Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২০ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ১৫ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​​

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২০ সফর, ১৪৪৭ হিজরী || ১৫ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী​​

    পশ্চিম আফ্রিকায় মুজাহিদদের পৃথক অভিযানে অন্তত ৪ জান্তা সদস্য নিহত: ২টি সামরিক পোস্ট বিজয়



    আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা সম্প্রতি মালি ও বুরকিনা ফাসোতে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ২টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করছেন। এতে জান্তা বাহিনীর অন্তত ৪ সদস্য নিহত হয়েছে।

    আয-যাল্লাকা মিডিয়া গত ১৪ আগস্ট এক রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে, আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ‘জেএনআইএম’ মুজাহিদিনরা গত ১২ আগস্ট মঙ্গলবার, বুরকিনা ফাসোর উয়াহিগুয়া প্রদেশে একটি সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। অভিযানটি প্রদেশের রেনো এলাকায় অবস্থিত জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক পোস্ট লক্ষ্য করে চালানো হয়। মুজাহিদদের এই আক্রমণের সময় ২ জান্তা সদস্য নিহত হয় এবং অন্য সৈন্যরা জীবন বাঁচাতে সামরিক পোস্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়।

    শত্রু বাহিনীর এই পলায়নের পর মুজাহিদিনরা সামরিক পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নেন। এসময় ঘটনাস্থল থেকে ১টি গাড়ি, ৬টি রাইফেল, ২টি আরপিজি, ১৫টি ক্লাশিনকোভ, ৪০টি মোটরসাইকেল, ১টি ডিজেআই ড্রোন এবং অন্যান্য বহু সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।



    একইদিন মুজাহিদিনরা মালির মোপ্তি রাজ্যের কারিফুরোদ এলাকায় একটি শত্রু চেকপয়েন্টে আক্রমণ চালান। এতে জান্তা বাহিনীর ২ সৈন্য নিহত হয় এবং অন্য সৈন্যরা চেকপয়েন্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়। অভিযান শেষে মুজাহিদিনরা ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ক্লাশিনকোভ রাইফেল, ১টি পিস্তল, ৭টি মোটরসাইকেল এবং অন্যান্য বহু অস্ত্র গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।


    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইমারতে ইসলামিয়া সরকারের রাষ্ট্রীয় পদবী থেকে ‘ভারপ্রাপ্ত’ শব্দ বাদ দেয়ার নির্দেশনা




    ইমারতে ইসলামিয়ার মন্ত্রীবর্গ ও মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের রাষ্ট্রীয় পদবী থেকে ‘ভারপ্রাপ্ত’ শব্দটি বাদ দেয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন আমীরুল মু’মীনিন মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদা হাফিযাহুল্লাহ। তালিবান সরকারের ৪র্থ বিজয় বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক বার্তায় তিনি এই নির্দেশ জারি করেছেন। বার্তায় ইসলামী ব্যবস্থা ও মুসলিম উম্মাহ’র সেবায় নিষ্ঠার সাথে নিয়োজিত থাকতে তিনি কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান। এছাড়া শহীদ পরিবার ও এতিমদের প্রতি বিশেষ যত্নশীল হতে এবং জিহাদের পথকে সম্মান করতে তিনি আহ্বান জানান।

    ২৪ আসাদ (১৫ই আগস্ট) একটি মহান ও ঐতিহাসিক বিজয়ের দিন হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন এবং বলেন, এই বিজয় ইসলামী ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছে, দেশব্যাপী নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, দুর্নীতি, নিপীড়ন, দখলদারিত্ব, মাদক, চুরি, ডাকাতি ও লুণ্ঠন থেকে জাতিকে মুক্তি দিয়েছে।

    উল্লেখ্য যে, আমেরিকা ও পশ্চিমা প্রভাবিত তথাকথিত আন্তর্জাতিক স্বিকৃতি না থাকায় কৌশলগত কারণে ‘অন্তর্বর্তীকালীন বা অস্থায়ী সরকার’ হিসেবে পরিচয় ধারণ করেছিল ইমারতে ইসলামিয়া সরকার।

    তাই মন্ত্রী ও মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের রাষ্ট্রীয় পদবীতে ‘ভারপ্রাপ্ত’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক নানা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে ইমারতে ইসলামিয়ার কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্রমেই জোরদার হচ্ছে। অতি সম্প্রতি বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে রাশিয়া তালিবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি জানিয়েছে। এছাড়া ইমারতে ইসলামিয়া বর্তমান আফগান জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী একমাত্র সরকার। এমতাবস্থায় রাষ্ট্রীয় পদবীতে ‘ভারপ্রাপ্ত’ শব্দ উল্লেখ করা বাস্তবতা বিরোধী হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/4y3u2exw


    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      পাশদান বাঁধ উদ্বোধন: আফগান অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য মাইলফলক


      গত ১৪ আগস্ট আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে সদ্য নির্মিত পাশদান বাঁধ উদ্বোধন করেছেন ইমারতে ইসলামিয়ার অর্থনীতি বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আব্দুল গণি বারাদার হাফিযাহুল্লাহ।

      বিগত বছর এই মেগাপ্রকল্পের অবশিষ্ট নির্মাণ কাজ আরম্ভ হয়েছিল। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই উক্ত নির্মাণ কাজ সফলভাবে সম্পাদন হয়েছে।

      অনুষ্ঠানে বক্তব্যে মোল্লা বারাদার হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ইমারতে ইসলামিয়া এবার স্বাধীনতার ৪র্থ বার্ষিকী উদযাপন করছে। বিগত ৪ বছরে ইসলামী শরিয়াহ বাস্তবায়ন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে তালিবান সরকার। এই সরকারের অর্জনসমূহের মধ্যে পাশদান বাঁধ নির্মাণ অন্যতম, নির্মাণ শেষে এটি এখন ব্যবহারের জন্য সক্রিয় করা হচ্ছে।

      উক্ত বাঁধ প্রকল্প হেরাত প্রদেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যময় হিসেবে বর্ণনা করেছেন মন্ত্রী বারাদার হাফিযাহুল্লাহ। এটি প্রদেশে খরার প্রভাব হ্রাস ও কৃষকদের নানাবিধ সমস্যা মোকাবেলায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

      পাশদান বাঁধ মেগাপ্রকল্পের সমাপ্তিতে নাগরিকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন উপপ্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, টেকনিক্যাল টিম, শ্রমিকসহ সকলের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, স্বনির্ভরতা অর্জন ও দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ইমারতে ইসলামিয়া সরকার।

      উল্লেখ্য যে, পাশদান বাঁধের পানি ধারণ ক্ষমতা ৫ কোটি ৪০ লক্ষ ঘনমিটার। এটির আওতায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান সম্ভব হবে। হাজার হাজার বাসিন্দা এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উপকার লাভ করবে।


      তথ্যসূত্র:
      1. Pashdan Dam Inaugurated by Mullah Abdul Ghani Baradar Akhund
      https://tinyurl.com/ntntucff
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মন্ত্রীসভার বৈঠকে নাগরিকদের চিন্তাগত বিভেদ রোধ করতে বিশেষভাবে নির্দেশ দিলেন আমীরুল মু’মিনীন



        আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইমারতে ইসলামিয়ার মন্ত্রীসভার ৪র্থ বৈঠকে জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য প্রদান করেছেন আমীরুল মু’মিনীন মৌলভী হিবাতুল্লাহ আখুন্দযাদা হাফিযাহুল্লাহ।

        এই সময় জনগণের দ্বীনি সচেতনতা বৃদ্ধি, সমাজে চিন্তার পরিশুদ্ধি, অসদাচরণ ও ভ্রান্ত আকিদা-বিশ্বাস থেকে নাগরিকদের বিরত রাখতে তিনি সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান। ঐক্য ও সংহতি জোরদার এবং চিন্তাগত বিভেদ প্রতিরোধ করতে তিনি কর্মকর্তাদের বিশেষ জোর দিতে বলেন।

        নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব সম্পাদন, আইনের সঠিক বাস্তবায়ন, জনগণের অভিযোগ সমাধান ও তাদেরকে আন্তরিক সেবা সরবরাহের গুরুত্ব সম্পর্কে মন্ত্রীসভার সদস্যদের প্রতি তিনি নসিহত পেশ করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দ্বীনি ইলম অর্জনের মধ্যে নিহিত রয়েছে ইমারতে ইসলামিয়ার স্থিতিশীলতা।

        তিনি আরও বলেন, মহান আল্লাহর নাযিলকৃত প্রতিটি বিধানের প্রতি আমাদেরকে আনুগত্য করতে হবে। কেননা সম্পূর্ণ ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক বর্তমান ইমারতে ইসলামিয়ার সংবিধান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যা ছিল জনগণের প্রাণের আকাঙ্ক্ষা।

        বৈঠকে মতবিনিময়ের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

        ১) কাবুল শহরে বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজন প্রেক্ষিতে মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব কাবুল পৌরসভাকে অর্পণ করা হয়েছে। নির্মাণ শেষে মসজিদ পরিচালনার দায়িত্ব হজ্ব ও ওয়াক্‌ফ মন্ত্রণালয়ের নিকট হস্তান্তর করতে হবে।

        ২) আফগান কারাবন্দীদের অবস্থা, সংশ্লিষ্ট মামলাসমূহ, কারাবাসের সময়কাল, তাদের উপর আরোপিত দণ্ডবিধি প্রভৃতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন আমীরুল মু’মিনীন।

        ৩) মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব বাড়াতে বিভিন্ন কমিটিকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কমিটিগুলো হজ্ব ও ওয়াক্‌ফ মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছে, যেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক মূল্যায়ন পরিচালনা করা যায়।

        বৈঠকে গ্রামীণ মাদ্রাসা ও মসজিদভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সুসংহত করার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। সাধ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে এই বিষয়গুলোতে প্রাধান্য দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেয়া হয়।


        তথ্যসূত্র:
        1. The cabinet of the Islamic Emirate conducts it’s fourth meeting in Kandahar
        https://tinyurl.com/bnuswb9e
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তানের ড্রোন হামলা: শত্রু বাহিনীর জন্য একটি ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ



          ইত্তেহাদুল মুজাহিদিন পাকিস্তান (আইএমপি), ১৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার, পাকিস্তানের বান্নু জেলায় শত্রু সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ৩টি পৃথক ড্রোন হামলা চালিয়েছেন। সামরিক বিশেষজ্ঞরা ‘আইএমপি’ মুজাহিদদের এধরণের ড্রোন হামলাকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ মনে করছেন।

          আইএমপি মুখপাত্র মাহমুদুল হাসান (হাফিযাহুল্লাহ) তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নিশ্চিত করেন যে, মুজাহিদিনরা বৃহস্পতিবার প্রথম ড্রোন হামলাটি পরিচালনা করেন বান্নু জেলায় শত্রু সেনাবাহিনীর একটি দুর্গ লক্ষ্য করে। অভিযানটি ১৪ আগস্ট, সকাল ৭:২৫ মিনিটের সময় একটি কোয়াডকপ্টার ড্রোন ব্যবহার করে বান্নু জেলার জানি খেইল এলাকায় চালানো হয়। এই অভিযানে ড্রোন থেকে ছোড়া বিস্ফোরকটি সামরিক ঘাঁটির একটি আবাসিক কক্ষের সামনে পড়ে, যার ফলে শত্রু বাহিনীর জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়।



          এদিন বান্নু জেলায় শত্রু বাহিনীর আরও একটি দুর্গ লক্ষ্য করে সফল ড্রোন হামলা চালান আইএমপি মুজাহিদিনরা। অভিযানটি সকাল ১০:৩০ মিনিটের সময়, বান্নু জেলার বাকা খেইল এলাকায় অবস্থিত শত্রু সামরিক বাহিনীর সিপিইসি-সেতু নামক একটি দুর্গ লক্ষ্য করে চালানো হয়। এই অভিযানে ড্রোন থেকে মুজাহিদদের ছোড়া বিস্ফোরক শেলটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এতে শত্রু বাহিনীতে হতাহতের পাশাপাশি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির ঘটনা ঘটে।



          মুজাহিদিনরা বান্নু জেলায় এদিন তাদের তৃতীয় সফল ড্রোন আক্রমণটি পরিচালনা করেন দুপুর ১২:১৫ মিনিটের সময়। অভিযানটি জেলার বাকা খেইল এলাকায় অবস্থিত শত্রু সেনাবাহিনীর একটি ব্যারাক টার্গেট করে চালানো হয়। এতে ড্রোন থেকে ছোড়া শেলটি সামরিক ব্যারাকে বিস্ফোরিত হয়, ফলশ্রুতিতে শত্রু বাহিনীতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

          আইএমপি মুখপাত্র জানান, এই ভূমিতে সম্পূর্ণ ইসলামী ব্যবস্থা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের জিহাদ অব্যাহত থাকবে।


          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/bdke9bpp
          https://tinyurl.com/44mwfsx8
          https://tinyurl.com/ywzrc28k

          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            বুরকিনায় ২টি শত্রু সামরিক পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন মুজাহিদিনরা: নিহত ৮ শত্রু সৈন্য







            পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যে সম্প্রতি জান্তা বাহিনীর দুটি সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছেন ‘জেএনআইএম’ মুজাহিদিনরা। এতে শত্রু বাহিনীর ৮ সেনা সদস্য নিহত হয়েছে। ‘জেএনআইএম’ এর অন্যতম মিডিয়া শাখা আয-যাল্লাকা গত ১৩ আগস্ট প্রকাশিত এক রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে, মুজাহিদিনরা গত রবিবার ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যের কোম্বারিতে জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক অবস্থানে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন। এতে জান্তা বাহিনীর ৬ সদস্য নিহত হয় এবং অন্য সৈন্যরা সামরিক অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়। শত্রু সৈন্যদের এই পলায়নের পর মুজাহিদিনরা সামরিক অবস্থানের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ক্লাশিনকোভ রাইফেল এবং অন্যান্য সরঞ্জাম গনিমত লাভ করেন। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুজাহিদিনরা গত মঙ্গলবার, ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যের নাগারি এলাকায় আরও একটি শত্রু সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। এদিন সামরিক ঘাঁটিতে মুজাহিদদের হামলায় অন্তত ২ জান্তা সদস্য নিহত হয়। এসময় মুজাহিদিনরা ঘটনাস্থল থেকে ১টি পিকা, ১টি আরপিজি, ১টি ক্লাশিনকোভ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X