মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদের সাক্ষাতকারঃ ইমারাতে ইসলামিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও শাসননীতি


ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের মুখপাত্র মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, আফগানিস্তানের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর স্বীকৃতিহীনতার মূল কারণ হলো—তারা এখনো যুদ্ধভিত্তিক নীতির মানসিকতা থেকে পুরোপুরি সরে আসতে পারেনি। একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা এবং শাসনব্যবস্থার মৌলিক লক্ষ্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।
মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘ বিশ বছর ধরে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়েছে, যার ফলে তাদের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি নেতিবাচক মানসিকতা গড়ে উঠেছে। এই অবস্থান থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও বাস্তবভিত্তিক সম্পর্ক স্থাপনে সময় প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের অপপ্রচারের ক্ষত কাটিয়ে উঠতে এবং স্বাভাবিক পারস্পরিক আচরণে ফিরতে তাদের মানসিক ও নীতিগত পরিবর্তন অপরিহার্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে কোনো সমস্যা নেই। বরং যেসব জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা সংলাপ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের সমস্যা কোনো জাতির জন্যেই কল্যাণকর নয় এবং সংঘাত নয়, সংলাপই হতে পারে টেকসই সমাধানের পথ।
শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। এমন একটি শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য, যা মানুষের পার্থিব জীবনকে নিরাপদ ও সুসংহত করবে এবং একই সঙ্গে আখিরাতের ক্ষতির পথ থেকেও তাদের রক্ষা করবে। তার মতে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং নৈতিক ও সামাজিক সংস্কার নিশ্চিত করাও শাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সাক্ষাৎকারের শেষাংশে মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামি সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো ধাপে ধাপে সমাধান হবে। বাস্তবতা, সময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়েই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।
মৌলভী জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো দীর্ঘ বিশ বছর ধরে ইমারাতে ইসলামিয়ার বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়েছে, যার ফলে তাদের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে একটি নেতিবাচক মানসিকতা গড়ে উঠেছে। এই অবস্থান থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও বাস্তবভিত্তিক সম্পর্ক স্থাপনে সময় প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের অপপ্রচারের ক্ষত কাটিয়ে উঠতে এবং স্বাভাবিক পারস্পরিক আচরণে ফিরতে তাদের মানসিক ও নীতিগত পরিবর্তন অপরিহার্য।
পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে কোনো সমস্যা নেই। বরং যেসব জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা সংলাপ ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের সমস্যা কোনো জাতির জন্যেই কল্যাণকর নয় এবং সংঘাত নয়, সংলাপই হতে পারে টেকসই সমাধানের পথ।
শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়ার মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। এমন একটি শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য, যা মানুষের পার্থিব জীবনকে নিরাপদ ও সুসংহত করবে এবং একই সঙ্গে আখিরাতের ক্ষতির পথ থেকেও তাদের রক্ষা করবে। তার মতে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব কেবল প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় সীমাবদ্ধ নয়; বরং নৈতিক ও সামাজিক সংস্কার নিশ্চিত করাও শাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সাক্ষাৎকারের শেষাংশে মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামি সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো ধাপে ধাপে সমাধান হবে। বাস্তবতা, সময় এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্য দিয়েই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।
তথ্যসূত্র:
1. Zabihullah Mujahid: Western Distrust, Pakistan Tensions, Governance Goals
– https://tinyurl.com/2pw86vup
1. Zabihullah Mujahid: Western Distrust, Pakistan Tensions, Governance Goals
– https://tinyurl.com/2pw86vup



Comment