Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৯ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী​

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৯ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ঈসায়ী​

    সোমালিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শাবাবের এক অভিযানে অন্তত ১৩ শত্রু সেনা হতাহত


    প্রতিরোধ বাহিনী হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা সোমালিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বাকোল রাজ্যে সম্প্রতি মোগাদিশু বাহিনীকে লক্ষ্য করে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন।

    শাহাদাহ এজেন্সির তথ্যমতে, বাকোল রাজ্যের হুদুর শহরের উপকণ্ঠে মোগাদিশু বাহিনীর একটি সমাবেশ লক্ষ্য করে উক্ত অভিযানটি চালানো হয়। গত ২৮শে ডিসেম্বর হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদদের পরিচালিত উক্ত সফল অভিযানে মোগাদিশু বাহিনীর অন্তত ৭ সৈন্য নিহত এবং আরও ৬ সৈন্য আহত হয়। অভিযানের সময় মুজাহিদিনরা ঘটনাস্থল থেকে মোগাদিশু বাহিনীর ব্যবহৃত ১টি পিকা মেশিনগান সহ ৫টি অস্ত্র গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।

    এদিন মুজাহিদিনরা দক্ষিণ সোমালিয়ায় মোগাদিশু বাহিনীর ২টি সামরিক ঘাঁটিতেও অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন। আক্রমণগুলির একটি বে রাজ্যের বায়দোয়া শহরের উপকণ্ঠের বুরজিদ এলাকায় চালানো হয়। অন্যটি নিম্ন শাবেলি রাজ্যের জানালি শহরে শত্রু সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়। এই হামলাগুলোতেও বেশ কিছু শত্রু সৈন্য হতাহতের শিকার হয়, তবে আশ-শাবাব মুজাহিদিন হতাহতের সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা উল্লেখ করে নি।

    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/yc6jzb24
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    হামাসের সামরিক মুখপাত্র আবু উবাইদাসহ কমান্ডারদের শাহাদাতে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া


    ফিলিস্তিনি ইসলামি আন্দোলন হামাসের সামরিক মুখপাত্র হুজাইফা আল-কাহলুত (আবু উবাইদা) এবং আন্দোলনের আরও কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডারের শাহাদাতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই শাহাদাতকে ইসলামের পথে এক মহিমান্বিত আত্মত্যাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের মুখপাত্র মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেন, এসব শহীদ ইসলামের জন্য জীবন উৎসর্গ করে সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করেছেন এবং প্রকৃত অর্থেই বিজয়ী হয়েছেন। তিনি শহীদদের শাহাদাতে ফিলিস্তিনি ইসলামি আন্দোলন হামাস, শহীদদের পরিবারবর্গ ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামাস কর্তৃপক্ষ সামরিক মুখপাত্র আবু উবাইদা, ইয়াহইয়া সানওয়ারের ভাই ও আন্দোলনের সাবেক নেতা মোহাম্মদ সানওয়ারসহ একাধিক কমান্ডারের শাহাদাতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে এই শাহাদাতকে ইসলামের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    ইসলামের পথে আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না; বরং তা উম্মাহর জন্য প্রেরণা ও দৃঢ়তার উৎস হয়ে থাকে। শহীদদের এই ত্যাগ মুসলিম উম্মাহকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Islamic Emirate Condoles Martyrdrom of Hamas Spokesman and Commanders
    https://tinyurl.com/5n933484
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      আফগানিস্তানকে কেন্দ্র করে ইরান–চীন রেল করিডোরের পরিকল্পনা



      আফগানিস্তানকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করার পরিকল্পনা করছে ইরান। বিশ্লেষণধর্মী প্রকাশনা ইউরেশিয়া রিভিউ–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে চীনের সঙ্গে সরাসরি স্থলভিত্তিক রেল যোগাযোগ স্থাপনের একটি বৃহৎ ট্রানজিট প্রকল্প নিয়ে পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তানের মধ্য দিয়েই তেহরান থেকে বেইজিং পর্যন্ত একটি নতুন রেল করিডোর গড়ে উঠবে।

      প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত এই করিডোরের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হবে খাফ–হেরাত রেলপথ। বর্তমানে বিদ্যমান এই রেললাইনকে প্রথমে বালখ প্রদেশ পর্যন্ত এবং পরবর্তীতে বাদাখশান প্রদেশের ওয়াখান অঞ্চলের দিকে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড অতিক্রম করে ইরান ও চীনের মধ্যে একটি সরাসরি রেল সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

      ইউরেশিয়া রিভিউ উল্লেখ করেছে, বর্তমানে ইরান ও চীনের মধ্যে অধিকাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথে পরিচালিত হয়, যা সময়সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুল। এই বাস্তবতায় আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও কম ব্যয়ের স্থলপথ তৈরির চেষ্টা করছে ইরান। প্রায় দুইশ পঁচিশ কিলোমিটার দীর্ঘ খাফ–হেরাত রেলপথকে এই বৃহত্তর পরিকল্পনার প্রাথমিক অবকাঠামো হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

      প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই উদ্যোগ আফগানিস্তানকে আবারও একটি প্রাকৃতিক সেতু হিসেবে তুলে ধরেছে, যা মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া ও ইরানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। TAPI, CASA-1000 এবং ট্রান্স-আফগান রেলপথের মতো প্রকল্পগুলোর পাশাপাশি এই রেল করিডোর পরিকল্পনা আফগানিস্তানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ট্রানজিট করিডোরে পরিণত করছে।

      ইউরেশিয়া রিভিউয়ের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আফগানিস্তান উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক সুফল পেতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রানজিট ফি থেকে আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং চীনা বাজারে সরাসরি প্রবেশের সুযোগ।

      প্রতিবেদনের উপসংহারে বলা হয়েছে, যদি এই রেল করিডোর পরিকল্পনাটি চীনের বৃহত্তর আঞ্চলিক সংযোগ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তবে এর বাস্তবায়নের সম্ভাবনা আরও জোরদার হবে। ইরান–আফগানিস্তান–চীন রেল করিডোর কেবল একটি পরিবহন প্রকল্প নয়; বরং এটি আঞ্চলিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সংযোগ এবং স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে, যেখানে আফগানিস্তান একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে।


      তথ্যসূত্র:
      1. Report: Iran Eyes New Railway Corridor Through Afghanistan to China
      https://tinyurl.com/yeby3xmd
      2. From Herat To Wakhan: Afghanistan’s Strategic Role In Iran–China Connectivity And Emerging Economic Opportunities – OpEd
      https://tinyurl.com/4nmwt9jx
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        হেরাত অভিমুখে টাপি প্রকল্পের ৮৭ কিলোমিটার কাজ সম্পন্ন



        তুর্কমেনিস্তান থেকে দক্ষিণ এশিয়ায় গ্যাস পরিবহনের লক্ষ্যে গৃহীত টাপি প্রকল্পে আফগানিস্তানের অংশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হেরাত নগরী পর্যন্ত নির্ধারিত পাইপলাইন রুটের একটি বড় অংশে প্রাথমিক কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই অগ্রগতি দেশটির শিল্প, বিদ্যুৎ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

        কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হেরাত নগরী পর্যন্ত মোট একশ তিপ্পান্ন কিলোমিটার পাইপলাইন রুটের মধ্যে সাতাশি কিলোমিটারের প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের কোম্পানিগুলোর প্রধান আহমদ জান বিলাল হাফিযাহুল্লাহ বলেন, প্রকল্পটি হেরাত পর্যন্ত পৌঁছালে প্রথম পর্যায়ে শিল্প পার্ক এবং দা আফগানিস্তান ব্রেশনা শেরকতের নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ প্রকল্পে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। পরবর্তী পর্যায়ে ধাপে ধাপে সাধারণ জনগণের মাঝেও এই গ্যাস বিতরণ করা হবে, যা শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ও অগ্রগতি আনবে।

        দা আফগানিস্তান ব্রেশনা শেরকতের প্রধান আব্দুল বারী ওমর হাফিযাহুল্লাহ জানান, তুর্কমেনিস্তানের সঙ্গে গ্যাসের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনা প্রায় শেষের দিকে। তিনি আরও জানান, এই গ্যাস ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

        ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের উপমুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত হাফিযাহুল্লাহ বলেন, খনি ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নে কাজ করছে। প্রথম ধাপে হেরাত পর্যন্ত পাইপলাইন পৌঁছানো হচ্ছে, এরপর তা কান্দাহার হয়ে পাকিস্তান অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করবে। আফগান অংশটি দ্রুত সম্পন্ন করতে ইমারাতে ইসলামিয়া দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

        রাজনৈতিক বিশ্লেষক আব্দুলহক হামাদ বলেন, হেরাত পৌঁছাতে এখন মাত্র ছেষট্টি কিলোমিটার পথ বাকি রয়েছে। এর মাধ্যমে শহরটি শিগগিরই গ্যাস সুবিধার আওতায় আসবে। তার মতে, আফগানিস্তান বছরে পাঁচশ মিলিয়ন থেকে দুই বিলিয়ন ঘনমিটার পর্যন্ত গ্যাস ব্যবহার করতে পারবে।

        অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টাপি প্রকল্পের প্রকৃত গুরুত্ব শুধু জ্বালানি সরবরাহে সীমাবদ্ধ নয়। এই প্রকল্প দেশের আর্থিক প্রবাহ ও বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করবে। তাদের মতে, এই প্রকল্প আফগানিস্তানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ট্রানজিট করিডোরে পরিণত করছে।

        সরকারি তথ্য অনুযায়ী, টাপি প্রকল্পের আওতায় আফগানিস্তানের ভেতর দিয়ে প্রায় আটশ ষোল কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন নির্মিত হচ্ছে। দুই হাজার পনেরো সালে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে চুক্তি ও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর নানা আর্থিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে আফগান অংশের কাজ একাধিকবার বন্ধ হয়ে যায়। অবশেষে দুই হাজার চব্বিশ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাজ পুনরায় শুরু হয়। বর্তমানে প্রকল্পটি এগিয়ে চলায় অনেকের কাছে টাপি আর শুধু একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগ নয়; বরং এটি সেই ভবিষ্যতের প্রতীক, যেখানে আফগানিস্তান পুরো অঞ্চলের মধ্যে সংযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।


        তথ্যসূত্র:
        1. 87 Kilometers of TAPI Project Completed Toward Herat, Officials Say
        https://tinyurl.com/4n5x3fer
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইমারাতে ইসলামিয়ার অগ্রগতি অব্যাহত



          আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও সীমাবদ্ধতার মধ্যেও ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ইমারাতে ইসলামিয়ার শুভাকাঙ্খী হাজী বশির নূরজাই। কান্দাহার প্রদেশের মাইওয়ান্দ জেলায় এক মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ঈদগাহ মসজিদের নির্মাণকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

          অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হাজী বশির নূরজাই বলেন, নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও বাণিজ্যিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ইমারাতে ইসলামিয়া পাকিস্তাননির্ভর পথ পরিহার করে বিকল্প রুট অনুসন্ধানের ঘোষণা দেয়। এ উদ্যোগে ব্যবসায়ী সমাজসহ সাধারণ জনগণ পূর্ণ সমর্থন জানায়। তিনি বলেন, সরকার নতুন বাণিজ্যিক পথ ও বন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে এবং অচিরেই এর বাস্তবায়ন শুরু হবে।

          হাজী বশির নূরজাই আরও জানান, নিজ এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের সমস্যার সমাধানে তিনি ইমারাতে ইসলামিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে যাবেন। এদিকে মাইওয়ান্দ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের বাসিন্দারা সরকারের প্রতি শহরের বাইরের এলাকাগুলোর প্রতি আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

          উল্লেখ্য, হাজী বশির নূরজাই একজন খ্যাতনামা ব্যবসায়ী এবং ইমারাতে ইসলামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মুহাম্মদ ওমর আখুন্দের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ সতেরো বছরেরও বেশি সময় কারাভোগের পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়ে তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন। তাঁর এই উদ্যোগ ও বক্তব্য ইমারাতে ইসলামিয়ার সঙ্গে বেসরকারি পর্যায়ের সহযোগিতা এবং স্থানীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

          তথ্যসূত্র:
          1. Haji Bashir: Despite Sanctions, the IEA Is Working to Address Problems
          https://tinyurl.com/yjh4rnct
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            মজুদদারি প্রতিরোধে আফগানিস্তানের হেরাতে বাজার ও খাদ্য গুদামসমূহে স্থানীয় প্রশাসনের তদারকির নির্দেশনা



            ইমারাতে ইসলামিয়ার হেরাত প্রদেশের গভর্নর শেখ মৌলভী ইসলামজার হাফিযাহুল্লাহ’র নির্দেশে, হেরাত শহর ও বিভিন্ন জেলার বাজার ও খাদ্য গুদামসমূহ তদারকি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, এই কার্যক্রম এখন চলমান রয়েছে।

            এই লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য সামগ্রী যাচাই-বাছাই কাজ পরিচালনা করছে সংশ্লিষ্ট কমিটিসমূহ। এছাড়া অবৈধভাবে পণ্য মজুদ এবং ইসলাম ও আইন পরিপন্থী সব ধরনের ব্যবসা থেকে বিরত থাকতে বিক্রেতাদের নির্দেশনা প্রদান করা হচ্ছে।

            হেরাত গভর্নর দপ্তরের অফিসিয়াল এক্স পোস্টে গত ২৮ ডিসেম্বর এই তথ্য জানানো হয়েছে।

            এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল, নাগরিকদের জন্য নিরাপদ খাদ্য সামগ্রী সহজলভ্য করে তোলা এবং দ্রব্যমূল্যের অতিরিক্ত বৃদ্ধি প্রতিরোধ করা। কেনাবেচায় যেকোনও ধরনের আইনগত লঙ্ঘন সনাক্ত হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে হেরাত প্রশাসন।


            তথ্যসূত্র:
            1. https://tinyurl.com/3u683muc
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X