Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১১ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ১লা জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১১ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ১লা জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের সাক্ষাতকারঃ ইমারাতে ইসলামিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও শাসননীতি

    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের মুখপাত্র মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, আফগানিস্তানের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর স্বীকৃতিহীনতার মূল কারণ হলো—তারা এখনো যুদ্ধভিত্তিক নীতির মানসিকতা থেকে পুরোপুরি সরে আসতে পারেনি। একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং শাসনব্যবস্থার মৌলিক লক্ষ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।

    মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘ বিশ বছর ধরে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়েছে, যার ফলে তাদের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি নেতিবাচক মানসিকতা গড়ে উঠেছে। এই অবস্থান থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও বাস্তবভিত্তিক সম্পর্ক স্থাপনে সময় প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের অপপ্রচারের ক্ষত কাটিয়ে উঠতে এবং স্বাভাবিক পারস্পরিক আচরণে ফিরতে তাদের মানসিক ও নীতিগত পরিবর্তন অপরিহার্য।

    পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে কোনো সমস্যা নেই। বরং যেসব জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা সংলাপ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের সমস্যা কোনো জাতির জন্যেই কল্যাণকর নয় এবং সংঘাত নয়, সংলাপই হতে পারে টেকসই সমাধানের পথ।

    শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। এমন একটি শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য, যা মানুষের পার্থিব জীবনকে নিরাপদ ও সুসংহত করবে এবং একই সঙ্গে আখিরাতের ক্ষতির পথ থেকেও তাদের রক্ষা করবে। তার মতে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং নৈতিক ও সামাজিক সংস্কার নিশ্চিত করাও শাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

    সাক্ষাৎকারের শেষাংশে মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামি সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো ধাপে ধাপে সমাধান হবে। বাস্তবতা, সময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়েই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

    তথ্যসূত্র:
    1. Zabihullah Mujahid: Western Distrust, Pakistan Tensions, Governance Goals
    https://tinyurl.com/2pw86vup

    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ২০২৫ সালে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকারের অর্থনৈতিক কমিশনে অনুমোদিত পরিকল্পনাসমূহ




    ৩১ডিসেম্বর অফিসিয়াল এক্স পোস্টের এক বার্তায় বিগত বছরে ইমারাতে ইসলামিয়ার অর্থনৈতিক কমিশনে অনুমোদিত প্লানসমূহ উপস্থাপন করেছেন মুখপাত্র মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ। সেই আলোকে ২০২৫ সালে ইমারাতে ইসলামিয়ার অর্থনৈতিক কমিশনে অনুমোদিত পরিকল্পনাসমূহ তুলে ধরা হল:

    ১. হেরাত প্রদেশে ‘বাম হেরাত’ বিনোদন কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা;
    ২. জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের খসড়া;
    ৩. খনি খাতে খসড়া রাজস্ব নীতিমালা;
    ৪. গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতে স্বনির্ভরতা নীতি ও পরিকল্পনা;
    ৫. ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক নীতিমালা;
    ৬. হিমাগার নির্মাণে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ বছর কর অব্যাহতি;
    ৭. খনিজ সম্পদ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি সংক্রান্ত খসড়া নীতিমালা;
    ৮. ২ বিলিয়ন ২৭৪ মিলিয়ন আফগানি মূল্যে ১০টি বিনিয়োগ প্রকল্প;
    ৯. ২০.৭ বিলিয়ন আফগানি বিনিয়োগে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন প্রকল্প স্বাক্ষরিত;
    ১০. ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ১০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত;
    ১১. উজবেকিস্তানের সাথে ৪টি বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট প্রকল্প স্বাক্ষরিত, যার মূল্য ২৪৩ মিলিয়ন ডলার।
    ১২. জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে অর্থায়ন মেকানিজম স্বাক্ষরিত;
    ১৩. ৯,৪০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে চুক্তি ও সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষরিত;
    ১৪. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের ৫৭টি মান যাচাই-বাছাই নীতিমালা;
    ১৫. জাওযান প্রদেশের কুশ তেপা ও দারজাব জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে একটি প্রকল্প চুক্তি স্বাক্ষরিত।

    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/43u9dyyk
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ইয়েমেনে মুজাহিদদের আইইডি বিস্ফোরণে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং ডেপুটি মেয়রসহ একাধিক শত্রু হতাহত


      আল-কায়েদা আরব উপদ্বীপ সংশ্লিষ্ট জামা’আত আনসারুশ শরিয়াহ্ (একিউএপি) নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা ইয়েমেনের আবিয়ান রাজ্যে শত্রু বাহিনীর ৩টি যানবাহন লক্ষ্য করে সম্প্রতি পৃথক আইইডি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন। এতে ২ কর্মকর্তা সহ বেশ কিছু সৈন্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

      আনসারুশ শরিয়াহ্ সাথে যুক্ত আল-মামুন সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, গত ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার, একিউএপি সংশ্লিষ্ট মুজাহিদিনরা ইয়েমেনের আবিয়ান রাজ্যের আল-বাকিরাহ এলাকায় ২টি পৃথক হামলা চালিয়েছেন। প্রথমটি সংযুক্ত আরব আমিরাত-সমর্থিত দক্ষিণ ট্রানজিশনাল কাউন্সিল মিলিশিয়াদের একটি অ্যাম্বুলেন্সকে টার্গেট করে একটি বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণের মাধ্যমে চালানো হয়। এতে আল-রাদফানি জেলার ডেপুটি মেয়র সহ কত মিলিশিয়া সদস্য আহত হয় এবং অ্যাম্বুলেন্সটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

      একই এলাকায় মুজাহিদিনরা দ্বিতীয় আইইডি বিস্ফোরণটি ঘটান মিলিশিয়াদের বহনকারী একটি সামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে। মুজাহিদদের এই আইইডি বিস্ফোরণে দক্ষিণ ট্রানজিশনাল কাউন্সিল মিলিশিয়াদের এক ব্যাটালিয়ন কমান্ডার আহত হয় এবং তার গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

      এদিকে গত ২৮শে ডিসেম্বর রবিবার, আবিয়ান রাজ্যের মুদিয়াহ জেলার আল-বাকিরাহ এলাকায় তৃতীয় একটি বোমা বিস্ফোরণ ঘটান আনসারুশ শরিয়াহ্’র মুজাহিদিনরা। এতে মিলিশিয়া বাহিনীর একটি সামরিক গাড়ি সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যায় এবং তাতে থাকা মিলিশিয়া সদস্যরা হতাহতের শিকারে পরিণত হয়।
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মোগাদিশু বাহিনীর পলায়নের পর গুরুত্বপূর্ণ ২টি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন আশ-শাবাব মুজাহিদিন


        হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিনের সামরিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছে যে, মোগাদিশু বাহিনীর পালিয়ে যাওয়ার পর মুজাহিদিনরা দক্ষিণ সোমালিয়ার মাহাসাইদ এবং আদানলেহি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।

        আশ-শাবাবের প্রশাসনের সাথে যুক্ত একটি সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা গত কিছুদিন ধরেই রাজধানী মোগাদিশু থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ওয়ারশেখ জেলার উপকন্ঠে শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র সামরিক অপারেশন পরিচালনা করছেন। এই অপারেশনের ধারাবাহিকতায় মুজাহিদিনরা গত ৩১শে ডিসেম্বর বুধবার সকাল থেকে মধ্য শাবেলি রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলে অগ্রসর হতে শুরু করেন। মুজাহিদদের এই অগ্রযাত্রার সংবাদ পেয়ে মোগাদিশু বাহিনী ভয়ে মাহাসাইদ এবং আদানলেহি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। শত্রু বাহিনীর এই পলায়নের পর শান্তিপূর্ণভাবে এবং কোনো লড়াই ছাড়াই মুজাহিদিনরা ২টি এলাকার উপর সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে আশ-শাবাব মুজাহিদিনরা দুটি এলাকায় টহল দিচ্ছেন এবং তাওহীদের পতাকা উত্তোলন করেছেন।

        উল্লেখ্য যে, হারাকাতুশ শাবাব আল-মুজাহিদিন দেশটিতে পশ্চিমা-সমর্থিত মোগাদিশু সরকারকে উৎখাত করতে এবং আন্তর্জাতিক জোট বাহিনীকে দেশ থেকে বহিষ্কার করার লক্ষ্যে সামরিক অপারেশন জোরদার করেছেন। আশ-শাবাব প্রশাসন অঞ্চলটিকে পশ্চিমা প্রভাব মুক্ত করতে এবং একটি ব্যাপক ও স্বাধীন ইসলামী শরিয়া ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।


        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/3rea6rmz
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment

        Working...
        X