Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২৮ জুমাদাল আখিরাহ, ১৪৪৭ হিজরি|| ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২৮ জুমাদাল আখিরাহ, ১৪৪৭ হিজরি|| ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী

    বুরকিনায় জান্তা বাহিনীর ৫টি অবস্থানে জেএনআইএম মুজাহিদদের হামলা: অন্তত ১৭ শত্রু সেনা নিহত




    বুরকিনা ফাসোর দেদুগু, কিয়া এবং ফাদাঙ্গুরমায় জান্তা বাহিনীর ৫টি অবস্থানে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম মুজাহিদিনরা। এতে ১৭ এরও বেশি জান্তা সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

    আয-যাল্লাকা মিডিয়া কর্তৃক গত ১৯ ডিসেম্বর শুক্রবার প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা সম্প্রতি বুরকিনা ফাসোর দেদুগু রাজ্যের নোকোয়া এবং ল্যানফিলা এলাকায় ২টি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। দেদুগুতে মুজাহিদদের উক্ত অভিযানগুলোর ফলে জান্তা বাহিনীর অন্তত ৬ সদস্য নিহত হয়েছে। এসময় মুজাহিদিনরা গনিমত হিসাবে বেশ কিছু ভারী ও হালকা অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম অর্জন করেছেন।

    আয-যাল্লাকা মিডিয়া কর্তৃক, গত ১৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত অন্য একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুজাহিদিনরা বুরকিনা ফাসোর কিয়া এবং ফাদাঙ্গুরমায় জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। এরমধ্যে ২টি অভিযান কিয়া রাজ্যের ফিসিলা এবং ফনসা এলাকায় ২টি শত্রু সামরিক ফাঁড়ি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এই অভিযানগুলোর ১টিতে অন্তত ১ সৈন্য নিহত হয়েছে। এছাড়াও মুজাহিদিনরা বেশ কয়েকটি হালকা অস্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেছেন।

    এদিকে ফাদাঙ্গুরমায় মুজাহিদদের পরিচালিত অভিযানটি রাজ্যের সালগুইনে এলাকায় একটি সামরিক ফাঁড়ি লক্ষ্য করে চালানো হয়। মুজাহিদদের এই আক্রমণে জান্তা বাহিনীর অন্তত ১০ সৈন্য নিহত হয়েছে। এসময় মুজাহিদিনরা বেশ কিছু অস্ত্র এবং মোটরসাইকেল গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।

    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/2pupnevn
    https://tinyurl.com/4apt7r2a
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    কৃষিপণ্য সংরক্ষণে ২২টি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করছে ইমারাতে ইসলামিয়া


    ইমারাতে ইসলামিয়া সরকারের অর্থনৈতিক উপ-প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ২২টি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

    কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের ১২টি প্রদেশে মোট ২১,০০০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার ১৪টি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি স্টোরেজের ধারণক্ষমতা ১,৫০০ মেট্রিক টন। এছাড়া দেশের ছয়টি অঞ্চলে আরও আটটি কোল্ড স্টোরেজের কাজ শুরু হয়েছে, যার সম্মিলিত ধারণক্ষমতা ৫,০০০ মেট্রিক টন।

    মন্ত্রণালয় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কাবুল ও বালখ প্রদেশে চীনের সহযোগিতায় আরও তিনটি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের কথা জানিয়েছে। এসব স্টোরেজ তাজা ফল ও শাকসবজি সংরক্ষণে সাহায্য করবে এবং প্রতিট স্টোরেজের ধারণক্ষমতা হবে ১,৫০০ মেট্রিক টন। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে কৃষকদের তাজা পণ্য সংরক্ষণের সমস্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং প্রয়োজনীয় সময়ে বাজারে সঠিক মূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

    উল্লেখ্য, আফগানিস্তানের কৃষি, সেচ ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে বিভিন্ন অঞ্চলে কয়েক হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার বহু কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন ও চালু করেছে। এসব স্টোরেজে বর্তমানে তাজা ফল ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কৃষকদের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে দেশজুড়ে আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণের এই উদ্যোগ নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া।


    তথ্যসূত্র:
    1. Construction of 22 Cold Storage Facilities Underway Across the Country
    https://tinyurl.com/2rc39mfz
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ইমারাতে ইসলামিয়ার নানগারহার প্রদেশে আধুনিক পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের কাজ সম্পন্ন


      আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশের খোগিয়ান জেলার বাদিন অঞ্চলে একটি আধুনিক পানি সরবরাহ নেটওয়ার্কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করাছে ইমারাতে ইসলামিয়ার গ্রামীণ পুনর্গঠন ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়। ৩৯ মিলিয়ন আফগানি ব্যয়ে এই প্রকল্পটি সম্পন্ন হয়েছে।

      এই প্রকল্পের আওতায় ২০ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার একটি পরিষ্কার জলাধার, ১২ টি সৌর প্যানেল এবং ৯৩ টি পানির ট্যাপ স্থাপন করা হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, এসব প্রকল্প চালু হওয়ায় স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের নিরাপদ পানির চাহিদা পূরণ হবে এবং গ্রামীণ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

      নির্মাণকাজ চলাকালে কয়েক ডজন শ্রমিকের কর্মসংস্থান তৈরি হয় এবং প্রকল্পটি সম্পন্ন হওয়ার পর গ্রামটির ৩০০টি পরিবার নিরাপদ ও বিশুদ্ধ খাবার পানি পাচ্ছে। সৌরচালিত এই প্রকল্পটি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


      তথ্যসূত্র:
      1. Construction of Water Distribution Network Completed in Nangarhar
      https://tinyurl.com/53r4kebv
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        সালাং মহাসড়কের উত্তর গ্যালারি অংশের নির্মাণকাজ সম্পন্ন



        আফগানিস্তানের অন্যতম কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ সালাং মহাসড়কের উত্তর গ্যালারি ও সালাং টানেলের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

        ইমারাতে ইসলামিয়ার গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সালাং মহাসড়কের উত্তরাংশের উত্তর গ্যালারি এবং টানেলের অভ্যন্তরীণ অংশের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ আশরাফ হাকসেনাস হাফিযাহুল্লাহ জানান, এই প্রকল্পের আওতায় পিচ ঢালাই, ধারক প্রাচীর নির্মাণ ও রাস্তা প্রশস্তকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে। তবে শীতকালীন তীব্র আবহাওয়ার কারণে বর্তমানে কিছু কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে।

        তিনি বলেন, সালাং মহাসড়কের পুনর্নির্মাণ কাজ তিন পর্বে শুরু হয়েছিল। দক্ষিণ সালাং অংশে ১৮টি কালভার্ট ও ১,০০০ মিটার ধারক প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছে। উত্তর সালাং অংশে কালভার্ট ও ধারক প্রাচীরসহ কংক্রিটের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

        সালাং মহাসড়কের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ বিভাগের প্রধান ফজল রবি হাফিযাহুল্লাহ জানান, জরুরি অবস্থায় যেসব স্থানে যন্ত্রপাতি প্রয়োজন, সেসব স্থানে তাদের জরুরি টিম মোতায়েন ও প্রস্তুত রয়েছে। তিনি নাগরিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, সালাং রক্ষণাবেক্ষণ অধিদপ্তর চব্বিশ ঘণ্টাই তাদের সেবায় নিয়োজিত আছে।

        সালাং মহাসড়কে যাতায়াতকারী চালকরা বলেন, সালাং মহাসড়কটি বেশ কয়েকটি প্রদেশকে সংযুক্ত করার মাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং গত কয়েক বছরের তুলনায় সালাংয়ের অবস্থার অনেক উন্নতি হয়েছে। আগে রাস্তার অবস্থা খারাপ ও যানজট থাকত, এখন এটি মেরামত করা হয়েছে এবং যানজট কমেছে।

        সালাং মহাসড়ক আফগানিস্তানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন রুট। এটি উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলিকে রাজধানীর সাথে সংযুক্ত করেছে এবং বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহনে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে। ইমারাতে ইসলামিয়ার সরকারি সংস্থাগুলো নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে এই কৌশলগত সড়কটি সার্বক্ষণিক ব্যবহারযোগ্য রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে।


        তথ্যসূত্র:
        1. Ministry: Construction of Northern Salang Galleries Completed
        https://tinyurl.com/ja83ycud
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কান্দাহারে এক বিলিয়ন আফগানি মূল্যের যাতায়াত প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে



          ইমারাতে ইসলামিয়া আগগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশে স্থল ও বিমান পরিবহন খাতে এক বিলিয়ন আফগানি মূল্যের ব্যাপক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে আহমদ শাহ বাবা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিমান পার্কিং এলাকা নির্মান, যাত্রী ও কার্গো যানবাহনের নতুন টার্মিনাল নির্মান এবং স্পিন বোল্ডাক-কান্দাহার ইলেকট্রনিক গেট নির্মান।

          প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে প্রদেশের ভেতরীণ ও আন্তঃপ্রাদেশিক যাতায়াত ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে, যানজট ও দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে, এবং হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

          নির্মান কোম্পানির প্রধান নিয়াজ আহমদ জানিয়েছেন, কান্দাহারে বর্তমানে এক বিলিয়ন আফগানি মূল্যের নির্মান প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে আহমদ শাহ বাবা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রকল্প ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং যাত্রী ও কার্গো যানবাহনের টার্মিনাল এবং স্পিন বোল্ডাক ইলেকট্রনিক গেটের নির্মান কাজ আগামী মাসে শেষ হবে ইনশাআল্লাহ।

          কর্মকর্তারা জানান, এসব যৌথ প্রকল্প কান্দাহারের ট্রাফিক যানজট হ্রাসে সহায়ক হবে। পরিবহন ও বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি হেদায়াতুল্লাহ ওমিদ জানান, মন্ত্রণালয় ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের যৌথ প্রচেষ্টায় মাত্র এক বছরের মধ্যে ১০ কোটি ৩০ লক্ষ আফগানি ব্যয়ে এই প্রকল্প সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।

          প্রকল্পের প্রকৌশলী মির্জা আঘা বলেন, এই প্রকল্পের ফলে আহমদ শাহ বাবা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, এখন একসাথে চারটি বিমান অবতরণ করতে পারবে।

          বর্তমানে এইসব উন্নয়ন প্রকল্পে সরাসরি প্রায় তিন হাজার মানুষ কাজ করছেন। কর্মকর্তারা জানান যে, প্রকল্পসমূহ সম্পন্ন হলে আরও হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে কান্দাহারের পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে যা স্থানীয় অর্থনীতি এবং জনজীবনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


          তথ্যসূত্র:
          1. Kandahar Launches One Billion Afghani Transport Projects
          https://tinyurl.com/3xvjsk9d
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            পাক-আফগান ট্রানজিট রুট বন্ধ থাকায় বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে পাকিস্তান: সাউথ এশিয়া জার্নাল



            আফগান-পাকিস্তান ট্রানজিট রুট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পাকিস্তান সবচেয়ে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রিক ম্যাগাজিন সাউথ এশিয়া জার্নাল।

            সীমান্ত সমস্যার জেরে প্রথমত একাধিকবার আফগানিস্তানের সাথে বাণিজ্যিক রুট করে দিয়েছিল পাকিস্তান। এতে বিভিন্ন সময়ে আফগান ব্যবসায়ীদের প্রায়শ বিপাকে পড়তে হয়েছিল। বাধ্য হয়ে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা জারি করে সিদ্ধান্তমূলক প্রতিক্রিয়া জানায়। ফলে পাকিস্তানের সাথে মধ্য এশিয়ার সকল ট্রানজিট রুট বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের সুযোগ হারিয়েছে পাকিস্তান।

            সম্প্রতি সাউথ এশিয়া জার্নালের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ১ম ৬ মাসে পাকিস্তানে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পণ্য উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী ও দিনমজুর শ্রমিকগণ। উদাহরণস্বরূপ, পাকিস্তান হতে আফগানিস্তানের বাজারে নির্ধারিত ওষুধ রপ্তানির প্রায় ৪০ শতাংশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। মধ্য এশিয়ার সাথে পাকিস্তানের প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য বাণিজ্য গুরুতর ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে। পাকিস্তানের রাজস্ব ৩.৬ থেকে ৬ বিলিয়ন ডলারের মতো হ্রাস পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

            প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বন্দর ও ট্রানজিট রুট বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষত খাইবার পাখতুনখোয়ার শিল্পকারখানাগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আফগানিস্তান থেকে ফল ও শাকসবজি আমদানি কমে যাওয়ায় পাকিস্তানের বাজারে এই পণ্যগুলোর দাম বেড়েছে। একই সাথে বেড়েছে বেকারত্ব, দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তাহীনতা।

            অপরদিকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও বহুমুখী বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা করতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার। তারা পাকিস্তানের পরিবর্তে আঞ্চলিক অন্যান্য দেশগুলোর সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করেছে। ইরান ও তুর্কমেনিস্তানের সাথে বাণিজ্য ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরানের চাবাহার ও বন্দর আব্বাস পোর্টের মাধ্যমে বিকল্প রুট সক্রিয় করা হয়েছে। চীনের সাথে বাণিজ্যে ওয়াখান করিডোরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। আফগানি মুদ্রার মানও স্থিতিশীল রয়েছে।

            এই সকল উদ্যোগ ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সময়োপযোগী ও উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।


            তথ্যসূত্র:
            1. https://tinyurl.com/3pscp7rs
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X