Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৫ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৫ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    আশ-শাবাবের বিশেষ অভিযানে মার্কিন প্রশিক্ষিত স্পেশাল ফোর্সের শীর্ষ ২ কমান্ডার এবং ৬ এজেন্ট নিহত: আহত আরও ৭ এজেন্ট




    হারাকাতুশ শাবাব প্রশাসনের সামরিক নেতৃত্ব এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন যে, মুজাহিদিনরা গত ৪ জানুয়ারি রবিবার, সোমালিয়ার নিম্ন জুবা রাজ্যে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছেন। এই অভিযানের মাধ্যমে মুজাহিদিনরা দেশটির জামামে শহরে সংঘটিত গণহত্যার পিছনে থাকা প্রধান অপরাধী অফিসার এবং আরও ছয়জন এজেন্টকে নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছেন।

    আশ-শাবাবের সামরিক নেতৃত্ব কর্তৃক প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে: গত ৪ জানুয়ারি রবিবার, মুজাহিদিনরা নিম্ন জুবা রাজ্যের কিসমায়ো শহরের উপকণ্ঠে একটি সমন্বিত সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। মুজাহিদিনরা বিশেষ এই অভিযানটি পরিচালনা করেন মার্কিন বাহিনী কর্তৃক অর্থায়ন ও প্রশিক্ষিত এবং নৃশংস জামামে গণহত্যার সাথে জড়িত দানব ফোর্সের একটি স্পেশাল ইউনিটকে। মুজাহিদদের এই অভিযান পরিচালনার কিছু সময় পূর্বে উক্ত অপরাধী ইউনিটের কমান্ডার কর্নেল ইব্রাহিম ফার এবং মার্কিন প্রশিক্ষিত এজেন্টরা ইসলামি শরিয়াহ্ শাসিত একটি এলাকায় ৬ জন বেসামরিক নাগরিককে শহিদ করে নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরছিল। আর মুজাহিদিনরা এই অপরাধীকে এবং আমেরিকান এজেন্টদের নির্মূল করতে অভিযান থেকে ফেরার পথেই দলটির উপর অতর্কিত আক্রমণ চালান।

    মুজাহিদদের বিশেষ এই অভিযানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক পরিচালিত স্পেশাল “দানব” ফোর্সের কমান্ডার কর্নেল ইব্রাহিম ফার এবং এই দলের আরও এক ব্যাটালিয়ন কমান্ডার নিহত হয়। সেই সাথে তাদের সাথে থাকা আরও ৬ এজেন্টকেও মুজাহিদিনরা হত্যা করতে সক্ষম হন। এছাড়াও এই দলের কমপক্ষে আরও ৭ সৈন্য আহত হয়েছে এবং তাদের বহনকারী একটি গাড়ি বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণে ধ্বংস হয়ে গেছে।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই অপরাধী অফিসার ও এজেন্টদের বিরুদ্ধে মুজাহিদদের অভিযানটি নিম্ন জুবা রাজ্যে আমেরিকান ক্রুসেডার এবং তাদের এজেন্টদের হামলার শিকার হওয়া প্রতিটি মুসলিমের পক্ষ থেকে প্রতিশোধ হিসাবে চালানো হয়েছে। এই অভিযানটি ক্রুসেডারদের দ্বারা মুসলিমদের ক্ষতি করার জন্য ব্যবহৃত প্রতিটি এজেন্টকে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠায়: ইসলামী আইনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।

    আমরা হারাকাতুশ শাবাব প্রশাসনের সামরিক নেতৃত্বে ইসলামের বীরদের প্রশংসা করি যারা এই বীরত্বপূর্ণ অভিযানটি পরিচালনা করেছেন এবং বিশ্বাসঘাতক অফিসারদের নির্মূল করেছেন। আমরা তাদের বলি: আমরা মহান রব্বুল আলামিনের কাছে দোয়া করি, তিনি যেন ইসলামি শরিয়াহ্ আইন বাস্তবায়ন এবং মুসলিম জনগণকে রক্ষা করার জন্য আপনাদের জিহাদ, আপনাদের দৃঢ়তা এবং আপনার ত্যাগ কবুল করেন।

    বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা মুসলিম উম্মাহর নিরাপত্তা রক্ষায়, ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়ন এবং সমস্ত মুসলিম ভূমিকে কাফের ও তাদের এজেন্টদের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত করার জন্য লড়াই করছেন। হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা আন্তর্জাতিক ক্রুসেডার জোট এবং এর স্থানীয় এজেন্টদের বিরুদ্ধে জিহাদ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মুজাহিদিনরা ততক্ষণ পর্যন্ত এই জিহাদ চালিয়ে যাবেন, যতক্ষণ না সোমালিয়া থেকে আগ্রাসী শক্তিগুলি সম্পূর্ণরূপে বিতাড়িত হয় এবং জমিনে সম্পূর্ণরূপে সর্বশক্তিমান আল্লাহর আইন কার্যকর হয়।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3fa6ur78
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানে শরিয়াহ আইন অনুযায়ী ব্যভিচারের শাস্তি কার্যকর


    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের দুইটি প্রদেশে শরয়ী বিধান অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কার্যকরের তথ্য প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পৃথক দুটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নির্ধারিত দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

    সুপ্রিম কোর্টের প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, কাবুল প্রদেশে এক নারীকে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। অপরদিকে, বালখ প্রদেশে আরেক ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধে দোষী প্রমাণিত হয়। আদালতের চূড়ান্ত রায় অনুযায়ী, উভয় দোষীকে শরয়ী বিধান অনুসারে নির্ধারিত শাস্তি প্রদান করা হয়। রায় মোতাবেক প্রত্যেককে ঊনচল্লিশটি বেত্রাঘাতের দণ্ড প্রদান করা হয় এবং তা কার্যকর করা হয়।

    সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত দণ্ড যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে। শরয়ী আদালতের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজে নৈতিক শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. The Supreme Court has announced in a press release that disciplinary punishment was carried out on two individuals in two provinces of the country.
    -https://tinyurl.com/zhstsvm6
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      কাবুলে কমেছে পেট্রোল, ডিজেল, স্বর্ণ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম




      আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে পেট্রোল, ডিজেল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের দাম কমেছে। তবে পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতার কারণে সংশ্লিষ্ট পণ্যসমূহের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৩ জানুয়ারি আফগান পাজওয়া নিউজের প্রতিবেদনে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দ্রব্যমূল্যের দাম সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।

      প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি পণ্যের মূল্য হ্রাসের সাথে সাথে কাবুলে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটার প্রতি যথাক্রমে ১ আফগানি ও ৪ আফগানি হ্রাস পেয়েছে। প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম বর্তমানে ৬১ আফগানি, এছাড়া প্রতি লিটার ডিজেলের মূল্য ৫৯ আফগানি। এছাড়া এককেজি লিকুফাইড গ্যাসের মূল্য বর্তমানে ৫৬ আফগানি।

      প্রতিবেদনে সোনার দাম সম্পর্কে জানানো হয়, প্রতি গ্রাম এরাবিয়ান স্বর্ণের দাম ৭৫০০ থেকে ৭৩০০ আফগানিতে নেমে এসেছে। অর্থাৎ প্রতি ভরিতে বর্তমান আরব স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৮৫১৪৭ আফগানি। অপরদিকে প্রতিগ্রাম রাশিয়ান সোনার দাম ৫,৯৫০ থেকে হ্রাস পেয়ে ৫,৭৬০ আফগানি হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমান মূল্য ভরিতে প্রায় ৬৭,১৮৫ আফগানি এর সমতুল্য। তবে সোনার দাম আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

      রিপোর্টে আরও তুলে ধরা হয়, কাবুলে ১ মার্কিন ডলার ৬৬ আফগানির বিপরীতে এক্সচেঞ্জ করা হচ্ছে। অপরদিকে ১০০০ পাকিস্তানি রুপি বিনিময় হচ্ছে ২২৪ আফগানি এর বিপরীতে।

      অপরদিকে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সম্পর্কে জানানো হয়, ৪৯ কেজি কাজাখ আটার পাইকারি দাম ১৪৭০ আফগানি থেকে কমে হয়েছে ১৪৫০ আফগানি, ১৬ লিটার মালয়েশিয়ান রান্না তেলের পাইকারি দাম ২১৫০ থেকে ২১০০ আফগানিতে হ্রাস পেয়েছে।

      ২৪ কেজি পাকিস্তানি চালের দাম ৩৪০০ আফগানি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫০০ আফগানি হয়েছে। পাক-আফগান বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার প্রভাবস্বরূপ এই মূল্য বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। অপরদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে ইন্ডিয়ান চিনির দাম (৫০ আফগানি/কেজি), আফ্রিকান ব্ল্যাক টি (৩৮০ আফগানি/কেজি) ও ইন্দোনেশিয়ান গ্রিন টি (৩৫০ আফগানি/কেজি)।


      তথ্যসূত্র:
      1. https://tinyurl.com/ytkd286k
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        মালিতে জান্তা বাহিনীর ৩টি সামরিক ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন জেএনআইএম মুজাহিদিনরা



        আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা মালির জান্তা বাহিনীকে হটিয়ে ১টি সামরিক ব্যারাক এবং ২টি ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন।

        আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্যমতে, গত ২ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায়, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা মালির দিয়াবালি শহরের উপকণ্ঠে একটি সফল অভিযান পরিচালনা। শহরের উপকণ্ঠে আলাতুনায় নামক এলাকায় মালির জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক ব্যারাক লক্ষ্য করে অভিযানটি চালানো হয়। মুজাহিদদের এই অভিযানে জান্তা বাহিনী পরাজয় বরণ করে এবং মুজাহিদিনরা সামরিক ব্যারাকের নিয়ন্ত্রণ নেন।

        এমনিভাবে গত ৩ জানুয়ারি শনিবার সকালে, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা সেগু রাজ্যের ডুগুফিরি শহরের উপকণ্ঠে ২টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় মুজাহিদিনরা শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত জান্তা বাহিনীর ২টি ঘাঁটিতে তীব্র আক্রমণ চালান এবং সেগুলোর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেন।



        তথ্যসূত্র:
        https://tinyurl.com/5e7te8yc
        https://tinyurl.com/3nvxys87

        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          পশ্চিম আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের ৪টি দেশে জেএনআইএম মুজাহিদদের ৬১টি সফল অভিযান



          আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)। গত ডিসেম্বর মাসে দলটির মুজাহিদিনরা আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের ৪টি দেশে অন্তত ৬১টি পৃথক অপারেশন পরিচালনা করেছেন।

          জেএনআইএম এর সাথে যুক্ত আয-যাল্লাকা মিডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত একটি ইনফোগ্রাফি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুজাহিদিনরা গত জমাদিউস সানি (ডিসেম্বর) মাসে মালি, বুরকিনা ফাসো, নাইজার এবং বেনিনে অন্তত ৫৯টি পৃথক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। মুজাহিদদের এসকল অপারেশনের মধ্যে রয়েছে ৩৮টিরও বেশি সম্মুখ যুদ্ধ, ১৬টির অধিক আইইডি বিস্ফোরণ, ৫টি অ্যাম্বুশ এবং ২টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।

          মুজাহিদদের পৃথক এই অপারেশনগুলোর কয়েকটিতেই সাহেল অঞ্চলের জান্তা বাহিনীগুলোর ৬০ এরও অধিক সৈন্য নিহত হয়েছে। মুজাহিদদের অন্য কয়েক ডজন অভিযানেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শত্রু সৈন্য হতাহত এবং বন্দী হয়েছে। এই অভিযানগুলোর সময় মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে শত্রু বাহিনীর ৭টি সাঁজোয়া যান এবং বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য অস্ত্র ও সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। সেই সাথে মুজাহিদিনরা ৩৫টি মোটরসাইকেল, ৩টি আরপিজি এবং বিভিন্ন ধরনের ৯১টি ভারি ও মাঝারি অস্ত্র গনিমত হিসাবে পেয়েছেন।


          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/2yrx6kuy
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ইমারাতে ইসলামিয়ার বর্তমান স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ: মোল্লা আব্দুল গণি বারাদার হাফিযাহুল্লাহ



            কান্দাহারে অনুষ্ঠিত এক স্নাতক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আব্দুল গণি বারাদার হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, আফগানিস্তানের বর্তমান স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সম্ভাবনাকে যেন কেউ হুমকিতে পরিণত না করে। একই সঙ্গে তিনি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে আফগানিস্তানের সক্ষমতা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

            ৪ জানুয়ারি, রবিবার, কান্দাহারে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া দারুল উলুম কান্দাহারের এক হাজার শিক্ষার্থীর পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মোল্লা আব্দুল গণি বারাদার হাফিযাহুল্লাহ ইমারাতে ইসলামিয়ার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সমাজ সংস্কার, দ্বীনি জ্ঞান বিস্তার এবং সেই বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তির মূল স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন, যার ওপর দাঁড়িয়ে দীর্ঘ বিশ বছরের দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো হয়েছে।

            তিনি উপস্থিত আলেমদের উদ্দেশে বলেন, সাধারণ মানুষের দিকনির্দেশনায় কোমল ভাষা ও প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ ব্যবহার করতে হবে এবং কঠোরতা থেকে বিরত থাকতে হবে। বর্তমানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আরও স্থিতিশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানে পৌঁছেছে। জাতীয় সিদ্ধান্তকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে—এমন সব সমান্তরাল রাজনৈতিক ধারা ও কর্মকাণ্ড বিলুপ্ত করা হয়েছে। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

            বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, একটি নিরাপদ আফগানিস্তান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে একটি বড় অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সুযোগ। ইমারাতে ইসলামিয়ার সক্ষমতা ও দৃঢ় সংকল্প থেকে সব দেশই উপকৃত হতে পারে।

            সমাবর্তন অনুষ্ঠানের শেষভাগে আফগান নাগরিকদের আশ্বস্ত করে আব্দুল গণি বারাদার হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া কখনো জনগণের অধিকার বা অর্পিত আমানতের খিয়ানত করবে না। তিনি দেশব্যাপী নিরাপত্তা ও পুনর্গঠন কার্যক্রমে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি স্নাতক শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে অভিনন্দন জানিয়ে নতুন আলেমদের অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে প্রয়োগ এবং সমাজে তা ছড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দেন।

            তথ্যসূত্র:
            1. Economic Deputy PM Declares Secure Afghanistan a “Major Opportunity,” Urges Global Cooperation
            https://tinyurl.com/2trmwnmt
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              ফাইজাবাদ নগর উন্নয়নে নতুন অধ্যায়: ২২ কোটি ৩৬ লাখ আফগানির প্রকল্প উদ্বোধন



              বাদাখশান প্রদেশের রাজধানী ফাইজাবাদে নগর অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ২২ কোটি ৩৬ লাখ আফগানি ব্যয়ে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ জনসেবামূলক প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট নিরসনে কার্যকর অগ্রগতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

              বাদাখশান প্রদেশের গভর্নরের উদ্যোগে এবং প্রদেশের খনি অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এসব উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। খনিজ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো মূলত নগরীর মৌলিক অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে পরিকল্পনা করা হয়েছে।

              প্রকল্পগুলোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাদাখশান প্রদেশের গভর্নর মৌলভী মোহাম্মদ ইসমাইল গজনবী হাফিযাহুল্লাহ বলেন, দেশজুড়ে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখন জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গঠনমূলক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের সময় এসেছে। তিনি এ ধরনের প্রকল্পকে টেকসই উন্নয়নের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

              এ সময় বাদাখশান প্রদেশের খনি অধিদপ্তরের পরিচালক শফিকুল্লাহ হাফিজী বলেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে খনিজ প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ বাড়িয়ে আরও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।

              ফাইজাবাদ পৌরসভার মেয়র মৌলভী হাবিবুর রহমান মানসুর হাফিযাহুল্লাহ বলেন, প্রকল্পগুলো সম্পন্ন হলে নগরীর প্রায় ৭০ শতাংশ সমস্যা সমাধান হবে। তিনি জানান, এসব প্রকল্পের আওতায় সেতু ও সড়ক নির্মাণ, সড়কবাতি স্থাপন, নগর সুবিধা সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্য সহায়তা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

              ফাইজাবাদের বাসিন্দারা এসব উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরুকে স্বাগত জানিয়ে এটিকে নগর উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগ লাঘবে একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, প্রকল্পগুলো সময়মতো বাস্তবায়িত হলে ফাইজাবাদ শহরের সামগ্রিক চিত্রে ইতিবাচক ও দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

              তথ্যসূত্র:
              1. 223 Million Afghani Development Initiative Begins in Badakhshan
              https://tinyurl.com/h3j3nysy
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X