Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৯ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৯ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন অধ্যায়, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার পথে ইমারাতে ইসলামিয়া



    দেশের বাইরে চিকিৎসা নির্ভরতা কমিয়ে জনগণের জন্য নিজ দেশেই আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান। সম্প্রতি ক্যান্সার শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী মৌলভী নূর জালাল জালালি হাফিযাহুল্লাহ।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে দেশের ভেতরেই জটিল ও বিশেষায়িত রোগের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা নিশ্চিত হবে। তিনি জানান, বর্তমানে যেসব রোগের চিকিৎসার জন্য আফগান নাগরিকদের বিদেশে যেতে হয়, সেসব রোগের জন্য ধাপে ধাপে দেশব্যাপী আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, এ কর্মসূচির অংশ হিসেবেই দেশে প্রথমবারের মতো ক্যান্সার শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের একটি বড় শূন্যতা পূরণ হলো এবং ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের জন্য নতুন আশার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

    জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এসব প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো চিকিৎসা ব্যয় হ্রাস করা, রোগী ও তাদের পরিবারের ভোগান্তি কমানো এবং দেশের অভ্যন্তরেই উন্নত ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং দেশের স্বাস্থ্যখাত আরও শক্তিশালী হবে।


    তথ্যসূত্র:
    1.Domestic Healthcare Treatment Alternatives to Replace Medical Travel
    https://tinyurl.com/3hfx3yd6


    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    শরিয়াহ শাসনের মাধ্যমে নারীর নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করছে ইমারাতে ইসলামিয়া



    ইমারাতে ইসলামিয়া প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে আফগান জনগণের বহুদিন ধরে বঞ্চিত মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধারের এক নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছে। দখল হয়ে যাওয়া জমি, ঘরবাড়ি ও সম্পদ প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা দীর্ঘদিন নিপীড়িত মানুষের জন্য আস্থার ভিত্তি গড়ে তুলেছে। এই সামগ্রিক সংস্কার কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে নারীদের বৈধ অধিকার সুরক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    পূর্ববর্তী সময়গুলোতে নারীর অধিকার নিয়ে উচ্চকণ্ঠ বক্তব্য থাকলেও বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সে সময় বহু নারী উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, জোরপূর্বক বিবাহে বাধ্য হয়েছেন এবং অন্যায়ভাবে বন্দি অবস্থায় দিন কাটিয়েছেন। সামাজিক বাস্তবতায় তাদের মর্যাদা ও ধর্মীয় অধিকার প্রায় সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষিত ছিল।

    এই প্রেক্ষাপটে ইমারাতে ইসলামিয়া স্পষ্ট করেছে যে প্রকৃত ইসলামি ব্যবস্থায় নারীর যে অধিকার নির্ধারিত রয়েছে, তা কোনো অবস্থাতেই লঙ্ঘনযোগ্য নয়। এই অবস্থান কেবল বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে, যা ইসলামি শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর প্রচারণারও সুস্পষ্ট জবাব।

    নারীর অধিকার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ইমারাতে ইসলামিয়ার সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বহির্বিশ্বে এই মন্ত্রণালয়কে ঘিরে নানা ভুল ধারণা থাকলেও বাস্তবে এটি নারীদের অধিকার পুনরুদ্ধারে কার্যকর ও সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছে।

    এর সাম্প্রতিক উদাহরণ নুরিস্তান প্রদেশে নারীদের ওপর কঠোর শ্রম আরোপ নিষিদ্ধ করে জারি করা নির্দেশনা। আমিরুল মুমিনিনের নির্দেশে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত ইসলামি শরিয়াহর আলোকে প্রণীত, যার লক্ষ্য নারীদের শারীরিক সুরক্ষা, সামাজিক মর্যাদা ও নৈতিক অবস্থান রক্ষা করা। পূর্বে যেখানে নারীরা কঠিন পরিবেশে শারীরিকভাবে কষ্টসাধ্য কাজে বাধ্য হতেন, সেখানে এখন তারা আইনগত সুরক্ষার আওতায় এসেছেন।

    এই নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নারীদের এমন কোনো কাজে নিয়োজিত করা যাবে না যা তাদের মর্যাদার পরিপন্থী অথবা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়; বরং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ইমারাতে ইসলামিয়ার সামগ্রিক কর্মসূচিরই অংশ, যা দৃঢ়তার সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    এই ধরনের পদক্ষেপ প্রতীকী ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি কার্যকর ন্যায়বিচারের প্রতিফলন। দীর্ঘদিনের নিপীড়ন থেকে মুক্ত হয়ে নারীরা এখন এমন এক সামাজিক ব্যবস্থার অংশ, যেখানে প্রত্যেক ব্যক্তির মর্যাদা ধর্মীয় নীতির আলোকে সংরক্ষিত। নারীর অধিকার রক্ষায় এই ধারাবাহিক কার্যক্রম ইমারাতে ইসলামিয়ার সুস্পষ্ট অবস্থান ও বাস্তব অভিজ্ঞতারই প্রমাণ।


    তথ্যসূত্র:
    1.Ensuring the Dignity of Women: A Commitment Under the Islamic System
    https://tinyurl.com/8jde38uj
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      ইমারাতে ইসলামিয়ার পাঞ্জশির প্রদেশে খনিজ সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা, আরও ১০টি নতুন রুবি খনি নিবন্ধন



      পাঞ্জশির প্রদেশে নতুন করে আরও ১০টি রুবি খনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ। ২৮ জানুয়ারি, বুধবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ উদ্যোগকে অঞ্চলের খনিজ সম্পদ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

      পাঞ্জশির প্রদেশের গভর্নরের মুখপাত্র সাইফুদ্দিন মানখান জানান, পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের একটি প্রযুক্তিগত দল প্রদেশের প্রথম জেলার বিভিন্ন এলাকায় জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে এসব রুবি খনির অবস্থান শনাক্ত করেন। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই শেষে খনিগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খনিজ সম্পদের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা ও রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করা হচ্ছে।

      ইমারাতে ইসলামিয়া কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে সুস্পষ্ট নীতিমালার আওতায় দেশজুড়ে খনন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পাঞ্জশির প্রদেশেও অনুমোদনহীন ও অবৈধ খনন কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, নিবন্ধিত খনিগুলোর মাধ্যমে খনিজ খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি প্রাকৃতিক সম্পদের যথাযথ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।


      তথ্যসূত্র:
      1.Ten Ruby Mines Formally Registered in Panjshir
      https://tinyurl.com/3pw7tvp3
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ২.৫ বিলিয়ন আফগানি প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২১ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া



        ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের জাতীয় ক্রয় কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে ২১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক বিষয়ক উপপ্রধানমন্ত্রী মৌলভী আব্দুল গনি বারাদার আখুন্দ হাফিযাহুল্লাহ’র সভাপতিত্বে ২৭ জানুয়ারি, সোমবার রাজধানীর মারমারিন প্রাসাদে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দেশের বিভিন্ন খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা করা হয়।

        বৈঠকে মোট ৩৩টি প্রকল্প উপস্থাপন করা হলে পর্যালোচনা শেষে প্রায় ২৫০ কোটি আফগানি ব্যয়ে ২১টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাতটি প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়। একটি প্রকল্প উন্মুক্ত জাতীয় দরপত্রের মাধ্যমে পুনরায় টেন্ডারের জন্য প্রেরণ করা হয় এবং একটি প্রকল্প স্থগিত করা হয়।

        এ ছাড়া ক্রয়সংক্রান্ত জটিলতার কারণে একটি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে ফেরত পাঠানো হয়। দুইটি প্রকল্পের মূল্য পুনর্মূল্যায়ন ও আলোচনার জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

        অনুমোদিত ও সংশোধিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে কাবুল, হেরাত প্রদেশ, নানগারহার প্রদেশ, বালখ প্রদেশ ও খোস্ত প্রদেশের বিমানবন্দরের কাস্টমস দপ্তরের জন্য স্ক্যানার ক্রয়; গারদেজ থেকে খোস্ত সড়কের পুনঃনির্মাণ; গজনি ও ফারাহ প্রদেশে পুলিশ কমান্ড সদর দপ্তর ভবন নির্মাণ; সার-ই-পুল প্রদেশে সুলতান ইব্রাহিম বাঁধের সেচব্যবস্থার বিস্তারিত নকশা ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং সার-ই-পুল প্রদেশের কয়েকটি জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রকল্প বাস্তবায়ন।

        এ ছাড়া কুন্দুজ, হেলমান্দ, পারওয়ান, ফারাহ সহ বেশকয়েকটি প্রদেশে সরকারি হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিতরণ সংক্রান্ত অসমাপ্ত প্রকল্পগুলোর কাজ সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

        জাতীয় ক্রয় কমিশনের বৈঠকে অনুমোদিত সব প্রকল্পের অর্থায়ন ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের নিজস্ব তহবিল থেকে করা হবে বলে জানানো হয়। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসেবার সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক গতি সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

        তথ্যসূত্র:
        1. NPC Approves 21 Projects Worth Approximately 2.5 Billion AFN
        https://tinyurl.com/4eujv3p7
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কাবুলে পেশাদার ভিক্ষাবৃত্তি রোধে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কমিশনের কার্যক্রম জোরদার



          ইমারাতে ইসলামিয়ার রাজধানী কাবুলে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভিক্ষুককে শনাক্ত ও নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। সমাজ থেকে পেশাদার ভিক্ষাবৃত্তি হ্রাস এবং প্রকৃত দুস্থদের সহায়তা নিশ্চিত করতেই এই কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

          ২৮ জানুয়ারি, বুধবার কমিশনের নিয়মিত বৈঠকে জানানো হয়, ২০২২ সালের আগস্ট মাসে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে শুধু কাবুল শহরেই ৭৪ হাজার ৯০০ জনের বেশি ভিক্ষুককে সংগ্রহ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ৩৭ হাজার ৯৪৭ জনকে প্রকৃতভাবে অসহায় ও সহায়তা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অপরদিকে অবশিষ্টদের পেশাদার ভিক্ষুক হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়, যারা নিয়মিত আয়ের উৎস থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

          কমিশনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যাচাই শেষে সহায়তার জন্য যোগ্য বিবেচিত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় তালিকা প্রস্তুত করে তাদেরকে আফগান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব ব্যক্তি নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়মিত মাসিক নগদ সহায়তা পাচ্ছেন, যাতে তারা ভিক্ষাবৃত্তি পরিহার করে সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ লাভ করতে পারেন।

          এই কার্যক্রমের মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রকৃত দুস্থ জনগোষ্ঠীর পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে সমাজে পেশাদার ভিক্ষাবৃত্তির বিস্তার রোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হচ্ছে। কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে রাজধানীসহ অন্যান্য এলাকাতেও সামাজিক শৃঙ্খলা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও সুসংহত হবে।


          তথ্যসূত্র:
          1.The Commission for Collecting Beggars announced in its regular meeting today
          https://tinyurl.com/2hb7cvj6
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            ইমারাতে ইসলামিয়ার আইন ও বিধিবিধান এর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আপত্তি ও সমালোচনার কোনো ভিত্তি নেই: আইন মন্ত্রণালয়



            ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের সব আইন ও বিধিবিধান সম্পূর্ণরূপে ইসলামী শরিয়াহর আলোকে প্রণয়ন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এসব আইনের সমালোচনা করা মানে সরাসরি ইসলামী শরিয়াহকে প্রশ্নবিদ্ধ করার শামিল।

            এক বিবৃতিতে আইন মন্ত্রণালয় জানায়, ইমারাতে ইসলামিয়ার সকল আইন একাধিক স্তরের কঠোর পর্যালোচনা ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গৃহীত হয়। এই প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠান, আইন মন্ত্রণালয়, সুপ্রিম কোর্ট এবং উচ্চপর্যায়ের আফগান আলেমদের প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, প্রণীত আইনসমূহ পবিত্র কুরআন, মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ এবং নির্ভরযোগ্য হানাফি ফিকহভিত্তিক গ্রন্থের আলোকে তৈরি করা হয়েছে, যা ইসলামী শরিয়াহর সঙ্গে পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

            বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইমারাতে ইসলামিয়ার আইন ও বিধিবিধান এর বিরুদ্ধে উত্থাপিত আপত্তি ও সমালোচনার কোনো ভিত্তি নেই এবং এসব বক্তব্য মূলত অজ্ঞতাপ্রসূত। একই সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানায়, যারা এসব আইনের বিরোধিতা করবে বা প্রকাশ্যে এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে, তাদের আইন ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানের কাছে সোপর্দ করা হবে।


            তথ্যসূত্র:
            1.The Ministry of Justice of the Islamic Emirate of Afghanistan has stated that the country’s legislative documents are fully prepared in accordance with Islamic Sharia
            https://tinyurl.com/z68d3c7s
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X