Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১৯ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১৯ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ০৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    কাবুলের গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে তিনটি বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু



    কাবুলের গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে শিল্পখাতে বিদ্যুৎ সংকট নিরসনের লক্ষ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি প্রকল্পের নির্মাণকাজ শুরু করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ৩৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, ১২৬ এমভিএ ক্ষমতার একটি সাবস্টেশন এবং ২২০ কিলোভোল্টের একটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন।

    প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই উদ্যোগকে রাজধানীর শিল্পায়নের ক্ষেত্রে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

    প্রকল্পগুলোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দা আফগানিস্তান ব্রেশনা শেরকতের প্রধান ডা. আবদুল বারী ওমর হাফিযাহুল্লাহ বলেন, বিদ্যুৎ একটি দেশের অগ্রগতির মৌলিক স্তম্ভ। তিনি জানান, দেশের বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নে দা আফগানিস্তান ব্রেশনা শেরকত ধারাবাহিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাঁর মতে, এসব প্রকল্প কাবুলের শিল্পখাতে বিদ্যমান বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আগামী ১৮ মাসের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, প্রায় ৪০ মিলিয়ন ডলার বা ২৬৯ কোটি আফগানির এই বিনিয়োগ শুধু জনগণের ঘরে আলোই পৌঁছে দেবে না, বরং বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ও সাবস্টেশনের ওপর অতিরিক্ত চাপও কমাবে।

    অনুষ্ঠানে যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী হামিদুল্লাহ নোমানি হাফিযাহুল্লাহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করা হয় এবং দেশের বিদ্যমান সম্পদ থেকে সবাই সমানভাবে উপকৃত হতে পারে।

    গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের কর্মকর্তারা জানান, শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য বিদ্যুৎ ও জমি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চাহিদার মধ্যে অন্যতম। এ প্রকল্পগুলো কাবুলের শিল্পায়নের পথে একটি বড় অগ্রগতি। পার্কের প্রধান মোহাম্মদ মোহসেন আমিরী হাফিযাহুল্লাহ বলেন, ১২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সাবস্টেশনটি শুধু গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের বিদ্যুৎ সমস্যাই নয়, বরং নিউ কাবুল এলাকার সামগ্রিক বিদ্যুৎ সংকট লাঘবেও ভূমিকা রাখবে।

    ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ক্রিস ক্র্যামার বলেন, বেসরকারি খাতের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ কোনো বিলাসিতা নয়, বরং এটি একটি অপরিহার্য প্রয়োজন। তাঁর মতে, এই প্রকল্প শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগকে শক্তিশালী করবে।

    বর্তমানে কাবুলের গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কগুলোতে ১২০টিরও বেশি কারখানা সক্রিয় রয়েছে, যেখানে প্রায় সাত হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

    তথ্যসূত্র:
    1. Three Major Energy Projects Launched in Kabul’s Green Industrial Park
    https://tinyurl.com/bdact58v
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    খোস্ত প্রদেশে ৫৬৫ মিলিয়ন আফগানি ব্যয়ে নতুন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়



    গ্রেপ্তার ও জোরপূর্বক নির্বাসন পাকিস্তানে অবস্থানরত আফগান শরণার্থীদের জীবন ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিচ্ছে, বিশেষত নারী, শিশু ও অসুস্থদের সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    সম্প্রতি জরুরি চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা (MSF) পাকিস্তানে অবস্থানরত আফগান শরণার্থীদের করুণ অবস্থা তুলে ধরেছে।

    সাম্প্রতিক একটি মর্মান্তিক ঘটনা বর্ণনা করে সংস্থাটি জানায়, গত নভেম্বর মাসে শীতের রাতে এক আফগান শরণার্থী দম্পতি পাকিস্তানি এক রিকশা চালকের দরজায় কড়া নাড়েন। এই সময় আফগান মহিলাটি প্রসব বেদনায় ভুগছিলেন। অর্থ না থাকা সত্ত্বেও পাকিস্তানি রিকশা চালক এই দম্পতিকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে রাজি হয়। এদিকে শরণার্থী শিবির থেকে বাইরে অবস্থান করায় তারা পুলিশের গ্রেপ্তারের ভয়ে আতঙ্কিত ছিলেন।

    তবে রিকশায় অবস্থানকালীন উক্ত নারী সন্তানের জন্ম দেন। সেই সময়ের করুণ পরিস্থিতি বর্ণনা করে রিকশা চালক বলেন, তার রিকশা রক্তে ভরে গিয়েছিল, এই কষ্টকর মুহূর্তটি ভাষায় বর্ণনা করার মত নয়। পরবর্তীতে এমএসএফ দাতব্য সংস্থার কর্মীরা এই মা ও শিশুর যত্নের দায়িত্ব নেন।

    কর্মীদের অভিযোগ, আফগান শরণার্থীগণ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা লাভের ক্ষেত্রে গুরুতর বাধার মুখোমুখি হচ্ছেন। শরণার্থী শিবিরে এই ধরনের গর্ভপাতের ঘটনা ক্রমশ সাধারণ হয়ে উঠছে।

    তাদের মতে, গণ নির্বাসন একটি বিপর্যয়কর মানবিক সংকটে পরিণত হয়েছে। হাজার হাজার আফগান শরণার্থীকে অস্থায়ী শিবিরে আটকে রাখা হয়েছে। এই সকল শিবিরে আবাসন, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবা পর্যাপ্ত নয় বা একেবারেই নেই। একদিকে শীতে তাপমাত্রা তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছে, অপরদিকে গ্রেপ্তারের ভয় অনেককে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিতে বাধা দিচ্ছে। এর যার ফলে গর্ভপাত, চিকিৎসা না পেয়ে অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    এমএসএফ কর্মীরা আরও কিছু মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শীতের রাতে চিকিৎসা না পেয়ে ৫ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু। এছাড়া চিকিৎসার অভাবে এক মৃত শিশু প্রসবের পর এক শরণার্থী মহিলার মৃত্যু। পরবর্তীতে এই মৃতদেহ আফগানিস্তানে তার নিজ পরিবারের নিকট স্থানান্তর করা হয়।


    তথ্যসূত্র:
    1. https://tinyurl.com/4zvv4z9f
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ইমারাতে ইসলামিয়ার অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা, হেরাত থেকে ঔষধি ভেষজ রপ্তানি তিনগুণ বৃদ্ধি


      হেরাত প্রদেশে উৎপাদিত ঔষধি ভেষজ উদ্ভিদ আন্তর্জাতিক বাজারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। চলতি সৌর বছরের প্রথম নয় মাসে এই প্রদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ ঔষধি পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

      হেরাত প্রাদেশিক প্রশাসনের মুখপাত্র মোহাম্মদ ইউসুফ সাঈদী হাফিযাহুল্লাহ জানান, চলতি সৌর বছরের প্রথম নয় মাসে হেরাত প্রদেশ থেকে মোট ২২ হাজার টন ঔষধি ভেষজ উদ্ভিদ রপ্তানি করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ২,৪২,৬৮,০০০ ডলার। তিনি বলেন, এসব ভেষজ উদ্ভিদ হেরাতেই প্রক্রিয়াজাত করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়েছে।

      রপ্তানিকৃত ভেষজ উদ্ভিদের মধ্যে কালোজিরা, মিষ্টি বায়ান, আদা ও দারুচিনি উল্লেখযোগ্য। এসব পণ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, রাশিয়া ও ইরানে রপ্তানি করা হয়েছে। প্রাদেশিক প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় চলতি বছরে ঔষধি ভেষজ রপ্তানি তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

      হেরাত প্রদেশের ঔষধি ভেষজ রপ্তানির এই অগ্রগতি ইমারাতে ইসলামিয়ার অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করছে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


      তথ্যসূত্র:
      Herat’s Medicinal Plant Exports Triple
      https://tinyurl.com/yr3nmbbp
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment

      Working...
      X