Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২৭ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২৭ রজব, ১৪৪৭ হিজরি || ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে ৯,৪০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের চুক্তি স্বাক্ষর



    ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানে দেশীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমদানিনির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। দা আফগানিস্তান ব্রেশনা শেরকতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে মোট ৯,৪০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    ব্রেশনার পরিকল্পনা বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ নাসের আহমাদি জানান, এসব প্রকল্পের আওতায় কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও তাপশক্তিসহ বিভিন্ন উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পগুলোর কারিগরি সম্ভাব্যতা যাচাই ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এর মধ্যে কয়লাভিত্তিক উৎস থেকে তিনশ তেইশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে এবং দেশের তিনটি স্থানে শিগগিরই কাজ শুরু হবে। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে একশ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে স্থিতিশীলতা আসবে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষক আবদুল জুহুর মুদাব্বির বলেন, দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গ্যাস ও কয়লা উভয়ই বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব।

    এদিকে, ব্রেশনা এর আগে কাবুলের গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিজ শিল্প পার্কে চৌত্রিশ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র, একশ ছাব্বিশ এমভিএ সাবস্টেশন এবং দুইশ বিশ কিলোভোল্ট সঞ্চালন লাইন নির্মাণকাজ শুরু করেছে। প্রায় চার কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প ভবিষ্যতে রাজধানীর বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. DABS Signs Power Generation Agreements to Boost Domestic Production
    https://tinyurl.com/mnn2xvkb
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ইমারাতে ইসলামিয়ার হেরাতে নতুন কারখানা স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের আবেদন করেছেন এক হাজারেরও বেশি শিল্পপতি



    ইমারাতে ইসলামিয়ার হেরাত প্রদেশের শিল্প পার্কে বিনিয়োগের আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। হেরাত চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড মাইনস জানিয়েছে, বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি শিল্পপতি নতুন কারখানা স্থাপনের জন্য জমি বরাদ্দের আবেদন করেছেন। স্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তাদের পাশাপাশি কয়েকজন বিদেশি বিনিয়োগকারীও হেরাতে বৃহৎ শিল্প কারখানা স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    হেরাত চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড মাইনসের প্রধান মোহাম্মদ নাসের আমিন বলেন, হাজার হাজার বিনিয়োগকারী জমি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের অপেক্ষায় রয়েছেন। আবেদনকারীদের মধ্যে অনেকে নতুনভাবে শিল্প খাতে প্রবেশ করতে আগ্রহী, আবার অনেকে বিদ্যমান শিল্প সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন কারখানা নির্মাণ করতে চান।

    শিল্প পার্কে বিনিয়োগে আগ্রহী শিল্পোদ্যোক্তারা জানান, জমি বরাদ্দ পাওয়া গেলে তারা বৃহৎ শিল্প কারখানা নির্মাণে প্রস্তুত রয়েছেন। শিল্পপতি জালমাই সাঈদি বলেন, তিনি শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে জমির জন্য আবেদন করেছেন এবং বর্তমানে বরাদ্দের অপেক্ষায় রয়েছেন। জমি পাওয়া মাত্রই তিনি তেল উৎপাদন কারখানার নির্মাণকাজ শুরু করবেন বলে জানান।

    অন্যদিকে শিল্পপতি নাজির আহমাদ মাওয়াহিদ বলেন, তারা জমির আবেদন করলেও এখনো বরাদ্দ পাননি। তার মতে, জমি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হলে বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব হবে এবং বিভিন্ন খাতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া যাবে।

    হেরাত প্রাদেশিক প্রশাসন জানিয়েছে, শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য জমি বরাদ্দ ও টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় পঞ্চাশ হাজার জেরিব(প্রায় ২৪,৭০০একর) আয়তনের শিল্প পার্কে শিগগিরই শিল্পপতিদের জন্য জমি বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    হেরাত গভর্নরের মুখপাত্র মোহাম্মদ ইউসুফ সাঈদি বলেন, হেরাত প্রদেশে শিল্প উন্নয়ন ও শক্তিশালীকরণে স্থানীয় প্রশাসন সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে। জমি বরাদ্দ ও স্থায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং এসব উদ্যোগ সম্পন্ন হলে হেরাত একটি বৃহৎ শিল্প এলাকাতে রূপান্তরিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    হেরাত চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড মাইনসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হেরাত প্রদেশের শিল্প পার্কে এক হাজার তিন শতাধিক কারখানা রয়েছে। শুধুমাত্র গত এক বছরে নতুন করে তিন শত পঞ্চাশটি কারখানা উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে।

    জমি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়টি চূড়ান্ত হলে হেরাত প্রদেশের শিল্প পার্কে বিনিয়োগের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। শিল্পোদ্যোক্তাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং সামগ্রিকভাবে হেরাত প্রদেশের শিল্প খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধিত হওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

    তথ্যসূত্র:
    1. More Than 1,000 Industrialists in Herat Await Land Allocation for Factories
    https://tinyurl.com/536pvn2c
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      খনিজ সম্পদই হতে যাচ্ছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার মূল ভিত্তি



      আফগানিস্তান প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ, যার বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্য শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে এসব ভূগর্ভস্থ সম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

      পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইমারাতে ইসলামিয়া ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে খনিজ খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন খনিজ ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও উত্তোলনের জন্য একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক ভিতকে শক্তিশালী করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

      পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুমায়ুন আফগান হাফিযাহুল্লাহ বলেন, বিভিন্ন খাতে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে এবং দেশের কাঁচামালকে প্রক্রিয়াজাত পণ্যে রূপান্তরের মাধ্যমে বহু ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জনই মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তিনি জানান, এ উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

      অন্যদিকে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, খনিজ সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নে এবং বিদেশি নির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ আব্দুল গাফফার নেজামি বলেন, আফগানিস্তানের অর্থনীতি যে প্রধান উৎসের ওপর নির্ভরশীল এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা যেখানে নিবদ্ধ, তা হলো দেশের ভূগর্ভস্থ সম্পদ। এসব সম্পদ উত্তোলনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দূরদর্শিতা অবলম্বন করা অপরিহার্য।

      অর্থনৈতিক বিশ্লেষক সেয়ার কুরাইশি বলেন, খনিজ কাঁচামাল যদি দেশের অভ্যন্তরেই প্রক্রিয়াজাত করা হয়, তবে এর মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এতে কর্মসংস্থান বাড়ে, দারিদ্র্য হ্রাস পায়, মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং কারখানাগুলো আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে, যা শেষ পর্যন্ত জনগণের জন্য বাস্তব আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করে।

      আফগানিস্তানের খনিজ সম্পদ সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও স্বনির্ভরতার প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে। ইমারাতে ইসলামিয়ার নেওয়া পদক্ষেপ এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ বাস্তবায়িত হলে, খনিজ খাতই ভবিষ্যতে দেশের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠবে।


      তথ্যসূত্র:
      1. Afghanistan’s Mineral Resources Seen as Key to Economic Self-Sufficiency
      https://tinyurl.com/5e3pf2re
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        আল্লাহ রব্বুল আলামীন ইমারতে ইসলামিয়াকে সব দিক দিয়ে সমৃদ্ধি দান করুন। আমীন
        ‘যার গুনাহ অনেক বেশি তার সর্বোত্তম চিকিৎসা হল জিহাদ’-শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ.

        Comment


        • #5
          আল্লাহ তা’আলা ইমারাতে ইসলামিয়ার উপর ভরপুর বারাকাহ দান করুন, আমীন।

          Comment

          Working...
          X