Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১লা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ২৫ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১লা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৭ হিজরি || ২৫ আগস্ট, ২০২৫ ঈসায়ী

    বেড়ে চলছে আফগানি মুদ্রার মান; চার বছরে অগ্রগতি আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং সংযোগেও



    গত চার বছরে বিদেশি মুদ্রার বিপরীতে আফগানি মুদ্রার মান প্রায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গত ২৪ আগস্ট আফগান গণমাধ্যম টোলো নিউজ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক দা আফগানিস্তান ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে আফগানি মুদ্রার মান শক্তিশালী করা, ব্যাংকিং খাত সম্প্রসারণ এবং আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি অন্যতম।

    দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হাসিবুল্লাহ নূরী হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ‘গত বছরে আফগানির মান বিদেশি মুদ্রা, বিশেষ করে ডলারের তুলনায় ০.৭৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আফগানির স্থিতিশীলতার পরিচায়ক। আমাদের প্রচেষ্টা হলো আফগানির স্থিতিশীলতা আরও ভালোভাবে রক্ষা করা এবং মুদ্রার বাজারে হঠাৎ ওঠানামা প্রতিরোধ করা।’

    তিনি আরও জানান, ব্যাংকিং খাতে এবং আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংক ২০০টি আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং বৈশ্বিক ব্যাংকিং সংযোগ আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে, যাতে ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন সহজে করতে পারেন।

    কিছু অর্থনীতিবিদ উল্লেখ করেছেন, গত চার বছরের ব্যাংকিং সীমাবদ্ধতার প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক ব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্ক সম্প্রসারণ আফগানির মান রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা বলছেন, আফগানির মান রক্ষার জন্য বিকল্প আর্থিক সংরক্ষণ বা ব্যাকিং ব্যবস্থা অনুসন্ধান করা জরুরি।

    ব্যবসায়ী ওমিদ হায়দারি বলেন, ‘বর্তমানে আফগানিস্তানের ব্যাংকিং খাতে প্রধান সমস্যা হলো বেসরকারি ব্যাংকগুলো আমাদের ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তা দেয় না। যখনই আমরা টাকা জমা দিই, ব্যাংক তা মাসের পর মাস মুক্তি দেয় না। আমরা ইমারতে ইসলামিয়ার নেতৃত্বের কাছে অনুরোধ করছি, যেন একটি সুস্পষ্ট ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয় এবং বেসরকারি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়, যাতে আমরা সময়মতো আমাদের টাকা উত্তোলন করতে পারি।’

    অর্থনীতিবিদ আবদুল গফুর নেজামী বলেন, ‘আফগানিস্তান বর্তমানে অর্থনৈতিক রূপান্তরের প্রান্তে রয়েছে এবং এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আমরা বড় প্রকল্প ও বিনিয়োগের সূচনা দেখছি, যা প্রতিদিন আফগানির স্থিতিশীলতা আরও মজবুত করবে। একই সঙ্গে, আফগানির মান অন্যান্য বিদেশি মুদ্রার তুলনায় আরও বাড়ানো প্রয়োজন।’

    দা আফগানিস্তান ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ২৬,০০০ মানুষ ছোট আকারের আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে অর্থায়ন পেয়েছেন, এবং আরও ১৬,০০০ মানুষ ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে অর্থায়ন লাভ করেছেন।

    ব্যাংকের আরও তথ্য দেখায়, গত বছরের তুলনায় ব্যাংকিং খাতের অর্থায়ন ৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Da Afghanistan Bank: Afghani Value Up 21% Against Foreign Currencies
    https://tinyurl.com/3d4ue58n
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইমারতে ইসলামিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশন পরিশোধ শুরু



    অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পেনশন পরিশোধ কার্যক্রম শুরু করেছে ইমারতে ইসলামিয়া সরকার। আমীরুল মু’মিনীনের নির্দেশে এই প্রক্রিয়াটি শুরু করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের পেনশন বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ রাহমানি হাফিযাহুল্লাহ।

    তিনি বলেন, সময়মত পেনশন প্রদানের জন্য একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। প্রক্রিয়াটি সহজ করতে পেনশন বিভাগে পৃথক ডেস্ক ও বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যেন পেনশনভোগীদের একাধিক অফিসে গমন করতে না হয়।

    প্রথমত অবসরপ্রাপ্তদের বিশেষ আদালতে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারী ব্যক্তির নথিগুলো যাচাই-বাছাইয়ের পর বিশেষ আদালত তার পেনশন ভাতা অনুমোদন করবে। ১ম দফায় ৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে অবসরপ্রাপ্তগণ ১ মাসের মধ্যে তাদের বকেয়া পেনশন পাবেন।

    তিনি আরও জানান, অবসরপ্রাপ্তদের ৫টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে যাচাইকৃত পেনশনভোগীদের ১ম বিভাগে রাখা হয়েছে।

    ২০২১ সালের আগস্ট মাসে পূর্ববর্তী প্রশাসনের পতনের পর আফগানিস্তানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পেনশন সম্পর্কিত নথিপত্র পর্যালোচনা ও বৈধতা দেয়ার জন্য একটি বিশেষ আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়।

    যথাযথ যাচাইয়ের জন্য সকল কাগজপত্র জমা দিতে অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আহ্বান জানানো হয়। মূলত জালিয়াতি রোধ ও পেনশন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Afghanistan resumes pension payments for civilian and military retirees
    https://tinyurl.com/y8xb92xb
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানে সংস্কার শেষে উদ্বোধন হল খুলাফায়ে রাশেদার আমলের ঐতিহাসিক বাবাজি মসজিদ




      ব্যাপক সংস্কারের পর আফগানিস্তানের গজনি প্রদেশে পুনরায় চালু করা হয়েছে খুলাফায়ে রাশেদার আমলে নির্মিত ঐতিহাসিক বাবাজি মসজিদ। গজনির পুরনো শহরে অবস্থিত মসজিদটি উদ্বোধন করেছেন ইমারতে ইসলামিয়ার তথ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপমন্ত্রী আতিকুল্লাহ আজিজি হাফিযাহুল্লাহ।

      উদ্বোধনের সময় তিনি বলেন, এই মসজিদ সর্বপ্রথম নির্মিত হয়েছিল আজ থেকে ১৪০০ বছর পূর্বে, ইসলামের ৩য় খলিফা হযরত উসমান বিন আফফান রাযিয়াল্লাহু এর খিলাফত আমলে। সেই সময় আফগানিস্তানে ইসলামের প্রথম আগমন ঘটেছিল। এছাড়া গজনি প্রদেশে নির্মিত এটিই প্রথম মসজিদ।

      বছরের পর বছর ধরে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ঐতিহাসিক এই মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তাই ইমারতে ইসলামিয়ার তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় মসজিদটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়।




      দুই তলা বিশিষ্ট এই মসজিদ সংস্কারে ব্যয় হয়েছে প্রায় দেড় লক্ষ মার্কিন ডলার। এটির মেরামত কাজ প্রায় ১৪ মাস অবধি চলেছিল।

      মসজিদটি পুনরায় চালু হওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন গজনি প্রদেশের স্থানীয় বাসিন্দাগণ। এরূপ ঐতিহাসিক স্থাপনা ও ইসলামের নিদর্শনগুলো রক্ষায় সরকারের উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।

      ভিডিও দেখুন:



      https://x.com/i/status/1959649764532007056

      তথ্যসূত্র:
      1. https://tinyurl.com/3jfdx4w7
      2. Ghazni’s historic Babaji Mosque repair work completed
      https://tinyurl.com/228n2s8v
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ইয়েমেন থেকে গাজার় জনগণের জন্য আল-কায়েদার সাহায্য প্রেরণ



        মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কঠিন অর্থনৈতিক অবরোধের মধ্যেও গাজার জনগণের জন্য সহায়তা প্রেরণ করে যাচ্ছে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনীগুলো। বিশেষ করে বৈশ্বিক প্রতিরোধ বাহিনীটির আরব উপদ্বীপ শাখা, যা ইয়েমেনে আনসারুশ শরিয়াহ্ নামে অধিক পরিচিত।

        ফিলিস্তিন ভিত্তিক আহরার বাইত আল-মাকদিস নামক একটি সংস্থা সম্প্রতি কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সাংবাদিক ওয়াসিম নাসের তার টুইটার অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি শেয়ার করে নিশ্চিত করেন যে, ভিডিওটি গত ১৮ আগস্ট অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চল থেকে ধারণ করা হয়েছে। ভিডিওটি থেকে এটি স্পষ্ট যে, আল-কায়েদা আরব উপদ্বীপ শাখা (AQAP) গাজায় জায়োনিস্ট আগ্রাসনের শিকার অভাবী ফিলিস্তিনিদের কাছে সফলভাবে সাহায্য পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। আল-কায়েদার অন্যান্য শাখাগুলিও, যারা দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনি স্বার্থের পক্ষে কাজ করে আসছে, তারাও গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সাধ্যমতো সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে।

        ফিলিস্তিন থেকে ধারণকৃত ভিডিওটিতে আল-কায়েদা ও এর প্রতিষ্ঠাতা শাইখ ওসামা বিন লাদেন (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, আবু জাইন আল মাকদিসি নামক একজন ফিলিস্তিনি জানান, “আজ সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, আমরা গাজা শহর এবং এর উত্তর অংশে অবস্থান করছি। আমরা ধৈর্যশীল, অবিচল মুজাহিদদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই, যাদের প্রতি আল্লাহর রাসূল (সাঃ) আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তারা এই উম্মাহর সমর্থক। আমরা “আহরার বাইতুল-মাকদিস” আমাদের ইয়েমেনের আনসারুশ শরিয়াহ্ ও সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা আল-কায়েদার মুজাহিদদের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমরা আপনাকে বলছি যে, আমাদের জনগণের জন্য আপনাদের পাঠানো অর্থ এবং দান আমাদের কাছে পৌঁছেছে, গাজায় আপনাদের এই প্রচেষ্টার জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের দানের অর্থ আমরা দরিদ্রদের খাওয়ানোর জন্য ব্যবহার করছি।

        ভিডিওতে আরও উল্লেখ করা হয়, আপনাদের এই সাহায্যগুলো এমন এক সময়ে আসছে, যখন গাজা উপত্যকা কঠোর অবরোধ ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে রয়েছে। মার্কিন-সমর্থিত ইহুদিবাদী দখলদার বাহিনী টেলিভিশন ক্যামেরা এবং বিশ্বের চোখের সামনেই গাজার শিশু এবং দুর্বলদের হত্যা করছে। জায়োনিস্টদের আগ্রাসনে এখানে প্রতিদিন মানুষ শহিদ হচ্ছে, দুর্ভিক্ষে শিশুরা মারা যাচ্ছে, কিন্তু তাদের জীবন বাঁচানোর জন্য উপযুক্ত কোনো পদক্ষেপ বা উদ্ধার প্রচেষ্টা নেই।

        এই দৃশ্যেগুলো বর্ণনার সময়, ফিলিস্তিনিরা ওসামা বিন লাদেন এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত প্রতিরোধ বাহিনীর নাম উল্লেখ করে মুসলিম বিশ্বের কাছে একটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যে, আল-কায়েদা এখনও তাঁর লক্ষ্যে অবিচল এবং ফিলিস্তিনকে সমর্থন করার জন্য কাজ করছে। ঠিক যেমনি এর প্রতিষ্ঠাতা শাইখ ওসামা বিন লাদেন (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) ফিলিস্তিনকে মুক্ত করার জন্য জিহাদ শুরু করেছিলেন। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রুসেডার জোটও আল-কায়েদার মুখোমুখি হওয়ার লক্ষ্যে একটি ধর্মযুদ্ধ (ক্রুসেড) শুরু করেছিল।

        আবু জাইন আল মাকদিসি তার বক্তব্য শেষ করেন, আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা শাইখ ওসামা বিন লাদেন (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) এর প্রশংসা করে, যিনি প্রায়শই ইসরায়েল ও পশ্চিমাদের মুখোশ উন্মোচন করে আসছিলেন এবং বিশ্বব্যাপী ফিলিস্তিনিদের দুর্দশার কথা তুলে ধরেছিলেন। সেই সাথে ফিলিস্তিনিদের এই দুর্দশার থেকে রক্ষার জন্য মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার গুরুত্ব উপস্থাপনের পাশাপাশি আল্লাহর পথে জিহাদের আহ্বান করে গেছেন।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/du2z4ccf
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X