেও মুজাহিদদের দলগুলো শহরের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করেছেন। এই মুজাহিদিনরা রাজধানী থেকে মাত্র ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণের কৌশলগত নদী-পারবর্তী শহর আউদাগলীর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। এই মুজাহিদিনরা মোগাদিশু বাহিনীকে সমুদ্রের দিক থেকে অবরোধের লক্ষ্যে বিভিন্ন ফ্রন্টে আক্রমণ তীব্রতর করেছেন।




    এদিকে ১৪ তারিখ রাত থেকে, রাজধানী কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মোগাদিশু বাহিনীর নিরাপত্তা চৌকিগুলো লক্ষ্য করে আইইডি বিস্ফোরণ ও গেরিলা হামলা চালাতে শুরু করেছে আশ-শাবাব। শাবাবের এসকল হামলায় সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মোগাদিশুর দারু সালাম পাড়া ও সিলশা বিয়াহা এলাকায় অবস্থিত শত্রু চেকপোস্টগুলো।

    সবশেষে তথ্য অনুযায়ী, আশ-শাবাব প্রশাসন কেন্দ্রীয় শহরগুলোতে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে ইতিমধ্যেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। এই লক্ষ্যে মুজাহিদিনরা মোগাদিশু সরকারের সাথে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ অনেক কর্মকর্তা, সৈন্য এবং উপজাতি নেতাদের সাথে আলোচনা শুরু করেছেন, যাতে বড় ধরনের সংঘর্ষ ছাড়াই শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যায় এবং এই কর্মকর্তারা আশ-শাবাবের শাসন মেনে নিয়ে তাদেরকে সহায়তা করেন।

    উল্লেখ্য যে, গত এক মাস আগে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে মোগাদিশু সরকার এই গল্প প্রচার করছিল যে, আশ-শাবাব চিরতরে পরাজিত হবে। কিন্তু এখন মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে নাটকীয় পরিবর্তনের পর, মোগাদিশু সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং মন্ত্রীরা বলছে, “আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করব, আমরা আত্মসমর্পণ করব না, কেননা হেরে গেলে আমাদের কোথাও যাওয়ার নেই।”


    তথ্যসূত্র:
    ١. مقاتلو حركة الشباب المجاهدين يسيطرون بالكامل على مديرية أوديقلي عقب هجوم كاسح
    https://tinyurl.com/4ny7wspc

    ٢. سيطرة مقاتلي حركة الشباب المجاهدين على منطقة سوماذالي
    https://tinyurl.com/338v6kzm
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    পাকিস্তানে বসন্তকালীন অপারেশন শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে টিটিপি


    পাকিস্তান ভিত্তিক সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)। উমর মিডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে টিটিপি “অপারেশন আল-খন্দক” নামে তাদের বসন্তকালীন আক্রমণ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে।

    টিটিপির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র মুহাম্মদ খোরাসানি হাফিযাহুল্লাহ কর্তৃক জারি করা শনিবারের (১৫ মার্চ) বিবৃতিতে বসন্তকালীন আক্রমণের ঘোষণাটি দেওয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা জোট ও তাদের তাবেদার আশরাফ গনী সরকারের বিরুদ্ধে একই নামে বসন্তকালীন অপারেশনের ঘোষণা দিয়েছিল আফগান তালিবান, যেই অভিযান রাজধানী কাবুল বিজয়ের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছিল।

    মুখপাত্র মুহাম্মদ খোরাসানির প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, এই অপারেশন পরিচালনার জন্য প্রতিটি অঞ্চলে টিটিপির সশস্ত্র ইউনিটগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছেছে। এই যোদ্ধারা আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত বলেও জানা গেছে।

    বিবৃতিতে পাকিস্তানি প্রশাসনকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে যে “দেশটি একদল জেনারেলের দ্বারা কুক্ষিগত হয়ে গেছে”:

    মুহাম্মদ খোরাসানি বলেন, “আমরা আমাদের প্রিয় দেশবাসীকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, গত সত্তর বছর ধরে এই দেশকে কুক্ষিগত করে শাসন করছে একদল জেনারেল। এই দলটি দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠন, দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেওয়া, বিচার বিভাগকে দাসত্বে পরিণত করা, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা, রাজনৈতিক দলের সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং স্বেচ্ছাচারী আইন ও সিদ্ধান্ত জারির জন্য এককভাবে দায়ী। অতএব, এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে এবং দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য টিটিপিকে সমর্থন করা পাকিস্তানের সকল জনগণের ধর্মীয় ও নৈতিক কর্তব্য।”

    উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে টিটিপি তাদের দল পুনর্গঠন এবং দেশে সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি করেছে। সেই সাথে টিটিপির মতো অন্যান্য সশস্ত্র দলগুলোও পাকিস্তানে তাদের প্রভাব আরও শক্তিশালী করেছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Pakistani Taliban Announce “Al-Khandaq Operations” for Spring 2025
    https://tinyurl.com/3rcr5a8v
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      বুরকিনায় বেসামরিক মুসলিমদের বিরুদ্ধে জান্তার গণহত্যা অব্যাহত: কঠিন প্রতিশোধের অঙ্গিকার আল-কায়েদার



      পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে সেনাবাহিনী (জান্তা) এবং এর সাথে যুক্ত মিলিশিয়াদের আক্রমণে শতাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

      গত ১০-১১ মার্চ, দেশটির পশ্চিমে সোলেনজো শহর এবং এর আশেপাশের এলাকায় দেশটির জান্তা বাহিনী ও এর সাথে যুক্ত ভিডিপি বাহিনী কয়েক ডজন বেসামরিক মুসলিম নাগরিককে হত্যা করেছে। স্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় গত ১১ মার্চ থেকে প্রচারিত ভিডিওগুলিতে জান্তা বাহিনী কর্তৃক নৃশংস এই গণহত্যার দৃশ্যগুলো ছড়িয়ে পড়েছে।

      সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ছবিগুলি প্রচারিত হচ্ছে তা খুবই মর্মান্তিক। জান্তা বাহিনীর সশস্ত্র লোকেরা অত্যন্ত নির্দয়ভাবে ঠান্ডা মাথায় কয়েক ডজন পুরুষ, মহিলা এবং শিশুকে হত্যা করেছে। পরে গণহত্যার শিকার মৃতদেহের উপর দিয়েই জান্তা বাহিনীকে হেঁটে যেতে দেখা যায়, যাদের অনেককেই হাত পা বেঁধে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, কয়েক মাসের একটি শিশুকে তার বাবা-মায়ের পাশে মাটিতে শুয়ে চিৎকার করছে।

      এমনই ভয়াবহ দৃশ্য সম্বলিত আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, জান্তা বাহিনীর সদস্যরা কয়েক ডজন লোকের নিথর দেহ দিয়ে একটি মোটরগাড়ি বোঝাই করছে। তারা জীবিত না মৃত তা বলা কঠিন। এই দৃশগুলো ধারণ করার সময় জান্তা বাহিনীর সাথে যুক্ত ভিডিপির দুই সদস্যকে দেখা যায়, তারা নিহত মানবদেহের স্তূপের উপর বসে, সামান্যতম সম্মান ছাড়াই, তাদের সহকর্মীদের সাথে মজা করছে।

      এই গণহত্যার একটি ভিডিওতে, এক মিলিশিয়া সদস্যকে আক্রান্ত গ্রামের একজন মহিলাকে উদ্দেশ্য করে বলতে শোনা যাচ্ছিল:

      “তোমরা ফুলানিরা কি মনে করছো বুরকিনা ফাসো দখল করতে পারবে? তোমরা কখনোই দখল করতে পারবে না! তোমাদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়া হবে। বন্দুকধারীরা কোথায়? তোমরা জানো না তারা কোথায়? আমরা তোমাদের শেষ করে দেব।”

      ভিডিওর এই অংশ দেখে বুঝা যাচ্ছিল যে, গণহত্যায় নিহতরা এই অঞ্চলে বসবাসকারী মুসলিম ফুলানি বেসামরিক নাগরিক ছিলেন। যাদেরকে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ‘জেএনআইএম’কে সমর্থন করার জন্য অভিযুক্ত করেছে জান্তা বাহিনী।

      এদিকে খুব শীগ্রই এই গণহত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট মুজাহিদিন সংগঠন জেএনআইএম।





      সোলেনজো শহরের আশপাশে ফুলানি সম্প্রদায়ের উপর জান্তা বাহিনী কর্তৃক উক্ত নৃশংসতার প্রতিক্রিয়ায়, প্রতিরোধ বাহিনী জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) সহিংসতার নিন্দা জানিয়ে ৫ মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে এই অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা জেএনআইএম’এর সেকেন্ড ইন কমান্ড উসমান ডিকো তাঁর বক্তব্যে, সোলেনজোতে ফুলানি বেসামরিক নাগরিকদের উপর সাম্প্রতিক সহিংসতার প্রতি মনোযোগ দেওয়ার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

      তিনি জানান, বুরকিনান সেনাবাহিনী দেশটির সেব্বা, জিবো এবং অন্যান্য স্থানে নারী ও শিশুদের উপর একই ধরণের নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তিনি বলেন, যদি “জেএনআইএম” যোদ্ধারাও ভিডিপির মতো আচরণ করতো, তবে বুরকিনা ফাসোতে জান্তা ও ভিডিপি সদস্যদের বংশ ও গোত্রের কোনও অস্তিত্ব থাকতো না। অথচ, জান্তা ও ভিডিপি’র সদস্যরা বছরের পর বছর ধরে এই অঞ্চলের বেসামরিক মুসলিমদের বিরুদ্ধে এমন নৃশংস আচরণ করে আসছে।

      ভিডিও বার্তায় ‘জেএনআইএম’ এর সেকেন্ড ইন কমান্ড জনগণকে আস্বস্ত করে বলেন, “নৃশংস এই গণহত্যার শিকার ব্যক্তিরা চাই ফুলানি হোক বা না হোক” খুব শীগ্রই তাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত জান্তা বাহিনীর এই গণহত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

      তথ্যসূত্র:
      https://tinyurl.com/4j9az97m

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        বুরকিনায় সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে জেএনআইএম: নিহত ১২ শত্রু সেনা


        পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে আল-কায়েদার পরিচালিত এক অভিযানে অন্তত ১২ শত্রু সেনা সদস্য নিহত এবং বহু সংখ্যক সৈন্য আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

        আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্যমতে, গত ১৪ মার্চ সকালে, ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যের বাম্বা শহরের উত্তরে একটি সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদিনরা। অভিযানটি শহরের উপকণ্ঠে ইয়াম্বার এলাকায় বুরকিনান জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।

        স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কয়েক ডজন ‘জেএনআইএম’ মুজাহিদ মোটরসাইকেল ও একটি সাঁজোয়া যান নিয়ে এই যুদ্ধে অংশ নেন, তাঁরা একযোগে বিভিন্ন দিক থেকে সামরিক ঘাঁটিটিতে আক্রমণ চালান। এতে ইয়াম্বার এলাকায় জান্তা বাহিনী ও মুজাহিদদের মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়। এক পর্যায়ে জান্তা বাহিনী মুজাহিদদের বুলেটের ক্ষিপ্রতার সামনে দাঁড়াতে না পেরে ঘাঁটি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তবে ততক্ষণে মুজাহিদদের হামলায় জান্তা বাহিনীর অন্তত ১২ সৈন্য নিহত এবং আরও বহু সংখ্যক সৈন্য আহত হয়।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/3pre2px5
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          বহির্বিশ্বে মাংস রপ্তানির পরিকল্পনা গ্রহণ করছে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান


          ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান প্রশাসন বহির্বিশ্বে মাংস রপ্তানির পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

          গত ১৪ মার্চ দেশটির কৃষি মন্ত্রী মাওলানা আতাউল্লাহ ওমারী হাফিযাহুল্লাহ এবং শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী নুরুদ্দিন আজিজী হাফিযাহুল্লাহ-এর মধ্যে এ বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

          বৈঠকে কৃষি মন্ত্রী আতাউল্লাহ ওমারী বলেন, মাংস রপ্তানি একটি লাভজনক খাত। এতে আমাদের সাফল্যের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের ৮০ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষি ও পশু পালনের সঙ্গে জড়িত। মাংস রপ্তানিতে সাফল্য দেশের পশু পালনকারীদের আরও উৎসাহিত করবে এবং দেশীয় গবাদি পশুর জাত সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে মাংস রপ্তানির আগে উচ্চ মান নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য পশুপালন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যা মাংসের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

          অন্যদিকে, শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী নুরুদ্দিন আজিজী জানান, বিভিন্ন দেশ ইতোমধ্যে ইমারতে ইসলামিয়া থেকে মাংস সংগ্রহে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে, ভেড়ার প্রজনন বৃদ্ধি এবং তা রপ্তানির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা গেলে দেশের পাশাপাশি পশুপালকরাও লাভবান হবেন।

          বৈঠকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টারা চারণভূমি পুনরুদ্ধার, নতুন জাতের উন্নয়ন, বৃহৎ পরিসরে পশু পালন, বৃহদাকার খামার নির্মাণ এবং পশু স্বাস্থ্যসেবার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা দ্রুত এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করার পরামর্শ দেন।

          আফগান খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে ইমারতে ইসলামিয়া সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর পশু খাতের আয় ৬.৭ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। সরকার পশু ও পোল্ট্রি শিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করায় দেশটিতে পশু পালনের সংখ্যা আনুমানিক ৪৩ মিলিয়নে পৌঁছেছে।


          তথ্যসূত্র:
          1. افغانستان بهرنیو هېوادونو ته د غوښې صادرات پیلوي
          https://tinyurl.com/bdfcby4r
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ওমানে আফগান কারাবন্দীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করতে উদ্যোগ গ্রহণ


            সম্প্রতি ওমান সফরে আফগান বন্দিদের কারাভোগের মেয়াদ কমিয়ে তাদেরকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইমারতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী মৌলভী আমির খান মুত্তাকি হাফিযাহুল্লাহ। এছাড়া ওমানে বসবাসরত আফগানদের কনস্যুলার সেবা সহজতর করার লক্ষ্যে আফগান দূতাবাসের সাথে সমন্বয় করতে তিনি ওমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

            তালিবান প্রশাসনের উপস্থাপিত এ সকল বিষয়ের প্রতি ইতিবাচক সাড়া প্রদান করেছেন ওমান সালতানাত কার্যালয়ের মন্ত্রী।

            এছাড়া উক্ত সফরে ওমান প্রশাসনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিভাগের প্রধান এবং হজ্ব ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে পৃথক বৈঠক করেছেন মৌলভী মুত্তাকি হাফিযাহুল্লাহ।

            এতে উভয় দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান ফ্লাইট চালু, বাণিজ্য বাড়ানো ও পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা উপস্থাপিত হয়েছে। এ সকল উদ্যোগ প্রবাসী নাগরিকদের সমস্যা সমাধান ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে ইমারতে ইসলামিয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রমাণ বহন করছে।


            তথ্যসূত্র:
            1. Oman grants amnesty to Afghan prisoners
            https://tinyurl.com/2fnabpkp
            2. Muttaqi urges Oman to release Afghan prisoners
            https://tinyurl.com/4z3enrh6
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X