Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ১২ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ০১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ১২ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ০১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    বুরকিনা ফাসোতে জেএনআইএম মুজাহিদদের পৃথক অভিযানে ৯ জান্তা সদস্য নিহত



    বুরকিনা ফাসোর কায়া এবং ওয়াহিগোয়া রাজ্যে সম্প্রতি ২টি পৃথক অভিযান চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদিনরা। এতে শত্রু বাহিনীতে সুনিশ্চিত মানবিক ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

    আয-যাল্লাকায় কর্তৃক ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা গত ২৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার বুরকিনা ফাসোয় ২টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। এরমধ্যে একটি অভিযান চালানো হয় কায়া রাজ্যের ফিবাউরি এলাকায়, যা দেশটির জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক পোস্ট লক্ষ্য করে হয়েছে। জেএনআইএম মুজাহিদদের এই হামলার ঘটনায় বুরকিনান জান্তার (সেনাবাহিনীর) ৪ সদস্য নিহত এবং আরও বেশ কিছু সদস্য আহত হয়। এসময় মুজাহিদিনরা বেশ কয়েকটি মেশিনগান এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।

    এদিন ওয়াহিগোয়া রাজ্যের র‍্যাম্বো এলাকাতেও একটি সফল অভিযান চালান মুজাহিদিনরা। অভিযানটি উক্ত এলাকায় অবস্থিত জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক পোস্ট লক্ষ্য করে চালানো হয়। ফলশ্রুতিতে ৫ জান্তা সদস্য নিহত হয়, আর মুজাহিদিনরা শত্রুদের মেশিনগানগুলো এবং অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।


    তথ্যসূত্র
    https://tinyurl.com/bdcjmrru
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    ২০২৫ সালে সারা দেশে ৪০০ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া



    ২০২৫ সালে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের পল্লী পুনর্বাসন ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের অধিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিপুলসংখ্যক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছে।

    পল্লী পুনর্বাসন ও উন্নয়ন মন্ত্রী আব্দুল লতিফ মানসুর হাফিযাহুল্লাহ এক প্রতিবেদনে জানান, ২০২৫ সালে দেশের ৩৩টি প্রদেশে মোট ৪০০টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার মোট ব্যয় ছিল ৮৭৩ মিলিয়ন আফগানি। এসব প্রকল্পের আওতায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ, সেতু, কালভার্ট, চেকড্যামসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে এবং একাধিক প্রকল্প এখনও বাস্তবায়ন পর্যায়ে রয়েছে।

    তিনি আরও জানান, মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ২১টি প্রদেশে ৫১টি পানির সরবরাহ নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে মোট ৬২টি চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে, যার মাধ্যমে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রা সহজতর হয়েছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এদিকে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে দেশের ২৯টি প্রদেশে মোট ৬০০টি বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প সম্পন্ন হলে প্রায় ১৮ লাখ মানুষ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সুবিধার আওতায় আসবে।


    তথ্যসূত্র:
    1. 400 Projects Completed Nationwide in 2025 with 873 Million AFN
    https://tinyurl.com/4x5wkans
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      চলতি বছরে এক লক্ষ মেট্রিক টনের বেশি তুলা রপ্তানি করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান



      আফগানিস্তানের তুলা খাত আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইমারাতে ইসলামিয়ার শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরে দেশটির তুলা রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য একটি আশাব্যঞ্জক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

      মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর আফগানিস্তান থেকে এক লক্ষ মেট্রিক টনেরও বেশি তুলা রপ্তানি করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি ৬০ লক্ষ মার্কিন ডলার। এই তুলা পণ্যসমূহ ভারত, চীন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে আফগান তুলার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় রপ্তানির এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।

      তারা আরও বলেন, তুলা রপ্তানির এই সাফল্য দেশের কৃষিভিত্তিক শিল্পকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এর ফলে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।

      সতুলা রপ্তানিতে এই অগ্রগতি ইমারাতে ইসলামিয়ার বাণিজ্যিক সক্ষমতা ও উৎপাদন সম্ভাবনারই প্রতিফলন। সংশ্লিষ্ট মহল ভবিষ্যতে এই ধারা অব্যাহত থাকলে আফগানিস্তান বৈশ্বিক বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ তুলা রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে আরও সুদৃঢ় অবস্থান গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


      তথ্যসূত্র:
      1.Increase in Afghanistan’s Cotton Exports to Global Markets
      https://tinyurl.com/3kwrj686
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ইমারাতে ইসলামিয়ার হেলমান্দে দেশীয় পণ্যের প্রসারে তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী শুরু



        হেলমান্দ প্রদেশে দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী একটি প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। স্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে আফগানিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলের উৎপাদিত পণ্যের পরিচিতি তুলে ধরা হচ্ছে।

        প্রদর্শনীতে হেলমান্দ প্রদেশসহ দেশের অন্যান্য প্রদেশের তৈরি মোট চল্লিশ ধরনের দেশীয় পণ্য স্থান পেয়েছে। এসব পণ্য প্রদর্শনের জন্য পঞ্চাশটি স্টল স্থাপন করা হয়েছে। আয়োজকদের মতে, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় উৎপাদন সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং দেশীয় শিল্পের জন্য উপযুক্ত বাজার সৃষ্টি করা।

        হেলমান্দ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড মাইনসের প্রধান রহমতুল্লাহ নাজারি বলেন, এই ধরনের প্রদর্শনী হেলমান্দবাসীর জন্য অত্যন্ত উপকারী। এর মাধ্যমে মানুষ দেশীয় পণ্যের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং সেগুলো ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠছে। তিনি জানান, স্থানীয় শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

        হেলমান্দ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রধান গুলাম ইয়াহইয়া পশতুন বলেন, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে হেলমান্দের মানুষসহ দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিশ্ববাসীও আফগানিস্তানের দেশীয় পণ্যের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। তার ভাষায়, আফগানিস্তান ধীরে ধীরে আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, আর দেশীয় পণ্যের প্রসার সেই পথকে আরও সুদৃঢ় করছে।

        প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারীরা সাধারণ জনগণকে আমদানিনির্ভরতার পরিবর্তে দেশীয় পণ্য ব্যবহারের আহ্বান জানান। অংশগ্রহণকারী আবদুলওদুদ বলেন, এই ধরনের প্রদর্শনীর প্রভাব অত্যন্ত ইতিবাচক, কারণ মানুষ জানতে পারছে আফগানিস্তানে কী কী পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।

        সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের প্রদর্শনীর মাধ্যমে তারা দেশের ভেতরে এবং দেশের বাইরেও দেশীয় পণ্যের জন্য উপযুক্ত বাজার খুঁজে পেতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের আশা, ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দেশীয় শিল্প আরও শক্তিশালী হবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


        তথ্যসূত্র:
        1.Helmand Hosts Exhibition to Promote Local Afghan Products
        https://tinyurl.com/3mba8589
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          ইমারাতে ইসলামিয়ার সুশৃঙ্খল নীতির ফলে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আফগানি মুদ্রা স্থিতিশীল



          জাতীয় মুদ্রার স্থিতিশীলতা একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, শাসনব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন। দীর্ঘ চার দশক ধরে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকটের মধ্য দিয়ে যাওয়া আফগানিস্তানের জন্য মুদ্রা ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা অর্জন ছিল এক বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সাম্প্রতিক চার বছরে আফগানি মুদ্রার যে দৃঢ় ও ধারাবাহিক স্থিতিশীলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় একটি গভীর, বাস্তবভিত্তিক ও ইতিবাচক রূপান্তরের সুস্পষ্ট প্রমাণ।

          ২০২১ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শুরুতে আফগানি মুদ্রা চাপের মুখে পড়লেও, ইমারাতে ইসলামিয়া দায়িত্ব গ্রহণের পর দ্রুত ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মুদ্রা বাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ, মানি এক্সচেঞ্জারদের কার্যক্রমে কঠোর নজরদারি এবং আফগানি নোটের সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার ফলে জাতীয় মুদ্রার প্রতি জনগণের আস্থা ধীরে ধীরে ফিরে আসে।

          এছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, সরকারি রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা এবং জাতীয় সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার আফগানি মুদ্রার স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর ফলস্বরূপ, বিগত কয়েক বছরে আফগানি মুদ্রা সীমিত ওঠানামার মধ্য দিয়ে একটি নিয়ন্ত্রিত ও স্থিতিশীল অবস্থান বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরিয়েছে।

          অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কঠিন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাস্তবতার মধ্যেও আফগানি মুদ্রার এই স্থিতিশীলতা ইমারাতে ইসলামিয়ার সুশাসন, দৃঢ় সিদ্ধান্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ আর্থিক ব্যবস্থাপনার প্রতিফলন। এই স্থায়িত্ব শুধু মুদ্রা বাজারেই নয়, বরং সামগ্রিক অর্থনৈতিক আস্থার ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে।

          বর্তমানে নানা বিধি-নিষেধের মধ্যেও এমন সফলতা অর্জন করেছেন ইমারাতে ইসলামিয়া কর্তৃপক্ষ। বিশ্বব্যাপী স্বাধীনভাবে বাণিজ্য করার সুযোগ সৃষ্টি হলে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যে আরও কতটা উন্নত হবে, তা সহজেই অনুমেয়।


          তথ্যসূত্র:
          1.Stability of the Afghani Currency in the Test of Turbulent Economy
          https://tinyurl.com/2v5fehde
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            বুরকিনা ফাসো || জেএনআইএম মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রণে ২টি শত্রু সামরিক পোস্ট


            আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মুজাহিদিনরা বুরকিনা ফাসোর জান্তা বাহিনীর ২টি সামরিক পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন।

            আয-যাল্লাকা মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে, জেএনআইএম নিশ্চিত করেছে যে, গত ২৯শে জানুয়ারি বিকেলে, মুজাহিদিনরা বুরকিনা ফাসোর বাসোরি রাজ্যে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। অভিযানটি রাজ্যের গোরগোলি এলাকায় জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক পোস্ট লক্ষ্য করে চালানো হয়। পরে মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে জান্তা বাহিনী তাদের সামরিক পোস্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়।

            এমনিভাবে গত ২৭শে জানুয়ারি বিকেলে, মুজাহিদিনরা উয়াহিগুয়া রাজ্যের ইবুসুগু এলাকায় জান্তা বাহিনীর আরও একটি সামরিক পোস্টে অতর্কিত আক্রমণ চালান। এখান থেকেও জান্তা বাহিনী তাদের অবস্থান ছেড়ে পালিয়ে যায়। শত্রুর এই পলায়নের পর মুজাহিদিনরা উক্ত ২টি সামরিক পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নেন।

            আর উভয় অঞ্চলে মুজাহিদদের পরিচালিত আক্রমণে জান্তা বাহিনীতে মানবিক ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে জেএনআইএম তাদের সংক্ষিপ্ত বিবৃতি হতাহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকে।


            তথ্যসূত্র:
            https://tinyurl.com/y48enhcd
            https://tinyurl.com/3n5ujfxw
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment


            • #7
              মালির রাজধানী অভিমুখী জ্বালানি কনভয়ে জেএনআইএম এর হামলা: অর্ধশতাধিক ট্যাঙ্কার ও বেশ কিছু যান ধ্বংস



              পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালির রাজধানী বামাকো অভিমুখী জ্বালানি ট্যাঙ্কারগুলিতে জেএনআইএম মুজাহিদদের হামলা অব্যাহত রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় দলটির মুজাহিদিনরা গত ২৯শে জানুয়ারি, দেশটিতে জান্তা বাহিনীর জন্য সরবরাহকৃত কয়েক ডজন জ্বালানি ট্যাঙ্কারের একটি কনভয়ে বড়সড় অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন।

              আঞ্চলিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯শে জানুয়ারি বৃহস্পতিবার, সেনেগালের সীমান্ত থেকে পশ্চিম মালির কাইস শহরের দিকে যাওয়ার পথে একটি বড় ধরনের সামরিক অপারেশন চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদিনরা। মালির জান্তা প্রশাসনের জন্য জ্বালানি পরিবহনকারী ট্রাকের একটি নতুন কনভয় লক্ষ্য করে এই হামলাটি চালানো হয়েছে।

              স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রগুলো কনভয়ে হামলার পরের বেশ কিছু ভিডিও চিত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছে, যেখানে সড়কের দু’ধারে কয়েক ডজন জ্বালানি ট্যাঙ্কার পুড়তে দেখা গেছে, যার সংখ্যা ৫০ এরও বেশি। এছাড়াও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জান্তা বাহিনীর সামরিক যানগুলো লক্ষ্য করেও তীব্র আক্রমণ চালিয়েছেন মুজাহিদিনরা, ফলশ্রুতিতে আরও বেশ কিছু সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে। এই হামলার ফলে জান্তা বাহিনীর কয়েক ডজন সৈন্য নিহত হয়েছে এবং আরও কয়েক ডজন সৈন্য ও ট্রাক চালককে মুজাহিদিনরা জীবিত বন্দী করে নিয়ে গেছেন।

              এদিকে আয-যাল্লাকা মিডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেএনআইএম কনভয়ে অতর্কিত এই অভিযানের তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। তবে বিবৃতিতে শত্রুর মানবিক ও বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

              উল্লেখ্য যে, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা চার মাসেরও বেশি সময় ধরে, দক্ষিণ ও পশ্চিম মালির উপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে চলছেন। এই দুটি এমন অঞ্চল, যেই পথ ধরে সেনেগাল এবং আইভরি কোস্ট থেকে মালির জান্তা প্রশাসন জ্বালানি সরবরাহ করে থাকে। এই অবরোধের ফলে জান্তা কর্তৃপক্ষ গত বছর বিভিন্ন সরকারি অফিস, স্কুল এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিতে বাধ্য হয়েছিল। পরে জ্বালানি সরবরাহের উপর কিছুদিনের জন্য অবরোধ শিথিল করতে জেএনআইএম এর সাথে একটি চুক্তি করতে বাধ্য হয় জান্তা এবং রাশিয়ান সৈন্যদের সমন্বয়ে গঠিত সামরিক সরকার। এই চুক্তির ফলে গত বছরের ডিসেম্বরে বামাকোতে বেশ কিছু সরবরাহ কনভয় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়।

              তবে, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারির শুরু থেকেই, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা তাদের আক্রমণ আবারও তীব্র করেছেন। ফলে মালির রাজধানী এবং অন্যান্য শহর জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। আর জেএনআইএম এর এই আক্রমণগুলি উল্লেখযোগ্যভাবে কায়েস অঞ্চলে পরিচালিত হচ্ছে। অঞ্চলটি খনিজ সম্পদ এবং একটি সংযোগস্থল অবস্থানের কারণে কৌশলগত।


              তথ্যসূত্র:
              https://chirpwire.net/thread/1057850
              নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

              Comment

              Working...
              X