Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ২৫ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ২৫ শাবান, ১৪৪৭ হিজরি || ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    বুরকিনা ফাসো || জেএনআইএম মুজাহিদদের পৃথক আক্রমণে অন্তত ১০ জান্তা সদস্য নিহত



    আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম), সম্প্রতি দলটির মুজাহিদিনরা বুরকিনা ফাসোর ৫টি ফ্রন্টে পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। ফলশ্রুতিতে বহু সংখ্যক শত্রু সৈন্য নিহত এবং আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

    আঞ্চলিক গণমাধ্যম আয-যাল্লাকা মিডিয়া কর্তৃক গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ৩টি পৃথক বিবৃতি থেকে জানা যায়, জেএনআইএম মুজাহিদিনরা সম্প্রতি বুরকিনা ফাসোর ওয়াহিগৌয়া, দিদৌগো, সৌম, লোরৌম এবং তেনকোডুগু রাজ্যে অন্তত ৬টি পৃথক অপারেশন পরিচালনা করেছেন।

    সূত্রমতে, ওয়াহিগৌয়া রাজ্যের বাঙ্গো এবং র‍্যাম্বো এলাকায় অবস্থিত জান্তা বাহিনীর দুটি সামরিক পোস্টে একযোগে আক্রমণ চালান মুজাহিদিনরা। এই অভিযানে বুরকিনান জান্তা বাহিনীর অন্তত ৭ সদস্য নিহত হয়।
    একইভাবে দিদৌগো রাজ্যের ওলা এলাকায় একটি সামরিক পোস্টে মুজাহিদদের হামলার ঘটনায় ২ জান্তা সদস্য নিহত হয়।

    এদিকে তেনকোডুগু রাজ্যের জানবিন্দো এলাকায় অবস্থিত জান্তা বাহিনীর আরও একটি সামরিক পোস্টে হামলা চালান মুজাহিদিনরা। এতে বুরকিনান জান্তা বাহিনীর ১ সদস্য নিহত হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়।
    জেএনআইএম মুজাহিদিনরা এই অভিযানগুলো শেষে জান্তা বাহিনী থেকে ৪টি মেশিনগান, ২টি মোটরসাইকেল, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র এবং অন্যান্য সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।

    এদিকে, বুরকিনা ফাসোর সৌম এবং লোরৌম রাজ্যে জান্তা বাহিনীর ২টি টহলদলকে লক্ষ্য করেও সফল আক্রমণ চালান মুজাহিদিনরা। টহল দলগুলো টার্গেট করে অন্তত ৫টি বিস্ফোরক ডিভাইস দিয়ে মুজাহিদিনরা এই আক্রমণগুলো পরিচালনা করেন। এতে শত্রু বাহিনীতে হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং ব্যাপক বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়।

    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/3arcftph
    https://tinyurl.com/nszkwp5v
    https://tinyurl.com/5n79db26​
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    বালখ প্রদেশে ওষুধ শিল্পে সম্প্রসারণ, স্বনির্ভরতার পথে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান



    পাকিস্তান থেকে ওষুধ আমদানির ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারির পর আফগানিস্তানে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ওষুধের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে সংশ্লিষ্ট কারখানাগুলোতে শ্রমিকের সংখ্যাও বেড়েছে, যা দেশের ওষুধ শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

    বালখ প্রদেশের একটি কারখানার প্রধান জামারগ শিনওয়ারি এক সাক্ষাৎকারে জানান, বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তাদের কারখানায় কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ওষুধ উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, আগে যেখানে প্রায় তিন হাজার পণ্য উৎপাদন করা হতো, বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে ছয় হাজার থেকে আট হাজারে পৌঁছেছে। একই কারখানার কর্মী মোহাম্মদ জাফর মোহাম্মাদি জানান, দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট এবং আফগানিস্তান ধীরে ধীরে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

    কারখানার ওষুধ প্রস্তুতকারীরা দেশীয়ভাবে উৎপাদিত ওষুধের মান সম্পর্কে আস্থা প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, আফগানিস্তানে উৎপাদিত ওষুধের মান আমদানিকৃত ওষুধের তুলনায় উন্নত। তারা দেশের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার কথাও উল্লেখ করেন। অন্যদিকে বালখ প্রদেশের শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করেন, দেশীয় উৎপাদনের মান উন্নয়ন আমদানি হ্রাস এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে বালখ প্রদেশে দুটি ওষুধ উৎপাদন কারখানা আছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আরও একটি কারখানা চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশীয় শিল্পের এই অগ্রগতি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও স্বনির্ভরতার পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যখাতেও ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

    তথ্যসূত্র:
    1.Local Medicine Production Increases After Ban on Pakistani Imports
    https://tinyurl.com/msuru9pc​
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      হেরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের জন্য প্রশিক্ষণ হাসপাতাল নির্মাণ করবে ইমারাতে ইসলামিয়া



      হেরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ হাসপাতাল নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগকে চিকিৎসা শিক্ষার অগ্রগতিতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

      উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মেডিসিন অনুষদের শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ গ্রহণে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে আসছিল। নতুন প্রশিক্ষণ হাসপাতাল নির্মাণের মাধ্যমে এসব সমস্যার কার্যকর সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। হাসপাতালটি চালু হলে শিক্ষার্থীরা সরাসরি চিকিৎসা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে, যার ফলে তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ চিকিৎসা শিক্ষাকে আরও বাস্তবভিত্তিক ও যুগোপযোগী করে তুলবে এবং ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের পেশাগত প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে।

      এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে চিকিৎসা শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মনে করছে, প্রশিক্ষণ হাসপাতালটি চালু হলে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুসংগঠিত প্রশিক্ষণ পরিবেশ সৃষ্টি হবে, যা সামগ্রিকভাবে চিকিৎসা খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

      তথ্যসূত্র:
      1.The Ministry of Higher Education announced that the construction of a teaching hospital
      https://tinyurl.com/4ja7tjf4​
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        ইমারাতে ইসলামিয়ার হেরাতে দেশের অন্যতম বৃহৎ সিমেন্ট কারখানার নির্মাণকাজ শুরু


        আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে দেশটির অন্যতম বৃহৎ শিল্প স্থাপনা, হেরাত সিমেন্ট কারখানার নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ইমারাতে ইসলামিয়া। ১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার হেরাতের স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, এই মেগা প্রকল্পের কংক্রিট ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৪ মাসের মধ্যে প্রকল্পটির নির্মান কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

        প্রতিদিন তিন হাজার টন সিমেন্ট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এই কারখানাটি নির্মিত হলে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদার ৬০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন দেশের আমদানিনির্ভরতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

        এছাড়াও, শিল্প প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হলে হেরাত প্রদেশসহ দেশের বিপুল সংখ্যক বেকার যুবকের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। স্থানীয় প্রশাসন এবং কোম্পানি কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে এবং স্থানীয় জনগণের জন্য এর সুফল নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করবে বলে জানিয়েছে।

        সিমেন্ট শিল্পের এই মেগা প্রকল্প ইমারাতে ইসলামিয়ার শিল্প ও আত্মনির্ভরশীলতা নীতিরই বাস্তব প্রতিফলন। প্রকল্পটি শেষ হলে দেশের সিমেন্ট খাতে তথা অবকাঠামোগত উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

        তথ্যসূত্র:
        1.Practical Work Officially Begins on Herat Cement Project
        https://tinyurl.com/5n92yzzc​
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          কেনিয়ায় আশ-শাবাব মুজাহিদদের অভিযানে শত্রু বাহিনীর অফিসার সহ ৪ সৈন্য নিহত, আহত আরও ২


          পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার গারিসা রাজ্যে একটি শত্রু সামরিক ঘাঁটিতে আশ-শাবাবের হামলার ঘটনায় অন্তত ৬ শত্রু সৈন্য হতাহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
          আঞ্চলিক সংবাদ চ্যানেল শাহাদাহ এজেন্সির তথ্যমতে, গত ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে, হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিনরা কেনিয়ার গারিসা রাজ্যের ইয়ুনবাস এলাকায় একটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছেন। অভিযানটি উক্ত এলাকায় অবস্থিত ক্রুসেডার সেনাবাহিনীর একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। এতে হারাকাতুশ শাবাব মুজাহিদিন ও কেনিয়ান ক্রুসেডার বাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই সংঘটিত হয়। এসময় মুজাহিদদের তীব্র আক্রমণে ক্রুসেডার বাহিনীর ১ অফিসার এবং আরও ৩ সৈন্য নিহত হয়, এছাড়াও অন্য ২ সৈন্য গুরুতর আহত হয়।

          তথ্যসূত্র:
          https://tinyurl.com/4sy27csr​
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            নাইজার: জেএনআইএম মুজাহিদদের নিয়ন্ত্রণে শত্রু সামরিক পোস্ট




            নাইজারের টিলাবেরি রাজ্যে জান্তা বাহিনীর একটি সামরিক পোস্টে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। আঞ্চলিক প্রতিরোধ বাহিনী ‘জেএনআইএম’ এক বিবৃতিতে এই হামলার পর একটি সামরিক পোস্ট নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে।

            বৈশ্বিক প্রতিরোধ বাহিনী জেএনআইএম এর প্রচার চ্যানেল আয-যাল্লাকা কর্তৃক গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুজাহিদিনরা নাইজারের টিলাবেরি রাজ্যের কৌরেতে একটি সফল অভিযান চালিয়েছেন।
            উক্ত এলাকায় নাইজার সেনাবাহিনীর একটি সামরিক পোস্ট লক্ষ্য করে জেএনআইএম মুজাহিদিনরা অভিযানটি পরিচালনা করেন। এতে নাইজার জান্তা বাহিনীর অন্তত ৩ সৈন্য নিহত হয় এবং অন্যরা সামরিক পোস্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়। শত্রু সৈন্যদের পলায়নের পর মুজাহিদিনরা সামরিক পোস্টের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং বেশ কিছু অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।

            গনিমত হিসাবে জেএনআইএম মুজাহিদদের প্রাপ্ত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১টি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, বেশ কিছু ম্যাগাজিন, পিস্তল, বুলেট চেইন, ল্যাপটপ এবং অন্যান সরঞ্জাম। এছাড়াও জান্তা বাহিনীর ২টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে।

            তথ্যসূত্র:
            https://tinyurl.com/ymwh56kf​
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X