Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৭ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ১২ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​​

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৭ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ১২ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​​

    পাকিস্তানে ৩টি ফ্রন্টে ইত্তেহাদুল মুজাহিদিনের ৫টি পৃথক অভিযান


    সশস্ত্র ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি), গত ১১ আগস্ট দলটির মুজাহিদিনরা পাকিস্তানের ৩টি অঞ্চলে ৫টি পৃথক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। এতে শত্রু শিবিরে হতাহতের ঘটনা ছাড়াও আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

    আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) জানান, মুজাহিদদের পরিচালিত অভিযানগুলোর মধ্যে ২টি চালানো হয়েছে খাইবার এজেন্সিতে, ২টি বান্নুতে এবং অন্য ১টি অভিযান ওরাকজাই এজেন্সিতে চালানো হয়েছে।

    মুজাহিদিনরা তাদের প্রথম অভিযানটি পরিচালনা করেন ১১ আগস্ট সোমবার সকালে। অভিযানটি খাইবার এজেন্সির আপার-বারা এলাকায় অবস্থিত একটি এফসি পোস্ট লক্ষ্য করে চালানো হয়। এই অভিযানে মুজাহিদিনরা স্নাইপার রাইফেল এবং হালকা অস্ত্র ব্যবহার করে শত্রু বাহিনীর উপর আক্রমণ চালান। এতে শত্রু বাহিনীর একটি নিরাপত্তা ক্যামেরা ধ্বংস হয়ে যায়, সেই সাথে কতক সৈন্য হতাহত হয়।

    এদিন সকালে, মুজাহিদিনরা দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালনা করেন বান্নু জেলার বাকাখেল এলাকায়। অভিযানটি উক্ত এলাকার সিপিইসি রোডে অবস্থিত শত্রু পোস্ট লক্ষ্য করে স্নাইপার ব্যবহার করে চালানো হয়। ফলশ্রুতিতে কতক সৈন্য হতাহত হয়।

    মুজাহিদিনরা এদিন দুপুর ২:৩০ মিনিটের সময়, তাদের তৃতীয় সফল অভিযানটি পরিচালনা করেন। অভিযানটি ওরাকজাই এজেন্সির কাকু জিয়ারত এলাকায় অবস্থিত একটি শত্রু সামরিক পোস্টে স্নাইপার ব্যবহার করে চালানো হয়। আর তাতেই ঘটনাস্থলে ১ শত্রু সৈন্য নিহত হয়।

    এদিকে সোমবার বিকেল ৫টায়, মুজাহিদিনরা খাইবার এজেন্সির তিরাহ উপত্যকায় অবস্থিত শত্রু বাহিনীর আল-বদর পোস্টে একটি তীব্র আক্রমণ চালান। এই অভিযানে মুজাহিদিনরা স্নাইপার এবং হালকা অস্ত্র দিয়ে শত্রু বাহিনীকে হামলার লক্ষ্যবস্তু বানান। এতে শত্রু বাহিনীর একটি নিরাপত্তা ক্যামেরা ধ্বংস হয়ে যায় এবং কতক সৈন্য হতাহতের শিকার হয়।

    এমনিভাবে বান্নুতে এদিন সন্ধ্যায় শত্রু সামরিক বাহিনী ও মুজাহিদদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি একটি তীব্র লড়াই সংঘটিত হয়। বান্নু জেলার বাকাখেল সীমান্তে অবস্থিত বান্নু বিমানবন্দর নিকটবর্তী একটি ফাঁড়িতে হালকা ও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করে এই পাল্টা আক্রমণটি শুরু হয়। তীব্র এই আক্রমণে শত্রু বাহিনীর একটি টাওয়ার সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং সেখানে উপস্থিত শত্রু সৈন্যদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/mvheeu53
    https://tinyurl.com/5yjzvm5w
    https://tinyurl.com/yey5rmas
    https://tinyurl.com/mwsb4es6
    https://tinyurl.com/mexc8rva
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    আল কাসসাম, আল–আকসা ও সালাহউদ্দিন ব্রিগেডের যৌথ অভিযানে ২ দখলদার সেনা নিহত




    দখলদার ইহুদিবাদী ইসরায়েলের অব্যাহত গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের জবাবে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠনগুলো গাজায় ধারাবাহিক ও সংগঠিত হামলা চালাচ্ছে। আল–কাসসাম ব্রিগেড, আল–আকসা শহীদ ব্রিগেড এবং আল–নাসের সালাহউদ্দিন ব্রিগেড ১১ আগস্ট (সোমবার) একাধিক স্থানে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি, সেনা অবস্থান ও সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে মর্টার, রকেট ও স্নাইপার হামলা চালিয়েছে। এসব হামলায় অন্তত দুই দখলদার সেনা নিহত এবং একাধিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

    ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন আল–কাসসাম ব্রিগেড তিনটি পৃথক বিবৃতিতে জানায়, তারা গাজার পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে এবং পূর্ব আল–তুফাহ এলাকায় স্নাইপার হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা করেছে। স্নাইপারে ব্যবহৃত হয়েছে দেশীয়ভাবে তৈরি “গৌল রাইফেল”।

    প্রথম অভিযানে আল–কাসসাম যোদ্ধারা পূর্ব গাজা সিটির আল–তুফাহ এলাকার পূর্বে সুরানি পাহাড়ের কাছে অবস্থিত একটি ইসরায়েলি “কমান্ড ও কন্ট্রোল” ঘাঁটিতে মর্টার শেল নিক্ষেপ করে। দ্বিতীয় অভিযানে রাফাহ শহরের দক্ষিণে সালাহউদ্দিন সড়কের পাশের জারাব পাহাড় সংলগ্ন আরেকটি ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা “রাজুম” এ স্বল্পপাল্লার ১১৪ মিমি রকেট সিস্টেম দিয়ে আঘাত করা হয়।

    এছাড়া, আল–আকসা শহীদ ব্রিগেড আল–নাসের সালাহউদ্দিন ব্রিগেডের সঙ্গে যৌথ অভিযানে খান ইউনুসের উত্তর-পূর্বে কাফর আল–কারারা এলাকায় অগ্রসরমান ইসরায়েলি সেনা ও সাঁজোয়া যানবহরে ৬০ মিমি মর্টার শেল বর্ষণ করে। প্রতিরোধ যোদ্ধারা জানিয়েছে, এসব হামলা দখলদার বাহিনীর গতিবিধি ব্যাহত করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।

    গাজায় চলমান এই প্রতিরোধ প্রমাণ করছে যে দখল, ধ্বংস ও গণহত্যার মুখোমুখি হয়েও একটি জাতি তার স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষায় আপসহীন থাকতে পারে। দখলদার ইহুদিবাদী রাষ্ট্র ইসরায়েলের নিষ্ঠুরতা, পাশ্চাত্যের নীরবতা এবং মুসলিম বিশ্বের দুর্বল প্রতিক্রিয়া ইতিহাসে নিন্দিত হয়ে থাকবে। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ বাহিনীর প্রতিটি পদক্ষেপ স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে—ন্যায় ও স্বাধীনতার জন্য লড়াই কখনো থামে না।


    তথ্যসূত্র:
    1. Al-Qassam Snipe Occupation Soldiers East of Gaza – Resistance Roundup – Day 674
    https://tinyurl.com/4ypsh5j9
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      দোহা চুক্তি ছিল আফগানিস্তানে আমেরিকার পরাজয়ের লিখিত স্বীকৃতি: আনাস হক্কানী



      দোহা চুক্তি স্বাক্ষর ছিল আমেরিকার নিজের পরাজয়ের লিখিত দস্তখত বলে মন্তব্য করেছেন ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সিনিয়র নেতা ও দোহা সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আনাস হক্কানী হাফিযাহুল্লাহ। তিনি বলেন, এখন এটিকে শান্তি চুক্তি হোক বা যেই নামেই ডাকা হোক না কেন এটি মূলত পরাজয় স্বীকারের দলিল।

      গত ১১ আগস্ট টোলো নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আনাস হক্কানী জানান তাদের মূল লক্ষ্য ছিলো পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা। তবে সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা গতিপথ বদলে দেয়।

      তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, আমেরিকা ইমারতে ইসলামিয়ার সাথে আলোচনায় বসতে শুরুতে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করলেও শেষে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছিলো।

      সমঝোতার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চাওয়ার স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে তিনি বলেন, আপনারা মুজাহিদ সাহেবের সেই সময়ের বক্তব্য দেখতে পারেন, যা ছিল সকালে, যখন কাতারে আমাদের সহযোগীরা একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য কাজ করছিলেন। লক্ষ্য ছিল নতুন সরকারের বৈধতা অক্ষুণ্ন রাখা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা। এজন্যই আমাদের নেতারা পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে কাবুলে প্রবেশের ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।

      তবে মার্কিন সমর্থিত প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির পলায়ন ঘটনাটির গতিপথ পাল্টে দেয়। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমেরিকা পূর্বে কয়েকবার আমাদের সঙ্গে সমঝোতার জন্য আলোচনায় বসার প্রস্তুতি জানিয়েছিল। কিন্তু প্রতিবারই তাদের নীতি পরিবর্তন হয়ে সরে দাঁড়িয়েছে।’

      দোহা আলোচনার সময় আফগানিস্তানে যুদ্ধ ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সেই তীব্রতা থেকেই আমেরিকা তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আফগানিস্তান থেকে সরে যেতে হবে, যদিও তখন পর্যন্ত তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেনি।

      অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও আলোচনা বা সংলাপে বসার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের নেতারা কোনো কিছুতেই ভরসা পাচ্ছিলেন না। চুক্তি সাক্ষর সত্ত্বেও অপর পক্ষ এর থেকে পিছিয়ে যেতে পারে। কারণ এর কোনো নিশ্চয়তা ছিলো না। এমনকি মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোও আমাদের তেমন নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। কিন্তু আমরা চেয়েছিলাম, তারা যেনো সবার চোখের সামনে চুক্তিতে সই করে, যা হবে আদতে নিজেদের পরাজয়ে নিজেদের দস্তখত।

      আনাস হক্কানী এই চুক্তিকে আফগান ইমারত সরকারের নিকট আমেরিকা কর্তৃক বৈধভাবে ক্ষমতার হস্তান্তর প্রক্রিয়া বলেও বর্ণনা করেছেন।

      রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইদরিস মুহাম্মাদি জাজি তালিবান ও আমেরিকার মধ্যকার দোহা চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমেরিকা যে শর্ত, অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো তা এখনো রক্ষা করেনি। তারা এখনো বিভিন্ন ধরণের নিষেধাজ্ঞা, তালিবান নেতাদের কালো তালিকাভুক্তি ও অন্যান্য বিধিনিষেধ বহাল রেখেছে, যা চুক্তির পরিপন্থী। আমেরিকার উচিত এবিষয়ে মনোযোগ দেওয়া।’

      সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি, কাতারের দোহায় তালেবান ও আমেরিকার মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি সাক্ষরিত হয়। যা দোহা চুক্তি নামে পরিচিত। এই চুক্তি সাক্ষরের মধ্য দিয়ে কাগজে-কলমে আফগান যুদ্ধে আমেরিকার পরাজয় ঘটে এবং সেনা প্রত্যাহার করতে শুরু করে।

      তালিবান বা তাদের ইসলামি রাষ্ট্র কাঠামো ইমারতে ইসলামিয়ার পক্ষে এর বর্তমান উপ-প্রধানমন্ত্রী (অর্থ) মোল্লা আব্দুল গণী বারাদার হাফিযাহুল্লাহ এবং আফগানিস্তানে আমেরিকার সাবেক বিশেষ প্রতিনিধি জালমী খলিলজাদ আমেরিকার পক্ষে এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করে।

      চুক্তিতে বলা হয়েছিলো, ইমারতে ইসলামিয়া কর্তৃক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দানের বিনিময়ে আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সেনাদের সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হবে, যা আন্তঃআফগান আলোচনা শুরু করার পথ সুগম করবে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক অবসান করেছিল।


      তথ্যসূত্র:
      1. Anas Haqqani: Doha Agreement Marked America’s Defeat
      https://tinyurl.com/ybe22cpj

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        কেনিয়ায় শত্রু সামরিক কনভয়ে শাবাবের হামলা: হতাহত ৩০ শত্রু সৈন্য


        কেনিয়ার ঔপনিবেশিক শাসনাধীন মান্দেরা অঞ্চলে একটি শত্রু সামরিক কনভয় টার্গেট করে শক্তিশালী আইইডি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিন।

        শাহাদাহ এজেন্সির তথ্যমতে, গত ১১ আগস্ট সোমবার, কেনিয়ান সৈন্যদের বহনকারী যানবাহনের একটি কনভয়ে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমালিয়া ও কেনিয়ার কৃত্রিম সীমান্তে অবস্থিত মান্দেরা শহরের উপকণ্ঠে এই হামলাটি চালানো হয়েছে। এতে কেনিয়ান বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে।

        হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা উক্ত বিস্ফোরণের মাধ্যমে কেনিয়ান সৈন্যদের বহনকারী একটি বড় সামরিক ট্রাককে লক্ষ্য করে সরাসরি আঘাতটি করেছেন। এতে শত্রু বাহিনীর সামরিক ট্রাকটি ধ্বংস হয়ে যায়, যাতে প্রায় ৩০ কেনিয়ান সৈন্য ছিল। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই শক্তিশালী ছিলো, এর ফলে সামরিক ট্রাকে থাকা সমস্ত সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/bdm2wvaa
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          মালিতে ৩টি শত্রু সেনা অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন মুজাহিদিনরা


          পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির সেগৌতে বীরত্বপূর্ণ এক অভিযান শেষে মুজাহিদিনরা জান্তা বাহিনীর ৩টি সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।

          আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ‘জেএনআইএম’ মুজাহিদিনরা গত ৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার, মালির সেগৌ রাজ্যে ৩টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানগুলো রাজ্যের সিগাদজি, সেরিবালা এবং বিওয়ানি এলাকায় অবস্থিত জান্তা বাহিনীর তিনটি সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে একযোগে চালানো হয়। এসময় মুজাহিদদের হামলায় কমপক্ষে ২ জান্তা সদস্য নিহত হয় এবং অন্যরা জীবন বাঁচাতে সামরিক অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়।

          শত্রু বাহিনীর এই পলায়নের পর মুজাহিদিনরা ৩টি সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নেন। এসময় মুজাহিদিনরা ঘটনাস্থল থেকে ৫টি ক্লাশিনকোভ, ১টি পিকা, ১টি পিস্তল, ১৫টি মোটরসাইকেল, ৩১টি ম্যাগাজিন এবং প্রচুর পরিমাণে গোলাবারুদ গনিমত হিসাবে অর্জন করেন। এছাড়াও মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীর বেশ কয়েকটি যানবাহন ধ্বংস করেন।


          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/43zjt965
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X