Announcement

Collapse
No announcement yet.

মুজাহিদীন নিউজ || ০৪ রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

Collapse
This is a sticky topic.
X
X
 
  • Filter
  • Time
  • Show
Clear All
new posts

  • মুজাহিদীন নিউজ || ০৪ রমযান, ১৪৪৭ হিজরি || ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ঈসায়ী

    পাকিস্তানি নৃশংস হামলার প্রতিবাদে কাবুলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে তলব



    নানগারহার প্রদেশ ও পাকতিকা প্রদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর সাম্প্রতিক হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে কাবুলে অবস্থানরত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আনুষ্ঠানিকভাবে আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।

    ইমারাতে ইসলামিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংস হামলার ফলে বহু বেসামরিক নাগরিক শহীদ ও আহত হয়েছেন, যা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। এ ঘটনায় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে মন্ত্রণালয়ে ডেকে আফগানিস্তানের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। প্রতিবাদপত্রে আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন এবং সাধারণ মানুষের ওপর বোমাবর্ষণকে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানানো হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করেছে, পাকিস্তানি বাহিনীর এ ধরনের পদক্ষেপ আফগানিস্তানের ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রকাশ্য লঙ্ঘন এবং একটি উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত। বৈঠকে পাকিস্তানি কূটনীতিককে স্পষ্টভাবে জানানো হয় যে, দেশের আকাশসীমা রক্ষা করা ইমারাতে ইসলামিয়ার একটি শরয়ী দায়িত্ব এবং সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যে, ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনও ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটলে তার গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব পাকিস্তানকেই বহন করতে হবে।


    তথ্যসূত্র:
    1.د ا.ا.ا. د بهرنیو چارو وزارت کابل کې د پاکستان سفیر احضار کړ.
    https://tinyurl.com/8e7hr8c8
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

  • #2
    শাবান মাসে আফ্রিকার সাহেলে জেএনআইএম-এর ১০৩টি সামরিক অপারেশন: নিহত ২৪১ এরও বেশি শত্রু সেনা


    আল-কায়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম), গত শাবান মাসে দলটির মুজাহিদিনরা আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের ৩টি দেশে অন্তত ১০৩টি সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন।

    জেএনআইএম এর প্রচার চ্যানেল আয-যাল্লাকা মিডিয়া সম্প্রতি একটি ইনফোগ্রাফি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এতে আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের দেশ মালি, বুরকিনা ফাসো এবং নাইজারে জেএনআইএম মুজাহিদদের সামরিক কার্যক্রমগুলো তুলে ধরা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুজাহিদিনরা গত শাবান মাসে এই অঞ্চলে জান্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অন্তত ১০৩টি সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছেন। এসকল অভিযানের মধ্যে রয়েছে ৬০টি সম্মুখ যুদ্ধ, ১১টি অ্যাম্বুশ, ২৮টি বিস্ফোরক ডিভাইস বিস্ফোরণ এবং ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, জেএনআইএম মুজাহিদদের এসকল অভিযানে ৩টি দেশের জান্তা বাহিনীর অন্তত ২৪১ সেনা সদস্য নিহত হয়েছে এবং আরও বহু সংখ্যক সৈন্য আহত হয়েছে। এছাড়াও মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনীর ৩৭টি সামরিক যানবাহন এবং অগণিত সরঞ্জাম ধ্বংস করেছেন।

    এসময় মুজাহিদিনরা গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন যানবাহন, মোটরসাইকেল, অস্ত্র এবং গোলাবারুদ। অর্জিত এসকল গনিমতের মধ্যে রয়েছে ১০টি যানবাহন, ৭৫টি মোটরসাইকেল, ১৮টি আরপিজি, বিভিন্ন ধরনের অন্তত ১৮৬টি ভারি অস্ত্র এবং অসংখ্য গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম। এছাড়াও মুজাহিদিনরা একাধিক শত্রু সৈন্যকে যুদ্ধবন্দী হিসাবে আটক করেছেন।


    তথ্যসূত্র:
    https://tinyurl.com/t2z737pk
    https://tinyurl.com/y4hav4d7
    নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

    Comment


    • #3
      বুরকিনা ফাসোতে ২টি শত্রু সামরিক ব্যারাকে জেএন‌আইএম মুজাহিদদের হামলায় অন্তত ১৩ শত্রু সেনা নিহত




      পশ্চিম আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের দেশ বুরকিনা ফাসো। সম্প্রতি দেশটির কিয়া এবং ফাদাঙ্গুরমায় ২টি পৃথক হামলা চালিয়েছেন আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট জামা’আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মুজাহিদিনরা।

      আয-যাল্লাকা মিডিয়ার কর্তৃক ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, মুজাহিদিনরা বুরকিনা ফাসোর কিয়া রাজ্যের সেদগোয়েতে একটি সামরিক পোস্টে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন। মুজাহিদদের এই অভিযানে
      ৩ বুরকিনান সৈন্য নিহত হয় এবং অন্যরা সামরিক পোস্ট ছেড়ে পালিয়ে যায়। এসময় মুজাহিদিনরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু মেশিনগান, গোলাবারুদ এবং মোটরসাইকেল গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।

      এমনিভাবে, ফাদাঙ্গুরমা রাজ্যের ব্লাঙ্গা এলাকাতেও একটি অতর্কিত আক্রমণ চালান জেএনআইএম মুজাহিদিনরা। শত্রু বাহিনীর একটি সামরিক ব্যারাক লক্ষ্য করে মুজাহিদদের পরিচালিত অতর্কিত এই আক্রমণে বুরকিনান জান্তা বাহিনীর অন্তত ১০ সৈন্য নিহত হয় এবং অন্য সৈন্যরা জীবন বাঁচাতে সামরিক ব্যারাক ছেড়ে পালিয়ে যায়। এই সংঘর্ষের পর মুজাহিদিনরা শত্রু বাহিনী থেকে ১টি সামরিক যান, বিভিন্ন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম এবং অন্যান্য সরবরাহ গনিমত হিসাবে জব্দ করেন।


      তথ্যসূত্র:
      https://tinyurl.com/f8bs2hfh
      নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

      Comment


      • #4
        পাকিস্তানের বিমান হামলায় শহীদদের পরিবারের পাশে ইমারাতে ইসলামিয়া


        নানগারহার প্রদেশের বেহসুদ জেলায় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় শহীদ ও আহতদের পরিবারের খোঁজখবর নিতে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা পৌঁছে দিতে নির্দেশ দিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া কর্তৃপক্ষ। ইমারাতে ইসলামিয়ার স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।

        নানগারহারের উপ-গভর্নর এবং ২০১ সেনা কর্পসের উপ-কমান্ডার বেহসুদ জেলার গারদি কাচ এলাকায় পৌঁছেছেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। পাকিস্তানি বিমান হামলায় অন্তত ২৩ জন বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জন নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশুরাও রয়েছে।

        ইমারাতে ইসলামিয়ার কর্মকর্তারা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করে এই হামলা চালানো হয়েছে।

        ইমারাতে ইসলামিয়া নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। কর্তৃপক্ষ আহতদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করারও নির্দেশ দিয়েছে। উদ্ধারকাজ অব্যাহত রেখে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া অন্যদের উদ্ধারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


        তথ্যসূত্র:
        1.Emergency Aid Being Head to Nangarhar Victim Families
        https://tinyurl.com/2kf2e6yz
        নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

        Comment


        • #5
          সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে আফগানিস্তানে ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান, নারী শিশুসহ অন্তত ১৭ জন শহীদ



          আফগানিস্তানের নানগারহার এবং পাকতিকা প্রদেশের বেশ কয়েকটি এলাকায় বেসামরিক জনগণকে লক্ষ্য করে বর্বর ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। পাকতিকা প্রদেশের বারমাল জেলায় রাতের আঁধারে চালানো এই হামলায় নারী শিশুসহ কয়েক ডজন নিরীহ বেসামরিক নাগরিক শহীদ ও আহত হয়েছে।

          স্থানীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার ভোরে পাকতিকা প্রদেশের বারমাল জেলার মুরগা এলাকার বান্দোরি গ্রামে একটি মাদ্রাসা এবং একাধিক সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি লক্ষ্য করে এই বিমান হামলা চালানো হয়। বর্বর এই হামলায় এখন পর্যন্ত নারী শিশুসহ অন্তত ১৭ জন নিরীহ বেসামরিক মানুষ নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

          আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জাতীয় সার্বভৌমত্বের এই স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এই বর্বর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং এটিকে আন্তর্জাতিক আইন, সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতি এবং ইসলামী মূল্যবোধের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।


          তথ্যসূত্র:
          1.بيان وزارة الدفاع الوطني للإمارة أفغانستان الإسلامية بشأن انتهاك المجال الجوي لأفغانستان من قبل النظام العسكري الباكستاني
          https://tinyurl.com/y6tcerc2
          2. 23 Innocents, Including Entire Families, Buried in Rubble After Savage Pakistani Airstrike
          https://tinyurl.com/59mes4np
          নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

          Comment


          • #6
            আমরা যথাসময়ে পাকিস্তানের সামরিক আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দেব: আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়



            পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী কর্তৃক আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন ও নানগারহার এবং পাকতিকা প্রদেশে বেসামরিক স্থাপনায় পরিচালিত নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা এবং যথাসময়ে উপযুক্ত জবাব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ২২ ফেব্রুয়ারি, রবিবার গভীর রাতে সংঘটিত এই হামলায় একটি মাদরাসা ও বেশ কয়েকটি আবাসিক বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং নারী শিশুসহ কয়েক ডজন নিরীহ বেসামরিক নাগরিক শহীদ ও আহত হয়েছেন।

            প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পূর্ববর্তী আগ্রাসনের ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের সামরিক শাসক গোষ্ঠী পুনরায় আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। রবিবার গভীর রাতে নানগারহার প্রদেশের খোগিয়ানি, বেহসুদ ও গনি খেল জেলা এবং পাকতিকা প্রদেশের বেরমাল ও আরগুন জেলার বেসামরিক এলাকাগুলোতে এসব হামলা চালানো হয়।

            বিবৃতিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয় যে, বেহসুদ জেলার একটি বেসামরিক বাড়ি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় শাহাবুদ্দিন নামের এক বাসিন্দার পুরো পরিবার ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে। এতে এক বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৮০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত এক পরিবারেরই কমপক্ষে ১৬ সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া, পাকতিকা প্রদেশের বেরমাল জেলার একটি মাদ্রাসাতে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় কয়েক ডজন বেসামরিক মানুষ হতাহতের শিকার হয়েছেন।

            মন্ত্রণালয় এই হামলাকে আফগানিস্তানের ভৌগোলিক সীমার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক আইন, সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতি এবং ইসলামী মূল্যবোধের স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, বেসামরিক নাগরিক ও ধর্মীয় কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো এই বর্বরোচিত হামলা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা ব্যর্থতারই বহিঃপ্রকাশ। নিজেদের অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ঢাকতেই তারা এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

            জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের সীমানা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে নিজের ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করে সতর্ক করে দিয়েছে যে, উপযুক্ত সময়ে এই সন্ত্রাসী হামলার জবাব দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ। বিবৃতিতে বলা হয়, বারবার আগ্রাসন চালিয়েও পাকিস্তান তার অভ্যন্তরীণ ত্রুটিগুলো ঢাকতে সক্ষম হবে না। ইমারাতে ইসলামিয়ার সরকার ও জনগণ এই ধরনের কর্মকাণ্ডের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।


            তথ্যসূত্র:
            1.بيان وزارة الدفاع الوطني للإمارة أفغانستان الإسلامية بشأن انتهاك المجال الجوي لأفغانستان من قبل النظام العسكري الباكستاني
            https://tinyurl.com/2pf3nhn6
            নিয়মিত খবর পড়তে ভিজিট করুনঃ https://alfirdaws.org

            Comment

            Working...
            X