Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১১ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১১ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    মোগাদিশুতে গোয়েন্দা সংস্থার উপর আশ-শাবাবের হামলা: অন্তত ৫ সদস্য নিহত, আহত ৪


    সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে আশ-শাবাবের পরিচালিত এক অভিযানে অন্তত ৯ গোয়েন্দা সদস্য হতাহতের শিকার হয়েছে।

    আঞ্চলিক গণমাধ্যম শাহাদাহ এজেন্সির তথ্যমতে, গত ২৮শে জানুয়ারি, সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুর উপকণ্ঠে একটি অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা। মোগাদিশু প্রশাসনের গোয়েন্দা সংস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বহনকারী একটি সামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়েছে। এতে শত্রু সদস্যদের বহনকারী গাড়িটি ধ্বংস হয়ে যায়। এসময় গাড়িতে থাকা গোয়েন্দা সংস্থার ৫ সদস্য নিহত এবং ৪ সদস্য গুরুতর আহত হয়।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3863pna5
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    রাজধানী মোগাদিশু এবং দক্ষিণাঞ্চলে শাবাবের পৃথক অভিযানে অন্তত ১১ শত্রু সেনা হতাহত



    সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশু এবং দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আশ-শাবাব মুজাহিদিনরা সম্প্রতি ৩টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। এতে মোগাদিশু প্রশাসনের সাথে যুক্ত অন্তত ৬ সেনা সদস্য নিহত এবং আরও ৫ সেনা সদস্য আহত হয়েছে।

    আঞ্চলিক সংবাদ মাধ্যম শাহাদাহ এজেন্সির সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭শে জানুয়ারি, দক্ষিণ-পশ্চিম সোমালিয়ার বাকুল রাজ্যের হুদুর শহরে একটি সফল অপারেশন পরিচালনা করেছেন আশ-শাবাব মুজাহিদিনরা। শহরে শত্রু বাহিনীর একটি টহল দলকে টার্গেট করে আইইডি বিস্ফোরণের মাধ্যমে উক্ত হামলাটি চালানো হয়েছে। শাবাব মুজাহিদদের এই আইইডি বিস্ফোরণের ঘটনায় মোগাদিশু বাহিনীর অন্তত ২ সদস্য আহত হয়েছে।

    এদিকে গত ২৬ জানুয়ারি, শাবাব মুজাহিদিনরা দক্ষিণ সোমালিয়ার মধ্য শাবেলি রাজ্যের উপকূলীয় শহরে একটি অতর্কিত আক্রমণ চালান। এসময় উপকূলীয় ওয়ারশেখ শহরের উপকণ্ঠে আশ-শাবাব মুজাহিদিন ও মোগাদিশু বাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। যুদ্ধের ময়দানে মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে মোগাদিশু বাহিনীর ৫ সেনা সদস্য নিহত এবং আরও ৩ সদস্য আহত হয়।

    এদিন হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা রাজধানী মোগাদিশুর ওয়েদো জেলাতেও একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানটি জেলা শহরে অবস্থিত মোগাদিশু বাহিনীর একটি সামরিক ব্যারাক লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে এই হামলায় শত্রু বাহিনীর কমপক্ষে ১ সৈন্য নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/r86un275
    https://tinyurl.com/3dznvm5z
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      কুনার প্রদেশে ৯৭ মিলিয়ন আফগানি ব্যয়ে ৫৯টি উন্নয়ন প্রকল্প সম্পন্ন করল ইমারাতে ইসলামিয়া


      আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের সোকি জেলায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে একযোগে বিপুল পরিমাণ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাস্তবায়িত মোট ৫৯টি উন্নয়ন প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে সেগুলোর উদ্বোধন করা হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ৯৭ মিলিয়নেরও বেশি আফগানি।

      গ্রামীণ উন্নয়ন ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ সড়ক, সেচ খাল এবং প্রতিরোধমূলক রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের দৈনন্দিন চলাচল সহজ হবে, কৃষিকাজে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ক্ষয়ক্ষতি রোধে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

      সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, এসব উন্নয়ন কার্যক্রম সোকি জেলার সার্বিক অবকাঠামোগত উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিরাপদ বসবাসের পরিবেশ নিশ্চিত করতেও এই প্রকল্পগুলো কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


      তথ্যসূত্র:
      1.Fifty-nine development projects in Soki district, Kunar province, costing over 97 million Afghanis, have been completed
      https://tinyurl.com/bdxfs5tr
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        নতুন বিচারিক নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই: মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ


        ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের বিচারিক নীতিমালা সম্পর্কিত নতুন নির্দেশনা নিয়ে দেশ-বিদেশে চলমান আলোচনা ও সমালোচনার প্রেক্ষাপটে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইমারাতে ইসলামিয়ার মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ। তিনি স্পষ্ট করেছেন, আলোচিত দলিলটি কোনো সংবিধান নয়; বরং এটি আদালতের এখতিয়ার ও বিচারিক কাঠামো পরিচালনার একটি নির্বাহী নীতিমালা, যা ধর্মীয় মূলনীতির আলোকে যুগোপযোগী করে হালনাগাদ করা হয়েছে।

        মুজাহিদ হাফিযাহুল্লাহ জানান, পূর্ববর্তী সময় ছিল যুদ্ধকালীন বাস্তবতা নির্ভর, যেখানে বিচারিক কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পরিচালিত হতো। বর্তমানে পুরো দেশ একক প্রশাসনের অধীনে আসায় বিচারব্যবস্থার পরিধি ও দায়িত্ব বহুগুণে বেড়েছে। এ কারণেই ধর্মীয় বিধানের ভিত্তিতে বিদ্যমান নীতিমালাকে পর্যালোচনা ও উন্নত করা হয়েছে। এতে নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টির কোনো উদ্দেশ্য নেই।

        তিনি ব্যাখ্যা করেন, ধর্মীয় আইনে বিচার ও শাস্তির বিষয়গুলো তিনটি মূল স্তরে বিভক্ত। প্রথমত, হুদুদ—আল্লাহ নির্ধারিত সীমা, যা স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট। এখানে সবাই আইনের দৃষ্টিতে সমান। শর্ত ও প্রমাণ পূরণ হলে সবার ওপর সমানভাবে শাস্তি কার্যকর হয়।

        দ্বিতীয়ত, হুকুকুল ইবাদ—মানুষের পারস্পরিক অধিকার, যেখানে একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে দাবি করতে পারে। এখানেও কেউ কারও চেয়ে ঊর্ধ্বে নয়। এমনকি যদি আমীরুল মু’মিনীনের বিরুদ্ধেও কেউ মামলা করে, আদালত নীতিমালা অনুযায়ীই রায় দিবে।

        তৃতীয়ত, তা‘জির—বিবেচনাধীনে প্রদত্ত শাস্তি। যারা বিচারিক বিষয় বোঝেন তারা জানেন, তা‘জির এমন একটি ক্ষেত্র যা আমীরুল মু’মিনীনের এখতিয়ারে ন্যস্ত, এবং তিনি তা বিচারকের কাছে অর্পণ করতে পারেন। তা‘জিরের উদ্দেশ্য কেবল শাস্তি নয়, বরং শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধ করা।

        সমাজে কিছু মানুষ একবারের সতর্কবার্তাতেই বিরত হয়ে যায়। কারণ, তাদের মর্যাদা ও শক্ত আত্মসম্মানবোধ রয়েছে। কিন্তু কিছু মানুষ বারবার অপরাধ করতে থাকে এবং তাদের ক্ষেত্রে শারীরিক শাস্তির প্রয়োজন হয়। আবার এমন লোকও আছে, যাদের কেবল আদালতে তলব করলেই সতর্ক হয়ে যায় এবং আর সেই কাজের পুনরাবৃত্তি করে না। যাদের আত্মসম্মানবোধ আছে, তারা একবার আদালতে হাজির হলেই আর সেই অপরাধে ফিরে যায় না। এতে বোঝা যায় যে, সমাজ বৈচিত্র্যময় এবং মানুষের অবস্থা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী আইন ভিন্নভাবে প্রয়োগ করা দরকার।

        তিনি আরও বলেন, যাদের ‘নিম্নশ্রেণী’ বলা হয়, তাদের মধ্যেও যদি কেউ উপদেশ মেনে চলে ও অপরাধ থেকে বিরত থাকে, তবে তাকে আর নিম্নশ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। বরং ‘নিম্ন’ বলতে বোঝানো হয় এমন ব্যক্তিকে, যে বারবার অপরাধ করে এবং সংশোধিত হয় না।

        ধর্মীয় বিশ্বাস সংক্রান্ত ধারার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী বা ভিন্ন মাজহাব অনুসারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। কেবলমাত্র ধর্মীয় কাঠামোর ভেতরে থেকেও যারা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তাদের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষার বিধান প্রযোজ্য হয়।

        নারী সংক্রান্ত সমালোচনার বিষয়ে মুখপাত্র বলেন, পরিবার সমাজের মৌলিক ভিত্তি। বৈধ বৈবাহিক সম্পর্ক বজায় থাকা অবস্থায় দায়িত্ব ও অধিকার পরিত্যাগ করলে তা সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করে। তবে ধর্মীয় নিয়মে সমাধানের পথ সবসময় উন্মুক্ত রয়েছে, এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেই আইনগত জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

        সমালোচনা ও সংশোধনের প্রশ্নে তিনি বলেন, ধর্মীয় মূলনীতি নিয়ে জনসমক্ষে আপত্তি তোলার পরিবর্তে জ্ঞানার্জনের পথে অগ্রসর হওয়াই শ্রেয়। ধর্মীয় গ্রন্থ, আলেম সমাজ এবং শিক্ষার মাধ্যম উন্মুক্ত রয়েছে। ইমারাতে ইসলামিয়া কোনো নতুন বিধান সংযোজন করেনি; বরং ফিকহে হানাফীর শতাব্দীপ্রাচীন ধর্মীয় ব্যাখ্যার আলোকে বিচারব্যবস্থাকে পরিচালিত করছে।

        তিনি আরও বলেন, গঠনমূলক ও জ্ঞানভিত্তিক আলোচনার জন্য ইমারাতে ইসলামিয়া সর্বদা প্রস্তুত। এই ব্যাখ্যামূলক অবস্থানই প্রমাণ করে যে জনগণকে অবহিত করা এবং ভুল বোঝাবুঝি দূর করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।


        তথ্যসূত্র:
        1.Transcript of the Recent Interview of Zabihullah Mujahid, Spokesman of the IEA with BBC
        https://tinyurl.com/2jed3tbe
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          দীর্ঘ ২০ বছর পর খুলে দেয়া হল হেরাতের ঐতিহাসিক মিনার সড়ক



          ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে প্রায় দুই দশক পর ঐতিহাসিক মিনার সড়ক জনসাধারণের চলাচলের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। হেরাত পৌরসভা জানিয়েছে, নগরীর যানজট কমানো এবং নাগরিকদের যাতায়াত সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একসময় ঐতিহাসিক মিনারগুলোর ক্ষতি রোধে সড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

          পুনরায় চালু করা এই সড়কটি মালেক দরওয়াজা সড়কের সঙ্গে মৌলভী ট্যাংক সড়কের সংযোগ স্থাপন করেছে। হেরাত পৌরসভার নগর সেবা বিভাগের প্রধান আহমদ ইরশাদ সাফি বলেন, পরিকল্পিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ অংশে যান চলাচলের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে এবং হেরাত প্রাদেশিক প্রশাসনের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে সড়কটি খুলে দেওয়া হয়েছে।

          পৌরসভা আরও জানিয়েছে, ঐতিহাসিক স্থাপনার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সড়কটির উভয় পাশে বেড়া দেওয়া হবে এবং পাথর বিছিয়ে চলাচল উপযোগী করা হবে। মূল লক্ষ্য হলো যান চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মিনারগুলোর ক্ষতি রোধ করা।

          উল্লেখ্য, প্রায় ২০ বছর আগে চারটি ঐতিহাসিক মিনার রক্ষার স্বার্থে এই সড়কটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। তিমুরীয় আমলের এই মিনারগুলো পাঁচ শতাধিক বছরের পুরোনো। প্রত্নতত্ত্ববিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এগুলোর জন্য কঠোর সুরক্ষা ও নিয়মিত তদারকি অত্যন্ত জরুরি।


          তথ্যসূত্র:
          1.Herat’s Minarets Road Reopens After 20 Years
          https://tinyurl.com/4p25ke6v
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment

          Working...
          X