Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৩ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৩ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    বিদ্যুৎ খাতে নতুন দিগন্ত: ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগ উদ্যোগ




    আফগানিস্তানের বিদ্যুৎ খাতে নতুন সম্ভাবনার সূচনা হতে যাচ্ছে। কাবুলসহ কয়েকটি প্রদেশে কয়লাভিত্তিক প্রায় ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    জাতীয় বিদ্যুৎ সংস্থা দা আফগানিস্তান ব্রেশনা শেরকতের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হক আখুন্দজাদা হামকার হাফিযাহুল্লাহ সম্প্রতি চীনা বিনিয়োগ কনসোর্টিয়াম আফগান ইউচাং-এর প্রধান লুও ঝংছুনের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, অবকাঠামো নির্মাণ এবং বিনিয়োগ সহায়তা সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে পর্যালোচনা করা হয়। হামকার হাফিযাহুল্লাহ বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ ও পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে এবং বিনিয়োগকারীরা নিশ্চিন্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়নে এগিয়ে আসতে পারেন।

    বৈঠকে চীনা কনসোর্টিয়ামের প্রধান জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে কাবুলে ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। পরবর্তীতে তাখার প্রদেশে ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আরেকটি বৃহৎ প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হবে। তিনি প্রকল্পগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য কনসোর্টিয়ামের পূর্ণ প্রস্তুতির কথাও তুলে ধরেন।

    এদিকে আব্দুল হক আখুন্দজাদা হামকার হাফিযাহুল্লাহ বলেন, অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎস সম্প্রসারণে বর্তমান প্রকল্পগুলো অতীতের তুলনায় অনেক বেশি অগ্রগতি অর্জন করবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে একাধিক প্রকল্পে দ্রুতগতিতে কাজ এগিয়ে চলছে, যা সম্পন্ন হলে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হবে এবং শিল্প ও বাণিজ্যের বিকাশের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আফগানিস্তানের বিদ্যুৎ খাতে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


    তথ্যসূত্র:
    1. Chinese investors pledge 400 Megawatts of coal-fired power generation
    https://tinyurl.com/zk7pyvmn
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    সোমালিয়ার কুধা দ্বীপে শাবাবের অভিযানে নিহত শত্রু সংখ্যা ১৩২ ছাড়িয়েছে, আহত অন্তত ৪৭ সেনা


    হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা গত ২১ জানুয়ারী বুধবার, পূর্ব আফ্রিকার দেশ সোমালিয়ায় একটি বৃহৎ পরিসরে সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। দেশটির নিম্ন জুবা রাজ্যের বন্দর শহর কিসমায়োর নিকটতম কুধা দ্বীপে মুজাহিদিনরা উক্ত অভিযানটি পরিচালনা করেন।

    আশ-শাবাব প্রশাসনের সামরিক নেতৃত্ব কর্তৃক বুধবার জারি করা প্রথমিক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মুজাহিদদের উক্ত অভিযানে শত্রু বাহিনীর ১১৩ এরও বেশি সৈন্য নিহত হয়েছে। এই অভিযানে আরও ৪৭ সৈন্য আহত এবং ১৫ সৈন্য মুজাহিদদের হাতে বন্দী হয়েছে। সর্বশেষ গত ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আশ-শাবাব নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছে যে, কুধা দ্বীপে মুজাহিদদের পরিচালিত অভিযানে নিহত শত্রু সৈন্য সংখ্যা ১৩৭ পর্যন্ত ছাড়িয়েছে, এছাড়াও অন্তত ৪৭ সৈন্য নিহত এবং আরও কয়েক ডজন সৈন্যকে মুজাহিদিনরা জীবিত বন্দী করে নিয়ে গেছেন।

    অভিযান শেষে মুজাহিদিনরা শত্রু বন্দীদেরকে দ্বীপে অবস্থিত বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় সরিয়ে নেন এবং আহত বন্দীদের আঘাতের চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু ক্রুসেডার মার্কিন বাহিনীর যুদ্ধবিমানগুলো দ্বীপে পরাজিত
    শত্রু বাহিনীর সদর দপ্তর, সামরিক ঘাঁটি এবং বেসামরিক বাড়িগুলি লক্ষ্য করে নির্বিচারে বোমা হামলা শুরু করে। মার্কিন বাহিনীর এই বিমান হামলার ফলে মুজাহিদদের হাতে থাকা শত্রু বন্দীদের মধ্যে ১৭ সৈন্য নিহত হয় এবং অন্যরা বিভিন্ন মাত্রার আহত হয়। এই বোমা হামলায় বেসামরিক নাগরিকদের ঘরবাড়িও ধ্বংস হয়েছে। পরিশেষে মুজাহিদিনরা তাদের অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন করার পর দ্বীপ থেকে সরে গেছেন।
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      দীর্ঘ অপেক্ষার পর কাবুলে শীতের প্রথম তুষার, স্বস্তিতে নগরবাসী


      শীত মৌসুমের প্রথম তুষারপাত কাবুল নগরীতে আনন্দ ও নতুন প্রত্যাশার সঞ্চার করেছে। ২২ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই নরম সাদা তুষারফুল ধীরে ধীরে নগরীর ওপর ঝরে পড়তে শুরু করে, যা কাবুলের চিরচেনা দৃশ্যপটকে বদলে দিয়ে চারপাশে এক প্রশান্ত ও আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

      অনেক বাসিন্দা এই তুষারপাতকে আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমতের নিদর্শন হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন পর এমন আবহাওয়া পরিবর্তনে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং একে কল্যাণের বার্তা হিসেবে বিবেচনা করেন। তুষার পড়া শুরু হতেই কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় তরুণ ও শিশুরা ঘর ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। শীতল আকাশের নিচে তাদের উচ্ছ্বাস ও নির্মল আনন্দ নগরজুড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ছড়িয়ে দেয়।

      সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কাবুলে বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বাসিন্দাদের উদ্বেগ বেড়েছে। অন্যান্য প্রদেশের তুলনায় কাবুলেই এই সংকট বেশি অনুভূত হচ্ছে বলে তারা মনে করেন। ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়া এবং ভবিষ্যতে তীব্র পানি সংকটের আশঙ্কা নগরবাসীর দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে তুলেছে।

      তবে এসব শঙ্কার মধ্যেও মৌসুমের প্রথম তুষারপাত অনেকের মনে আশার সঞ্চার করেছে। তারা মনে করছেন, এই তুষার ভবিষ্যতে পরিবেশের উন্নতি ঘটাতে সহায়ক হবে এবং পানিসম্পদের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কাবুলবাসীর প্রত্যাশা, এই তুষারপাত শীত মৌসুমে আরও বৃষ্টিপাত ও তুষারধারার সূচনা করবে, যা নগরীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে।


      তথ্যসূত্র:
      1. The first snowfall of the winter season has brought joy and renewed hope to residents of Kabul.

      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        নগর পরিকল্পনায় শৃঙ্খলা আনতে আফগানিস্তানজুড়ে নির্মাণ অনুমোদন কেন্দ্র চালু



        ইমারাতে ইসলামিয়ার পৌরসভা অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন প্রদেশে নির্মাণ অনুমোদন কেন্দ্র চালু করেছে। নগর পরিকল্পনার বাইরে গড়ে ওঠা মানহীন ও অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ রোধ এবং কারিগরি মান নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

        কর্মকর্তাদের মতে, নতুন এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে নগর পরিকল্পনা, কারিগরি মান ও নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। পৌরসভা অধিদপ্তরের বাজেট বিভাগের প্রধান ফয়েজ মোহাম্মদ জানান, নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করার লক্ষ্যেই এই শাখা চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, এখন থেকে বাড়ির মালিকদের বিদ্যুৎ, অগ্নিনির্বাপণ ও পানি সেবার জন্য আলাদা আলাদা দপ্তরে ঘুরতে হবে না; সব ধরনের আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া একই কেন্দ্রে সম্পন্ন হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত সব আইনি কার্যক্রম সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যেই শেষ করা হবে।

        ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রদেশে নির্মাণ অনুমোদন কেন্দ্র কার্যক্রম শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব অঞ্চলে তা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় স্তরের প্রদেশগুলোতে এসব কেন্দ্র সরাসরি কেন্দ্রীয় পৌরসভা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হবে, আর তৃতীয় স্তরের প্রদেশগুলোতে এগুলো নগর উন্নয়ন ও আবাসন মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে।

        হেরাত প্রদেশের পৌরসভা অধিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন এই কেন্দ্র নগরের ভেতরে বিশেষ করে ঐতিহাসিক স্থাপনাসংলগ্ন এলাকায় মানহীন ও অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। হেরাত পৌরসভার মুখপাত্র নাসির আরমাল বলেন, পুরোনো শহর এলাকায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে অনুমোদিত উচ্চতা সর্বোচ্চ সাত মিটার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর স্বকীয়তা রক্ষায় সহায়ক হবে।

        এদিকে হেরাত অগ্নিনির্বাপণ বিভাগের প্রতিনিধি বশির আহমদ ওয়াহিদইয়ার বলেন, ভবনের নকশা প্রণয়নের সময় অগ্নি নিরাপত্তা মান প্রায়ই উপেক্ষিত হয়। আবাসিক ভবন, বহুতল স্থাপনা ও শিল্পকারখানা—সব ক্ষেত্রেই এসব মান যথাযথভাবে অনুসরণ করা জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

        নির্মাণ প্রকৌশলী আহমদ রিশাদ সাফি বলেন, বহু শহরের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও স্থাপত্য রয়েছে, যা কোনোভাবেই হারিয়ে যাওয়া উচিত নয়। ঐতিহাসিক স্থাপনার সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ভবন নির্মাণের সময় সাংস্কৃতিক দিকগুলো বিবেচনায় নেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

        কর্মকর্তাদের মতে, গত দুই দশকে দেশের বহু শহরে নিয়ন্ত্রণহীন ও মানহীন ভবন নির্মাণ একটি গুরুতর সমস্যায় পরিণত হয়েছে। হেরাত প্রদেশে ঐতিহাসিক নিদর্শনের আশপাশে গড়ে ওঠা এমন ভবনগুলো এসব স্থাপনার স্থাপত্যিক সৌন্দর্য ও কাঠামোগত ভারসাম্যকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। নতুন নির্মাণ অনুমোদন কেন্দ্রগুলো এই দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।


        তথ্যসূত্র:
        1. New Offices Open Across Afghanistan to Standardize Construction
        https://tinyurl.com/n3e2k62c
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          সরাসরি ওষুধ আমদানির লক্ষ্যে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর সাথে ইমারাতে ইসলামিয়ার চুক্তি স্বাক্ষর


          সরাসরি ওষুধ আমদানি করতে বাংলাদেশের প্রধান ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের ব্যবসায়ীগণ। ঢাকা সফরকালে গত ২২ ডিসেম্বর ইমারাতে ইসলামিয়ার বাণিজ্য ও শিল্প উপমন্ত্রী মৌলভী আহমাদুল্লাহ জাহিদ হাফিযাহুল্লাহ’র নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল এই চুক্তি সম্পাদন করেছে।

          বাংলাদেশের দুটি বৃহত্তম ওষুধ প্রস্ততকারক প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও রেনাটা পিএলসি পরিদর্শন করেছেন উক্ত প্রতিনিধি দল। প্রায় ৫০টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে থাকে এই দু’টি কোম্পানি।

          এছাড়া আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে ওষুধ উৎপাদন কারখানা স্থাপন করতে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়েছেন মৌলভী জাহিদ হাফিযাহুল্লাহ। তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তানজুড়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে, শিল্প উন্নয়ন ও বিনিয়োগকে সমর্থন করে ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার।

          এই সরকার বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেছে। এছাড়া দেশীয় উৎপাদন সমর্থন করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ইমারাতে ইসলামিয়া সরকার। বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশি শিল্পোদ্যোক্তাদের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ড. নাঈমুল্লাহ আইয়ুবী ।

          উল্লেখ্য যে, পাকিস্তান হতে ওষুধ আমদানির উপর শুল্ক ছাড় ক্রমান্বয়ে বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া কর্তৃপক্ষ। এর বিকল্প হিসেবে ইমারাতে ইসলামিয়ার ওষুধ আমদানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।


          তথ্যসূত্র:
          1. https://tinyurl.com/bdjyd95b
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X