Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৯ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ১৪ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​​

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৯ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ১৪ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​​

    আল-কাসসামের সফল অপারেশন: খান ইউনিসে ইহুদিবাদী দখলদারদের দুটি ট্যাংক ধ্বংস




    ইহুদিবাদী দখলদার ইসরায়েলের নৃশংসতা ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি মুজাহিদদের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। আল-কাসসাম ব্রিগেডস তাদের সর্বশেষ অপারেশনে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর দুটি মেরকাভা ট্যাংক ধ্বংস করেছে। খান ইউনিসের আবু হামিদ এলাকায় সংঘটিত এই অপারেশনে ইয়াসিন-১০৫ শেল ও সাইড আইইডি ব্যবহার করে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের উপর কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে।

    আল-কাসসাম ব্রিগেডস ১৪ আগস্ট, বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে তাদের যোদ্ধারা কেন্দ্রীয় খান ইউনিসের আবু হামিদ এলাকায় ইহুদিবাদী দখলদার বাহিনীর দুটি মেরকাভা ট্যাংক লক্ষ্য করে দুটি ইয়াসিন-১০৫ শেল ও একটি সাইড আইইডি’র বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেগুলো সফলভাবে ধ্বংস করেছে। এই অপারেশনটি গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জবাব হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।

    ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী ২০২৩ সাল থেকে গাজায় নৃশংস হামলা চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক আদালতের রায় উপেক্ষা করে ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীরা গাজায় অবরোধ দিয়ে, খাদ্য ও ওষুধের সংকট সৃষ্টি করে মানবিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও জাতিসংঘ বারবার সতর্ক করেও ইসরায়েলের নৃশংসতা বন্ধ করতে পারেনি।

    এই পরিস্থিতিতে আল-কাসসাম ব্রিগেডসের মতো ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গ্রুপগুলোর অপারেশন ইহুদিবাদী দখলদারদের জন্য ক্রমাগত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত জুলাই মাসেও আল-কাসসাম ও আল-কুদস ব্রিগেডস যৌথভাবে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর মর্টার হামলা চালিয়ে যানবাহন ধ্বংস করেছিল।

    ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর নৃশংসতা যতই বাড়ছে, ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিরোধের চেতনা ততই শাণিত হচ্ছে। আল-কাসসাম ব্রিগেডসের ১৪ আগস্ট, বৃহস্পতিবারের সফল অপারেশন প্রমাণ করে যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম কখনই থামানো যায় না। ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বেড়ে চলেছে হতাশা নেতৃত্বহীনতার অভিযোগ। যুদ্ধের সময় যত গড়াচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে—যারা একদিন দখল নিতে এসেছিল, তারা আজ নিজেরাই দিশেহারা।


    তথ্যসূত্র:
    1. Al-Qassam Brigades: we targeted two Zionist Merkava tanks with two Yassin-105 shells and a side IED near Abu Hamid roundabout in central Khan Younis, southern Gaza.
    https://tinyurl.com/bdea4r3j
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    কিরগিজস্তানের সাথে যুগান্তকারী বাণিজ্য সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইমারতে ইসলামিয়া


    দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে কিরগিজস্তানের সাথে একটি ব্যাপক অর্থনৈতিক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান। এই উদ্দেশ্যে একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ প্রণয়ন ও সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে উভয় পক্ষ। সম্প্রতি ইমারতে ইসলামিয়ার শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী নূরুদ্দিন আজিজি হাফিযাহুল্লাহ’র কিরগিজস্তান সফরকালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    এই সময় বাণিজ্য সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও ব্যবসায় বাধা অপসারণ করতে কিরগিজ প্রতিনিধিদের সাথে ব্যাপক আলোচনা উপস্থাপিত হয়েছে।

    এছাড়া যৌথ বাণিজ্য কাউন্সিল গঠন, নিয়মিত বৈঠক আয়োজন এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের বিষয়ে উক্ত সভায় আলোচনা হয়েছে।

    ট্রেড হাউস ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র চালু করা, অর্থনৈতিক ফোরাম, প্রদর্শনী এবং আফগানিস্তানে যৌথ বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা উত্থাপিত হয়েছে।

    দ্বিপাক্ষিক ট্রানজিট করিডোর, বাণিজ্য ও ট্রানজিট উন্নয়ন চুক্তি স্বাক্ষর এবং উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তানকে জড়িত করে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতায় কাজ করতে উভয়ে সম্মত হয়েছে।

    নতুন এই চুক্তিতে কিরগিজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আফগান ব্যবসায়ীদের বাণিজ্যিক ভিসা, ব্যাংকিং সংযোগ ও পরিবহন রুট সহজতর করার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

    আফগানিস্তান দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্যকে সংযোগকারী ট্রানজিট হাব হয়ে উঠার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই কৌশলগত অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে মধ্য এশিয়ার রাষ্ট্রগুলোতে বাণিজ্য সম্প্রসারণ করছে ইমারতে ইসলামিয়া।

    উক্ত সমঝোতা স্মারক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন উভয় পক্ষ। এর মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংহতির পথ প্রশস্ত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Afghanistan and Kyrgyzstan sign landmark economic and Trade Cooperation Agreement
    -https://tinyurl.com/4nytpvbe
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আমেরিকার প্রচারিত মানবাধিকার প্রতিবেদনে রাজনৈতিক সুর বিদ্যমান: জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ


      ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি উপস্থিতি নেই, তারা আফগানিস্তান সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞানও রাখে না, তা সত্ত্বেও মানবাধিকার ইস্যুতে নিজেদের ইচ্ছে মতো মূল্যায়ন প্রকাশ করে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মানবাধিকার বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় এসব মন্তব্য করেন ইমারতে ইসলামিয়ার মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ।

      উক্ত মানবাধিকার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তালিবান সরকারের অধীনে আফগানিস্তানে মানবাধিকার সুরক্ষা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। নারী অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘিত হয়েছে।

      জবাবে মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, আফগানিস্তানে কোনও মার্কিন দূতাবাস নেই। তাই তাদের পক্ষে আফগানিস্তানের বাস্তবতা, অগ্রগতি বা মানবাধিকারের বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা চলে না। এই প্রতিবেদনগুলোর সাথে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত, অধিকাংশ প্রতিবেদন ষড়যন্ত্রের হাতিয়ার হিসেবে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

      তিনি জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত মার্কিন দখলদারিত্বের সময়ের সাথে আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি তুলনা করা, মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোন সময়কালটি অধিক উত্তম সেটা তারা অনুধাবন করুক।

      তিনি আরও বলেন, আফগান ইস্যু নিয়ে আমেরিকার উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়, কেননা নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে বর্তমান সরকার অবগত আছে। আফগানিস্তানের একটি একটি ধর্মীয় ও আইনি দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এখানে ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

      তথ্যসূত্র:
      1. US human rights report on Afghanistan has a ‘political tone’, says IEA spokesman
      https://tinyurl.com/3m7bzhc9
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ইমারতে ইসলামিয়ার চার বছরের অর্জন: সামরিক ও রাজনৈতিক দু’ক্ষেত্রেই বিজয়



        আফগানিস্তানে ইমারতে ইসলামিয়ার শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার চার বছর পূর্ণ হতে চলেছে। এ উপলক্ষে ইমারতে ইসলামিয়ার কর্মকর্তারা সামরিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নিজেদের অর্জনের ওপর আলোকপাত করেছেন।

        গত ১৩ আগস্ট কাতারে অবস্থিত ইমারতে ইসলামিয়ার দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত প্রধান সুহাইল শাহিন হাফিযাহুল্লাহ জানান, ইমারতে ইসলামিয়ার বিজয় অর্জনের ফলে শত্রুদের রাজনৈতিক ও কৌশলগত পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে এবং দেশের প্রশাসনিক কাঠামো আরও মজবুত হয়েছে।

        তিনি বলেন, ‘এই বিজয়ের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইমারতে ইসলামিয়া শুধু সামরিক নয়, রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও সফলতা অর্জন করেছে। এই উদ্যোগ আফগানিস্তানে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠার পথকে সুগম করেছে।’

        তিনি আরও বলেন, ইমারতে ইসলামিয়ার সদস্যদের প্রচেষ্টা ও আফগান জনগণের ত্যাগের কারণে বিশ্ব শক্তি ও তাদের মিত্ররা পরাজিত হয়েছে।

        এর আগে, ইমারতে ইসলামিয়ার জ্যেষ্ঠ নেতা আনাস হাক্কানি হাফিযাহুল্লাহ দোহা চুক্তিকে আফগানিস্তানে আমেরিকার পরাজয়ের লিখিত স্বীকৃতি হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হয়েছিল, যদিও শুরুতে তারা আলোচনা এড়িয়ে গিয়েছিল। হাক্কানি জানান, তালিবান পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চাইলেও সাবেক প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির হঠাৎ পলায়ন সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনে।


        তথ্যসূত্র:
        1. Shaheen: Islamic Emirate Has Won Both Military and Political Arenas
        https://tinyurl.com/dapbzsdy
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          বুরকিনায় ‘জেএনআইএম’ মুজাহিদিন কর্তৃক শত্রু সামরিক ঘাঁটি বিজয়: নিহত ২০ শত্রু সেনা



          বুরকিনা ফাসোর উয়াহিগুয়া রাজ্যে একটি শত্রু সামরিক ঘাঁটিতে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদিনরা। এতে অন্তত ২০ শত্রু সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

          আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ আগস্ট মঙ্গলবার বিকাল, জেএনআইএম’ মুজাহিদিনরা উয়াহিগুয়া রাজ্যের ইয়োবা শহরে একটি শত্রু সামরিক ঘাঁটিতে ভারী অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন। মুজাহিদদের অতর্কিত এই অভিযানে শত্রু বাহিনীর অন্তত ২০ সৈন্য নিহত হয়েছে। একই সাথে মুজাহিদদের হাতে এক সৈন্য বন্দী হয়েছে। অন্য জান্তা সদস্যরা জীবন বাঁচাতে সামরিক ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়ে গেলে মুজাহিদিনরা ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেন।

          এই অভিযান শেষে মুজাহিদিনরা শত্রু সামরিক ঘাঁটি থেকে অসংখ্য অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম গনিমত লাভ করেছেন। এসকল গনিমতের মধ্যে রয়েছে ১টি সামরিক যান, ১টি দুশকা মেশিনগান, ১টি আরপিজি, ৪৩টি ক্লাশিনকোভ অ্যাসল্ট রাইফেল, ১৬টি মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য বিভিন্ন সরঞ্জাম। এছাড়াও মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীর একটি বুলডোজারও ধ্বংস করেছেন
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X